কেতজেল পাখি (দ্রোহজ ২) পর্ব ৩

কেতজেল পাখি (দ্রোহজ ২) পর্ব ৩

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Bengali Novel

পাশে বসে ঝিমোতে থাকা সেই প্রৌঢ়। তাকিয়ে আছে ওর দিকে। কথাটা বলেই গেটে দাঁড়ানো কনডাক্টরের দিকে হাত নাড়লো লোকটা – ‘গাড়ি রুখ হো’। বলার মধ্যে কর্তৃত্বের সুর স্পষ্ট। ক্যাঁচ শব্দে ব্রেক কষে জনশূন্য মাঠের ধারে দাঁড়িয়ে পড়লো বাস। হাজারটা দ্বিধা আর প্রশ্ন সঙ্গে নিয়ে বাস থেকে নেমে পড়ল অভিরূপ আর সেই তখন থেকে ঠায় বসে আছে এই কালভার্টের ওপর।

সন্ধে আর ঠাণ্ডা দুটোই জাঁকিয়ে নামছে চারপাশে। লোকটার কথায় নেমে তো পড়ল। এরপর যদি কেউ না আসে? কী করবে এই পাণ্ডববর্জিত জায়গায়? ভাবনাটাকে তাড়িয়ে দিয়ে উঠে দাঁড়ালো কালভার্ট ছেড়ে। মা এখন কী করছে? গোপালপুজোয় বসার আয়োজন করছে বোধহয়। বাবা চলে যাবার পর থেকে আরও বেড়েছে এই পুজোপাঠের ব্যাপারটা। সবকিছু সামলাতে পারছে তো? যদিও আরতিদি আছে। পুরোন কাজের লোক। বিশ্বস্ত। এছাড়াও শ্রীতমা রয়েছে। রোজ খোঁজ নেবে ফোন করে। মাঝে মাঝে বাড়িতেও যাবে নিশ্চয়ই। মামাবাড়িতেও বলা আছে। ওরাও যোগাযোগ রাখবে নিয়মিত। নিজেও বাসে আসতে আসতে ফোন করেছিল দুপুর নাগাদ। মা, শ্রীতমা, দিব্যেন্দ্যুদা, তিনজনকেই। ফোনের কথা মনে পড়তেই পকেট হাতড়ে মোবাইলটা বের করলো। বোতাম টিপতেই ডুয়েল সিম, একটাতেও টাওয়ার নেই! অদ্ভুত একটা ফিলিংস হলো। এই মুহূর্ত থেকে সভ্যতার সঙ্গে সব সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন হয়ে গেল তাহলে? আরেকটা ব্যাপারও খেয়াল করার মতো। বাস ছেড়ে নেমে পড়ার পর থেকে এই রাস্তায় এখনও অবধি পুলিশ, সিআরপিএফ বা অন্য কোন প্যারামিলিটারি ট্রুপের টহলদারি চোখে পড়েনি এতক্ষণ ধরে। আচ্ছা, তাহলে এটাই কি সেই প্রধানমন্ত্রীর ভাষায় ‘সিঙ্গল লার্জেস্ট ইন্টারনাল সিকিওরিটি থ্রেট’-দের মুক্তাঞ্চল? মিডিয়া প্রতিবেদনের ভাষায় ‘গেরিলা জোন’। ‘দেশের মধ্যে আরেকটা দেশ?’ জনানতনা সরকারের এলাকা। কোবরার চিফ কম্যান্ডান্টের কথায় দু চারটে ব্যাটেলিয়ানও যেখানে যথেষ্ট নয়? অস্বস্তি আর উত্তেজনা কাটাতে ফের সিগ্রেটের জন্য জ্যাকেটের সাইড পকেটে হাত দিতেই পিছন থেকে গম্ভীর গলার আওয়াজ – ‘পাঞ্জা?’ পিছু ঘুরতেই সামনে দাঁড়ানো একজন। মাঝারি উচ্চতা। শ্যামবর্ণ। একহারা চেহারা। উত্তরের অপেক্ষায়। ভুল উত্তরে প্রাণ সংশয় ঘটতে পারে। নার্সিংহোমের বেডে শোয়া ব্রিজেশের সাবধানবানীটা মনে পড়ে গেল।

