সকাল বেলা ঘুম ভাঙতেই মনে পড়ল আজ থেকে আর অফিস নেই। উঃ। আরাম করে আরেকবার পাশ ফিরে শুলেন লোকেনবাবু। গতকাল তার চাকরির শেষদিন গেছে। আজ থেকে তিনি সিনিয়ার সিটিজেন।বহু বিষয়ে ছাড় পাবেন। সে-কথা ভেবেই একটা অদ্ভুত আরামে তার শরীর জুড়িয়ে গেল।

Banglalive

কাল ঠিক রাত বারোটার পর একটা ফোন এসেছিল। একটি চনমনে মেয়ের গলা। খুব উচ্ছসিত ভাবে সে ‘কনগ্র্যাটস’ জানিয়েছিল। বলেছিল,তিনি যদি বোল্ড ধরণের কোন রিলেশনে আসতে চান তবে এখানেও ছাড় পাবেন টেন পারসেন্ট।

লোকেনবাবু আকাশ থেকে পড়েছিলেন। বলেছিলেন,

-বোল্ড রিলেশন? এই বয়সে? তাছাড়া, আপনারা আমার বয়স জানলেন কী করে?

মেয়েটা হেসে টুকরো টুকরো হয়ে পড়েছিল। বলেছিল,

-স্যার, এটা উইকিলিক্স-এর যুগ। সব কিছু লিক করে যাচ্ছে, আপনার তো শুধু বয়স। তবে আপনি স্টিল যা হ্যান্ডসাম, তাতে এই রিলেশনটাকে পেশা হিসেবে নিলে আপনার কিছু রোজগারও হবে।

-আপনারা আমার ছবিও দেখেছেন? কী করে?

-কেন? সোশ্যাল সাইট থেকে।  আমরা আপনার প্রায় সবই জেনে গেছি। এই বয়সেও আপনি দারুণ হ্যান্ডসাম। আপনি কবিতা লেখেন, গান করেন। মাঝে মাঝে  এইসব পোষ্টও করেন। আপনার প্রোফাইলে বান্ধবীর সংখ্যা  নব্বুই ভাগ। আপনার লেখাগুল বেশ বোল্ড এবং আপনি  বেশ আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্বের মানুষ। আপনার হবে।

-হবে? মানে কী হবে?

-আপনার স্ট্যামিনা আছে। রাত দুটো অবধি অনলাইন চ্যাট করেন।

সেরেছে। চ্যাটে কাকে কী বলি তাও জানে নাকি এরা? ঘেমে গিয়েছিলেন লোকেনবাবু।

-তবে আপনি বেশ বুদ্ধিমান মানুষ।

-কেন?

-আপনার প্রোফাইলে আপনার ফ্যামিলির কারও ছবি নেই। এইটা একটা কাজের কাজ করেছেন। বেশি ফ্যামিলি আঁকড়ে থাকা লোকেদের এই লাইনে ভবিষ্যৎ নেই। আমাদের ক্লায়েন্টরা বেশির ভাগই চায় নিঃসঙ্গ পুরুষ। রিলেশনশিপটাও দারুণ। লিখেছেন- সিংগল। একদম সোনায় সোহাগা। 

বাপরে! লোকেনবাবু যে নিঃসঙ্গ সেটাও জানে নাকি এরা? সাঙ্ঘাতিক সংগঠন দেখছি এদের।

-রিলেশনটাকে পেশা হিসেবে নেওয়ার কথা কী যেন বলছিলেন?

-হ্যাঁ। আপনি চাইলে এক একদিন হাজার থেকে পাঁচ হাজার পর্যন্ত রোজগার করতে পারেন।

-সেকি? কী ভাবে?

-আমাদের কাছে নানা ধরণের ক্লায়েন্ট এবং কাস্টমার  আছেন। স্টুডেন্ট থেকে গৃহবধূ। কেরানি থেকে কর্পোরেট। পছন্দ হলে দেব ফোন নাম্বার। আপনারা নিজেরাই যোগাযোগ করে নেবেন।

-তারপর?

