বাঙালির চুমু চর্চা

‘এমন একটা শব্দ বল , যেখানে যেটা খাবো আর যাকে খাবো দুটোই আছে’ –  আমাদের ছোটবেলায় এই ধাঁধাটা বেশ চলত । উত্তর ছিল কিসমিস , মানে মিসকে কিস খাবো । তবে বড় হয়ে বুঝলাম , আসলে ব্যাপারটা উলটো । মানে আমাদের জীবনে বেশিরভাগ কিস আসলে মিস হয়ে গেছে ! 

পুরুষজাতি বেসিক্যালি ভিখিরি পার্টি। তারা চিরকাল চুমুর জন্য ভিক্ষে করে চলেছে । হিন্দি গান আছে – ‘জুম্মা চুম্মা দে দে ।’ আমাদের বাংলা বই ও পিছিয়ে নেই । ‘মায়া মমতা’ছবিতে তাপস পালের লিপে কুমার শানুর গাওয়া গান আছে – ‘মমতা ও মেরি জান একটা চুমা দাও না ।’ পুরুষরা চুমু চেয়েই গেলো ,আর মেয়েরা কাটিয়ে দিলো । সুচিত্রা সেনকে নিয়ে বাঙালিরা হেবি লাফায় ,আহা উহু করে । সুচিত্রা সেনের নাম করতেই দুম করে গম্ভীর হয়ে যেতে হয় । সুচিত্রা সেনকে দেখলেই কেমন যেন বার বার রিনা ব্রাউনের কথা মনে আসে – ‘ ও যেন আমাকে টাচ না করে !’  টাচই যখন নেই , চুমু তো দূরের ব্যাপার । কিছু করার নেই,ভারতবর্ষ একটি আজব দেশ । এদেশে কামসূত্র লেখা হয় ,এদেশে খাজুরাহো আছে তবু ,দর্শনে কোথাও একটুও সেক্স নেই । ২০১৭ সালেও চোখের জল ,নাকের পোঁটা ,মাথার উকুন এসব দিয়ে বাচ্চা হবার গপ্পো কানে আসে । বার বার এই জন্যই বেচারা সেলুকাসের ডাক পড়ে । কে ভাই বলেছিল ,সত্য সেলুকাস কি বিচিত্র এই দেশ ! তারপর থেকেই বিচিত্র ব্যাপার দেখলেই সেলুকাসকে হাঁক পাড়ে লোকে ।

আমরা চুমু খেতে কোথায় শিখি বলতে পারেন ? খুব সহজ ,সিনেমা দেখে । যদিও আমাদের পশ্চাদদেশ যখন সিনেমা দেখে পাকছিল ,তখন এমরান হাসমি বাজারে আসেন নি । তখন সিনেমায় গালে ,ঘাড়ে ,গলায় ,কপালে ,পেটে এইসব চুমু চলত । তাতেই নায়িকারা যা রিয়াকশন দিতেন ,যেন অরগ্যাজম হয়ে গেলো ! ঠোঁটে চুমু , খুব রেয়ার । হলেও মনে হয় যেন ভিড় বাসে নায়কের ঠোঁটের সঙ্গে নায়িকার ঠোঁটের ধাক্কা লেগে গেছে । একটু বাদেই যেন নায়ক বলে উঠবেন – ‘প্লিজ কিছু মনে করবেন না…’ । প্রথম ঠিকঠাক চুমু ‘টাইটানিক’ছবিতে দেখেছিলাম ,তখন আমি ক্লাস সেভেনে পড়ি । কলেজে পড়ার সময় প্রথম ‘সিরিয়াল কিসার’এমরান হাসমিকে হিন্দি ছবিতে ঠিকঠাক চুমু খেতে দেখি । বাংলা ছবিতে ঝি ,ঝগড়া ,শাশুড়ি ,ননদ ,নন্দাই , বিধবা ,বিয়ের আগে পেট হয়ে যাওয়া চর্বিউচ্ছল নায়িকা এসব ‘ঠিকঠাক’দেখলেও   ঠিকঠাক চুমু খেতে কাউকে দেখিনি ,খুব সম্ভবত কেউ পারে না ।

