চোর পুলিশ

638

ধীমানের টিফিন চেটে গেল বিপিন। সন্ধে নামতেই আওয়াজ উঠল পাড়ার চায়ের দোকানে। ছেলে পিলের দল হুলিয়ে সিটি বাজাল। পিক পিক পিক। গলির মোরে মেয়ে বউদের মুখ টেপাটেপি।

ধড়ফড়িয়ে বিছানায় উঠে বসল ধীমান। আজকাল ঘুমের মধ্যেও তার ওই এক কেস। জানলা দিয়ে নরম রোদ এসে পড়েছে বিছানায়। পাশেই তার বছর ছয়েকের ছেলে বাপ্টু। সরল, নিঃস্পাপ মুখ। ঘুমে অচেতন। সে দিকে তাকিয়ে নিজেকে খানিক ধাতস্থ করে সে। এমনিতে সকাল সাতটায় ওঠা অভ্যাস বাপ্টুর ন’টা থেকে স্কুল। ক্লাস ওয়ান। কিছুদিন আগেও সাইকেলে চাপিয়ে তাকে স্কুলে দিয়ে এসেছে ধীমান। তারপর বেড়িয়েছে গাড়ি নিয়ে। ডিউটি ধরতে তার সেভেন সিটার সিডান। ফাইন্যান্সে নেওয়া। সব মিলিয়ে বছর চারেকের লোন। বউ সুজাতাই দেখিয়েছিল লাইনটা।

–  আমার পিসতুতো ভাইটা তো ওই করেই দাঁড়িয়ে গেল। এখন দেখ সারা দিন ড্রাইভার আর সন্ধ্যে হলেই কেমন বগলে পাউডার।

ধীমান মাথা নেড়েছিল।

– বিষয়টা খারাপ বলোনি। তবে কিনা গাড়ি তো! কেমন ভয় ভয় লাগে। অতোগুলো টাকার ব্যাপার। যদি না ক্লিক করে!

বন্ধু বিপিন পার্টির ছোটখাট মাথা। এগিয়ে এসেছিল সেই। দিনেরবেলা একটা প্রাইভেট কোম্পানিতে ব্যাবস্থা করে দিয়েছিল ধীমানকেসেই সূত্রেই ধীমানের বাড়ি আসা যাওয়া বিপিনের। সে হতেই পারে। তা নিয়ে বলার থাকতে পারে না কারও কিছু।

ধীমান নিজেই ড্রাইভ করেসারা দিন এম ডির গাড়ি চালিয়ে রাতেরবেলা সুযোগ পেলেই শাটল। যা দু পয়সা বেশি আসে। এমনিতে তো ই এম আই গুনে তেমন কিছু থাকে না হাতে। তেলের খরচ, মেইনটেন্যান্স বাদে আপাতত হাজার পাঁচেকচার বছর বাদে লোনের কিস্তি শেষ হলে মাসান্তে মোটা আয়ের মুখ দেখবে সে। ততদিন উপরি যা আসে আর কি। তবে এখন আর হিসাব কষে লাভ নেই। তিন তিনটে মাস বাড়িতে বসা এম আই বাউন্স। হাজার চল্লিশ এখনই ডিউ। যে কোন দিন রাস্তা ঘাটে গাড়ি টেনে নিতে পারে ফাইন্যান্স কোম্পানির রেপো সেশনের স্টাফরা। হঠাৎই মনে পড়ে ধীমানের মিস্টার সোমের সঙ্গে দেখা করতে হবে একবারলোকটা তার জন্য ঝেল নিয়েছে অনেক। লোন স্যাং, কে ওয়াই সি তে প্রবলেম। ভেরিফিকেন সামলানো। হতে পারে ব্যবসার খাতিরে। তবুও আজকাল একস্ট্রা পে ছাড়া কে আর অন্যের ঝামেলা সামলায়। থাক ওসব কথা! তার চাইতে বাপ্টুর শখটা মিটিয়ে দেওয়াই ভাল। অনেক দিন থেকেই বায়না করে। এই বয়সেই ওর গাড়ি চাপার শখ প্রবল। বলা যায় না আর হয়তো সু্যোগই এল না এই জীবনে।

