নিভাননীর উপত্যকা (পর্ব ৩ )

যোগেশ চন্দ্র নিজে তিনতলা আর ছেলেকে চারতলা দিয়েছিলেন কারণ তিনি চিন্তা করেছিলেন যে একদিন ছেলের বউ আসবে, তার বাচ্চাকাচ্চা হবে, তখন তারা যদি দেখে ঠাকুরদার মদো মাতাল বন্ধুরা মাঝরাত অব্দি হাল্লাগুল্লা করছে তাহলে তা তাদের পক্ষে এবং তাঁর পক্ষেও সুফলদায়ী হবে না | যুগলকে চারতলায় তুলে দিয়ে সমস্ত ঝামেলা যতদূর সম্ভব নিশ্চুপে তিনতলা থেকেই বিদেয় করা হয়ে যাবে – এমনটাই পরিকল্পনা ছিল তাঁর!

বাড়ি বানিয়েছেন নব্বইয়ে!তখনো যুগলের বিয়ের পাঁচ সাত বছর বাকি | সেই সময় তাঁর মনে হয়েছিল প্ল্যানটা মাপ মতই হয়েছে | আড্ডা দিয়ে যুগল সটান মা’র কাছে চলে যায়, খাওয়া দাওয়া করে উঠে যায় চারতলায় | গিয়ে ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে পড়াশোনা করে বা শুধুই ঘুমোয় | বাবার সঙ্গে দেখা হওয়া বা কথা বলার প্রয়োজনও পড়ে না | তাঁরও মনে হয় না বাড়িতে মদের আসর বসিয়ে তিনি বাড়ির লোকেদের কোন অসুবিধের সৃষ্টি করছেন |

