মহার্ঘ্যতম অ্যান্তিলিয়ার মেয়ে ঈষার বিয়ের পর নতুন সংসার শুরু এই প্রাসাদে

মহার্ঘ্যতম অ্যান্তিলিয়ার মেয়ে ঈষার বিয়ের পর নতুন সংসার শুরু এই প্রাসাদে

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

দক্ষিণ মুম্বইয়ের অল্টামাউন্ট রোডে রয়েছে মুকেশ আম্বানির ‘অ্যান্তিলিয়া’। জায়গাটি শুধু মুম্বইয়ের নয়, দেশের অন্যতম একটি দামি এলাকা, যেখানে প্রতি স্কয়ার ফিটের ন্যূনতম দাম ৮০ হাজার থেকে ১ লক্ষ টাকা। সেখানেই এতদিন থাকতেন আম্বানি-কন্যা ঈষা। বিয়ের পর বর্তমানে কোন বাড়িতে থাকছেন তিনি, তা নিয়েই এখন চলছে জোর আলোচনা । বহু মিলিয়ন ডলারের প্রাসাদ বিয়েতে উপহার পেয়েছেন ঈষা ও আনন্দ । বর্তমানে তাঁরা দুজনে আছেন এই বাড়িতেই ।

বিয়ের আগে ঈষা যেখানে থাকতেন সেই ২৭ তলার অ্যান্তিলিয়া-তে কী নেই ! ছ’টি তলা শুধু গাড়ি পার্কিং-এর জন্যই । এছাড়া রয়েছে রিক্রিয়েশন সেন্টার, জিম, স্পা, সুইমিং পুল, যোগা ও ডান্স স্টুডিও। অতিথিদের জন্য এক্সক্লুসিভ সুইট, আইসক্রিম পার্লার এমনকি সিনেমা হলও। রয়েছে ৩টি হেলিপ্যাড । কিন্তু বর্তমানে যেই বাড়িতে থাকছেন ঈষা সেই বাড়িটিও অ্যান্তিলিয়া-র থেকে কোনও অংশে কম নয়।

জেনে নিন ঈষা ও আনন্দ পিরামলের নতুন বাড়ি সম্পর্কে—

• মুম্বইয়ের ওয়ারলি সি-ফেস এলাকার এই বাংলোর নাম ‘গুলিটা’।

• এই বাংলোর বেসমেন্টে রয়েছে তিনটি ফ্লোর ও উপরে আছে পাঁচটি ফ্লোর।

• ৫০ হাজার বর্গ ফুটের উপর তৈরি এই বাংলো।

• লেভেল ১-এর বেসমেন্টে রয়েছে বিশাল এক লন, একটি পুল ও একটি মাল্টি-পারপাস ঘর।

• স্টিলের কাঠামোর বৃহত্তম অংশ ১১ মিটার লম্বা এবং এটি 3D মডেলিং সরঞ্জামের সাহায্যে নির্মিত হয়েছে গুলিটা।

• গুলিটাতে প্রবেশ করতে হয় গ্রাউন্ড ফ্লোরের লবি দিয়ে।

• উপরের তলাগুলিতে লিভিং, ডাইনিং রুম ছাড়াও রয়েছে লাউঞ্জ ও সার্ভেন্টস কোয়ার্টার।

আনন্দের বাবা মা নবদম্পতিকে বিয়ের উপহার হিসেবে এই বাড়িটিই দিয়েছেন । ২০১২ সালে আনন্দ পিরামলের বাবা অজয় পিরামল ৬২ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে হিন্দুস্তান ইউনিলিভারের মালিকানাধীন এই সম্পত্তি কিনে নেন ।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

Leave a Reply

Handpulled_Rikshaw_of_Kolkata

আমি যে রিসকাওয়ালা

ব্যস্তসমস্ত রাস্তার মধ্যে দিয়ে কাটিয়ে কাটিয়ে হেলেদুলে যেতে আমার ভালই লাগে। ছাপড়া আর মুঙ্গের জেলার বহু ভূমিহীন কৃষকের রিকশায় আমার ছোটবেলা কেটেছে। যে ছোট বেলায় আনন্দ মিশে আছে, যে ছোট-বড় বেলায় ওদের কষ্ট মিশে আছে, যে বড় বেলায় ওদের অনুপস্থিতির যন্ত্রণা মিশে আছে। থাকবেও চির দিন।