‘বাধাই হো’ : কমেডির মোড়কে বেশ আপত্তিকর স্টোরি!

মাস কয়েক আগে প্রথম যখন রিলিজ করেছিল ছবির ট্রেলারটা, অনেকের মত আমিও জাস্ট ছিটকে গেছিলাম দেখে। মনে হয়েছিল, বাহ, ছবির বিষয়টা এ দেশের মাপে অভিনব তো বেশ? তার সঙ্গে তাল রেখে ছবির ট্রিটমেন্টটাও যে তুমুল মজার, সেটাও তো বোঝাই যাচ্ছিল ট্রেলার দ্যাখার পর। বয়স্ক মা-বাবারা সেক্স করবেন, বাচ্চা দেবেন, আর সেটা নিয়ে যে বিপুল রগড় তৈরি হবে, সেটা এবার সিনেমায় বলা হবে?

আমাদের দেশে বড় পর্দায় এমন কোন গল্প আগে দেখেছি কিনা, মনে পড়ছে না ঠিক। তবে এটা মনে আছে, ১২-১৩ বছর আগে ঠিক এই বিষয় নিয়েই একটা টেলিফিল্ম তৈরি করেছিলেন পরিচালক কৌশিক গাঙ্গুলী। নাম ছিল ‘ডায়াগনসিস’। সেখানেও ছিল বয়স্ক এক দম্পতির হঠাৎ মিলনে সন্তান-সম্ভাবনার স্টোরি। তবে সেটার সঙ্গে ‘বাধাই হো’-র সে ভাবে কোন তুলনা টানার ইচ্ছে নেই আমার। কারণ বিষয় যতই এক হোক না, ওটা ছিল খুব সিরিয়াস এক ছবি। পুরো ছবির ট্রিটমেন্টে চরম একটা আঁতেল-আঁতেল টোন। এরকম এক বিষয় নিয়ে চরম সব ফক্কুড়িও যে মারা হতে পারে বেশ, তার কোন আঁচই ছিল না তাতে।

‘বাধাই হো’-র ট্রেলার দেখে ঝটকাটা তাই অত বেশি হল। মনে হচ্ছিল, মেনস্ট্রিম ছবির জগতে বলিউড কী সাহস দ্যাখাচ্ছে, ভায়া! বিগ বাজেটের ধামাকা ছবি তো আছেই বটে, কিন্তু তার পাশে পাশে একের পর এক ‘অন্ধাধুন’, ‘তুমবাড়’ বা এই ‘বাধাই হো’ তো জায়গা পাচ্ছে দিব্যি!

তুখোড় ভাবে এডিট করে তৈরি ট্রেলার দেখে যে এক্সপেকটেশনটা তৈরি হয়েছিল, সেটা কিন্তু বেশ কিছুটা তুবড়ে গেল ছবি দ্যাখার পর। গোলমালগুলো কোথায় লাগলো, সেটা লেখার আগে ছবির গল্প একটু ছোট করে শুনিয়ে দিচ্ছি, আসুন।

দিল্লির বাসিন্দা জিতেন্দর কৌশিক-এর (অভিনয়ে গজরাজ রাও) বয়স পঞ্চাশের কোঠায়। চাকরি করেন রেলওয়ে দপ্তরে। ঘরে আছেন স্ত্রী প্রিয়ংবদা (নীনা গুপ্তা), বৃদ্ধা মা (সুরেখা সিক্রি) আর দুই ছেলে। এক ছেলে নকুল (আয়ুষ্মান খুরানা) জমিয়ে প্রেম করছে তার অফিস কলিগ রেনি-র (সানিয়া মালহোত্রা) সঙ্গে, আরেক ছেলে গুল্লার (শার্দূল রাণা) স্কুলের উঁচু ক্লাসের স্টুডেন্ট।

ঠিক এরকম একটা সিচুয়েশনে ফস করে একদিন আবেগের চোটে কী যেন কী হল, আর গর্ভবতী হয়ে পড়লেন জিতেন্দরের স্ত্রী। কিন্তু যাঁর ঘরে এর মধ্যেই ধাড়ি ধাড়ি দুটো ছেলে, তাঁর কি আবার নতুন করে মা হতে যাওয়া চলে? এরকম একটা বয়সে পৌঁছে সবাই তো দেব-দ্বিজে মন দ্যায়। তার বদলে মিডল ক্লাস সংসারে হঠাৎ এ কী ঝড় এল, দাদা?

