ঘরে বাবা-মায়ের রক্তাক্ত দেহ‚ ৪ দিন ধরে ২ মাসের ভাইকে দেখভাল ৩ বছরের দিদির

ডেভিড পারসা ও তাঁর স্ত্রী মিহোকো ক্যালিফোর্নিয়ার চ্যাটসওয়র্থ শহরের বাসিন্দা। পঁয়তাল্লিশ বছর বয়সী ডেভিড ও আটত্রিশ বছর বয়সী মিহোকো-র বাড়ি থেকে একদিন রাতে চিৎকারের আওয়াজ শুনে প্রতিবেশীরা পুলিশে খবর দেন। সেই মত ডেভিড ও মিহোকো-র বাড়ি খোঁজ নিতে আসে পুলিশ। ফিরে যাওয়ার সময় প্রতিবেশী পরিবারকে জানিয়ে দিয়ে যান সেই বাড়িতে কোনও সমস্যাই দেখতে পাননি তারা। উদ্বেগজনক কোনও ঘটনাই ঘটেনি সেখানে।

ডেভিড ও মিহোকো-র দু’মাস বয়সী একটি ছেলে ও চার বছরের একটি মেয়ে সন্তান আছে। পুলিশ এসে ফিরে যাওয়ার পর থেকে সেই পরিবারের সদস্যদের আর দেখা যায়নি। কিছুদিন পর সন্দেহ হওয়ায় আবার খবর দেওয়া হয় পুলিশে। সে দিন বাড়ির ভেতরে ঢুকে পুলিশরা দেখতে পান, রক্তাক্ত অবস্থায় বেডরুমে পড়ে রয়েছে ডেভিড ও মিহোকোর দেহ।

তবে ঘরের পরিস্থিতি বোঝার বয়স হয়নি চার বছরের মেয়ের। পুলিশ যখন তাকে উদ্ধার করে তখন ছোট্ট মেয়েটি ছিল অভুক্ত। কিন্তু এই দিনগুলিতে নিজের সাধ্যমতো ভাইয়ের যত্ন নিয়েছে সে। আশ্চর্যজনকভাবে চার বছর বয়সী ছোট্ট মেয়েটি কীভাবে দুমাসের একটি বাচ্চার দেখাশুনো করল, এটাই ভেবে অবাক সকলে। পুলিশ অফিসাররা তার নাম দিয়েছে ‘লিট্‌ল এঞ্জেল’।

তবে ডেভিড ও মিহোকো-র মত্যুর বিষয়ে পুলিশের অনুমান স্ত্রীকে গুলি করে তারপর নিজেও আত্মঘাতী হন ডেভিড। আর প্রতিবেশীদেরও ধারনা, “প্রথম দিন এসে সম্ভবত পুলিশ অফিসাররা কেবল দরজায় নক করেই ফিরে গিয়েছিলেন। ঘরের ভিতরে তারা যাননি। সেদিন যদি তারা একটু তৎপর হতেন তাহলে এই বাচ্চাদুটোকে এত কষ্ট পেতে হত না।”

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

Please share your feedback

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Illustration by Suvamoy Mitra for Editorial বিয়েবাড়ির ভোজ পংক্তিভোজ সম্পাদকীয়

একা কুম্ভ রক্ষা করে…

আগের কালে বিয়েবাড়ির ভাঁড়ার ঘরের এক জন জবরদস্ত ম্যানেজার থাকতেন। সাধারণত, মেসোমশাই, বয়সে অনেক বড় জামাইবাবু, সেজ কাকু, পাড়াতুতো দাদা