দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্মৃতি আজও বহন করে চলেছে স্বয়ং ‘তিলোত্তমা’!

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্মৃতি আজও বহন করে চলেছে স্বয়ং ‘তিলোত্তমা’!

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে খাস কলকাতার বুকে নেমে এসেছিল বোমাতঙ্ক। সেই স্মৃতিকে উস্কে দিয়ে মহানগরীর মাটির নীচে পাওয়া গেল একটি আস্ত বোমা। ঘটনাটি ঘটেছে কলকাতার গার্ডেনরিচ এলাকার কাছে নেতাজি সুভাষ ডকে। সেখানে চলছিল খননের কাজ। হঠাৎ করেই ভারী কিছুতে বাধা লাগে খননকারীদের। জল থেকে তুলে আনার পরেই চক্ষু চড়কগাছ কর্তব্যরত কর্মীদের। উদ্ধার করা হয় এক বিশাল আকারের বোমা। এই বোমা নিয়েই চাঞ্চল্য ছড়া এলাকায়। সঙ্গে সঙ্গে থানায় খবর দেওয়া হলে, সেখানে ছুটে আসে পুলিশ। খবর দেওয়া হয় নৌবাহিনী ও সেনাবাহিনীকেওখুব অল্প সময়ের মধ্যেই নৌবাহিনী ও সেনার আধিকারিকরাও এসে উপস্থিত হন সেখানে।

এদিন কলকাতা পোর্ট ট্রাস্টের চেয়ারম্যান বিনীত কুমার জানিয়েছেন, খননকার্জ চালানোর সময় দুপুর ২টো নাগাদ সাড়ে চার মিটার লম্বা এই বোমা উদ্ধার হয়। প্রাথমিক অনুমানের ভিত্তিতে মনে করা হয়েছিল যে সেটি একটি ‘টর্পেডো’। কিন্তু নৌবাহিনীর তরফে নিশ্চিত করা হয়েছে যে এটি একটি বোমা। যুদ্ধের সময়ে এই ধরণের বোমার ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

অনেকদিন পর নাড়াচাড়া হওয়াতে বোমা ফেটে যেতে পারে বলে আতঙ্ক ছড়ায় এলাকায়। সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশ গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে। বোমাটিকে নিষ্ক্রিয় করতে সেনাবাহিনীর সাহায্য নেওয়া হয়। পশ্চিমবঙ্গের নৌবাহিনীর দায়িত্বে থাকা সুপ্রভ কুমার দে জানিয়েছেন, “এই বোমার ওজন প্রায় সাড়ে ৪০০ কেজি। মূলত ফাইটার প্লেন থেকেই এই বোমা নিক্ষেপ করা হয়। বোমার লক বন্ধ করা আছে। তাই আপাতত এটা থেকে কোনও ভয় নেই। একটা নির্দিষ্ট উচ্চতা থেকে পড়লে তবেই এই ধরণের বোমা ফাটে। এ ক্ষেত্রে হয়তো সেটা হয়নি।”

নৌ ও সেনা বাহিনীর তরফে পরীক্ষা করে বলা হয়েছে, বোমাটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ের। কারণ এই সময় মার্কিন নৌবাহিনী হুগলি নদীর নেতাজি সুভাষ ডক নিজেদের কাজে ব্যবহার করত। তাই হয়তো সেই সময় মার্কিন কোনও যুদ্ধবিমান থেকে নিক্ষেপ করা হয়েছিল এই বোমা। কিন্তু কোনও কারণে তা ফাটেনি। এতদিন জলের তলাতেই তা পড়ে ছিল।

নৌবাহিনীর তরফে আরও জানানো হয়েছে, বোমাটি নিষ্ক্রিয় করার ক্ষেত্রে তাঁদের আর বিশেষ কিছু করার নেই। এই কাজে বোমা ও অস্ত্র তৈরির ব্যাপারে পারদর্শী অর্ডিন্যান্স কারখানার সাহায্য নিতে হবে। দরকার পড়লে ভাইজাগ নৌঘাঁটির সঙ্গেও যোগাযোগ করা যেতে পারে বলে জানা গিয়েছে। আপাতত বোমাটিকে সিআইএসএফের হেফাজতে রাখা হয়েছে।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

Leave a Reply

pandit ravishankar

বিশ্বজন মোহিছে

রবিশঙ্কর আজীবন ভারতীয় মার্গসঙ্গীতের প্রতি থেকেছেন শ্রদ্ধাশীল। আর বারে বারে পাশ্চাত্যের উপযোগী করে তাকে পরিবেশন করেছেন। আবার জাপানি সঙ্গীতের সঙ্গে তাকে মিলিয়েও, দুই দেশের বাদ্যযন্ত্রের সম্মিলিত ব্যবহার করে নিরীক্ষা করেছেন। সারাক্ষণ, সব শুচিবায়ু ভেঙে, তিনি মেলানোর, মেশানোর, চেষ্টার, কৌতূহলের রাজ্যের বাসিন্দা হতে চেয়েছেন। এই প্রাণশক্তি আর প্রতিভার মিশ্রণেই, তিনি বিদেশের কাছে ভারতীয় মার্গসঙ্গীতের মুখ। আর ভারতের কাছে, পাশ্চাত্যের জৌলুসযুক্ত তারকা।