-তারপর আপনি আপনার রেট জানাবেন কাস্টমারদের। আর আপনি ক্লায়েন্ট হতে চাইলে ওরা কাস্টমার হিসেবে ওদের রেট আপনাকে জানাবে। ব্যস, মিটে গেল হাঙ্গামা। ওকে? আপনি স্যাটিসফায়েড হলে  তিনমাস পর আবার ওই আঠারশো দিয়ে রিনিউ করাবেন মেম্বারশিপটা।

সারাজীবন ভাই বোন, ভাইপো ভাগ্নেদের টানতে টানতে কখন যে সূর্য পশ্চিমে চলে এসেছে টের পাননি লোকেনবাবু। মেসে মেসে মেষ-শাবকের মতো  জীবন কেটেছে বহু বছর। শেষ দিকে ইয়াংরা তাঁকে আর মেসে নিতে না চাওয়ায় এই এক কামরার ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে হাত পুড়িয়ে খান প্রায় দশ বছর। আর মাসে মাসে বর্ধমানের গণ্ডগ্রামে একপাল অলস ফাঁকিবাজ নড়েভোলা ভাই-ভাতিজা-ভাগ্নের একাউন্টে টাকা পাঠান।

আরও পড়ুন:  কেতজেল পাখি (দ্রোহজ ২) পর্ব ৩

রিটায়ারের পরেও টাকা পাঠানো বন্ধ করা যাবে না সেটাও বোঝেন। পেনশন মাইনের প্রায় অর্ধেক হয়ে যায়। তবু ওরা তো ছাড়বে না। কলকাতার ফ্ল্যাটে এসে হাঙ্গামা বাঁধাবে।

মায়া বড় বিষম বস্তু। ওদের মুখ দেখলেই সুড়সুড় করে বার করে ফেলবেন টাকা। অথচ সারাজীবন নিজে কৃচ্ছসাধন করেই কাটালেন। একদিন ভাল হোটেল রেস্টুরেন্টে খেলেন না। সবচেয়ে বড় কথা জীবনটার তিনের চার ভাগ কেটে গেল নিরামিষ খেয়ে।

না, এখানে মাছ মাংসর কথা হচ্ছে না। সেসব উনি খান। এখানে কথা হচ্ছে নারীহীন জীবনের। এতখানি জীবনে ঘরেতে ভ্রমর এলো না একবারও । না গুনগুনিয়ে, না মিনমিনিয়ে।

নারী সবার জীবনে আসেনা,কপালে আঁকা থাকলে আসে, এই বলেই লোকেনবাবু  নিজেকে সান্তনা দিয়েছেন চিরকাল। মা মরে গেলে বাবা সন্ন্যাসী হলেন। গ্রামের  জমিজমা সব পার্টির লোকের দখলে চলে গেল। ভাই বোন ভাইপো ভাগ্নাগুলোকে এই চাকরির অন্ন মুখে তুলে দিতে দিতে ওরাও বুঝে গেল, লোকেনের শরীরে মায়া বেশি।  তেমন কিছু না করলেও টাকার যোগান বন্ধ হবেনা।

টুকটাক উঞ্ছবৃত্তি করে ওরা অবসর পেলে। নিশ্চিন্তে বংশ বাড়ায়। দেশের বাড়ি আর যেতে ইচ্ছে করে না লোকেনবাবুর। সবাই জেনে গেছে। বাস থেকে নামতে না নামতেই চায়ের দোকানদার থেকে , রিকশাওয়ালা থেকে সবাই টাকা চায়। নেই বললেও শোনে না, বলে –

-ধার দাও।

জীবনের একমাত্র বিলাসিতা বলতে এই স্মার্টফোনখানা। তাও জোর করে এক ফচকে বিগতযৌবনা সহকর্মীনি কিনিয়ে দিয়েছিল তাই। সে সোশ্যাল আনসোশ্যাল সব সাইটেই লোকেনবাবুকে নানা রকম উত্তেজক ছবি, কথাবার্তা পাঠায়। তাতে লোকেনবাবুর শরীর  মন উচাটন হয় ঠিকই, কিন্তু হোটেলের চেহারা দেখে আমিষ খেতে সাহস হয়না।

আজ থেকে তার সঙ্গেও আর দেখা হবে না। বাঁচা যাবে।

কিন্তু কালকের ফোনটা বড় কাবু করে ফেলেছে। সারারাত ভাল করে ঘুমোতে পারেননি। শেষ রাতে নিজে হাতে, অনেকদিন পর, নিজেকে হালকা করে তবে ঘুমোতে পারলেন।

