অতনু ঘোষ মানেই একটু অন্যরকম | চেনা বাংলা ছবিতে অচেনা স্বাদ | তাঁর নতুন ছবি অ্যাবি সেন | কল্পবিজ্ঞানের ছোঁয়ায় এ ছবিতে থাকছে টাইম ট্র্যাভেল | বাংলালাইভের পক্ষে তাঁর সঙ্গে কথা বললেন তন্ময় দত্ত গুপ্ত |

 

সামনেই আপনার ছবি অ্যাবি সেন রিলিজ করছে।ছবিতে একজন মানুষ একটা ক্যাপসুল খেয়ে আশির দশকে পিছিয়ে যায়।ওই আশির দশক আপনার কাছে কেন গুরুত্বপূর্ণ?

অতনু ঘোষ : তন্ময় তোমার প্রশ্নের উত্তরকে আমি দুটো ভাগে ভাগ করছি।টাইম ট্র্যাভেল কল্পবিজ্ঞানের খুবই জনপ্রিয় ধারা।১৯২৩ কি ২৫-এ টাইম ট্র্যাভেল  নিয়ে প্রথম গল্প বের হয়।ফেলে আসা সময়ে ফিরে যাওয়ার ইচ্ছে আমাদের প্রত্যেকের আছে।কল্পবিজ্ঞান মানে শুধু ফ্যান্টাসি নয়।কল্পবিজ্ঞান এমন একটা রূপকথা যার মধ্যে বৈজ্ঞানিক ভিত্তি আছে।অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানী অ্যালবার্ট আইনস্টাইনের জীবনের তিরিশ বছরের বিখ্যাত কাজ “থিওরি অফ রিলেটিভিটি”।আইনস্টাইন মারা যান ৫৫ সালে।কিন্তু তার মৃত্যুর পরেও টাইম ট্র্যাভেল নিয়ে গবেষণা  চলছে।গতবছর রোন্যাল্ড ম্যালেট বলে একজন অধ্যাপক “সাইন্টিফিক অ্যামেরিকানে” টাইম ট্র্যাভেল সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন।উনি বলেছেন অদূর ভবিষ্যতে বা নিকট ভবিষ্যতে টাইম ট্র্যাভেল একটা সত্যি ঘটনায় রূপান্তরিত হবে।

মানে আজকের ফ্যান্টাসি কালকের বাস্তব হয়ে উঠবে?

অতনু ঘোষ : হ্যাঁ।টাইম ট্র্যাভেল আমার ব্যক্তিগত জায়গা থেকে খুব প্রিয় বিষয়।এই বিষয় সম্পর্কে আমার আগ্রহ যতখানি ঠিক ততখানি আগ্রহ অ্যাবি সেনের।অ্যাবি সেন আমার মতোই সায়েন্স ফিকশনের পোকা।অজস্র গল্পে সিনেমায় আমরা টাইম ট্র্যাভেলকে পেয়েছি।কিন্তু আমাদের অ্যাবি সেনের গল্প অন্যান্য টাইম ট্র্যাভেলের গল্প থেকে আলাদা।এই গল্পের একটা মৌলিক দিক আছে।

গল্পের মৌলিক দিকটা ঠিক কোন জায়গায় ?

অতনু ঘোষ :অ্যাবি সেন একজন মেধাবী মানুষ।তবুও একের পর এক টেলিভিশন চ্যানেল থেকে তার চাকরি চলে যায়।অপমান,হতাশা,বিষাদ— অ্যাবির মনের মধ্যে জমতে থাকে।ফলে সে জীবন থেকে পালাতে চায়।কিন্তু পালিয়ে সে কোথায় যাবে?অ্যাবির মধ্যে স্বপ্ন দেখার প্রবণতা আছে।আর সে নিজে মনে করে তার  জীবনটা সিনেমার মতো।এই সূত্র ধরে তার এক বন্ধু তাকে বলে — “একদিন তোর জীবন নিয়ে  সিনেমা হবে।যার নাম হবে অ্যাবি সেন”।এই বন্ধুই তাকে নিয়ে যায় এক ভদ্রলোকের কাছে।যার মগজে টেলিভিশনের ইতিহাস ভরপুর।তার নাম ধীরাজ ভট্টাচার্য।এই চরিত্রে পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায় অভিনয় করছেন।ধীরাজ ভট্টাচার্য অ্যাবিকে তেত্রিশ বছর পিছিয়ে যেতে বলে।কারণ সেই সময়ে টেলিভিশনে এতো কম্পিটিশন ছিল না।

আরও পড়ুন:  ১৯৬৬-র বাংলা ছবির রেসিপি থেকেই কি ‘মাছের ঝোল’ তৈরি?

