কোকিল তার বাসায় ডিম পাড়ে‚ সে ঈগলের পিঠে ভ্রমণ করে

কোকিল তার বাসায় ডিম পাড়ে‚ সে ঈগলের পিঠে ভ্রমণ করে

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

কাকেশ্বর কুচকুচেকে মনে আছে? সুকুমার রায়ের ‘হযবরল’-র শ্লেট-পেনসিলে আঁক কষা সেই তুখোড় কাক। অথবা সত্যজিৎ রায়ের গল্পের সেই দুর্দান্ত বুদ্ধিমান ‘কর্ভাস’? কিংবা ঈশপের গল্পের সেই কলসিতে নুড়ি ফেলে জলতল মুখের কাছে তুলে এনে তৃষ্ণা মেটানো কাকটি? গল্প-কাহিনিতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা এই কাকেদের কে না চেনে? খুঁজলে আরও মিলবে। আসলে কাক এমন এক পাখি, যার চাতুর্য বরাবরই অবাক করেছে মানুষকে। নিজের চেহারার থেকে অনেক বড় পাখিকেও তারা ছাড়ে না। বোকা বানিয়ে দেয়। সম্প্রতি দেখা তেমনই এক কাকের ছবি। যে ছবি দেখে যে কারও চোখ কপালে উঠতে বাধ্য। ‘ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক’-এর এক বিখ্যাত ফোটোগ্রাফার একটি ছবির সিরিজ বানিয়েছেন, যা সত্যিই অভাবনীয় এক দৃশ্যকে ফুটিয়ে তুলেছে।

https://www.youtube.com/watch?v=LuRPILUegRg

মাঝ আকাশে উড়ে যাচ্ছে একটা ঈগল। আর তারই পিঠে কিনা সওয়ার একটা কাক! এমনই অবিশ্বাস্য মুহূর্তকে ক্যামেরার লেন্সে বন্দি করে ফেলেছেন ক্যালিফোর্নিয়ার বাসিন্দা ওই ফোটোগ্রাফার। ছবি দেখে তাক লেগে যাচ্ছে সকলের।

সাধারণত কাক এতটাই চতুর পাখি, নিজের চেয়ে ঢের বড়, অনেক বেশি শক্তিশালী পাখিকেও তারা নাকাল করে ছাড়ে। তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই এসব কাজ তারা দ্রুত সারে। অর্থাৎ, চট করে যা করার করে পাখিটির চৌহদ্দি থেকে কেটে পড়ে। কিন্তু এই কাকটির ভাবভঙ্গি মোটেই তেমন নয়। দেখে মনে হয় বুঝি সে নির্বিবাদী হয়ে আকাশভ্রমণে বের হয়েছে

ছবিগুলি পরপর দেখলে দেখা দেখা যায়, ঈগলের পিঠে ‘ল্যান্ড’ করছে কাকটি। তারপর তার পিঠেই বসে বসে আকাশ পাড়ি দিচ্ছে। আর ঈগলটিও বলিহারি। সেও কিস্যুটি বলছে না। দিব্যি কাকটিকে পিঠে চাপিয়ে উড়ে চলেছে নিজের মনে।

এই ধরনের ছবি অবশ্য বিরল নয়। এর আগেও একটি ছবি পাওয়া গিয়েছিল, যেখানে উড়ন্ত কাঠঠোকরার পিঠে উঠে তাকে কার্যত জড়িয়ে ধরেছে এক খুদে বেজি।

এবার দেখা মিলল এই দুঃসাহসী কাকের ! ‘হযবরল’-র কাকেশ্বর ছিল ‘সনাতন বায়সবংশীয়’। এই কাকটিও কি তেমনই উচ্চবংশের কেউ?

( ছবি ও তথ্য : ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক )

Tags
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

Leave a Reply

pandit ravishankar

বিশ্বজন মোহিছে

রবিশঙ্কর আজীবন ভারতীয় মার্গসঙ্গীতের প্রতি থেকেছেন শ্রদ্ধাশীল। আর বারে বারে পাশ্চাত্যের উপযোগী করে তাকে পরিবেশন করেছেন। আবার জাপানি সঙ্গীতের সঙ্গে তাকে মিলিয়েও, দুই দেশের বাদ্যযন্ত্রের সম্মিলিত ব্যবহার করে নিরীক্ষা করেছেন। সারাক্ষণ, সব শুচিবায়ু ভেঙে, তিনি মেলানোর, মেশানোর, চেষ্টার, কৌতূহলের রাজ্যের বাসিন্দা হতে চেয়েছেন। এই প্রাণশক্তি আর প্রতিভার মিশ্রণেই, তিনি বিদেশের কাছে ভারতীয় মার্গসঙ্গীতের মুখ। আর ভারতের কাছে, পাশ্চাত্যের জৌলুসযুক্ত তারকা।