তেল ছাড়া ভারতীয় রান্না ভাবাই যায় না | কিন্তু সঠিক রান্নার তেল নির্বাচন করা কিন্তু খুব জরুরী | সঠিক তেল নির্বাচন করলে বিভিন্ন হার্ট ডিজিজ কম হবে‚ শরীরে কোলেস্টেরল কম জমবে‚ মোটা হবেন না এবং সঠিক হজম হবে | কিন্তু দোকানে তো বিভিন্ন রকমের তেল পাওয়া যায়‚ তার মধ্যে কোনটা কিনবেন? আজকে রইলো রান্নার তেল এবং তার উপকার |

রাইস ব্র্যান অয়েল : এই তেল প্রধানত দুটো কারণে ব্যবহার করবেন | প্রথমত কোলেস্টেরল কমায় | এই তেলে মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে যা শরীরে কোলেস্টেরল কমায় | এবং দ্বিতীয়ত এতে ভিটামিন E আর অ্যান্টি অক্সিডেন্ট আছে যা শরীরের জন্য ভালো | এছাড়াও এতে squalene আছে যা ত্বকের জন্য উপকারী |

অলিভ অয়েল : এই তেলে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট আছে‚ কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে‚ বাতের ব্যথা কমায়‚ পার্কিনসন্স আর অ্যালজাইমারস ডিজিজ কমাতে সাহায্য করে | এছাড়াও এই তেল হার্ট ভালো রখে |

সূর্যমুখী তেল : কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ দূরে রাখে‚ ফ্রি radicals কমায় যা ক্যান্সার আক্রান্তদের জন্য ভালো | এছাড়াও যাদের বাত আছে তারা এই তেল ব্যবহার করলে রিলিফ পাবে | এছাড়াও এই তেলে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট আছে যা কোলন ক্যান্সার প্রতিরোধ করে | এছাড়াও নার্ভাস সিস্টেম ঠিক রাখে |

গ্রাউন্ডনাট অয়েল : শরীরে শক্তি জোগায় কারণ এতে মনোস্যাচুরেটেড এবং পলিস্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে | এতে ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে যা হার্ট ভালো লাগে | ক্যান্সার‚ অ্যালজাইমারস ডিজিজ‚ ভাইরাল ফিভার এবং ফাংগাল ইনফেকশন দূরে রাখে |

সর্ষের তেল : সঠিক মাত্রায় খেলে হজম শক্তি বাড়ায় এবং খিদেও বাড়ায় | এছাড়াও জীবাণু‚ ভাইরাসের থেকেও শরীরকে বাঁচায় | এছাড়াও ঠান্ডা‚ কাশি এবং ত্বকের বিভিন্ন সমস্যার হাত থেকেও বাঁচায় | শরীরে বাথা বা ইনফ্ল্যামেশন কমাতেও সাহায্য করে |

নারকেল তেল : নারকেল তেল ব্যাকটেরিয়ার প্রতিরোধ করে | এছাড়াও শরীরের ইমিউনিটি এবং মেটাবলিজম বাড়ায় | উপরন্ত এতে উপকারী স্যাচুরেটেড ফ্যাটও থাকে |

তিল তেল : ডায়বেটিস এবং রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে এই তেল | এছাড়াও মুখের এবং দাঁতের সমস্যা কমাতে সাহায্য করে | ডিপ্রেশনের সঙ্গে মোকাবিলা করতেও সাহায্য করে এই তেল |

আরও পড়ুন:  শুধু আমিষই নয়, নিরামিষ ফল বা সব্জিতেও বাড়তে পারে যৌন ক্ষমতা‚ জানেন কি?

NO COMMENTS