মাত্র ৩০০গ্রাম! সোডার ক্যানের চেয়েও কম ওজন নিয়ে জন্মেছিল কনোর

গত জুলাই মাসে মাত্র এগারো আউন্সের অর্থাৎ তিনশো গ্রামের মত ওজন নিয়ে জন্মগ্রহণ করে কনোর । জন্মের সময় তাঁর আকার ছিল মানুষের হৃদপিণ্ডের মতো। কনোর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে ছোট সদ্যোজাতদের মধ্যে অন্যতম। জন্মের সময় তার দৈর্ঘ্য ছিল হাতের তালুর সমান। বছরখানেক আগে নিউইয়র্কের ওয়েস্টচেস্টার কাউন্টি এলাকার ব্লাইথেডেল চিল্ড্রেনস হাসপাতালে জন্ম হয়েছিল কনোর-এর। মাতৃগর্ভে কোনরের বয়স যখন পঁচিশ সপ্তাহ তখনই চিকিৎসকরা আন্দাজ করেন সঠিক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে না শিশুটি। মায়ের শরীরের পুষ্টিও শিশুটির শরীরে পৌঁছচ্ছে না। চিকিৎসকেরা বুঝেছিলেন এ ঘটনা অত্যন্ত বিরল! তাঁরা বলেন, জন্ম নেওয়ার মতো আকারই ছিল না কনোরের। প্রি-ম্যাচিওর বেবি হিসেবে ছাব্বিশ সপ্তাহেই ভূমিষ্ঠ হয় কোনর। জন্মের পরে কনোরের বাবা নিজের এক হাতের তালুতে ধরে রাখতে পারতেন সদ্যোজাতকে।
নবজাতকদের আইসিইউতে পাঁচ মাস রাখা হয় তাঁকে, পরে ব্লাইথেডেল চিলড্রেন হাসপাতাল আরও চার মাস। অবশেষে মঙ্গলবার টানা আট মাস পর্যবেক্ষণে থাকার পর, কনোরকে তার বাবা-মায়ের সঙ্গে বাড়ি যাওয়ার অনুমতি দেন চিকিৎসকেরা। তখন তাঁর ওজন প্রায় এগারো পাউন্ড, যা তাঁর জন্মের সময়ের ওজনের পনেরো গুণ বেশি।


নিউইয়র্কের ওয়েস্টচেস্টার কাউন্টিতে ব্লাইথেডেল চিল্ড্রেনস হাসপাতালের শিশুবিভাগের প্রধান ডেনিস ডেভিডসন বলেন, “কনোর সম্ভবত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বেঁচে থাকা সবচেয়ে ছোট সন্তানদের মধ্যে একজন।” কনোর-এর মা ঊনত্রিশ বছর বয়সী জ্যামি ফ্লোরিও এ বিষয়ে জানিয়েছেন, জন্মের সময় মাত্র নয় ইঞ্চি লম্বা ছিল কনোর। কিন্তু তাও নিজের লড়াইয়ে জিতে গিয়েছে সে।”

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.