নিত্যপ্রয়োজনীয় এই জিনিসগুলির ব্যবহারই ডেকে আনতে পারে মারাত্মক বিপদ!

আজকের দিনে মানুষ অনেক বেশি স্বাস্থ্যসচেতন। খাবার খাওয়ার আগে হাত ধোয়া, জামাকাপড় ভাল রাখতে ন্যাপথলিন ব্যবহার করা, ঘরের সৌন্দর্য্য বাড়াতে মেঝেতে কার্পেট পাতা, ননস্টিকের ফ্রাইপ্যানে রান্না করা- ইত্যাদি করে যদি আপনি মনে করেন আপনি খুব স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন করছেন। তাহলে আপনি সম্পুর্ণ ভুল। বিশেষজ্ঞরা বলেন, সুষ্ঠুভাবে জীবনযাপনের জন্য ঘরের দৈনন্দিন কাজে ব্যবহৃত কিছু জরুরি সামগ্রীর ব্যবহার অবিলম্বে বন্ধ করে দেওয়া উচিত। যেমন-

* হ্যান্ড স্যানিটাইজার- অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল সাবান বা হ্যান্ড স্যানিটাইজার বা ওয়েট ওয়াইপস-এ এমন কিছু পদার্থ থাকে যা ,লিভারে টক্সিন জমা করে।

* কার্পেট- সিন্থেটিক কার্পেটে এক ধরনের রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়, যা শরীরের পক্ষে ক্ষতিকারক। যা থেকে ক্যানসার বা থাইরয়েডের মতো সমস্যা হতে পারে। তাই ঘরে ব্যবহারের জন্য উল বা কর্ন হাস্কের তৈরি ন্যাচারাল কার্পেট কেনাই ভাল।

* ন্যাপথলিন- পোকামাকড়ের হাত থেকে জামাকাপড়কে রক্ষা করতে আলমারিতে ন্যাপথলিন বল ব্যবহার করেন অনেকেই। কিন্তু অনেকেই জানেন না ন্যাপথলিনের গন্ধ নাকে গেলে ক্যানসার পর্যন্ত হতে পারে।  তার বদলে কর্পূর, চন্দন কাঠ বা ল্যাভেন্ডার ব্যবহার করুন।

* সোফা- অনেক সোফার মধ্যে অগ্নি নির্বাপক রাসায়নিক থাকে। আগুনের উপস্থিতি ছাড়া এগুলো থেকে টক্সিন নির্গত হয়, যা থাইরয়েড বা ক্যানসারের মতো রোগ সৃষ্টি করে।

* মোমবাতি- প্যারাফিন ওয়াক্স থেকে তৈরি মোমবাতি জ্বালালে বেঞ্জিন ও টলুইন নির্গত হয়। যা থেকে হাঁপানি বা ক্যানসারের মতো রোগ হতে পারে।

* নন-স্টিক কুকওয়্যার- বাসনের ওপর নন-স্টিক কোটিং বানাতেও ব্যবহার করা হয় এক ধরণের রাসায়নিক, যা গরম করলে টক্সিক ধোঁয়া নির্গত হয়।

* ওভেন ক্লিনার- বেশ কিছু ওভেন ক্লিনারের মধ্যে অ্যালকালাইন থাকে, যা নাকে গেলে ফুসফুস ও খাদ্যনালীতে ইনফেকশন হতে পারে।

* এয়ার ফ্রেশনার- দুর্গন্ধ দূর করতে অনেকেই এয়ার ফ্রেশনার ব্যবহার করেন। কিন্তু অনেকেই জানেন না, এয়ার ফ্রেশনারে থাকা রাসায়নিক আপনার শরীরে হরমোনের ওপর প্রভাব বিস্তার করতে পারে। এমনকী গর্ভবতী মহিলার জন্য এই এয়ার ফ্রেশনার খুবই ক্ষতিকারক।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here