কটকম সুদর্শন | ৫৫ বছর বয়সী এই মাওবাদী নেতাই ছতীসগড়ে হামলার পিছনে আছেন বলে মনে করছেন গোয়েন্দারা | কংগ্রেস নেতা নিধনের পুরো হামলা তাঁর মস্তিষ্ক প্রসূত |

Banglalive

দেশের ৯ জন শীর্ষ মাবাদী নেতার মধ্যে একজন হলেন সুদর্শন | তিনি পুরো সেন্ট্রাল রিজিয়নের দায়িত্বে আছেন | আদতে অন্ধ্রপ্রদেশের বাসিন্দা সুদর্শনের বিরুদ্ধে মোট ১৭ টি মামলা ঝুলছে | তার মধ্যে আছে খুনের মামলাও |

Banglalive

দু বছর আগে দন্তেওয়াড়ায় দণ্ডকারণ্যে নারকীয় মাওবাদী হানায় প্রাণ হারিয়েছিলেন ৭০ জন সিআরপিএফ জওয়ান | মনে করা হয় এই হানার নেপথ্যেও ছিলেন এই সুদর্শন ওরফে মোহন ওরফে আনন্দ ওরফে বিরেন্দরজি |

Banglalive

পুলিশের কাছে সুদর্শনের যে ছবি আছে তা দেখে মনে হয় নিপাট ভালমানুষ চেহারার এই যুবক শিক্ষক ছাড়া আর কিছু নন | মাঝারি উচ্চতার চাপা গায়ের রঙের এই সুদর্শনের ছবি দেখে বোঝার সাধ্য নেই তিনি আসলে জঙ্গল কাঁপানো একজন মাওবাদী নেতা | তাঁর ঘন কালো চুলে ঠাসা মাথা থেকেই বের হয় গেরিলা যুদ্ধের পরিকল্পনা | গোয়েন্দাদের মতে, সুদর্শন নিজেও গেরিলা যুদ্ধেও অত্যন্ত দক্ষ |

Banglalive

অন্ধ্রপ্রদেশের আদিলাবাদ জেলায় বড় হওয়া সুদর্শন ছাত্র ছিলেন ওয়ারাঙ্গালের পলিটেকনিক কলেজের | সেখানে সেখানে পড়তে পড়তেই তিনি নকশাল আন্দোলনের সংস্পর্শে আসেন | ১৯৮০ তে Kondapalli Seetharamaiah-র People’s War Group-এ যোগ দেন |

Banglalive

গত তিন দশক ধরে উত্তর তেলেঙ্গানা থেকে আদিবাসী অধ্যুষিত দণ্ডকারণ্য এলাকায় মাওবাদী আন্দোলন ছড়িয়ে দেওয়ার দায়িত্ব ছিল সুদর্শনের উপর | তাঁর স্ত্রী সাধনাও ছিলেন মাওবাদী নেত্রী | কয়েক বছর আগে তিনি এক সঙ্ঘর্ষে নিহত হন |

কিন্তু হঠাৎ এই হানার পথে গেল কেন মাওবাদীরা? গোয়েন্দারা মনে করছেন এটা তাঁদের পাল্টা আঘাত | কারণ ছত্তীসগড়ে গত কয়েক মাসে নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে সঙ্ঘর্ষে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৪০ জন মাওবাদী যোদ্ধা |

আরও পড়ুন:  এলইডি স্ক্রিনে সেরা সাফাইকর্মীর ছবি দেখছে গোটা শহর‚ অভিনব উদ্যোগ পুরসভার

NO COMMENTS