সেই সময়টা কি আশির দশক?

অতনু ঘোষ : হ্যাঁ।তখন টেলিভিশন চ্যানেল বলতে একমাত্র দূরদর্শন ছিল।কিছু মানুষ তখন চেষ্টা করছিল বেসরকারী বাংলা চ্যানেল তৈরী করার।ধীরাজ ভট্টাচার্যের পিছিয়ে যাওয়ার প্রস্তাব শোনার পর অ্যাবি দেখা করে বৈজ্ঞানিক প্রিয়াংশু শর্মার সঙ্গে।প্রিয়াংশুর চরিত্রে অভিনয় করেছেন চিরঞ্জিত চক্রবর্তী।অ্যাবিকে একটা ক্যাপসুল খাইয়ে  প্রিয়াংশু ১৯৮০-তে পাঠিয়ে দেয়।এই ভাবে অ্যাবির ১৯৮০তে আসা এবং  অনেকগুলো ঘটনা বা সম্পর্কের মধ্যে জড়িয়ে পড়া।১৯৮০সালের জার্নিতে অ্যাবি  সাফল্য এবং ব্যর্থতা এই দুইয়েরই মুখোমুখি হয়।অ্যাবি কি আবার ২০১৩-য় ফিরে আসবে?শেষ পর্যন্ত সে কোন উপলব্ধির সামনে দাঁড়াবে?—এই হলো অ্যাবি সেনের গল্প।অ্যাবি সেনের ভূমিকায় অভিনয় করেছে আবির চ্যাটার্জী।

সেটা বুঝলাম।কিন্তু ১৯৮০ সাল আপনার কাছে কেন গুরুত্বপূর্ণ?

অতনু ঘোষ : হ্যাঁ সেখানেই আসছিলাম।নির্দিষ্ট ভাবে ১৯৮০ কে ঘিরে যে আমার অনেক স্মৃতি নস্টালজিয়া রয়েছে,তেমন নয়।আমি ছবিতে আশির দশকের অনেক কিছুকে দেখিয়েছি।ওই সময় আমার বয়স ছিল এগারো ।তখন এমন অনেক কিছু ছিলো যেগুলো আজ আর পাওয়া যায় না।হরিণ ঘাটার দুধের ডিপো,রেডিও,গ্রামাফোন রেকর্ড,বঙ্গলিপি খাতা ইত্যাদি।আশির দশক-কে নির্বাচন করার কতোগুলো বিশেষ কারণ রয়েছে।যেটা ছবি দেখলে স্পষ্ট হবে।এমন কিছু মানুষ এবং ঘটনা সেই সময়ের বাঙালি জীবনযাত্রার সঙ্গে জড়িয়ে আছে যা আশির দশককে চিহ্নিত করে।এবং যেটা আমার ছবির পক্ষে প্রাসঙ্গিক।

এই ছবির আইডিয়া কী ভাবে এলো?

অতনু ঘোষ : টাইম ট্র্যাভেল নিয়ে অনেক গল্প লেখা হয়েছে।অনেক সিনেমা হয়েছে।অ্যাবি সেন তার মধ্যে একটা। কিন্তু সময় থেকে পিছিয়ে যাওয়া ছাড়া আর কোনও কিছুর সঙ্গে “অ্যাবি সেন” সিনেমার মিল নেই। এই ছবির মূলে রয়েছে একজন মানুষ এবং তার মন।সেই সঙ্গে রয়েছে বাঙালি সমাজের দুই অধ্যায়।একটা হলো ২০১৩-র বাঙালি সমাজ এবং অন্যটা হলো ১৯৮০-র বাঙালি জীবন।

আজকের সময়ে দাঁড়িয়ে এরকম টাইম ট্র্যাভেলের ছবি করার কোনও কারণ আছে?

