পরিত্যক্ত ভূতুড়ে গ্রামের একমাত্র বাসিন্দা ! দীর্ঘ কারাবাসের পরেও অতীতের আসামী ফিরতে চান জেলেই

পরিত্যক্ত ভূতুড়ে গ্রামের একমাত্র বাসিন্দা ! দীর্ঘ কারাবাসের পরেও অতীতের আসামী ফিরতে চান জেলেই

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

চমকে যাচ্ছে পিথোরাগড় জেলা প্রশাসন | এ যে সত্যি মামারবাড়ির আব্দার | দীর্ঘদিন সশ্রম কারাদণ্ড খাটা আসামী ছাড়া পেয়ে আবার ফিরতে চাইছেন জেলে !

জেলাস্তরের প্রশাসনিক কর্তাব্যক্তিদের দোরে দোরে হত্যে দিচ্ছেন পুষ্করদত্ত ভট্ট | তাঁকে আবার ফেরানো হোক কারাগারে | তাঁর বাড়ি উত্তরাখণ্ডের বস্তাড়ি গ্রামে | কুড়ি বছর আগে রাগের বশে খুন করে ফেলেছিলেন স্ত্রী ও কন্যাকে | অপরাধ প্রমাণ হতে ২০ বছরের কারাদণ্ড হয় | জেলে আচরণ বিধি ভাল হওয়াতে পুষ্করদত্ত শাস্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই ছাড়া পান গত বছর অগাস্টে |

ফিরে আসেন গ্রামে | কিন্তু পা দিয়ে মনে হয় এর থেকে জেল ভাল ছিল | নিজের গ্রামকে চেনাই যাচ্ছে না | পুষ্করদত্ত যখন জেলে‚ তখন ২০১৬-র জুলাইয়ে বিধ্বংসী হড়পা বানে ভেসে গেছে পিথোরাগড় জেলার বস্তাড়ি গ্রাম | পুরো গ্রাম পরিণত হয়েছে ধ্বংসস্তূপে | 

সেই বন্যায় ওই গ্রামে ২১ জন প্রাণ হারান | এরপর বাকি জীবিত গ্রামবাসীরা চলে যান অন্যত্র | কারণ গ্রামের এতটাই ক্ষতি হয়েছিল‚ বসবাস করা ছিল অসম্ভব | তারপর থেকে ভূতুড়ে হয়ে পড়ে আছে অতীতের পাহাড়ি গ্রাম | সরকার থেকে উদ্যোগ না নেওয়ায় ফেরেননি গ্রামবাসীরা |

সেই ভূতুড়ে গ্রামেই ৬ মাস ছিলেন পুষ্করদত্ত | আর পারছেন না ৫২ বছর বয়সী এই ব্যক্তি | পানীয় জল‚ বিদ্যুৎহীন পরিত্যক্ত গ্রামটা যেন গিলে খেতে আসছে | সূর্য ডুবলেই ঘরবাড়ির ধ্বংসস্তূপে ঘুরে বেড়ায় আশেপাশের জঙ্গলের হিংস্র জন্তু | 

তাই প্রশাসনের কাছে পুষ্করদত্তর একান্ত অনুরোধ | হয় তাঁর গ্রামকে আগের চেহারায় ফেরানো হোক | করে তোলা হোক বসবাসযোগ্য | যাতে ফিরতে পারেন পুরনো বাসিন্দারা | নয়তো তাঁকেই আবার ঢুকিয়ে দেওয়া হোক উধম সিং নগরের সিতারগঞ্জ কারাগারে | ভূতুড়ে গ্রামে ৬ মাস একা থেকে দমবন্ধ হয়ে আসছে তাঁর |  

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

Leave a Reply

pandit ravishankar

বিশ্বজন মোহিছে

রবিশঙ্কর আজীবন ভারতীয় মার্গসঙ্গীতের প্রতি থেকেছেন শ্রদ্ধাশীল। আর বারে বারে পাশ্চাত্যের উপযোগী করে তাকে পরিবেশন করেছেন। আবার জাপানি সঙ্গীতের সঙ্গে তাকে মিলিয়েও, দুই দেশের বাদ্যযন্ত্রের সম্মিলিত ব্যবহার করে নিরীক্ষা করেছেন। সারাক্ষণ, সব শুচিবায়ু ভেঙে, তিনি মেলানোর, মেশানোর, চেষ্টার, কৌতূহলের রাজ্যের বাসিন্দা হতে চেয়েছেন। এই প্রাণশক্তি আর প্রতিভার মিশ্রণেই, তিনি বিদেশের কাছে ভারতীয় মার্গসঙ্গীতের মুখ। আর ভারতের কাছে, পাশ্চাত্যের জৌলুসযুক্ত তারকা।