সমস্যাটা দেখা দিল যুগলের বিয়ের পর | বাবলি এল বউ হয়ে! – পাড়ারই মেয়ে | এ বাড়ি থেকে ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে বাবলির মামার বাড়ি | চার পাঁচ বছর প্রেম করার পর বাবলিকে বিয়ে করল যুগল | তিনি ব্যাপারটাকে ঠেকাবার চেষ্টা করেছিলেন, তবে তা খুবই সামান্য | আহামরি আপত্তি কিছু ছিল না | টার কারণ বাবলি অনাথ হলেও এক তো কায়েতেরই মেয়ে, দুই, বাবলিকে অতি বড় শত্রুও সুন্দরী বলে স্বীকার করে নিত, তিন, বাবলি যুগলের মতো ফেলটু নয়, হাজার কষ্টের মধ্যেও ঠিক এম এ টা পাশ করে নিয়েছিল! সেই সময় বাবলি ছিল রোগা পটকা, এক মাথা চুল, পটল চেরা চোখ, ধবধবে ফর্সা | এখনকার মতো শেঠানি হয়ে যায়নি মেয়েটা তখন | অনেকটা যোগিতাবালি যোগিতাবালি স্টাইল | আর যোগেশের এই সব গোল মুখের মেয়েদের পছন্দ ছিল খুব, যোগিতাবালি, নীতু সিং! পরে পরে দিব্যা  ভারতী! মরেই গেল যে! আহা বড় মায়াবী ছিল মুখখানা | কিন্তু যেহেতু তাঁর তত্কালীন বিজনেস পার্টনারের যুগলকে জামাই করার ইচ্ছে ছিল তাই একটু ভেবে দেখেছিলেন ব্যাপারখানা | চিন্তা ভাবনা করে দেখলেন চারটে সিনেমা হলের মালিকের একমাত্র মেয়ের থেকে মামা বাড়িতে মানুষ হওয়া নিরীহ, শান্তশিষ্ট, সুলক্ষণা বাবলিই তাঁর পরিবারের পক্ষে ঢের প্রয়োজনীয় | মেয়ের মতো থাকবে, মান্য করবে, পয়সা থাকলেও যে শ্রী-টা এ বাড়িতে নেই নম্র, ভদ্র, শিক্ষিত বাবলি তারই সঞ্চার ঘটাবে এখানে! সত্তরে মুক্তি যুদ্ধের সময় বাংলাদেশ থেকে এখানে চলে এসেছিল বাবলির বিধবা মা | বাবলিকে জন্ম দিয়েই বেচারি মারা যায়, ওর মামারা এখানের আদত বাসিন্দা নয়, ভাড়াটে | তা বাবলি এখানেই বড় হয়, মানুষ হয় | যোগেশ ভেবেছিলেন এমন মেয়ে তো সব কিছুরই কাঙাল, আর দেওয়ার মতো তার যখন এত কিছু আছে – বাব্লিকেই না হয় ভরিয়ে দেবেন সব কিছু! অতঃপর বাবলি বয় হয়ে এল তাঁর বাড়িতে | নিরীহ, শান্তশিষ্ট, হাসিখুশি বাবলি, একটু রোগা, একটু অপুষ্টিতে ভোগা বাবলি, রেশনের লাইনে দাঁড়ানো, দুধের লাইনে দাঁড়ানো, বাবলি | – এল, আর বদলে গেল! এমন বদল বদলালো যে তিনি একেবারে স্তম্ভিত হয়ে গেলেন | এখনো চমকাচ্ছেন বারবার | একটু আগের মতো! বাবলি শুধু যে নিজে বদলালো তা নয়, বাবলি তাঁর ছেলেকে বদলে দিল, তাঁর বাড়ির পরিবেশ বদলে দিল, শিক্ষিতা, সুন্দরী পুত্রবধূর কাছে যে মঙ্গলময় আচরণ আশা করেছিলেন যোগেশ, বাবলি তাঁর সেই সব প্রত্যাশায় ঘটি ঘটি ঠান্ডা জল ঢেলে দিল ! বছর দু বছর ঘুরতে ঘুরতে যোগেশ চন্দ্র দেখলেন তিনতলায় তিনি মদের আসর বসাচ্ছেন, চারতলায় তাঁর ছেলে ছেলের বউ মদের আসর বসাচ্ছে ! তিনতলায় বুদ্ধু আর গঙ্গা ভুল সুরে মান্না দে ধরছে, চারতলায় তারস্বরে বাজছে লক্ষ টাকা মূল্যের মিউজিক সিস্টেম! আর পাড়া এসে জড়ো হচ্ছে সেখানে | বাবলি যেন তাঁর স্বভাবটাই পেয়েছে, যতক্ষণ পাঁচজনকে জোগাড় না করতে পারে শান্তিতে দু চুমুক দিতে পারে না বেচারি ! তাঁর কানে আসে, অবশ্য ইভাও বলেছে – বাবলি বদলেছে সেটা বাবলির দোষ নয়, এ বাড়িতে নাকি এমনটাই হওয়ার কথা ছিল! বাবলি ছাড়া অন্য কেউ এলেও এমনটাই হতো | কথাটায় বড্ড মন খারাপ হয়ে যায় তাঁর | সত্তরের কাছে বয়েস হলো, ভোগসুখ রক্তের ধার নষ্ট করে দিয়েছে | নিলে তাঁর বাড়ির কম্পাউন্ডের মধ্যে এই গালাগালি কক্ষনো সহ্য করতেন না তিনি |

বাবলি আজকাল সবাইকেই ধমকায় | এভাকেও, এমনকি তাঁকেও | অবশ্য স্নেহের ধমক | তবু তাতেও তাঁর কপালে ভাঁজ পড়ে যায় এমন যে সেই ভাঁজ চার ঘন্টায় মেলায় না!

যোগেশ মল্লিক আবার শুনলেন বাবলি চেঁচাচ্ছে! ‘ন্যাকামি করার জায়গা পায় না! বজ্জাত যত! পেলে না প্যান্ট খুলে নেবো! শয়তানের দোল! যদি ধরতে পারি কে ফেলেছে তাহলে দেখে নেবো বলে রাখছি! পাড়া ছাড়া করে ছাড়ব! আমাকে তোরা চিনিস না!’