অতনু ঘোষ : ফ্যান্টাসির প্রতি আমার আকর্ষণ বরাবরের।আমার অনেক ছবিতে ফ্যান্টাসি এবং রিয়ালিটি এসেছে।“তখন তেইশ”,“রূপকথা নয়”-তেও ফ্যান্টাসি প্রাধান্য পেয়েছে।কিন্তু অ্যাবি সেনে ফ্যান্টাসি খুব জোরালো ভাবেএসেছে।ফ্যান্টাসি এবং রিয়ালিটির একটা মাধ্যম হলো টাইম ট্র্যাভেল।তাই টাইম ট্র্যাভেল-কে বেছে নেওয়া।

আরও পড়ুন:  অন্য এক মডেল-অভিনেত্রীর জন্য প্রথম অভিনয়ের সুযোগ পান দীপিকা

টাইম ট্র্যাভেল যদি ভবিষ্যতে সত্যি হয়ে ওঠে তাহলে কী অবস্থায় দাঁড়াবে এই পৃথিবী?

অতনু ঘোষ : সেটা সত্যি হলেও একটা প্রশ্ন থেকে যাবে।এর পরেও কি আমরা চরম সুখ বা চরম আনন্দের জায়গায় পৌছাতে পারব? নাকি আবেগ অনুভূতির টানাপোড়েনের মধ্যে থাকব? বিজ্ঞানের দান বড়? নাকি মানুষের মনের অনুভূতি  বড়? এরকম  নানান প্রশ্নের সামনে দাঁড় করায় অ্যাবি সেন।

দর্শকদের ভালো লাগা অনুসারে আপনি ছবি বানান নাকি নিজের ভালো লাগাকে প্রাধান্য দেন?

অতনু ঘোষ : দর্শকদের ভালো লাগা অনুসারে ছবি তৈরী করতে গেলে তো জনপ্রিয়তার জায়গা থেকে ছবি তৈরী করতে হয়।নতুন বিষয় নিয়ে ছবি করলে,দর্শকদের চাহিদার কথা মাথায় আসে না।কারণ সেগুলো টেস্টেড নয়।নতুন বিষয় মানে আনটেস্টেড বিষয়।

অ্যাবি সেনেরচরিত্র নির্বাচন করলেন কিভাবে ?

অতনু ঘোষ : কিছু মুখ কিছু আকৃতির মাধ্যমে আমি ক্যারেক্টার সিলেকশন করেছি।রাইমা, চিরঞ্জিত, ব্রাত্য বসু,প্রিয়াংকা সরকার তার মধ্যে পরে।আর কিছু অভিনেতাকে নির্বাচন করেছি যাদের নিয়ে আমি এক্সপিরিমেন্ট করতে পারব।যারা এইরকম চরিত্র আগে করেনি।অরুণিমা,কাঞ্চন এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য।

 একটা টাইম মেশিন পেলে আপনি কী অতীতের দিকে ফিরবেন নাকি ভবিষ্যতের দিকে এগোবেন?

অতনু ঘোষ : এই ছবি করার আগে  টাইম ট্র্যাভেল সম্পর্কে আমি এতোটা অনুভব করিনি।এই ছবি করার পর আমার মনে হয়, আমার সঙ্গে অ্যাবি সেনের খুব মিল।আমার অ্যাবি সেনের মতো সময়ের থেকে এগিয়ে এবং পিছিয়ে যেতে ইচ্ছে করে।

অ্যাবি সেন কি তাহলে সম্পূর্ণরূপে অতনু ঘোষের প্রতিচ্ছবি?

