ঘন ঘন পেশীতে টান ধরছে? মানসিক অবসাদে ভুগছেন? শরীরে ম্যাগনেসিয়ামের ঘাটতি হয়নি তো?

ম্যাগনেসিয়াম ডেফিসিয়েন্সি বা ম্যাগনেসিয়ামের অভাব থাকে অনেকের শরীরেই। কিন্তু অতিরিক্ত অভাব হতে পারে আপনার শরীরের জন্য ক্ষতিকর। এই ঘাটতিকে অনেকসময় বলা হয় হাইপোম্যাগনেসেমিয়া। তবে কী করে বুঝবেন আপনার শরীরে ম্যাগনেসিয়ামের ঘাটতি হয়েছে? জেনে নিন কিছু লক্ষণ যার থেকে আপনি বুঝতে পারবেন আপনার শরীরে ম্যাগনেসিয়ামের অভাব থাকলেও থাকতে পারে।

# ম্যাগনেসিয়ামের অভাবে আপনার শরীরের বিভিন্ন পেশীতে ব্যাথা অথবা টান ধরতে পারে। কিন্তু এইধরনের লক্ষণ শরীর অতিরিক্ত মাত্রায় দূর্বল থাকলেও হয়। এইধরনের কোন লক্ষণ দেখতে পেলে শীঘ্রই ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত ।

# অনেকপ্রকার মস্তিষ্কের সমস্যার কারণ হতে পারে এই ম্যাগনেসিয়ামের অভাব। অতিরিক্ত পরিমাণ অভাবে উদ্বেগ বেড়ে যায় অনেকের, আবার অনেক রোগীর মস্তিষ্ক ধীরে ধীরে কাজ করা বন্ধ হয়ে যায়। এছাড়া ডিপ্রেশননেও চলে যায় অনেকে। এমনকি রোগী কোমায় পর্যন্ত চলে যেতে পারে।

# ম্যাগনেসিয়ামের ঘাটতি হলে রক্তচাপ বৃদ্ধির সম্ভাবনা বেড়ে যায়। এমনকি আপনার যদি রক্তচাপের সমস্যা আগেই থেকে থাকে তাহলে তা দ্বিগুণ হওয়ার সম্ভবনা থাকে । অর্থাত এক কথায় হৃদরোগের সম্ভবনা দেখা দিতে পারে এই । তবে এমনিতেও নানা কারণে হৃদরোগের সমস্যা দেখা দিতে পারে, তাই প্রথমেই ঘাবড়ানোর কিছু নেই, তবে এমন কোন লক্ষণ দেখতে পেলে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

# শারীরিক ও মানসিক অবসাদের লক্ষণ দেখা দিতে পারে । অর্থাত  এই রোগের ফলে কোন কাজে আপনার মন বসতে চাইবেনা এবং কোন কাজ করতেও ইচ্ছা করবেনা। অর্থাত শারীরিকভাবে দূর্বল লাগবে নিজেকে।

# অতিরিক্ত মাত্রায় রক্তচাপ বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে আপনার হৃদস্পন্দনের হারও বৃদ্ধি পেতে পারে। এটিকে এক কথায় অ্যারিথমিয়াও বলে।

# সাধারণত আমরা জানি ক্যালশিয়ামের অভাবেই হাড় ক্ষয়ে যায় শরীরে। তবে জানেন কি ম্যাগনেসিয়ামের অভাবেও সমানভাবে হাড় ক্ষয়ে যেতে পারে। অতিরিক্ত পরিমাণে হাড় ক্ষয়ে যাওয়া হাত পা ভেঙ্গে যাওয়ার কারণও হতে পারে। তাহলে এই ধরনের কোন লক্ষণ দেখা দিলে শীঘ্রই ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিৎ।

# ম্যাগনেসিয়ামের অভাব ফুসফুসের ক্ষতি অবধি করতে পারে। তাই যাদের হাঁপানি বা শ্বাস কষ্ট হয় তারা সাবধানে থাকুন |

# অনেকসময় পেটের সমস্যাও দেখা দিতে পারে এর ফলে।

এই সমস্যাটির থেকে মুক্তি পেতে হলে-

সবসময় ওষুধের উপর ভরসা করে না থেকে বাঁচা যেতে পারে নানা প্রাকৃতিক উপায়। যদি এই সমস্যাটির ফলে মস্তিষ্কের সমস্যা দেখা দেয় তাহলে ডার্ক চকোলেট খাওয়া উপযোগী হয়ে উঠতে পারে। এছাড়া যাদের শ্বাসকষ্টের সমস্যা থেকে থাকে তাঁদের জন্যে ব্রোকলি এবং বাঁধাকপি উপকারী। ওষুধের সঙ্গে সঙ্গে প্রাকৃতিক উপায় ব্যবহার করলেও অনেক তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে যেতে পারেন আপনি।


LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here