সকালে এইসব মনে পড়তে আবার বিষাদ এসে চেপে ধরতে লাগল।

সারাদিন ইচ্ছা মতো কাটিয়ে, আবোলতাবোল ঘুরে ফিরে, সন্ধ্যে একটু গাঢ় হলে একটা বিয়ারের বোতল কিনে ঘরে এলেন লোকেনবাবু। পাপকম্ম করতে হলে একটু নেশা চাই।

আর্ধেকটা সাবাড় করে ফোন করলেন কালকের সেভ করা নম্বরে। ওপাশে সেই মায়াবি রিনরিনে গলা। তুলেই বলল, স্যার ভাল খবর। স্টুডেন্ট আছে একজন। সেকেন্ড ইয়ার। আপনার বায়োডেটা  খুউউব পছন্দ। আপনি আজই দুহাজার টাকার টেন পারসেন্ট বাদ, মানে আঠারশো টাকা  বেলা বারোটার মধ্যে আমাদের একাউন্টে জমা করে দিন। ব্যাঙ্ক ডিটেল দিয়ে দিচ্ছি।  সন্ধ্যের মধ্যে ক্লায়েন্টের ফোন নম্বর দিয়ে দেব আমরা। আপনার এলাকার কাছেই থাকে। আপনি নাকতলা ও সন্তোষপুর।

আরও পড়ুন:  প্রেম, ভূত ও চুমু

টাকাটা জমা করেই আমাকে জানাবেন কিন্তু।

শেষ দিকে মেয়েটার গলায় একটা আকুতিও ফুটে উঠেছিল। ফোন নামিয়ে রেখে ভাবলেন, এরা চিটিংবাজ।  কাগজে কতবার পড়েছেন। অফিসেও আলোচনা শুনেছেন। টাকা একবার জমা পড়ে গেলেই এরা হাওয়া হয়ে যায়। তবু কেমন যেন দুর্বল লাগল ভেতরটা। এই মেয়েটাও তো এই চাকরিই করে। এরও নিশ্চয়ই বিয়ে হয়নি। বর থাকলে এইসব আজেবাজে চাকরি করতে দিত না। মাস গেলে এর রোজগারের দিকেও  নিশ্চয়ই এর বাবা মা বেকার ভাই আকুল প্রত্যাশা নিয়ে তাকিয়ে থাকে। আহারে বেচারা। গেলে মাত্র আঠারশো টাকার ওপর দিয়ে যাবে। যাক, একটা অভিজ্ঞতা তো হবে।

****

সন্ধ্যেবেলা ফোন বাজল।

-হালো, আমি তানিয়া  বলছি। আপনি লোকেন তো?

-হ্যাঁ , মানে।

-চলে আসুন। আমাদের পিজি আজ খালি। কেবল আমি একাই আছি। বাড়ীওয়ালাকে বলা আছে দেশের বাড়ি থেকে আমার এক আঙ্কেল আসবেন। নো প্রবলেম। সোজা দোতলায় উঠে রাস্তার দিকে ব্যালকনি দেওয়া ঘর। নিচ থেকেই দেখবেন, লেখা আছে, লেডিজ পিজি। সন্তোষপুর লোকনাথ মেডিকেলের দোতলায়। অটো থেকে নেমেই উলটো দিকে তাকাবেন। আমি বারান্দায় থাকব। ডট সাতটা। একঘণ্টায় দু হাজার দেব। আমার ছবি আপনার হোয়াটস এ্যাপে পাঠালাম এখুনি। ভাল করে দেখে নেবেন।  বাআআআই।

লোকেনের সারা শরীরের সব কটা কোষ লাফ মেরে উঠল।  এরা তো চিটিংবাজ নয়। সবাই তাহলে খারাপ হয় না। সেটাই তো জগতের  নিয়ম। নইলে লোকেনবাবুর মতো মানুষরা  কোন ভরসায় টিঁকে আছেন এই দুনিয়ায়? আজও?