সেই ঝড় আর ঝড়ের চোটে তৈরি হওয়া রিয়্যাকশনগুলোকে নিয়েই এই ছবি।

এখন সবচেয়ে বড় গণ্ডগোলের ব্যাপারটা কী, জানেন? ছবির যেটা মেন চমক, সেটা তো ট্রেলারেই পুরো এক্সপোজ করা আছে। তার ফলে সিনেমাটা যখন দেখতে বসছি, তখন আগে থেকে দিব্যি এটা বুঝতে পারছি, এর পরে নেক্সট সিনে কী হবে। সবচেয়ে বেশি যেটা মনে হচ্ছিল যে, ট্রেলারে যতটা দেখেছি, ছবিটাতে কি তার থেকেও বেশি আরও কিছু আছে? আরও মজার কোন সিন, আরও তুমুল কোন ফান? যদি সেগুলো না থাকে, আলাদা করে টিকিট খসিয়ে ছবিটা দেখব কেন!

আর সেখানেই সবচেয়ে বেশি হতাশ হয়েছি, বস! ঘটনা যেটুকু ট্রেলারে রয়েছে, তার থেকে ছবিতে কিন্তু খুব বেশি কিছু আর নেই। সেকেন্ড হাফে তো মনে হচ্ছিল, ঠিক আছে, বুঝতে পেরেছি, এক লেবু আর কতক্ষণ কচলে বেড়াবি, ভাই?

আবার এটাও মনে হচ্ছিল, এখন এমন হচ্ছে ঠিকই, লাস্ট সিনে হয়তো পুরো আনএক্সপেকটেড একটা কিছু আছে। এমন একটা মোচড়, যেটার ধাক্কা খেয়ে মজার কোন নতুন উৎস আবার করে ওপেন হবে বুঝি।

কিন্তু সে গুড়ে পুরো বালি! কোথাও কোন চমক নেই, নেই আলাদা কোন নিউ-এজ টাইপ লেয়ার! উলটে একদম ছকে-বাঁধা হ্যাপি এন্ডিং হয়ে গেল!

সব থেকে অবাক হলাম এত বেশি বয়সে এই লেভেলের স্মুদ বাচ্চা হওয়া দেখে! শারীরিক কোন জটিলতা অবধি নেই‍! অনেকটা যেন টেলর-কাটিং ফেয়ারি টেলের মতো!

ছবিটা দেখতে বসে জাস্ট উপর উপর নজর দিলে প্রোগ্রেসিভ বলে মনে হতে পারে ঠিকই, কিন্তু খতিয়ে যদি দেখতে যান, দেখতে পাবেন, ছবির শরীরে নিদারুণ সব ক্লিশে!

মাঝবয়সী জিতেন্দর আর প্রিয়ংবদা রাগ-অনুরাগের সেই দৃশ্যটাকেই ধরুন। তিরিশ বছরের পুরনো বৌয়ের ওপর প্রৌঢ় স্বামীর নতুন করে কাম-উত্তেজনা জাগতেই পারে, সেটা নিয়ে বলার আমার বিশেষ কিছু নেই। কিন্তু সেই উত্তেজনার কারণ দ্যাখাতে আর কিছু না খুঁজে পেয়ে স্বামীর গোপন কাব্য-প্রতিভা প্রকাশ করতে হল?

