সর্দি হলেই একগাদা সোয়েটার-মাফলার নয়

89

শীতকালে আমরা অনেকেই ঠান্ডা লেগে সর্দি হয়ে বেশ কদিনের জন্য কাহিল হয়ে পড়ি | আমরা ধরেই নিই শীতকালে একটু আধটু ঠান্ডা তো লাগবেই | কিন্তু অনেকসময় ঠান্ডা লাগলে আমরা ভুলভাল ট্রিটমেন্ট করি‚ যার ফলে সর্দি সারতে দেরি হয় | যদি তাড়াতাড়ি আবার সুস্থ হয়ে উঠতে চান‚ তা হলে এই ‘কমন মিসটেকগুলো’ এড়িয়ে চলুন |

ঠিকমত রেস্ট নিই না: ঠান্ডা লাগলে ঠিকমতো বিশ্রাম নেওয়া কিন্তু খুব জরুরি | মনে রাখবেন‚ আপনার এই সময় ইমিউনিটি কমে যায়‚ তাই শরীরকে যথেষ্ট বিশ্রাম দিন | না হলে সর্দি বেড়ে যাবে‚ আর বেশিদিন সময় লাগবে সারতে |

মুখে হাত দিয়ে হাঁচি: সর্দি হলে হাঁচির সময় মুখে হাত দিয়ে হাঁচবেন না | এতে আপনার হাতে আরও বেশি জীবাণু লেগে যায় | আপনি যতবার মুখে হাত দিয়ে হাঁচবেন ততবার কিন্তু জীবাণুর মাত্রা বেড়ে যাবে | ফলে আপনি আরও বেশি অসুস্থ হয়ে পড়বেন | একই রুমাল বারবার ব্যবহার করলেও কিন্তু একই জিনিস হবে | সব থেকে ভাল হয়‚ যদি টিস্যু পেপার ব্যবহার করেন | আর ব্যবহার করার পর তা ফেলে দিন |

এই সময় অ্যান্টি বায়োটিক খাওয়া: কমন কোল্ড বা সর্দি হলে কখনই তা অ্যান্টি বায়োটিক খেয়ে সারিয়ে তোলার চেষ্টা করবেন না | আমরা অনেকেই ভুলে যাই ঠান্ডা লাগে ভাইরাস থেকে‚ আর অ্যান্টি বায়োটিক দিয়ে তা ঠিক করা যায় না |

প্রচুর সোয়েটার মাফলার জড়িয়ে রাখা: সর্দি হওয়া মানে এই নয় যে আপাদমস্তক ঢেকে রাখবেন | এই সময় দেখবেন বাড়িতে যেন ঠিকমত ভেন্টিলেশনের ব্যবস্থা থাকে | পারলে‚ সকালের রোদে একটু হাঁটবেন যাতে আপনার শরীর ‘চার্জড আপ’ হয়ে ভাইরাসের সঙ্গে লড়াই করতে পারে |

অল্প পরিমাণ খাবার খাওয়া: সর্দি হলে মাথা ধরা, কাশি‚ নাক বন্ধ থাকার জন্যে খাওয়ার ইচ্ছা একদম কমে যায় | কিন্তু এই সময় অল্প খাবার খাবেন না | যদি খিদে না পায় তাহলে যতটা পারবেন তরল খাবার যেমন স্যুপ বা ফ্রুট জুস, জল বেশি করে খাবেন | এতে আপনার শরীরে জমে থাকা টক্সিন বেরিয়ে যাবে আর আপনি তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে উঠবেন |

Advertisements

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.