বিমানবন্দরের অন্দরসজ্জায় পৃথিবীর উচ্চতম অভ্যন্তরীণ জলপ্রপাত

দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বের অন্যতম সেরা বিমানবন্দর হিসাবে বিবেচিত সিঙ্গাপুরের চাঙ্গি বিমানবন্দর। বিমানবন্দরে উদ্বোধন করা হল ‘জুয়েল সেন্টার’। চার বছর ধরে গড়ে তোলা হয়েছে এই বিশাল সেন্টারটি । অংশটি ১.৪ মিলিয়ন বর্গফুট জুড়ে বিস্তৃত এবং বিমানবন্দরের তিনটি টার্মিনালকে সংযোগ করেছে। বিমানবন্দরের অন্দরেই রয়েছে চারতলা স্লাইড। যেখানে একবার ঢুকলে আপনি প্রতি সেকেন্ডে ৬ মিটার করে নিচে নামতে থাকবেন।


চাঙ্গি বিমানবন্দরে একটি দৈতাকৃতির স্ক্রিনে প্রতিনিয়ত দেখানো হচ্ছে বিমানবন্দরে আগত যাত্রীদের সেলফি-পোস্ট। ছোট ছেলেমেয়েদের জন্য এখানে রয়েছে প্লে-রুম। সঙ্গে রয়েছে বিশ্বের সমস্ত বড় বড় ব্র্যান্ডের শো-রুম। কয়েকশো প্রজাতির প্রজাপতিদের নিয়ে তৈরি হয়েছে চাঙ্গির বাটারফ্লাই গার্ডেন। ফ্লাইট লেট থাকলে আপনার জন্য এই বিমানবন্দরে রয়েছে চব্বিশ ঘণ্টার সিনেমা হল। যেখানে বিনামূল্যেই আপনি সিনেমা দেখতে পাররবেন।


তবে এই বিমানবন্দরের সবচেয়ে আকর্ষণীয় বৈশিষ্ট্য হল এটির কেন্দ্রস্থল। যেখানে রয়েছে বিশ্বের সর্বোচ্চ অভ্যন্তরীণ জলপ্রপাত। ৪০ মিটার ওই জলপ্রপাত থেকে ইস্পাত এবং কাচের তৈরি এক বিশাল গম্বুজের মধ্যে দিয়ে জল পড়ছে, গড়ে তোলা জঙ্গলের মধ্যে। ‘রেন ভোর্টেক্স’ নামে পরিচিত বৃহৎ অভ্যন্তরীণ জলপ্রপাতটি ইতিমধ্যেই বিশ্বের সবচেয়ে বিখ্যাত ট্যুরিস্ট স্পট হিসেবেও জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.