এবার সেই কাব্য-প্রতিভার নমুনা শুনুন একটু। অফিস থেকে বাড়ি ফিরে ম্যাগাজিনে ছাপা নিজের কবিতা বৌকে দ্যাখায় জিতেন্দর। কবিতার নাম হল ‘মিলন কি ঋতু’। সেটা দেখে বৌয়ের তো ভারি লজ্জা-লজ্জা মুখ! তারপর দুজনে মিলে মাখো-মাখো করে শুরু হল সেই কবিতা পড়া! ব্যাস, সঙ্গে সঙ্গে খাপে খাপ পুরো ম্যাচিং করে বৃষ্টি হল শুরু! অমনি যেন জিতেন্দরের কেমন একটা আবেশ এসে গেল! বৌকে চুল খুলে রাখতে বলল ও। এরপরে কী হল সেটা দ্যাখার উপায় নেই, কারণ আস্তে আস্তে পুরো ফ্রেম ব্ল্যাক ফেড হয়ে গেল।

আমি তো দেখেশুনে ভাই হাঁ! সত্যি সত্যি ওই বয়সে পৌঁছে গিয়ে তারপর ঠিক এই ফর্মুলাতেই সেক্স জেগে ওঠে বুঝি? এক ডোজ মিলন-ঋতুর কাব্যি, তার সঙ্গে আরেক ডোজ বৃষ্টি, সঙ্গে খোলা চুলের পাঞ্চ! ব্যাস, এই টুকুনিই কাফি? নেক্সট সিনেই সব মুছে দিয়ে ব্ল্যাক ফেড করে সেক্স!

বিষয়-ভাবনা চমকপ্রদ হলেও এটা বুঝছেন তো ছবির ট্রিটমেন্টটা কেমন সেই মান্ধাতার মতো!

এখান থেকে কাট টু চলুন এক ধাক্কায় ‘বাগগা ক্লিনিক’-এ সোজা। সেই বৃষ্টিপাতের দিনটার ঠিক ১৯ হপ্তা পর! ডাক্তাররা টেস্ট করে জানিয়ে দিচ্ছেন, প্রিয়ংবদার বাচ্চা এসেছে পেটে।

সেই বাচ্চাটা রাখবে, নাকি ফেলবে, সেই ডিসিশন ঠিক করতে আরও ২-৪ দিন সময় আছে নাকি! ‘উসসে লেট নেহি করনা’ বলছেন ডাক্তাররা। এবার কী ঠিক করবেন মা? প্রিয়ংবদার মুখ থেকে আপনি এটা শুনতে পাবেন যে, বাচ্চা গিরানা নাকি ‘মেরে বিচার মে পাপ হ্যায়’।

এখন সত্যি কথা বলতে কী, প্রিয়ংবদার এই আন্ডারস্ট্যান্ডিংটা আমার কাছে খারাপ লাগে নি খুব, কারণ এটা মনে হচ্ছিল যে আজকের দিনে ‘মিলন কি ঋতু’ কাব্যি পড়ে যাঁদের কাম জাগ্রত হয়, তাঁদের জন্যে অ্যাবর্শন তো পাপ-কর্মই হবে। ছবির এই অংশটা দেখতে দেখতে এটাও বেশ মনে হচ্ছিল যে, স্বামী-স্ত্রী দুজনে একটা ঘোরের মধ্যে আছেন! বাড়ির অতি-বৃদ্ধা দাদি যখন চিৎকার করে মনে করিয়ে দিচ্ছেন, ‘হাম দো হামারে দো’ – গভর্নমেন্টের এই পলিসির কথা, তখন সেই কথাগুলো শুনেও যেন শুনতে পাচ্ছে না ওই স্বামী-স্ত্রীরা কেউ!

অবশ্য ওই কথাগুলো শুনে যদি তাঁরা ডিসিশন পালটে ফ্যালেন, তাহলে তো আর এই ছবিই হয় না, ভায়া!

নকুলের গার্লফ্রেন্ড রেনির মায়ের মুখে স্পষ্ট এই কথাটা আছে যে, ‘দ্য ফ্যামিলি ইজ আ সার্কাস, আই ডোন্ট ওয়ান্ট টু বাই টিকেট টু ইট’। আর রেনি কী বলছে? ও নকুলকে বলছে, ‘হোয়াট ইউ ফাইন্ড ইট এমব্যারাসিং কি তেরে মম-ড্যাড সেক্স করতে হ্যায়?’ আর নির্জনে রেনিকে আদর করতে গিয়ে ছটফটিয়ে উঠে নকুল রিয়্যাকশন দিচ্ছে যে, ‘তু হি বাতা ইয়ার, ইয়ে ভি কোই মাম্মি পাপা কে করনে কি চিজ হ্যায় কেয়া?’