শুনে বুক ধরফর করতে লাগল যোগেশ চন্দ্রের | মনে মনে বললেন, ‘পাড়া ছাড়া করবি কাকে রে বে আক্কেল? এ কি তোর শ্বশুরের পাড়া?’ ঘরের ভেতর তাকিয়ে দেখলেন বুদ্ধু, গঙ্গা বাবলির তড়পানি শুনে কাঁচুমাচু হয়ে গেছে একেবারে | আজকাল ওরাও বাবলিকে ভয় খায় খুব | তাঁর মাঝখানে একদিন প্রেসারটা বেড়ে গেছিল, ডাক্তার বলল শুয়ে থাকতে, তার মধ্যেই এসে পরেছিল গঙ্গা | বাবলি বেশ ধাতানি দিয়ে চলে যেতে বলল ওকে, তাঁর সামনেই! এই সেদিন কেয়ারি করা লনে বুদ্ধু পানের পিক ফেলে এর থেকেও বেশি বকুনি খেয়েছে | অথচ কষ্টের দিনে বাবলির মামা বুদ্ধুর থেকে টাকা ধার নিত, মেয়েটা পয়সা দেখে এই যে ধরাকে সরা জ্ঞান করছে এটা কি ঠিক? ইভার আমলেই তো তাঁর যত উন্নতি, যুগল তো টার এক কণাও বাড়াতে পারল না | বসে বসেই খাচ্ছে – কই ইভার তো মাথা ঘুরে যায়নি?

তিনি জানলা দিয়ে মুখ বাড়ালেন, ‘কী হয়েছে টা কী বাবলি? এত চেঁচামেচি কিসের ?’

‘হবে আবার কী? যা প্রতি বছর হয়, তাই হয়েছে!’ কোমরে আঁচলটা পেঁচাতে পেঁচাতে ঝংকার দিয়ে উঠল বাবলি মুখ তুলে, ‘তিন তিনটে কার্তিক ফেলে রেখে গেছে গেটের ভেতরে, দেখে যান | অসভ্যের দোল! পেলে না…!’

অঃ এই ব্যাপার? যোগেশ ঝুঁকে দেখার চেষ্টা করলেন কার্তিক বাহিনীকে, দেখতে পেলেন না! গলায় একটু মিঠে কড়া ভাব মিশিয়ে বললেন, ‘আহা, রাগ ঝাগ করে কী হবে? ফেলেছে ফেলেছে, তুমি অত চেঁচিয়ে পাড়া মাথায় করো না বাবলি, ওপরে চলে এসো, জগন্নাথ ঠাকুরগুলোকে সব গ্যারেজে তুলে রাখুক! আমি পতাকি পুরুতকে ফোন করে দিচ্ছি!’

‘না! ঠাকুর তলা হবে না! দূর করে দেব সব কটাকে!’ আবার গর্জে উঠল বাবলি | একি? তাঁর মুখের ওপর কথা? বাবলির এত আস্পর্ধা বাড়ল কবে? তিনি কি মরে গেছেন নাকি?

‘এবার থেকে কার্তিক পুজো করবো  না আমি ! বাবা, জগন্নাথদাকে পাঠিয়ে দিন, সব বাইরে ফেলে দিক, যারা ফেলেছে তারা পুজো করুক!’

অ্যাঁ? ‘আমি পুজো করবো না’ মানে? আমিটা কে হরিদাস? তাঁর বাড়ি, তাঁর সংসার, এখনো ব্যবসা করে ঘরে পয়সা আনছেন স্বয়ং তিনিই, যুগল বউ নিয়ে গায়ে হাওয়া লাগিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে আর বাবলি হুকুম চালাচ্ছে? কেন বাবলিই কি এখন সর্বময় কর্ত্রী নাকি?

ওদিকে বাবলি বলে চলেছে, ‘আহ্লাদ করে ফেলে দিয়ে গেলেই কলে তুলে নিয়ে পুজো করতে হবে আর ঝেঁটিয়ে এসে খেয়ে যাবে সারা পাড়া, ওটি আর এবার হচ্ছে না, যে সনে শুনুক আমি থোড়ি কেয়ার করি! কার্তিক এবার বিদায় করেই ছাড়ব!’