সিনেমায় চুমু দেখলে খেতে ইচ্ছে করবেই । কাকে খাবেন ! নিশ্চয় কোনো মেয়েকেই । আমি যেভাবে বড় হয়েছি ,আমাদের সময় স্কুলে  প্রেম-ট্রেম বিশেষ হতো না । হলেও তাঁদের হতো যাদের পোঁদ পেকে লাল হয়ে গেছে ,যারা বখে গেছে । ফলে অন্ধকার গলি খুঁজতে হতো । মাঝে মাঝে একটা লোডশেডিঙ  রাস্তায় খাওয়া জীবনের সেরা চুমুর স্মৃতি রেখে যায় ! সিনেমা হল-টল আর একটু বেশী বয়সে । স্কুল জীবনে যারা প্রেম করতো ,তারা সকলেই বন্ধুমহলে একটা প্রশ্নের সম্মুখীন হতোই – ‘কিস করেছিস ?’  সাধারণত চুমু কথাটা চলে না । কিস ,হামি ,হাম এইগুলোই চলে । ‘চুমু’কথাটা কেমন যেন !একটি বাংলা বইতে দেখেছিলাম ভিলেন ,হিরোর মায়ের কাছে নালিশ করতে গেছে -‘আপনার ছেলে আমার মেয়েকে সবার সামনে চুমু খেয়ে গেলো ।’  বুঝতেই পারছেন ,’চুমু’কথাটা কেমন কানে লাগছে ।

প্রথম চুমুর স্মৃতি বড় নরম । প্রথম চুমুর স্মৃতির সঙ্গে ক্লোরমিনট ,পেঁয়াজ ,সিগারেট , কিমবা পায়োরিয়া এমন অনেক কিছুর শাখাস্মৃতি জড়িয়ে থাকতে পারে । স্মৃতি ট্রেডারস অ্যাসেম্বলি নয় ,যে ‘আমাদের কোনো শাখা নেই ।’প্রথম চুমু গালেই হয় । এই চুমুটি ক্ষণিকের । ঠোঁটে ঠোঁট ডুবিয়ে ,জিভের ভেতরে জিভ ঢুকিয়ে চুমু একটু সময় সাপেক্ষ ।

