বিস্ময় প্রতিভা ! ১৫ বছর বয়সে বি.ই কোর্স সম্পূর্ণ করে দেশের কনিষ্ঠতম ইঞ্জিনিয়ার এই কিশোর

বিস্ময় প্রতিভা ! ১৫ বছর বয়সে বি.ই কোর্স সম্পূর্ণ করে দেশের কনিষ্ঠতম ইঞ্জিনিয়ার এই কিশোর

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

নির্ভয় ঠক্করকে দেখে লোয়ার কেজি-তে শিক্ষিকা বলেছিলেন‚ পড়াশোনায় খুব দুর্বল ছাত্র | তাঁর সেই বক্তব্যকে সম্পূর্ণ ভুল প্রমাণিত করে এগিয়ে চলেছেন নির্ভয় | ১৫ বছর বয়সে তিনি সম্পূর্ণ করেছেন বি.ই ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স | দেশের কনিষ্ঠতম ইঞ্জিনিয়ার এখন গুজরাতের এই কিশোর |

সপ্তম শ্রেণী অবধি গুজরাত বোর্ডের স্কুলে সাধারণ ভাবেই পড়শোনা করছিলেন নির্ভয় | অসাধারণত্ব ধরা পড়ে পরের বছর | অষ্টম থেকে দশম শ্রেণী‚ এই তিন সিলেবাস তিনি শেষ করেন মাত্র ৬ মাসে | একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণীর সিলেবাস আয়ত্ত করতে সময় নেন ৩ মাস | তারপর গুজরাত টেকনোলজিক্যাল ইউনিভার্সিটি বা GTU থেকে বি.ই ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং-এর কোর্স সম্পূর্ণ মাত্র ৫৮ সপ্তাহে | যে বয়সে স্কুলের চূড়ান্ত পরীক্ষার প্রস্তুতি নেয় পড়ুয়ারা সেই বয়সে ইঞ্জিনিয়ার হয়ে গেলেন এই কিশোর |

ছেলের প্রতিভাকে বিকশিত করতে অভিনব সিদ্ধান্ত নেন নির্ভয়ের বাবা মা | মাত্র ৩৬ বছর বয়সেই ইঞ্জিনিয়ারিং-এর চাকরি ছেড়ে দিয়েছিলেন তাঁর বাবা | যাতে পুরো সময়টাই দেওয়া যায় ছেলেকে | ডাক্তারির পাশাপাশি নির্ভয়ের পড়াশোনার দিকে খেয়াল রেখে এসেছেন তাঁর মাও |   

চিরাচরিত প্রথার বাইরে ছেলেকে দিয়েছেন অন্যরকম ধারায় পড়াশোনার সুযোগ | যেখানে লেখাপড়া মানেই মুখস্থ করে রাশি রাশি নম্বর পাওয়া নয় | সপ্তম শ্রেণীর পরে Cambridge International Examinations-এর অধীনে International General Certificate of Secondary Education বা IGCSE ব্যবস্থায় পড়াশোনা করেছেন নির্ভয় |   

এই বিস্ময় প্রতিভাকে কুর্নিশ জানানোর পাশাপাশি সবাই বাহবা দিচ্ছেন তাঁর ব্যতিক্রমী বাবা মাকেও | ছেলের সামনে নতুন দিগন্ত খুলে দেওয়ায় | ঠক্কর দম্পতির কথায়‚ কোনও ছাত্রই বাজে হয় না | শুধু দরকার তার ভিতরের প্রতিভাকে খুঁজে বিকশিত করা |

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

Leave a Reply

pandit ravishankar

বিশ্বজন মোহিছে

রবিশঙ্কর আজীবন ভারতীয় মার্গসঙ্গীতের প্রতি থেকেছেন শ্রদ্ধাশীল। আর বারে বারে পাশ্চাত্যের উপযোগী করে তাকে পরিবেশন করেছেন। আবার জাপানি সঙ্গীতের সঙ্গে তাকে মিলিয়েও, দুই দেশের বাদ্যযন্ত্রের সম্মিলিত ব্যবহার করে নিরীক্ষা করেছেন। সারাক্ষণ, সব শুচিবায়ু ভেঙে, তিনি মেলানোর, মেশানোর, চেষ্টার, কৌতূহলের রাজ্যের বাসিন্দা হতে চেয়েছেন। এই প্রাণশক্তি আর প্রতিভার মিশ্রণেই, তিনি বিদেশের কাছে ভারতীয় মার্গসঙ্গীতের মুখ। আর ভারতের কাছে, পাশ্চাত্যের জৌলুসযুক্ত তারকা।