অতনু ঘোষ : না, সেটা নয়।কারণ ‘অ্যাবি সেন’ বাস্তব ঘটনা ভিত্তিক গল্প নয়।এই গল্পের মূল মোড়ক হলো রূপকথা। আমার বাস্তব অভিজ্ঞতার সঙ্গে এই গল্পের কোনও মিল নেই।তবে এটা ঠিক অ্যাবির একটা জাগ্রত মন আছে।সেই জাগ্রত মনের সঙ্গে আমি খুব ইন্টিমেটলি রিলেট করতে পারি।অ্যাবির মতো আমারও স্বপ্ন দেখা ও লড়াই করার মন আছে।

আরও পড়ুন:  রানির সকাল শুরু হয় সিগারেট দিয়ে‚ অ্যাঞ্জেলিনার পছন্দ আরশোলা - তারকাদের উদ্ভট অভ্যাস

ঋত্বিক ঘটক, মৃণাল সেন এবং অন্যান্য  বড়মাপের পরিচালকদের ছবিতে একটা সাংস্কৃতিক হস্তাক্ষর বা সিগনেচার স্টেটমেন্ট থাকে।আপনার ছবিতে কি তেমন সাংস্কৃতিক হস্তাক্ষর বা সিগনেচার স্টেটমেন্ট আছে?

অতনু ঘোষ : এটা তো সমালোচকেরা বলতে পারবেন।তোমরা বলতে পারবে।আমার বলাটা উচিত হবেনা। আমার মনে হয় কোথাও আমার কাজের একটা ধারাবাহিকতা আছে।তুমি যে দুজন পরিচালকের নাম করলে, তার মধ্যে মৃণাল সেনের ছবি দেখে আমি বড় হয়েছি।মৃণাল সেনের একটা কথা আমি খুব বিশ্বাস করি।উনি বলেছেন, সিনেমাকে পরীক্ষা নিরীক্ষার মধ্যে দিয়ে এগিয়ে যেতে হবে।এতে সফলতা এবং ব্যর্থতা দুই আসতে পারে।আর এটাই সিনেমা তৈরীর মূল বিষয়।আমিও প্রত্যেকটা ছবির ক্ষেত্রে পরীক্ষা নিরীক্ষার স্তর খোলা রাখি।ফলে কখনও সফল হই।কখনও হইনি।

আপনার ছবিতে চারপাশের রাজনৈতিক অস্থিরতার তুলনায় ব্যক্তির অন্তর্দন্দ্ব,মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ বেশি দেখা যায় কেন?

অতনু ঘোষ : সমাজের বিভিন্ন স্তরের টানাপোড়েনের শহুরে রাজনীতি এবং সেই রাজনীতির প্রকাশ আমার “এক ফালি রোদ” সিনেমায় অনেকটাই এসেছে।সেখানে ব্যক্তির জায়গা খুব একটা নেই।ব্যক্তির দ্বন্দ্ব, অন্তর্দন্দ্ব,সমস্যা  মূলত আমার দুটো ছবিতে এসেছে।“তখন তেইশ” এবং “রূপকথা নয়”। কনস্টিটিউশনাল পলিটিক্স বা পার্টি কেন্দ্রিক রাজনীতিতে আমার কোনও দিনই আগ্রহ ছিল না। সিনেমায় কাহিনী কখনও চরিত্রকে নিয়ে যায়,কখনও চরিত্র কাহিনীকে এগিয়ে নিয়ে যায়।

“অ্যাবি সেন ছবিতে কি অ্যাবি সেন গল্পকে এগিয়ে নিয়ে গেছে?

অতনু ঘোষ : দেখো তন্ময় আমি বরাবরই গল্প বলতে চেয়েছি।কাহিনীর ওপর আমার নির্ভরতা চিরকালই ছিল।“অ্যাবি সেনে” গল্প খুব বড় ভূমিকা পালন করেছে।সেখানে গল্পের পরেই  চরিত্র আসছে।

কেউ কেউ বলেন আপনার ছবি বিদেশী ঢঙে তৈরী।এ ব্যাপারে আপনার কী মতামত?