একটা সময় বিয়ের আগে চুমুও খাওয়া সম্ভব ছিল না । এখন যুগ বদলেছে ,বিয়ের আগে কতবার বিছানা বদল হয় ,ট্রায়াল হনিমুন হয় । কলেজে পড়ার সময় শুনেছিলাম এসএফআই চাঁদা তুলে কোনো কমরেডের প্রেমিকার অ্যাবরশন করিয়েছে । সবার কপালে অবশ্য বিয়ের আগে শোবার সৌভাগ্য নাচে না । ফলে চুমুই ভরসা । কলকাতা শহরে কিছু পার্ক আছে ,যেখানে লোকে চুমু খেতে যায় । আর আমাদের মফস্বলেও আজকাল কিছু পার্ক হচ্ছে । তবে সেসব পার্কে বুড়োভামগুলি হাঁটে আর পাদে ,চুমু-টুমু আর হয় কই !সিনেমাহলের অন্ধকার বেড়ে জায়গা চুমু খাবার জন্য । কিছু সিনেমাহলে আবার কাঠের বক্স বানানো আছে কাপলদের জন্য । প্রিন্সেপ ঘাটের নৌকা ,বিড়লা প্ল্যানেটোরিয়ামের অন্ধকার এসব জায়গাতে প্রাণ ভরিয়ে চুমু চলতেই পারে । তবে সাবধান সাবধান !মামা আছে !ভিক্টোরিয়ার বাইরে পুলিশ ভ্যান দাঁড়িয়ে থাকে ,  গ্রেপ্তার হওয়া চুমু কাপলদের ধরে নিয়ে যাবার জন্য । দুজনের ১২০০ টাকার কেস হয় , পুলিশকে যদিও ২০০ টাকা দিলে ছেড়ে দেয় । আমি আজ থেকে দশ বছর আগেকার রেট বলছি ,এখন নিশ্চয় সব পালটে গেছে । তখন ২০০ টাকা কজন কাপলের কাছে থাকতো বলুন !চুমু আটকাতে ,চুমু খাওয়া কাপলদের ধরতে বঙ্গ পুলিশ ,পৃথিবীতে সেরা । মজার ব্যাপার হল পুলিশ ট্রেনিং-এ কীভাবে চুম্বনরত কাপলদের আটকাতে হয় ,গ্রেপ্তার করতে হয় শেখানো হয় না । যেগুলো শেখানো হয় সেগুলো তো আদৌ  কাজে লাগে না ,অথচ না শেখা জিনিসটাই সবচেয়ে ভালো করেন ওঁরা । যেমন ধরুন ঘুষ খাওয়া ,নিরীহ মানুষের উপর অত্যাচার করা । ভাইটি ,বোনটি ,তেমনি ডিউটি ! এদের যেটা ডিউ থেকে যায় সেটাই ডিউটি । আমার এক বন্ধুকে ভিক্টোরিয়াতে পুলিশ ধরেছিল চুমু খাবার অপরাধে । মেয়েটিকে আলাদা দাঁড় করিয়ে রেখে পুলিশ আমার সেই বন্ধুটিকে বিলা জ্ঞান দেয় । তারপর বলে -‘টাকা পয়সা কিছু আছে ।’বন্ধুটি মানিব্যাগ খুলে একটি সবেধন নীলমণি একশো টাকার নোট দেখায় । পুলিশগুলি মনে মনে ভাবে ,ওঁরা তিনজন ,আর একশো ! বেচারারা লেখাপড়া বিশেষ জানে না ( জানলে কি পুলিশ হয় ) ,ফলে একশোকে তিন দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষ নিয়ে সমস্যা দেখা দেয় । অন্য এক পুলিশ বলে -‘আচ্ছা , মেয়েটার কাছে কিছু আছে ?’ব্রেভো !  ব্রেভো !এইরকম পুলিশই বাঙালি নামে একটা জাতিকে চেনায় । মেয়েটার থেকে পঞ্চাশ টাকা ( টোটাল দেড়শো ,পার হেড পঞ্চাশ ) নিয়ে তারপর বন্ধুটিকে ছাড়ে ওই তিন  সাদা পোশাকের পালোয়ান !     