বিছানা থেকে নেমে দাঁড়ায় ধীমান। ছেলেকে ডাকেবাপ্টু! এই বাপ্টু! ওঠতাড়াতাড়ি নে। বেরতে হবে বাপ্টু রোজের মতোই আড়মোড়া ভাঙে। আর একটু শুই না বাবা। প্লিজ

–  না, না, আর শুলে হবে না। এখুনি ওঠ। এর পর দেরি হয়ে যাবে

বাপ্টু চোখ কচলে উঠে বসে ধীমান বলে, আজ বাপ ব্যাটায় বেরব আমি ড্রাইভার তুই খালাসি বাপ্টুর অনেক দিনের শখ বাবার গাড়ি চাপবে সে কিন্তু বাবা কিছুতেই চাপায় না খালি তাকে ফাঁকি দিয়ে বেরিয়ে যায় বলে, ঘুরে আসছি এখুনি তারপর নিয়ে যাব তুই ততক্ষণ মন দিয়ে হাতের লেখাটা করে নে সেই বাবাই আজ তাকে গাড়ি চাপাবার কথা বলছে আনন্দে লাফিয়ে ওঠে বাপ্টু চটপট রেডি হয়ে নেয়জিগ্যেস করে, কত দূর যাব বাবা! কাছেই নাকি দূরে! ধীমান ছেলের চিবুকে হাত রাখে।

–  না রে ব্যাটা। দূরে। অনেক দূরে। যেখানে কেউ চিনবে না আমাদের শুধু তুই আর আমি। সারা দিন ধরে খেলা আর খেলা।

বাপ্টু বলে, মজা হবে খুব। চোরপুলিশ খেলব দুজনে। তারপর ক্রিকেট। এই বলে ভেতর ঘরে ছোটে সে। ক্রিকেট ব্যাট সঙ্গে নিতে। ধীমান ম্লান হাসে বুক পকেট থেকে মোবাইল বের করে কল করে মিস্টার সোমকে

–  হ্যালো স্যার ঠিক দশটায় হাইওয়ের ধারে বড় ধাবাটায়

আপাতত ছেড়ে দেয় ধীমান। মিস্টার সোমকে সামনা সামনি বলতে হবে সমস্ত কিছু। লোন স্যাংশনের আগে বড় মুখ করে বলেছিল সে, খাই না খাই ই এম আই ঠিক ভরে দেব স্যার। আমার জন্য প্রবলেমে পড়তে হবে না আপনাকে। কিন্তু তখন কী আর সে জানত, ওরকম একটা বিষাক্ত ফোনকল অপেক্ষা করে আছে তার জন্য। প্যালার চায়ের দোকানে আড্ডা দিয়ে সবে বড় রাস্তায় পড়েছে সে। এমন সময় রিং। অচেনা নাম্বার।

–  আপনার ছেলে বাপ্টু গ্রীল ধাক্কাচ্ছে অনেক্ষণ। দরজা ভেতর থেকে বন্ধ। আপনার বউ খুলছে না। মনে হয় কোন আপদ বিপদ হয়েছে।

তারপরই কেটে যায় লাইনটা। পড়িমরি ছুটে আসে ধীমান। দরজায় ধাক্কা দেয়। শোওয়ার ঘর থেকে কোনরকমে পায়জামার দড়ি বাঁধতে বাঁধতে বেরিয়ে আসে বিপিন। পিছন পিছন সুজাতাও। হাঁ হয়ে যায় ধীমান। তাকিয়ে থাকে ওদের মুখের দিকে। তখনই মনে পড়ে যায় তার রাস্তা ঘাটে আলগোছে ভেসে আসা টিটকারি। ধীমানের টিফিন চেটে গেল বিপিন। মাথার ঠিক রাখতে পারে না সে। বিপিনের সঙ্গে লেগে যায় ধস্তাধস্তি। চায়ের দোকান থেকে চ্যাংড়ার দল নিয়ে ছুটে আসে প্যালা। প্যালাকে দেখে রাগে ফেটে পড়ে সুজাতা। বলে, এসব ওই হারামিটারই কাজ। বুঝি না কিছু না! সারাক্ষণ শুধু ছোঁক ছোঁক। ছিনে জোঁকের মতো লেগে থাকা। চ্যাংড়ার দল হই হই করে ওঠে। বলে, ছুঁচোর গলায় চন্দ্রহার। খোঁচাটা বিপিনকে। বিপিনের মুখ ভর্তি এবড়ো খেবড়ো পক্সের দাগ। তারপর থেকেই সে হাওয়া। সঙ্গে সুজাতাও।

