আপনি কী সামান্য পরিশ্রমেই হাঁপিয়ে ওঠেন?

আপনি কী সামান্য পরিশ্রমেই হাঁপিয়ে ওঠেন?

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

বয়স যদি বেশি হয়, মানুষের শারীরিক সামর্থ্য বা ফিটনেস কমতে থাকে। কিন্তু বেশির ভাগ ক্ষেত্রে সামান্য পরিশ্রমেই বুক ধরফড় করা, শ্বাসকষ্ট হওয়া বা হাঁপিয়ে ওঠা হৃদরোগের লক্ষন। বেশ খানিকটা দৌড়লে, সিঁড়ি বেয়ে কয়েক তলা উঠলে, ভারী কাজ বা ব্যায়াম করলে শ্বাস-প্রশ্বাসের গতি বেড়ে যায়। তখন জোরে জোরে শ্বাস নিতে হয়-এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু যদি সামান্য পরিশ্রমেই হাঁপিয়ে ওঠেন শ্বাস-প্রশ্বাস দ্রুত হয়ে ওঠে, অনেক পরিশ্রম করার মত অনুভূতি হয়, তবে সেটা অবশ্যই চিন্তার বিষয়।
হৃদস্পন্দন অনিমিয়মিত হলেও সামান্য কাজ করলেই হাঁপিয়ে উঠবেন। দীর্ঘদিনের শাঁসকস্ট, ক্রনিক ব্রঙ্কাইটিসের রোগী বা ধুম্পায়ীদের ফুসফুস ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ কারনে ধীরে ধীরে তাঁদের হৃদযন্ত্রেও সমস্যা ও অল্পেই হাঁপিয়ে ওঠার মতো উপসর্গ দেখা দেয়। ফুসফুসে সিলিকা কণার দূষণ (সিলিকোসিস), কিছু দীর্ঘমেয়াদি রোগ (যেমন-রিউমাটয়েড আথ্রাইটিস, সারকোয়ডোসিস), দেরিতে ধরা পড়া বা জটিল যক্ষ্মাসহ আরও নানা অজানা কারণে ডিপিএলডি হতে পারে।
তবে হৃদরোগ ছাড়া আরও কিছু কারণে অল্পেই হাঁফ ধরে যেতে পারে। রক্তশূন্যতা এর অন্যতম কারণ হতে পারে। হাঁপানি বা ফুসফুসের ক্যানসারে আক্রান্ত রোগী বা অতি স্থূলকায় ব্যক্তিদের এ সমস্যা হতে পারে। কারও কারও ক্ষেত্রে শ্বাসনালির বিভিন্ন রোগেও দেখা দেয় অল্পতেই হাঁপিয়ে ওঠার সমস্যা। যাঁরা অ্যাজমা, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ বা সিওপিডি প্রভৃতি অসুখে ভুগছেন, তাঁদের হতে পারে এমন সমস্যা। ফুসফুসে ফাইব্রোসিস হয়ে যাঁদের ফুসফুসের প্রসারণ ক্ষমতা কমে যায়, তখনও অল্পতেই হাঁপিয়ে উঠতে পারেন। সামান্য পরিশ্রমেই শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

Leave a Reply

Handpulled_Rikshaw_of_Kolkata

আমি যে রিসকাওয়ালা

ব্যস্তসমস্ত রাস্তার মধ্যে দিয়ে কাটিয়ে কাটিয়ে হেলেদুলে যেতে আমার ভালই লাগে। ছাপড়া আর মুঙ্গের জেলার বহু ভূমিহীন কৃষকের রিকশায় আমার ছোটবেলা কেটেছে। যে ছোট বেলায় আনন্দ মিশে আছে, যে ছোট-বড় বেলায় ওদের কষ্ট মিশে আছে, যে বড় বেলায় ওদের অনুপস্থিতির যন্ত্রণা মিশে আছে। থাকবেও চির দিন।