চুমু বড় খারাপ জিনিস ,একবার খেলে বারবার খেতে ইচ্ছে করবে । এদিকে চুমু খাবার জায়গার বড় অভাব । আমি যখন কলেজে পড়তাম ,একটা ফরমুলা ছিল মেয়ে পটানোর । প্রথমে মেয়েটার বেস্ট ফ্রেন্ড হতে হবে ,সারাক্ষণ মেয়েটার সঙ্গে এঁটুলির মতন লেগে থেকে নিজেকে মেয়েটার অভ্যাসে পরিণত করতে হবে  ,ও মাঝে মাঝে সেন্টু প্রেমের ইমোশানাল ফুসকুড়ি চুলকে দিতে হবে । তবেই কেল্লাফতে !আমিও নিজেকে এক সুন্দরীর অভ্যাসে পরিণত  করার চেষ্টায় ব্রতী ছিলাম তখন । সেই মেয়েটাকে নিয়ে একদিন ঢাকুরিয়া লেকে গেছি । আমি মফঃস্বলের ছেলে,লেকে চুম্মাচাটি হয় জানতুম না । এমনি দুজন মিলে নতুন জায়গায় ঘুরতে গেছি । একটা বেঞ্চে দুজনে বসলাম । কিছুক্ষণ পর ,আমাদের পাশে একটা কাপল এসে বসতে না বসতেই চোখ বন্ধ করে , ছাতা খুলে ঠোঁটে ঠোঁট ডুবিয়ে মুখে ‘উম-আহ-চক-পক’এমন অজানা সব শব্দ করে চুমু খেতে শুরু করে দিলো । আমরা দুজনেই কেমন যেন ক্যালানের মতন পরস্পরের দিকে তাকিয়ে থাকলাম । তবে আমার পরিশ্রম বিফল হয়নি । সেই সুন্দরী আমার প্রেমিকা হয়েছিলেন । কিন্তু,তিনি এতো গোঁসা করতেন ,তাঁর মনের হিব্রু ভাষা আমি কোনকালেই পড়ে উঠতে পারতাম না বলে ,তাঁর সঙ্গে ঝগড়া লেগেই থাকতো । কলকাতার এমন কোনো জায়গা বাকি নেই যেখানে আমরা ঝগড়া করিনি । একবার মেডিকেল কলেজের ভেতরে ম্যাডামের অভিমান হয় ,আর আমি বোকার ( আদ্ধেকটা বল্লাম )মতন দাঁড়িয়ে সব ঠিক করার চেষ্টা করে যাচ্ছিলাম । মাঝে দুবার হাত ধরে ‘আমি আছি'( তাসের কোন এক খেলায় এরকম বলে শুনেছি )তোর জন্য বোঝাবার চেষ্টা করছিলাম । সেটাই কাল হয় । কোথা থেকে এক সিকিউরিটি গার্ড হাজির হয় । সে বলতে থাকে – ‘আপনারা লাভ ম্যারেজ করবেন ,তো পার্কে যান । এটা হসপিটাল ! এখানে লাভ-ম্যারেজ হয় না ।’তাঁর ধারনা ছিল ‘লাভ-ম্যারেজ’মানে প্রেম করা । নিশ্চয় ইংলিশ এ এমএ । আমি কিছুতেই বোঝাতে পারিনি যে ,আমরা ‘লাভ-ম্যারেজ’নয় ,ঝগড়া করছিলাম । যেটা বলতে গিয়ে একটু বেলাইন হয়ে গেলাম , মানে ওই চুমু খাবার জায়গা বড়ই কম । রবীন্দ্রসদনের কাছে যে দুএকটি পার্ক আছে ওখানে বিকেলের পর গিয়ে দেখবেন ,লোকে লাইন দিয়ে জোড়ায় জোড়ায় বসে আছে । যেভাবে রেললাইনের ধারে লোকে লাইন দিয়ে হাগতে বসে ,এখানে লোকে লাইন দিয়ে বসে চুমু খাচ্ছে । দুটো কাপলের মধ্যে ব্যবধান বড়ই কম ,গোপন কথা ,ঠুসপাদের হালকা আওয়াজ কানে চলে আসে । যে জায়গাটা অন্ধকার ওখানে ভিড় বেশী । আগে মিউজিক্যাল ফাউনটেনের সামনের প্যাভিলিয়নে বিরাট ভিড় হতো । ওখানে হ্যালোজেন আলো দিয়ে রাষ্ট্র চুমুর জন্য প্রয়োজনীয় অন্ধকার শুষে নিয়েছে । মাঝে মাঝে ভাবি রাষ্ট্র নাকি স্পঞ্জ ! শালা সবই শুষে নেয় । কৃষকের রক্ত ,ছাত্রদের স্বাধীনতা ,মধ্যবিত্তের আটআনার সুখ ,প্রেমের জন্য দরকারি অন্ধকার,সব … । 

