কেউ অস্বীকার করতে পারবে না ছয় এবং সাত-এর দশকে ধর্মেন্দ্র রুপোলি পর্দায় রাজ করেছেন | সিনেমা ছাড়াও আসল জীবনেও বেশ রঙিন ছিলেন উনি | শোনা যায় ছয়-এর দশকে মীনা কুমারীর সঙ্গে নাকি সম্পর্ক ছিল ওঁর | এবং মীনা কুমারীর সাহায্যেই উনি নিজেকে অভিনয় জগতে প্রতিষ্ঠিত করেন |

ধর্মেন্দ্র ফিল্ম ফেয়ার ম্যাগাজিনের নিউ ট্যালেন্ট অ্যাওয়ার্ড জেতেন এবং পাঞ্জাব থেকে মুম্বাইতে আসেন অভিনেতা হতে | মুম্বাইতে আসার কয়েক বছর আগেই ১৯৫৪ সালে কিন্তু ওঁর বিয়ে হয়ে যায় প্রকাশ কৌর দেওলের সঙ্গে | বিবাহিত হওয়া সত্ত্বেও উনি একের পর এক বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন | কিন্তু যাই হোক না কেন প্রকাশ সব সময়ই ওঁর পাশে থেকেছেন |

শোলে করতে গিয়ে ধর্মেন্দ্র হেমা মালিনীর প্রেমে পড়েন | পাঁচ বছর প্রেম করার পর ১৯৮০ সালে উনি এবং হেমা বিয়ে করে নেন | প্রকাশ কিন্তু তখনো ওঁর স্ত্রী | প্রকাশের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ না করেই দ্বিতীয়বার বিয়ে করেন ধর্মেন্দ্র | যাই হোক‚ প্রকাশ এবং হেমার মধ্যে ছিল আকাশ পাতাল পার্থক্য | হেমা তখন সবার ড্রিম গার্ল | অন্যদিকে প্রকাশ একজন সাধারণ গৃহবধূ | স্বামীর দ্বিতীয় বিয়ে মেনে নেন প্রকাশ | এমনকী তখন বারবার ধর্মেন্দ্রের হয়ে কথাও বলেন উনি |

উনি একটা সাক্ষাৎকারে বলেন আমি আমার স্বামীকে দোষ দিই না | আমার তুলনায় যে কোনো পুরুষই হেমাকেই বেশি পছন্দ করবে | আমার স্বামীকে দুশ্চরিত্র বলার কারুর অধিকার নেই | অর্ধেক ইন্ডাস্ট্রি তো একই জিনিস করছে | সব হিরোরাই বিবাহিত হওয়া সত্ত্বেও অন্য মেয়েদের সঙ্গে প্রেম করে | দ্বিতীয়বার বিয়েও করে অনেকে |

একই সাক্ষাৎকারে উনি এও জানান হেমাকে উনি কোনদিন দোষী করবেন না | এমনকী উনি হেমার জন্য সহানুভূতি প্রকাশ করেন | উনি বলেন আমি আন্দাজ করতে পারছি হেমাকে কোন পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যেতে হচ্ছে | ওঁকেও সবাইকে জবাব দিতে হচ্ছে | কিন্তু হেমার জায়গায় আমি থাকলে কোনদিন এমন সিদ্ধান্ত নিতাম না | একজন নারী হিসেবে আমি ওঁর ফিলিংস বুঝতে পারি | কিন্তু একজন স্ত্রী আর মা হিসেবে ও যা করেছে তা আমি অনুমোদন করি না |

একই সঙ্গে প্রকাশ জানিয়েছিলেন ধর্মেন্দ্রের প্রতি ওঁর সম্মান এবং ভালোবাসা কোনদিন কমবে না |

এইভাবেই হেমা-ধর্মেন্দ্রের প্রেম কাহিনির একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে থাকবেন প্রকাশ |

আরও পড়ুন:  সম্পূর্ণ নগ্ন মডেলের সঙ্গে ফোটোশ্যুটে 'উত্তরণ'-এর ইচ্ছা টিনা দত্ত!!

NO COMMENTS