কাঁপা হাতে হোয়াটস এ্যাপ খুললেন। খুলেই চমকে উঠলেন। ফুটফুটে। সদ্য ফোটা ফুলের মতো চেহারা মেয়েটার।

***

নেশা করেছিল মেয়েটা। শুকনো নেশা। মারিজুয়ানা। চোখ লাল। এলোমেলো ভাবে কথা বলছিল। যেটুকু জানা গেল , ওর বাবা মায়ের বিচ্ছেদ হয়ে গেছে দুবছর আগেই। সেই বিচ্ছেদ আইনসিদ্ধ হয়েছে গত সপ্তাহে। দুজনাই নামী অধ্যাপক। সংসারে অশান্তি অনেকদিনের। তাই মেয়েকে নিজেদের মফঃস্বলের কলেজ থেকে সরিয়ে এনে কলকাতার কলেজে ভর্তি করিয়ে  এই পিজিতে  রাখা। এখানে ও সারাদিন নেশা করে। সারারাত কাঁদে। নেশা চড়ে গেলে ভাঙচুর চালায়। খায় না ঠিকমতো। কলেজের বন্ধুরা এক এক করে ছেড়ে চলে গেছে ওর এই বদমেজাজি আচরণের জন্য। মা বাবা ফোন করলেই দুজনকেই তুমুল খিস্তি করে তানিয়া। ওরাও আর ফোন করে না ইদানিং।

রুমমেটরা বারবার আপত্তি জানাচ্ছে। বাড়িওয়ালা ওর জন্যে পিজির বদনাম করতে রাজি নয়। ওকে এই পিজি ছাড়তে হবে। কিন্তু এতো বড় শহরে ওর আর থাকার কোন জায়গা নেই।

প্রথম প্রথম ঠিক থাকলেও পরের দিকে টাকা পয়সার যোগান অনিয়মিত হয়ে গেছে।গত মাসে কিছুই আসেনি বাড়ি থেকে। ফোনও তুলছে না কেউ। বাড়ি যে চলে  যাবে, সত্যি কথা বলতে কি ওর কাছে আর টাকা পয়সা বলতে কিছুই নেই। নেট থেকে এই এসকর্ট সার্ভিসে নাম এন্ট্রি করিয়েছে গতকাল। এখন  লোকেন কিছু দিলে ও বাঁচে। না দিলেও চলবে। একা একা আজ রাতে এত বড় ঘরে থাকতে পারবে না ও। সিলিন্ডার খুলে রাখবে। তারপর একটা দেশলাই…।। যাক, সব জ্বলে পুড়ে যাক বাঞ্চোত। আগুন ধরে যাক গোটা দুনিয়ায়…।

আরও পড়ুন:  জামাই ষষ্ঠী পালা

বলতে বলতে হাউহাউ করে কাঁদছিল মেয়েটা। কাঁদতে কাঁদতে লোকেনের বুকের ভেতর  মুখটা  গুঁজে দিয়েছিল । লোকেন ক্রমাগত হাত বুলিয়ে গেছে মাথায় পিঠে। কোম্পানি সেই চিটিংবাজি একটু করলই। রোজগারের বদলে পকেট হালকা করবার ফাঁদে ফেলে দিল।

কেঁদে কেঁদে ঘুমিয়েই পড়েছিল মেয়েটা। উঠল যখন, লোকেনের মনে হল, মায়ার সাগরে চান করে যেন উঠেছে। ভেতরের বোল্ড পুরুষটাকে একদম খুঁজে পেল না লোকেন।

তানিয়ার শরীরে একটা অদ্ভুত গন্ধ।চোখ দুটো জলে ভিজে এখন শান্ত দিঘির মতো। লোকেনের বুকে পিঠ রেখে হেলান দিয়ে পিজির তক্তপোষে আধোশোয়া হয়ে  আছে। পরনে একটা গেঞ্জি আর হাফপ্যান্ট। মাখনের মতো পা দুটো সামনে ছড়ান। দেওয়ালে হেলান দিয়ে, তানিয়াকে বুকে নিয়ে , চৌকির ওপর বসে আছে লোকেন।

টিভিটা মিউটে চলছে। ডিসকভারি চ্যানেল। গভীর জলের নিচে বিশাল তিমির ঝাঁক। তাদের  ঘিরে অজস্র মাছ। এই ঝাঁক কাল পরশুর ভেতর অ্যাটলান্টিক পাড়ি দেবে। শীতের শুরুতে জলের তাপমাত্রা ক্রমশ  কমে আসছে উত্তর গোলার্ধে। তিমি সমেত অনেক ধরণের মাছ উদ্বিগ্ন। সময় মতো সরে যেতে হবে এই শীতের কামড় থেকে। তিমির ঝাঁক মহাসাগর পাড়ি দেওয়ার আগে উত্তেজিত। শরীর থেকে হরমোন ছাড়ছে। সেই হরমোনের গন্ধ পেয়ে ঝাঁকে ঝাঁকে মাছেরা এসে তিমির গায়ে সেঁটে যাচ্ছে। ওদের তুলনায় তিমিগুলো এতো বড় যে এতো মাছগুলো  এসে ওদের শরীরে  আটকে নিয়েছে নিজেদের, হুঁশই নেই কোন। পার হয়ে যাবে ঝাঁকটা , সঙ্গে পার হয়ে চলে যাবে ছোটখাটো অনেকগুলো প্রাণ। তিমিরা জানতেই পারবে না। 