তবে শুধু পুলিশ ,রাষ্ট্র নয়, চুমুর শত্রু অনেক । কলকাতার পার্ক-টার্ক গুলোয় ধরুন কেউ একটু নিরিবিলিতে একটা ফাঁকা বেঞ্চ পেয়ে বসেছে ,জমিয়ে চুমু খাবে । কিছুক্ষণ পরেই পাশে এসে একজন বুড়ো লোক বসলো । এই ধরনের পার্কে কিছু লোক ঘুরে বেড়ায় ,এদের সকলকেই অদ্ভুতরকম খারাপ দেখতে । এরা প্রেমের রাস্তায় কালো বিড়াল । মুখটা হনুমান বা গণ্ডারের কোনদিন টিসু পেপার বা জল ব্যবহার না করা পেছনের মতন !এরা দুমদাম পাশে এসে বসে পড়ে । ফলে কাপলরা কিছুই করতে পারেন না । যেখানে একসঙ্গে অনেকে মিলে পর পর বসে চুমু খায় সেখানে ,এইসব লোকেরা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে শো দেখে । সমাজের নীতিবাগীশরা আরও ডেঞ্জারাস । আমার এক বন্ধুর মুখে একটা ঘটনা শুনেছিলাম । সে একদিন রেসকোর্সের দিকটায় ভিক্টোরিয়ার একটা বেঞ্চে বসে মাথায় ছাতা দিয়ে দিব্যি চুমু খাচ্ছিল । হঠাৎ দেখে ছাতার উপর কেউ চাপ দিচ্ছে ,ছাতাটা জোরে জোরে নাড়াচ্ছে । প্রেমিকার ভেজা ঠোঁট থেকে সে বেচারা ঠোঁট বিচ্ছিন্ন করে চোখ খুলে দেখে সামনে এক মেড়ো মহিলা দাঁড়িয়ে । সেই মেড়ো বুড়ি রাগে গজগজ করছে -‘কেয়া উল্লুপনা কর রহে হো বেটা !’উল্লু মানে পেঁচা । চুমু খাবার সময় আমার বন্ধু বা তাঁর প্রেমিকা কারোর মুখই পেঁচা বা উল্লুর মতন ছিল না । আসলে ছাতার নীচে এতো সুন্দর চুমু দেখে সেই মেড়ো মেনোপজ বুড়ির মুখটাই উল্লুর মতন হয়েছিল ।

সমস্যাটা সভ্যতার । আসলে প্রেম ,চুমু কেউই সহ্য করতে পারে না । কাজেই চুমু নিয়ে চর্চা করতে গেলে ,কেবল চুমু আটকানো নিয়েই চর্চা করতে হয় । ওই যে লেখার শুরুতেই বলেছিলাম ,বেশিরভাগ কিস আসলে মিস হয়ে গেছে । এ সভ্যতায় কেবলই দূষণ বাড়ছে ,প্রেম নেই ,চুম্বন নেই ,ধর্ষণ আছে । প্রকাশ্যে ঘুষ খাওয়া যায় ,চুমু খেলেই কেস !কলকাতা লন্ডন হলেও ,এখানে গঙ্গার ধারে কেউ দাঁড়িয়ে চুমু খেলে পুলিশ ধরবেই । লন্ডন নাকি লন্ড-ভণ্ড !পুলিশ ক্রিমিনাল দেখলে টেবিলের তলায় লুকোবে ,পরের দিন খবরের কাগজে তাঁর কান্নায় ভেজা মুখের ছবি বেরোবে । সে আবার চুমু খাওয়া প্রেমিকের গালে থাপ্পড় মেরে ,’বাঞ্চত’বলে সেই নিরীহ প্রেমিককে খিস্তি করে ন্যাকড়া থেকে নেকড়ে হয়ে যাবে !রিজওয়ানুরের মৃত্যুর পর কবীর সুমন গান বেঁধেছিলেন ( এমন গান এই পৃথিবীতে আর কেই বা বাঁধবেন ! ) –