‘দুনি পাঞ্জা’। মুহূর্তের দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাটিয়ে ঝটিতি উত্তর অভিরূপের।

‘লাল সেলাম কমরেড!’ উল্টোদিকের আগন্তুকের ঠোঁটের কোনে হাসির ঝিলিক। মুষ্টিবদ্ধ ডানহাত কাঁধের ওপরে। শেষ মুহূর্তে দিব্যেন্দ্যুদার বলে দেওয়া ‘কোড অফ কনডাক্ট’-টা মনে পড়ে গেল।

‘লাল সেলাম,’ সম্বোধনের জবাব দিলো অভিরূপ।

‘সরি। বহোত লেট হো গিয়া। আসল্‌মে রাস্তে পে হাথি কা ঝুন্ড(পাল) সামনে পড় গিয়া থা। ইন্তেজার করনা পড়া। ইস লিয়ে … আপ আইয়ে মেরে সাথ।’

কালভার্ট থেকে রাকস্যাক আর ক্যামেরাটা তুলে নিয়ে আগন্তুকের পিছু নিলো অভিরূপ।

 

‘সেই দুপুরের পর থেকে আর একটাও ফোন এলোনা বাবুর … আমার চিন্তা হচ্ছে শ্রীতমা। এরকম তো কখনও হয় না। এখানে থাকুক অথবা বাইরে, দিনে কম করে চারবার তো ফোন করবেই।’

ইস্টার্ন বাইপাসের ধারে সারি সারি হাইরাইজ। তারই মধ্যে একটা, ‘অভিনন্দিতা অ্যাপার্টমেন্টে’র পাঁচতলার ফ্ল্যাট। লম্বা একটা সোফাসেটে বসা সুহাসিনী। সামনে ছোট সেন্টার টেবিলটায় রাখা চায়ের কাপ। একটু আগে রেখে গেছে আরতি। দেয়ালে ঝোলানো এলইডি টিভি। সান্ধ্যকালীন সিরিয়াল চলছে। কিন্তু সাউন্ড মিউট করা। আজ সিরিয়ালে মন নেই সুহাসিনীর। রোজকার অভ্যেস মতো সামনে খোলা আছে মাত্র। পাশে বসা শ্রীতমা। এলোমেলো দুশ্চিন্তা ওর মনেও। কিন্তু সেটা এখানে প্রকাশ করলে চলবে না কিছুতেই। সুহাসিনীর দিকে তাকিয়ে ছোট্ট করে হাসলো শ্রীতমা।

‘আপনি অ্যাতো চিন্তা করছেন কেন মাসিমা। হয়তো টাওয়ার পাচ্ছে না, তাই … এখানে আসার আগেই ফোন করেছিলাম ওর মোবাইলে। বলছে ‘আউট অফ রিচ’। ওর অফিসেও ফোন করলাম। ওরাও ওই একই কথা বলল। ও যেখানে কাজ করতে গ্যাছে সেখানে সিগনাল পাওয়াটা খুব মুশকিল। তাই চিন্তা করবেন না একদম। সুযোগ পেলেই একটা এসএমএস অন্তত করবে অভি। এছাড়া ওর অফিসও যোগাযোগ রাখার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে সব সময়। তাই …’। কথাটা অসমাপ্ত রেখে সামান্য ঝুঁকে টিপট থেকে চায়ের কাপটা তুলে এগিয়ে দিলো সুহাসিনীর দিকে। তারপর উঠে দাঁড়ালো সোফা ছেড়ে।

