একুশ শতকেও মেয়েদের ঋতুচক্র নিয়ে কুসংস্কারের শেষ নেই | এরকমও ভাবা ভুল যে শুধু ভারত-সহ এশিয়া-আফ্রিকার অন্যান্য দেশে সেগুলো প্রচলিত | এই অন্ধকার থেকে মুক্ত নয় ইউরোপও |

# ইউরোপের বহু দেশে মনে করা হয়‚ রজঃস্বলা মেয়েরা সমুদ্রে স্নান করলে বা কোনও ওয়াটার স্পোর্টসে অংশ নিলে বিপদ হতে পারে | কারণ রক্তের গন্ধে চলে আসবে হাঙরের দল !

# ঋতুমতীদের স্পর্শে নাকি মরে যায় গাছ | নষ্ট হয়ে যায় খাবার | তাই ভারতের অনেক জায়গায় ঋতুচক্র চলাকালীন মেয়েদের রান্নাঘরে ঢোকা নিষিদ্ধ | এমনকী বাগানের কোনও কাজও করা যাবে না | গাছ পোঁতা বা গাছে জল দেওয়া তো নৈব নৈব চ |

# আফগানিস্তানে পাশ্তো ভাষায় গজগ মানে বন্ধ্যা | প্রচলিত বিশ্বাস হল‚ ঋতুমতী মেয়েরা স্নান করলে তারা বন্ধ্যা হয়ে যাবে | তাই‚ মাসের ওই কটা দিন গায়ে জল ঢালা যাবে না !

# নেপালে আছে চৌপড়ি প্রথা | মেয়েদের রজঃস্বলা অবস্থায় সম্পূর্ণ আলাদা থাকতে হয় | যাওয়া যায় না স্কুল কলেজের মতো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও |

# জাপানে আবার বিশ্বাস করা হয় ঋতুমতী হলে মেয়েদের মুখের স্বাদ নষ্ট হয়ে যায় | তাই মেয়েরা সুশি শ্যেফ হতে পারবেন না | চেখে দেখে কী করে বুঝবেন সুশির স্বাদ কেমন হয়েছে !

# লাস্ট বাট নট দ্য লিস্ট‚ ঋতুমতী হলে প্রবেশ করা যাবে না কোনও ধর্মস্থানে | কারণ এই শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া নাকি অপবিত্র ‚ যেটা স্বয়ং ঈশ্বরের দান !

আরও পড়ুন:  পৃথিবীর প্রথম সাংবাদিক ? রইলেন ঝগড়া-কেচ্ছা নিয়েই...কেন বিয়ে করেননি নারদমুনি ?
- Might Interest You

NO COMMENTS