খুঁটিয়ে দেখলে বুঝতে পারবেন যে, যাবতীয় এই সব কথাবার্তাগুলো স্ক্রিপ্টে ব্যবহার হচ্ছে কমিক মোমেন্ট তৈরির জন্যে। আসলে কিন্তু ছবির গল্প এভাবে সাজানো, যাতে লাস্ট সিনে গিয়ে সব বাধা পেরিয়ে বয়স্ক ওই দম্পতিটিই জেতে!

ছবির সেকেন্ড হাফে দেখবেন নকুলকে দিয়ে এরকম একটা ডায়ালগ বলানো হচ্ছে যে, ‘ভাল ছেলে’ হওয়ার একটা শর্ত নাকি, বিনা প্রশ্নে মা-বাবাকে সাপোর্ট করতে পারা! এটা শুনতে শুনতে থ’ হয়ে গিয়ে ভাবছিলাম যে, প্রশ্নহীন আনুগত্যকে গ্লোরিফাই করার জন্যেই এই ছবিখানা তৈরি হল নাকি!

ছবির আরও কিছু দৃশ্য-ভাবনা চরম রকম শকিং।

যেমন ওই সিনটা ধরুন, যখন বেশ অ্যাডভান্সড স্টেজে পৌঁছে গ্যাছেন মা প্রিয়ংবদা। তখন মাকে একদিন মেডিক্যাল ক্লিনিকে নিয়ে গ্যাছে নকুল। মা ঢুকেছেন ডাক্তারের চেম্বারে, আর বাইরে বসে মায়ের জন্যে ওয়েট করছে নকুল। এই সিনটায় এক কালো এবং মোটা মহিলাকে তুমুল মজার খোরাক হিসেবে দ্যাখান হল সিনে! তাঁর মুখে একটা ডায়ালগও নেই ঠিকই, কিন্তু তাঁর চাহনি এবং হাবভাবকে ইউজ করে বানানো হল রগড়! কিন্তু এই তরিকায় মজা করাটা যে কার্যত বডি শেমিংয়ের পর্যায়ে পড়ে যায়, সেই আক্কেলজ্ঞানটুকু কি ছবির নির্মাতাদের নেই?

তালজ্ঞানহীন এরকম সিন আরও কিন্তু আছে। বিয়েবাড়ির একটা সিনে দেখতে পাবেন নারীসুলভ এক পুরুষকে অবলীলায় হাসির খোরাক বানানো হল! এখন আপনি বলুন, বলিউডের নিউ-এজ সব ছবির কাছে এই ধরণের ইনসেনসিটিভ সিকোয়েন্সগুলো প্রত্যাশিত কি? মেয়েলি পুরুষ কিংবা কালো মোটা মেয়েকে দেখে হাসির চোটে গড়িয়ে পড়ার কালচার কি খুব সভ্য-ভব্য রীতি?

সবটা মিলিয়ে, ছবিটা যেন নতুন একটা মোড়ক দিয়ে মান্ধাতার সব মানসিকতা গিলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা!