‘তাহলে আসি মাসীমা। আবার বলছি, দুশ্চিন্তা করবেন না একদম। খবর আসবেই।’ শ্রীতমা যখন কথাগুলো বলছিল তখন একদৃষ্টে ওর দিকে তাকিয়েছিলেন সুহাসিনী। সোফা ছেড়ে উঠে দাঁড়িয়ে শ্রীতমার একটা হাত ধরলেন। কোথাও একটা ভরসা খুঁজছেন যেন। মাথা নিচু। টপ টপ … পরপর দুটো উষ্ণ তরল ফোঁটার স্পর্শ শ্রীতমার হাতে। চুপচাপ দাঁড়িয়ে অসমবয়েসি দুই মানবী। কথাহীনতায় পেয়ে বসা সাড়ে সাতশো স্কোয়ার ফিটের এই ফ্ল্যাটে।

অ্যাপার্টমেন্ট থেকে বেরিয়ে রাস্তা ধরে হাঁটছিল শ্রীতমা। সামান্য এগোলেই রুবি মোড়। ওখান থেকে অটোয় রাজডাঙ্গা। নিজের পি জি ফ্ল্যাটে। খাদির মোটা চাদরটা ভালো করে চড়িয়ে নিলো গায়ে। বার বার রিঙ করছিল অভির নম্বরে। সেই একই উত্তর। যান্ত্রিক মহিলা কণ্ঠস্বরে ‘দিস নাম্বার ইজ আইদার আউট অফ রিচ অর সুইচড অফ। প্লীজ ট্রাই আফটার …।’ ‘ঘ্যাঁ ই ই ই শ!’ টায়ার স্কিট করা আর প্রাণপণে ব্রেক চাপার তীক্ষ্ণ কান ফুটো করে দেওয়া শব্দ। মুহূর্তের এক আচমকা রিফ্লেক্সে ছিটকে সরে এলো শ্রীতমা। জানালার কাঁচ নামিয়ে চালকের প্রচন্ড আতঙ্ক আর রাগ মেশানো ধমক – ‘অন্ধি হায় ক্যা? কোই হোশ নেহি …’। বলতে বলতে পাশ দিয়ে বেরিয়ে গেল গাড়িটা। তখনও থরথর করে কাঁপছে শ্রীতমা। মোবাইলে ব্যস্ত থাকতে থাকতে কখন যে বেখেয়ালে ফুটপাত ছেড়ে খোলা বাইপাসে নেমে পড়েছে খেয়ালই ছিলোনা। কয়েক মিনিট দাঁড়িয়ে শিরদাঁড়ার কাঁপুনিটাকে সামলালো। তারপর পা চালালো অটোস্ট্যান্ডের দিকে।

 

পিঠে ভারি রাকস্যাক। কাঁধে ক্যামেরা। জোরকদমে পা চালাচ্ছিল অভিরূপ। হাঁটা না বলে দৌড়োচ্ছিল বলা ভালো। সামনে হরিণের গতিতে পা চালাচ্ছে পথপ্রদর্শক। তাল রাখতে গিয়ে এই ভয়ঙ্কর ঠাণ্ডাতেও গুড়ি গুড়ি ঘামের ফোঁটা জমছে কপালে। রোজ ভোরবেলা উঠে ফ্ল্যাটের সামনে ফাঁকা রাস্তায় জগিং করে নিয়ম মেনে। সঙ্গে হাল্কা ফ্রি হ্যান্ড আর ওয়ার্ক আউট। সে সব যে নেহাৎই শৌখিন মজদুর, সামনে হাঁটা না বলে প্রায় উড়তে থাকা লোকটার সামনে সেটা হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছিল প্রতি মুহূর্তে। একপাশে প্রায় কিলোমিটার খানেক ফাঁকা জমিটা পেরিয়ে এবার রাস্তার দুপাশেই ঘন জঙ্গল। মানুষের পায়ে পায়ে চলে তৈরি হওয়া একটা সরু জঙ্গুলে পথ সামনে। সোজা ঢুকে গিয়ে হারিয়ে গিয়েছে জঙ্গলের মধ্যে। দ্রুত বাঁক নিয়ে রাস্তাটায় ঢুকে পড়লো পথপ্রদর্শক। পিছনে পিছনে অভিরূপ। জঙ্গলে ঢুকতেই অন্ধকার একলাফে বেড়ে গেল অনেকটা। রিষ্টওয়াচ সময় দেখাচ্ছে সাড়ে পাঁচটা। জঙ্গলের মধ্যে প্রায় রাত। এতক্ষণে হাঁটা থামালো পথপ্রদর্শক। ‘ফির সে একবার সরি কমরেড, আসল মে রাস্তে পে দের হোনে কা কারণ টাইম ভি বহোত লস হো গিয়া থা। ইধার সিআরপিএফ-কা এক ব্যাটেলিয়ান ডেইলি রুটিন রাউন্ড লাগাকে লওটতা ইস ওয়াক্ত … টাইম ভি করিব করিব হো গিয়া …’। বলতে বলতেই সচকিত হয়ে উঠলো ছেলেটা! কান খাড়া মুহুর্তে। কিছু একটা শোনার চেষ্টা করছে। ‘আ রহা কুত্তালোগ। আইয়ে হামলোগ ইসকে পিছে ছুপতে হ্যায়’।

