খেতে বসে থালার চারপাশে জল ছেটানো হয় কেন ?

খেতে বসে থালার চারপাশে জল ছেটানো হয় কেন ?

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

সেই কাঁসা পিতলের বাসন নেই | কানা উঁচু থাল ঘিরে বাটি‚ জাম বাটি ভর্তি খাবার নেই | এখন সবাই ডাইনিং টেবলে সাজানো খাবারের পাত্র থেকে ইচ্ছে আর পছন্দ মতো তুলে নেন খাবার | তাই নেই সেই প্রচীন রীতিও | খেতে বসে গেলাসের ঢাকনা খুলে বা ঘটি থেকে জল নিয়ে থালার চারপাশে ছড়িয়ে দেওয়া | বলা হয় এভাবে দেবতাদের উদ্দেশে জলদান করা হয় | কিন্তু শুধুই কি তাই ? নাকি এর পিছনে অন্য কারণও আছে ?

অনেকে সামান্য অন্ন আলাদা করে রাখেন | দেবতাদের উদ্দেশে | যা আসলে পশু পাখিরই খেয়ে নেয় আস্তাকুঁড় থেকে | অর্থাৎ সেই জীবজ্ঞানে শিবসেবা | এই রীতিকে বলা হয় চিত্রাহূতি | 

কিন্তু কেন প্রাচীন ঋষিরা খাওয়ার আগে মাটিতে জল ছিটিয়ে দিতেন ?  মনে করা হয় এর কারণ স্বাস্থ্যসম্মত | তখন ছিল পর্ণকুটীরের মাটির মেঝে | তার উপর কলাপাতায় খাবার দেওয়া হতো | তাই জল ছিটিয়ে শান্ত করা হতো ধুলোকে | যাতে খাবারে চলে না আসে | তাছাড়া পোকামাকড়ের কাছেও জলরেখা ছিল আসলে লক্ষ্মণরেখা | পেরিয়ে যাতে তারা খাবারে চলে আসতে না পারে |

অন্য কারণ হিসেবে মনে করা হয় ভরতীয় খাবারের ধরণ | স্বভাবতই যা রাঁধা হতো বেশি তেল আর মশলা দিয়ে | তাইঅ খাবারের উপরে আর চারপাশে ছেটানো হতো জল | খাবারের ভারী ভাব কমাতে | যাতে হজমে সুবিধে হয় |

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

One Response

Leave a Reply

pandit ravishankar

বিশ্বজন মোহিছে

রবিশঙ্কর আজীবন ভারতীয় মার্গসঙ্গীতের প্রতি থেকেছেন শ্রদ্ধাশীল। আর বারে বারে পাশ্চাত্যের উপযোগী করে তাকে পরিবেশন করেছেন। আবার জাপানি সঙ্গীতের সঙ্গে তাকে মিলিয়েও, দুই দেশের বাদ্যযন্ত্রের সম্মিলিত ব্যবহার করে নিরীক্ষা করেছেন। সারাক্ষণ, সব শুচিবায়ু ভেঙে, তিনি মেলানোর, মেশানোর, চেষ্টার, কৌতূহলের রাজ্যের বাসিন্দা হতে চেয়েছেন। এই প্রাণশক্তি আর প্রতিভার মিশ্রণেই, তিনি বিদেশের কাছে ভারতীয় মার্গসঙ্গীতের মুখ। আর ভারতের কাছে, পাশ্চাত্যের জৌলুসযুক্ত তারকা।