সিনেমার মত শক্তিশালী মিডিয়াম ইউজ করে জনসংখ্যা উত্তরোত্তর বাড়িয়ে চলার উৎসাহ দেওয়া যুগের নিরিখে ঠিক হল কিনা, সেটা নিয়ে ধন্দটা তো শুরুর থেকেই আছে! এখন নিশ্চয় স্পষ্ট হল, কেন এ ছবির বেসিক স্ট্যান্ডকে ভয়ানক আপত্তিকর বলে মনে হয়েছে আমার।

তবে একটা ব্যাপার ঠিকই যে, যেখানে যত গোলমালই থাকুক না কেন, ছবিতে কিন্তু ফাটিয়ে দিয়েছেন ছবির অভিনেতারা। যেমন ধরুন, নীনা গুপ্তার কথা। মহিলার কথা মাথায় এলে টপ অফ দ্য মাইন্ড মনে পড়ে যায় ‘চোলি কা পিছে’ গান আর সঙ্গে সেই ভিভ রিচার্ডসের কেস। মধ্যবিত্ত ঘরের এক মাঝবয়সী বৌ হিসেবে তাঁর অভিনয় যে কোন লেভেলে উঠতে পারে, দেখতে গিয়ে হাঁ হয়ে যাবেন আপনি। ছবিটা দেখতে গিয়ে ভাল করে এটা দেখবেন যে, যত সন্তান জন্ম দেওয়ার দিন এগিয়ে আসছিল, তত কী ভাবে একটু একটু করে বডি ল্যাংগুয়েজ পালটে ফেলছিলেন তিনি!

শুধু নীনা একাই নন কিন্তু। ছবির বাকি অভিনেতারা সকলেই যেন একসে বড়কর এক! ‘দঙ্গল’ (২০১৬) দিয়ে প্রথম মাঠে নেমেছিলেন যে সানিয়া মালহোত্রা, এ ছবিতে তাঁর পুরো অন্য লুক, অন্য কেতা। এছাড়া গজরাজ রাও বলুন, কিংবা সুরেখা সিক্রি, শার্দূল রাণা বলুন কিংবা আর কোন অভিনেতা, কেউ যেন পিছিয়ে নেই অন্য কারুর থেকে! আয়ুষ্মানের কথা নতুন করে কী বলব জানি না, কারণ ঠিক এই রকমের ক্যারেকটার এর আগে একের পর এক ও এতগুলো করেছে যে এরকম রোলে এতদিনে ন্যাচারালি ওর ডক্টরেট উপাধি থাকার কথা!

এবার এমন কারুর কথা বলি, যাঁর স্ক্রিন টাইম বাকিদের থেকে অনেক অনেক কম! বলতে চাইছি শিবা চাড্ডার কথা। রেনির মায়ের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন ইনি। টেবিলে বসে অল্প কিছু কথা বলার হাতে-গোনা সিন! শুধু ডায়ালগ থ্রোইং-গুলো খেয়াল করবেন এঁর, বুঝতে পারবেন অন-স্ক্রিন রেলা দ্যাখান আসলে কাকে বলে!

এ ছবি আসলে একটা মাপা প্যাকেজের মতো। স্টার নেওয়ার দরকার নেই, বরং অ্যাক্টর চাই ভাল। সঙ্গে আনইউজুয়াল বিষয়, আর কমিক কমিক সিন। মাঝে মাঝে দরকার মতো চটুল রগড় আর নাচ-গান তো দিতেই হবে দাদা।

এভাবে খুব কম খরচে ছবি নামালে এই মার্কেটে প্রফিট হবেই সিওর। বক্স-অফিসের কালেকশনের অঙ্ক এবারে মিলিয়ে দেখুন, বুঝতে পারবেন এই দশেরায় ‘বাধাই হো’ ঠিক তেমনই একটা প্রোডাক্ট!

5 COMMENTS

  1. মনোজদের অদ্ভুত বাড়ি সিনেমার রিভিউ জানতে চাই। আপনি কি করবেন?

  2. মনোজদের অদ্ভুত বাড়ি সিনেমার রিভিউ করবেন কবে? অপেক্ষায় আছি।

  3. আমি সেই সব বাংলা ছবির রিভিউ চাই যেগুলো নন্দনে রিলিজ হয় না । বুদ্ধিদীপ্ত বাংলা ছবির হতশ্রী চেহারা দেখে ক্লান্ত । আর কতদিন বুদ্ধিদীপ্ত বাঙালিদের মুরগি বানিয়ে যাবে ? প্রথম সারির সংবাদপত্র গুলো তো ডাস্টবিন হয়ে গেছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here