ঘরোয়া পদ্ধতিতে চোখের তলার ডার্ক সার্কল দূর করুন…

ঘরোয়া পদ্ধতিতে চোখের তলার ডার্ক সার্কল দূর করুন…

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

আজকের ব্যস্ত জীবনে চোখের যত্ন নিলেও চোখের আশের-পাশের চামড়ার যত্ন খুব কম মানুষই নিয়ে থাকেন। কিন্তু জেনে রাখতে হবে যে, মানসিক চাপ হোক বা শারিরীক অসুস্থতা- এর প্রভাব সবথেকে বেশি পড়ে চোখে। আর সেই কারনেই চোখের চারপাশে কালচে ছোপ পড়তে দেখা যায়। তবে কয়েকটি ঘরোয়া উপায় অবলম্বন করলেই চোখের নীচের এই ডার্ক সার্কলের হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।

* চোখের ডার্ক সার্কল দূর করতে শসা খুবই উপকারী। শসা গোল করে কেটে নিয়ে চোখের ওপর রেখে দিলে উপকার পাওয়া যাবে।

* আমন্ড অয়েলে রয়েছে ভিটামিন ই, যা ডার্ক সার্কল হালকা করতে সাহায্য করে। আমন্ড অয়েলে ডার্ক সার্কলের ওপর হালকা হাতে মাসাজ করলে ফল পাওয়া যাবে।

* নারকেল তেল হালকা করে ডার্ক সার্কলের ওপর লাগিয়ে সারা রাত রেখে দিতে হবে। এইভাবে ততদিন করতে হবে যতদিন না ডার্ক সার্কল হালকা হচ্ছে।

* সমপরিমাণ টমেটোর নির্যাসের সঙ্গে লেবুর রস মিশিয়ে নিয়ে চোখের নীচে লাগালেও ডার্ক সার্কল দূর হবে।

* গ্রীন টিও ডার্ক সার্কল দূর করতে সাহায্য করে। সেক্ষেত্রে গ্রীন টি-ব্যাগ জলে ভিজিয়ে নিয়ে রেফ্রিজারেটরে রেখে দিতে হবে। তারপর সেই ঠান্ডা টি-ব্যাগ চোখের ওপর ১৫মিনিট রেখে জল দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলতে হবে।

* ডার্ক সার্কল দূর করতে মধু খুবই উপকারী। চোখের চারপাশের ত্বকে মধু লাগিয়ে পনের থেকে কুড়ি মিনিট রেখে দিলে দারুণ উপকার পাওয়া যাবে।

* গোলাপ জল একটা তুলোর বলে নিয়ে চোখের চারপাশে লাগালেও ডার্ক সার্কল-এর সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।

আর সবার শেষে যে কথা বলতেই হয়, তা হল, শরীরে জলের পরিমাণ কমে গেলে চোখের নীচে ডার্ক সার্কল দেখা দিতে পারে। শুধু তাই নয়, ঘুম ঠিকমতো না হলে বা ক্লান্তি থেকেও ডার্ক সার্কল দেখা দিতে পারে। ঘুম পর্যাপ্ত পরিমাণে না হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

Leave a Reply

pandit ravishankar

বিশ্বজন মোহিছে

রবিশঙ্কর আজীবন ভারতীয় মার্গসঙ্গীতের প্রতি থেকেছেন শ্রদ্ধাশীল। আর বারে বারে পাশ্চাত্যের উপযোগী করে তাকে পরিবেশন করেছেন। আবার জাপানি সঙ্গীতের সঙ্গে তাকে মিলিয়েও, দুই দেশের বাদ্যযন্ত্রের সম্মিলিত ব্যবহার করে নিরীক্ষা করেছেন। সারাক্ষণ, সব শুচিবায়ু ভেঙে, তিনি মেলানোর, মেশানোর, চেষ্টার, কৌতূহলের রাজ্যের বাসিন্দা হতে চেয়েছেন। এই প্রাণশক্তি আর প্রতিভার মিশ্রণেই, তিনি বিদেশের কাছে ভারতীয় মার্গসঙ্গীতের মুখ। আর ভারতের কাছে, পাশ্চাত্যের জৌলুসযুক্ত তারকা।