অতনু ঘোষ : আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে সিনেমার এখন যে প্রয়োগ তার ধারে কাছেও আমার সিনেমা যায় না। আন্তর্জাতিক সিনেমার জমিতে বর্তমান বাংলা সিনেমার কোনও জায়গা নেই।এরকম অবস্থায় আমি একটা খুব সহজ সরল গল্প বলি বা বলতে চাই।যার অনেকগুলো স্তর আছে।

5 COMMENTS

  1. Atanu babu sohoj golpo sundor vabe boliyeder modhye onyotomo. Tokhon teish, rupkotha noy , movi dutote ai sohoj taner porichoy amra khub valovabe peyechi. abby sen kolpo bigganer golpo, Patalghor chara amar to adhunik kono movi sevabe mone porche na ja kolpobigganer upor based. se orthe abby sen bangla cinemar ekta ntun diker unmochhon ghotate pare. ashay roilam.

    asi tanmoy babur interview prosonge. bangla live e ami onar ager sob koti interviewi porechi. sundor, porisilito ebong porimito prosno nirbachone apnar juri mela var. motamuti sob kichukei touch kore jan olpo koyekti prosner madhyome . apnar interview kono just for gossip bole mone hoyna. alochonar modhye sotti janar onek bishoy thake.
    amar personal mot theke ekta kotha sudhu bolte pari , Atanu babu ke adhunik bangla cinemar kono prosngo tene ektu kotha bolar scope dite parte. mane onar moto sohoj golpo boliye manusher sathe ajker so called kichu high voltage moovir ekta tulonamulok alochona sonar khub ichha roilo. atanu babur simplesity vs so called celebretised comarcial moovi ai type kichu.
    and off course best of luck for abby sen,. dekhar jonno opekhhay roilam.

  2. I liked the interview , because of it’s content and unbiased straight forward questions with proper answers. In the film industry , specially in west making fantasy films with time capsules as a subject had been of major interst since long. However I wish all the success of this forthcoming film. Thank you.

  3. Atanu babu sohoj golpo khub sundor vabe boliye der modhye onnotomo ekjon. Tokhon teis, rupkotha noy er bolishtho udahoron. golper proti emon osomvob ekta tan toiri hoy je ek muhurto golpo theke hariye jawa jay na. abby sen ekta kolpo bigganer golpo, Patalghor chara recent time serokom ullekhjogg kono kolpo bigganer golpo amar mone porche na, se orthe abby sen bangla cinemar ekta ntun diker unmochon korte pare. ashay roilam.

    Asi Tanmoy babur interview prosonge, onar aro onek interview bangla live ami porechi. sohoj, porishilito ebong porimito prosno koray onar juri mala var. onar interview kokhonoi gossip type ba TRP baranor jonno mosladar meki prosner dali hoy na. every question is very sincire and monograhi. ovinondon Tanmoy babu ke.
    amar nijoswo mot theke ekta kotha boli, Atanu babu ke adhunik bangla cinemar kichu prosongo tene ekta alochonar point rakhte parte. mane onar moto sohoj golpo boliye vs so called high voltage moovi type . ajker diner kichu copy paste movvi abar kichu oti songbedon sil sloth moovi r sathe onar moto jhorjhore ekta monograhi golper chobi, ei prosonge onar montobyo sonar icchhay roilam.
    and off course best of luck for Abby Sen. moovi ta must watch er talikay roilo. suvo sarodiya.

  4. Atanu babu sohoj golpo ke sundor vabe boliyeder modye onyotomo ekjon. Tokhon teis, rupkotha noy tar bolistho example. onar chobir modhye bes tan tan ekta uttejona thake but kokhonoi seta mota dager noy. Abby Sen ekta kolpo bigganer golpo.. recent somoye Patalghor chara onyo kono bangla movvi mone porche na kolpobiggan based. se orthe abby sen ekta ntun dik unmochon korbe ai ashay roilam
    asi Tanmoy babur interview prosonge, apnar pray sob koyti interview i ami banglalove e porechi. khub marjito to the point ebong porimito prosno sajan. alpo kothatei sob kichu touch kore jay. apanr interview kokhonnoi sudhumatro gossip besis hoy na. alochonata porte bes valo lage.
    amar byktigoto mote atanu babu ke ahunik cinemar prosongo tene ekta tulonamulok alochona tanle valo hoto. mane onar moro simple golpo vs so called high voltage comercial moovi. onar sathe ai kichu copy paste golpo ebong kichu oti songbedonsil moovir ekta alochona sonar ichha eoilo