মাথাটা গেল নাকি মেয়েটার, এত আপত্তির কি আছে কার্তিক নিয়ে তা ভেবে পেলেন না যোগেশ! ‘ছিঃ ছিঃ, বাবলি, চুপ করো, এসব বলতে হয় নাকি? জগন্নাথ, যা তো শিগগির ঠাকুরগুলো সরিয়ে আন!’ গম্ভীর গলায় ধমক দিলেন তিনি |

বাবলি শুনে তেড়েমেড়ে উঠল, ‘কেন, কেন? পাড়ার লোকের এত কী মাথা ব্যথা শুনি? বেহায়ার দোল | হাঁড়ির হাল যত | আমি কালই নার্সিং হোমে ভর্তি হয়ে অপারেশন করিয়ে আসব! দেখি তারপর তদের কার্তিক কী করে!’

নার্সিং হোম? অপারেশন? যোগেশ মাথামুন্ডু কিছুই বুঝলেন না প্রথমে! ইভাই বা কথায় এই সময়? ওপাশ থেকে মুখ বাড়িয়ে ডেকে নিতে পারছে না ছেলের বউকে? তারপরই তিনি পরিস্কার বুঝতে পারলেন অপারেশন কথার মানে! কি কাঁদ! তিনি স্বগোতক্তি করলেন, ‘চেঁচিয়ে এ সব কী বলছে ও?’

বুদ্ধু, গঙ্গা দুজনেই গলা খাঁকারি দিয়ে উঠল, গঙ্গা বলল, ‘এসব নিয়ে কি মাথা খারাপ করতে আছে? এ হলো এ পাড়ার ট্রাডিশন! এ তো ফি বছরই হয় | আজ নতুন কী?’

‘এ সব ছেলেরা একটু নির্দোষ আনন্দ লাভ করতে করে |’ বলল বুদ্ধু |

গঙ্গা বলল, ‘তর বাড়িতে ফেলে কারণ খ্যাঁটনটা একটু জমাটি হয় আর কি! তা বাবলি না চাইলে এবার না হয় পুজো করিস না!’

‘না, না সে সব নয়, আমাকে আগে বুঝতে হবে বাবলির আপত্তির কারণ কী?’ বললেন যোগেশ |

‘আপত্তির কারনটা একটু আঁচ করা যায়…!’ বলল গঙ্গা |

‘কী কারণ?’ অমনি ক্যাঁক করে গঙ্গাকে ধরলেন যোগেশ |

‘না…,’ কিন্তু কিন্তু মুখে এগোল গঙ্গা, ‘যাদের বাড়িতে সন্তানাদি নেই শুধু তাদের বাড়িতেই কার্তিক ফেলা নিয়ম, কার্তিক ফেললে তারা কার্তিক পুজো করবে | তাতে তাদের বংশে ছেলেপুলে হবে, তখন তারা খুশি হয়ে খাওয়াবে, এ্যাই হল কার্তিক ফেলার সার উদ্দেশ্য | এখন বাবলি ভাবছে দুদুটো মেয়ে থাকা সত্ত্বেও তোর বাড়িতে কার্তিক ফেলছে পাড়ার লোক কারণ মেয়ে থাকলে কি হবে, বংশ রক্ষা করার জন্য ছেলে জী নেই সেই কথাটাই ঠাট্টা করে জানিয়ে দিচ্ছে ওরা, মানে বাবলির এতে সন্মানে লাগছে | তা সন্মানে তো লাগতেই পারে | এখন কি ও সব দিন আছে? এখন হল সমান সমানের দিন, ছেলেও যা মেয়েও তাই! তবে যারা ফেলেছে তারা হল অর্বাচীন কটা, তোর বাড়িতে পুজো হলেই সব একটু পোলাও কালিয়া খাবে এই লোভে ঠাকুর ফেলে গেছে গিয়ে দ্যাখ!’
ও, এই ব্যাপার? এতক্ষণে বিষয়টা পরিস্কার হলো যোগেশের | অমনি মহা রাগ চড়ে গেল তাঁর মাথায় | এই নিয়ে এত হইচই কি না করলেই পারত না বাবলি? এ পাড়ার লোক হাসানো হলো খালি ! বুদ্ধু বলল, ‘গঙ্গা একেবারে ঠিক কথা বলেছে, ছেলে কি মেয়ে, এই নিয়ে কে বা এখন মাথা ঘামায়? এই তো রাজশেখরের নাতনি, শশাঙ্কর নাতনি | একটা করে ছেলের সব একটা মেয়ে | তা এদের কেউ আর দ্বিতীয় সন্তান নেবে? আর এখন বাচ্চা মানে যা হ্যাপা আর খরচ!’