“আমার দেশে আর আমার শহরে ,

কারা চুমু খাবে পথ অবরোধ করে ” ।         

সুমন সরকার
পড়াশুনা প্রেসিডেন্সী কলেজে স্ট্যাটিস্টিকস নিয়ে । বর্তমানে আইএসআই , কলকাতায় ডক্টরেট করছেন । ২০১৪ সালের মাঝামাঝি সময় থেকে লেখালিখি শুরু । যেভাবে গীটার বাজিয়ে গান গাইতে ভালো লাগে , সেভাবে লিখতে ভালো লাগে , তাই লেখেন । লিখেছেন রম্যগদ্যের দুটো বই- 'লাকি থারটিন' , 'ফাউ' ।

31 COMMENTS

  1. অসাধারণ একটা লেখা পড়লাম। জীবনে একজনকেই চুমু খেয়েছি। তাকেই খাইও। অন্য কাউকে খাওয়ার সুযোগ আসেনি। যদিও দুর্জনে বলে আমি নাকি অনেক বাজে কাজ করে বেড়াই। কিন্তু সেগুলো ভুল কথা। যাইহোক আসল কথায় আসি। আমাদের প্রত্যেকদিন নিয়ম করে চুমু খাওয়া উচিত। কিন্তু ছেলে হয়ে জন্মেছি। কপাল আগে থেকেই ফক্কা। নইলে চুমু আমি ভালোই খাই। ?

  2. বেশ লাগলো পড়ে…. চুমুর কাঙালদের এই বিরম্বনার জন‍্য সত‍্য ই তাদের জন‍্য সহানুভূতি জাগে মনে, আহা কত প্রতিকুলতার মধ্যেও ওরা লড়ে যাচ্ছে নিয়মিত…. শুধু ১/২টো চুমুর জন।????

  3. অসাধারণ॥অত্যন্ত বলিষ্টভাবে একটা অতি প্রয়োজনীয় অথচ অকথিত বিষয়ে এরকমভাবে যে লেখা যায় তা ভাবনার ঊর্দ্ধে ছিল॥অসংখ্য ধন্যবাদ Article টির জন্য॥

  4. Dada.
    Apni osadharon likhe6en.
    Apnar kolomer khocha te park er pase dariye thaka lokeder aghat lagbe na jani.
    Tobuo boli dada, majhe modhe erokom khocha dorkar.
    Nahole amader moto vobishot projonmo o kis miss korte pare.
    Sob sese bolo gurudeb practical oviggota na thakle pen er doga theke baaghi sobder khocha berote pare na.

  5. Khub valo hoyeche lekha…lekhar topic er choice ta just fatafati ….share korlam apnar lekha amar facebook page…….

  6. দারুন লাগল আপনার লেখা… ভীষনভাবে বাস্তব জীবনের উপযোগী… চালিয়ে যান ভাই… শুভেচ্ছা রইল অনেক অনেক।

  7. Khub sundor lekha..protidin niom kore nijer bhalobasar manush k chumu khaoa proyojon..boyosh bere geleo bondho kora uchit noy karon amar mone hoy chumu khaoa ta bhalobasar akta symbol..

  8. Ki likheche mairi… Chokhe jol jive lala chole elo… Poorono anek smriti mone pore gelo… Hya ekjoner sathei je durvaggobosoto jei premik sei bor sei amader bacchar baba!!
    Jagge prosonge asi… Byapok mojadar lekha.. Aro chai
    Presidency r chattri amio ekhn ekta mnc te chakuriroto… Presi teo kintu ondhokare anache kanache esob naki sunechi hoy toy… Seta kno baad gelo nijer college bole?? Motamot ottonto byakti goto arrest korben na pls

  9. Ek kothay bolbo apni khub bastob-badi..
    R nijer moner vab bakto korte vison rokom sokhom..
    Onek din por kono lekha abar mon chuye gelo..
    Janina abar kobe sujog hobe erom lekha porar.. ?

  10. Chumu kheye mon bhore na ei kotha ta sotti…ei jono ami chesta kori joto besi chumu khete pari…aar ete to vlobasha bare…wish u all happy chumu…

  11. অসাধারণ। পড়ে পুরাতন স্মৃতি তাজা হয়ে গেলো।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.