সামনে বিশাল উঁচু একটা উইঢিবি। অভিরূপের হাত ধরে হ্যাঁচকা টান মেরে সেটার পিছনে চলে গেল ছেলেটা।

উইঢিবির পিছনে প্রায় জমে বসেছিল অভিরূপ। ঠাণ্ডায় আর দমচাপা আতঙ্কে। রণজিৎ সিংয়ের কথাগুলো মনে পড়ছিল। এনকাউন্টারের মাঝখানে পড়ে দু-একজন সাংবাদিকের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে এর আগে। এখনও যদি সেরকম কিছু হয়? যদিও এই নিস্তব্ধ জঙ্গলেও কোন গাড়ি বা ভারি বুটের শব্দ, কিছুই শোনা যাচ্ছে না। মিনিট দুয়েক বাদে হাল্কা ঘড়ঘড় শব্দ কানে এলো একটা। ক্রমাগত বাড়ছে শব্দটা। উইঢিবির গায়ে একটা ত্যারাব্যাঁকা ফুটোর মধ্যে চোখ রাখলো অভিরূপ। মিনিট খানেক বাদে সামনে একটা অ্যান্টি মাইন আর্মাডা কার, পিছনে আর একটা ভারি ট্রাক। ট্রাক ভর্তি আধা সামরিক বাহিনীর জওয়ান। কাঁধে নয়, সবার হাতে ইনস্যাস অটোম্যেটিক রাইফেল। ড্রাইভারের কেবিনের একধারে মাথার ওপর গোলাকার, ঢাকনা খোলা খোপটা দিয়ে উঁচিয়ে রয়েছে হেভি মেশিনগানের নল। ঘড়ঘড় শব্দে রাস্তা কাঁপিয়ে বেরিয়ে গেল সাঁজোয়া বাহিনী।