‘তুই থাম বুদ্ধু, আমাকে হ্যাপা বোঝাতে আসিস না, একশোটা বাচ্চা মানুষ করতে পারি আমি জানিস!’ গর্জন করে উঠলেন যোগেশ চন্দ্র | মনে মনে তাঁর যে একটা নাতির কি ভীষণ শখ | নইলে এত সম্পত্তি সব তো অন্যের দখলে চলে যাবে ! তাঁর তো বংশধর বলতে কেউ থাকবে না! ‘পার্থক্য আছে, আলবাত পার্থক্য আছে,’ তিনি চেঁচিয়ে উঠলেন | ‘কার্তিক পুজো হবে, আলবাত হবে | দেখি কে আটকায় | বাবলি নার্সিং হোম দেখাচ্ছে? দরকার পড়লে আমিই ছেলে পয়দা করতে পারি তা জানিস?’

‘আহা, আহা, তুই আবার এই নিয়ে মাথা গরম করছিস কেন? এ সব ছেলেমানুষদের ব্যাপার!’ বুদ্ধু এত বড় জিভ বাড় করে ফেল, ছিঃ, ছিঃ, শ্বশুর বউ কিনা এই নিয়ে কলহ করবে?

গঙ্গা আর বুদ্ধু দুজনেই তাকে আটকাতে চেষ্টা করতে লাগলেন | কিন্তু যোগেশ তখন ক্ষেপচুরিয়াস হয়ে গেছেন, এরপরই তিনি ইংরিজি বলতে শুরু করবেন, তিনি বললেন, ‘এক্ষুনি পতাকি পুরুতকে ফোনে ধর গঙ্গা, ব্যাটাকে এক্ষুনি আসতে বল, না এলে চাপকে ওর চামড়া খুলে নেবো বলে দে ! আমার সঙ্গে চালাকি?’

‘তর সঙ্গে চালাকি কে করল আবার?’ গঙ্গা জানতে চাইল |

‘এ বাড়িতে কার্তিক কেন, কোন কিছুই ফেলতে হলে আগে যোগেশ মল্লিকের অনুমতি নিতে হবে এ কথা বাবলিকে বুঝিয়ে দেওয়া দরকার!’ বলে যোগেশ আনতাবড়ি আস্ফালন শুরু করলেন |

বুদ্ধু একটা জোর বচসার অপেক্ষায় বহুদিন ধরে রয়েছেন, কিন্তু তিনি বুঝে গেলেন এবারও হার যোগেশ মল্লিকেরই হতে যাচ্ছে! দেখলেন, বৃদ্ধ বাঘ যে কিনা এক্ষুনি ছেলে পয়দা করতে যাচ্ছিল এখন আপন মনে গজগজ করছে!

ক্রমশঃ…

প্রথম পর্বের লিংক – https://banglalive.com/নিভাননীর-উপত্যকা-novel-by-sangeeta-bandyopadhyay/

দ্বিতীয় পর্বের লিংক – https://banglalive.com/নিভাননীর-উপত্যকা-পর্ব-২-novel-by-sangeet/

Advertisements

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.