আরুষি-হেমরাজ জোড়া হত্যাকাণ্ডে বেকসুর খালাস পেলেন রাজেশ ও নূপুর তলওয়ার | ইলাহাবাদ হাইকোর্ট বেনিফিট অফ ডাউটে ক্লিনচিট দিলেন এই চিকিৎসক দম্পতিকে | এর আগে ২০১৩ সালে নিম্ন আদালতে দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলেন তাঁরা | সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাইকোর্টে যান দুজনে | জানা গেছে এরপর সুপ্রিম কোর্টে যাবে সিবিআই |

নয়ডার জলবায়ু বিহারের বাড়িতে ২০০৮-এর ১৬ মে উদ্ধার হয় আরুষির গলাকাটা দেহ | তাঁর ১৪ তম জন্মদিনের মাত্র কয়েকদিন আগে | প্রাথমিক সন্দেহ গিয়ে পড়ে বাড়ির নিখোঁজ নেপালি পরিচারক হেমরাজের উপরে | দুদিন পরে বাড়ির টেরেসে উদ্ধার হয় হেমারজের মৃতদেহ | এ বার গোয়েন্দাদের সন্দেহের নিশানা হয় রাজেশ ও নূপুর | অভিযোগ করা হয়‚ আরুষি-হেমরাজ হত্যাকাণ্ড আসলে অনার কিলিং | মেয়েকে বাড়ির চাকরের সঙ্গে আপত্তিজনক অবস্থায় দেখে দুজনকেই খুন করেন রাজেশ | তারপর লোপাট করা হয় গুরুত্বপূর্ণ তথ্যপ্রমাণ |  

বেশ টালবাহানার পরে তদন্তভার দেওয়া হয় সিবিআইকে | কিন্তু তাদের তদন্ত-প্রক্রিয়াতেও বিতর্ক থেকেই যায় | নার্কো অ্যানালিসিস টেস্টের পরে গ্রেফতার করা হয় রাজেশের কম্পাউন্ডার ও আরও দুই পরিচারককে | কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ করতে পারেনি সিবিআই | তিনজনেই মুক্তি পান | নিম্ন আদালতে দোষী সাব্যস্ত হন রাজেশ-নূপুর | গাজিয়াবাদের জেলে কারাদণ্ড ভোগ করছিলেন এই দন্ত চিকিৎসক দম্পতি | হাইকোর্টের নির্দেশে মুক্ত হলেন |

কিন্তু ৯ বছর পরেও রইল ধোঁয়াশা | তবে আরুষিকে কে খুন করেছিল ?এক্ষেত্রেও কি বলতে হবে  নো ওয়ান কিল্ড আরুষি-হেমরাজ ?’

আরও পড়ুন:  শাড়ি গয়নার পুঁটুলি ওই গ্রাম্য বালিকার মধ্যে লুকিয়ে বসেছিলেন ভবিষ্যতের রানি রাসমণি

NO COMMENTS