ধীরে ধীরে যেমন কাছে এসেছিল ঠিক সেভাবেই দূরে সরে যেতে যেতে একসময় মিলিয়েই গেল শব্দটা। এরপরও প্রায় মিনিট দশেক কাটার পর ঢিবির আড়াল থেকে বাইরে বেরিয়ে এলো পথপ্রদর্শক। ভালো করে একবার চোখ বুলিয়ে দেখে নিলো চারপাশটা। ‘বাহার আইয়ে কমরেড’। হাতের ইশারায় ডাকলো অভিরূপকে। একটু আগে ঘটে যাওয়া ধারাবাহিক ঘটনাক্রমের ঘোর তখনও কাটিয়ে উঠতে পারেনি অভিরূপ। আর একটা প্রশ্নও ক্রমাগত মনের মধ্যে ধাক্কা মেরে চলেছিল তখন থেকে। এবার মুখেও উঠে এলো সেটা। ‘আচ্ছা? অনেকক্ষণ ধরে চেষ্টা করেও আমি যা শুনতে পেলাম না, আপনি কী করে অতদুর থেকে ট্রাকের শব্দ শুনে নিলেন?’ বিস্ময় কাটছিল না অভিরূপের। তার এ হেন প্রশ্নে মৃদু হাসলো ছেলেটা। ‘আসল্‌ মে ক্যা হায় না, আপনারা মানে শহুরে মানুষরা অনেক শব্দ শুনতে শুনতে সুক্ষ বহু কিছু শোনার কানটা হারিয়ে ফেলেন। শুধু শোনারই নয়, শোঁকার ক্ষমতা, দেখার ক্ষমতা … অনেক কিছু। লেকিন জঙ্গল মে রহনেওয়ালে হর এক জীবিত প্রাণী – হাথি, হিরণ, চিতা, ভালু, পঞ্ছি, আদিবাসীলোগ, জঙ্গল কে সন্তান … ইয়ে সব খোতে নহি হায়। ওয়সে হি হাম গেরিলালোগ, যারা কোন না কোন সময়ে শহর থেকে, গ্রাম থেকে এখানে এসেছিলাম, ধীরে ধীরে অর্জিত কিয়া ইয়ে সব। সময় লাগা, বহোত নুকসান ভি উঠানা পড়হা লেকিন আখরি তক সফল হুয়ে। এখানে এসব শিখতে না পারার মানে মুছে যাওয়া জঙ্গল থেকে।’ কথা শেষ করেই দুর্বোধ্য ভাষায় মৃদুস্বরে কী একটা বললো ছেলেটা। অভিরূপের কানে সেটা ‘কাও’ জাতীয় কিছু একটা ঠেকলো। পরমুহূর্তেই দুদিকে মাত্র হাত দশেক দূরে দুটো বিশাল বিশাল গাছের আড়াল থেকে বেরিয়ে এলো দুটো ছায়ামূর্তি! বেরিয়ে এলো না বলে গাছেরই দুটো অংশ বিচ্ছিন্ন হয়ে সামনে এলো যেন। এতটা কাছে ছিল ওরা, বিন্দুবিসর্গ টের পায়নি অভিরূপ। এতটাই নিঃশব্দ উপস্থিতি! প্রায়ান্ধকারে ঝাপসা চারপাশ। তার মধ্যেও বোঝা যাচ্ছিল পুরনো ঘরানার অলিভ গ্রীন আর্মি ইউনিফর্মে দুজনেই। একজনের হাতে ঝুলছে বেঁটেখাটো মেশিন কারবাইন। অন্যজনের কাঁধে ইনস্যাস অটোম্যাটিক। অতটুকু মাত্র দূরত্ব। একদম মুখোমুখি এগিয়ে আসার আগেই দপ করে শেষ আলোটুকুও নিভে গেল জঙ্গলে।

 

চলবে…

২য় পর্বের লিঙ্ক – https://banglalive.com/bengali-novel-ketjel-pakhi-episode-2/

১ম পর্বের লিঙ্ক – https://banglalive.com/bengali-novel-ketjel-pakhi/

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

2 Responses

  1. দারুণ লাগছে! পরের পর্বের অপেক্ষায়।

Leave a Reply

Handpulled_Rikshaw_of_Kolkata

আমি যে রিসকাওয়ালা

ব্যস্তসমস্ত রাস্তার মধ্যে দিয়ে কাটিয়ে কাটিয়ে হেলেদুলে যেতে আমার ভালই লাগে। ছাপড়া আর মুঙ্গের জেলার বহু ভূমিহীন কৃষকের রিকশায় আমার ছোটবেলা কেটেছে। যে ছোট বেলায় আনন্দ মিশে আছে, যে ছোট-বড় বেলায় ওদের কষ্ট মিশে আছে, যে বড় বেলায় ওদের অনুপস্থিতির যন্ত্রণা মিশে আছে। থাকবেও চির দিন।