একটা নিরীহ শান্ত গোছের তিমির দিকে আঙুল তুলে তানিয়া হঠাত বলে উঠল,

-দেখ দেখ,  ওইটা ঠিক তোমার মতো। মাছগুলো কেমন নিশ্চিন্তে সেঁটে আছে ওর গায়ে !

অনিয়ন্ত্রিত ভাবে লোকেনের গলা দিয়ে বার হয়ে এল,

-আজ রাতেই সব গুছিয়ে রাখো। কাল সকালে একটা ট্যাক্সি ডেকে মালপত্তর যা আছে, সব নিয়ে আমার ফ্ল্যাটে চলে যাব। ওখানে আমার সঙ্গেই থাকবে তুমি।

মেয়েটা লাফ দিয়ে উঠে বসল। বিছানার ওপর হাঁটু গেড়ে বসে ঝুঁকে এল লোকেনের মুখের কাছে। বড় বড় চোখ মেলে বলল,

-আমাদের রিলেশনটা কী রকম হবে তাহলে?

লোকেন শান্তভাবে হেসে বললেন,

-বাবা আর মেয়ের মতো। বোল্ডলি থাকব আমরা দুজন।

14 COMMENTS

  1. Khub sundor golpo. Besh halka … darun laglo. Sesh tuku khub e bhalo legechey! Baap meye’r relation-er theke bold relation r kichu achey naki prithibi te!

  2. খুব ভাল। শেষ টুইস্টটা একটু আগে থেকে সামান্য আন্দাজ করা গেলেও তাতে গল্পের রসভঙ্গ হয়নি কখনোই। টানটান ভাবটা বজায় থেকেছে বরাবর।

  3. Asadharan. Lekhata pore bujlam Kenny Rozers er gaan er katha gulo khub satti
    ” life doesn’t get dimmer with the setting of the Sun
    Best years of our life still yet to came in our old age”

  4. গল্পের শুরুটা যেমন ছিল শেষটা তেমন হলো না…কেমন একটা সাফাই যেন… সম্পর্কটা অন্য হলেও খুব ক্ষতি হত না…আজই তো মিলিন্দ সুমন ৫২ আর সেই ২৪ বছরের মেয়েটির বিয়ে… !! কোথাও তাদের খারাপলাগা নেই, বরং বেশ খুশি তাঁরা…

  5. আদ্যোপান্ত bold by a bold writer….শেষ লাইনটা অসাধারন …..

  6. হা হা হা,,,, আমি তো খুব উপভোগ করলাম, এই গল্পটা ।
    কিন্তু লোকেনবাবু যে উপভোগ করতে পারবেন না
    তা আমি আগেই বুঝতে পেরেছি,,!!

  7. হা হা হা,,, আমি তো গল্পটা খুব সুন্দর উপভোগ করলাম,,
    কিন্তু লোকেনবাবু যে উপভোগ করতে পারবেন না তা
    আমি আগেই বুঝতে পেরেছিলাম।

  8. বাঃ! একদম অন্য স্বাদের গল্প। ব্যাপারটা খুবই বাস্তবসম্মত হয়েছে। লোকেনবাবু চরিত্র একদম বাতব। এরকম সবকিছু উজাড় করে দেওয়া চরিত্র পৃথিবীতে এখনও আছে। তাই পৃথিবী এখনও বেঁচে আছে। বাপ-মেয়ে বা মা-ছেলের থেকে বোল্ড রিলেশন আর কী হবে! নির্মাল্যবাবু বোল্ডলি যে সত্যি কথাগুলো বলতে পেরেছেন তার জন্যে অনেক অভিনন্দন। ধন্যবাদ।

এমন আরো নিবন্ধ