গাড়ি চালাতে চালাতে এসবই মনে পরে ধীমানের। অথচ মাত্র সেদিনের কথা। বুঁদ হয়ে ভাবত সে, আরও একটা গাড়ি হবে তার। তারপর আরও একটা। সব শেষে এসি বাস। সুজাতার নামে। দিল্লি মুম্বই হায়দ্রাবাদ। তারা চষে বেড়াবে সারা ভারত। প্যাসেঞ্জার নিয়ে আগ্রা যাবে। তাজমহলের সামনে দাঁড়িয়ে ছবি তুলবে দুজনায়। এমনিতে তো আর যাওয়া হবে না ওসব জায়গায়। যাই হোক, ছোট গাড়ি যে ক’টা করতে পারবে সব থাকবে ছেলের নামে। আর বাসটা রাখবে সুজাতার জন্য। শেষ বয়সের ভরসা। কত স্বপ্ন দেখেছিল সে। আর স্বপ্ন দেখবে বলেই তো তার অফার লেটার বের করা। ফাইন্যান্সের জন্য লোক ধরা। কিন্তু সবকিছুই আটকে যাচ্ছিল বাড়িতে এসে। ট্যাক্সের কাগজ, ইলেক্ট্রিক বিল কোন কিছুই দেখাতে পারছিল না। অথচ কত বড় ঘরের ছেলে সে। শিক্ষিত। বি কম পাশ। ধীমানের বাবা রিটায়ার্ড প্রফেসর। এক ডাকে এলাকার সবাই চেনে। স্টেশন রোডে তিনতলা বাড়ি তাদের। ধীমানরা ব্রাহ্মণ। কলেজ থেকেই তার প্রেম। সুজাতা এমনিতে সুন্দরী। টান টান শরীর। কিন্তু অব্রাহ্মণ। নিচু জাত। তার ওপর কলোনি কালচার। বদনামও আছে একটু। মেনে নেয়নি ধীমানের বাবা। তাই বাড়ি থেকে পালিয়ে বিয়ে। সুজাতাকে নিয়ে যখন সে আশীর্বাদ নিতে গেছিল তখন সদর দরজা ভেতর থেকে তালা দেওয়া। অনেক ডাকাডাকিতেও সাড়া দেয়নি কেউ। সুজাতার হাত ধরে সেই প্রথম রাস্তায় নামা ধীমানের। মাধ্যমিক পরীক্ষার সময় বাবার দেওয়া দামি হাত ঘড়িটাও খুলে ছুঁড়ে দিয়েছিল সে বাড়ির ভেতরে। তারপর আর ফিরে তাকায়নি। ওমুখো হয়নি একটি বারের জন্যও। এমনকি বাপ্টু হওয়ার পরও নয়। গড়পারের কলোনিতে ঘর ভাড়া নেয় সে। শুধু একটা কাঠের চৌকি আর আলনা।

মিস্টার সোম মন দিয়ে শুনেছিল ধীমানের প্রতিটা কথা। তারপর বলেছিল, কিন্তু এই দেখে তো আর লোন দেওয়া যায় না। আফটারঅল এটা একটা বিজনেস। কোম্পানি রিপেমেন্টের বিষয়টা বুঝে নিয়েই স্যাংশন করবে। শুধু গাড়িটাই চালাতে শিখেছেন। আর কোন জোরই নেই দেখছি। হাঁ করে তাকিয়েছিল ধীমান। লোকটা বলেছিল, আপনার বাবার তো একটা সুনাম আছে। দেখুন না একটু চেষ্টা করে। উনি যদি গ্যারান্টার হন।। বাবা! ইমপসিবল। প্রায় লাফিয়ে উঠেছিল ধীমান। লোকটা মুচকি হেসেছিল।

– আরে ই এম আই তো আপনিই শোধ করবেন। উনি শুধু নাম কা ওয়াস্তে থাকবেন।

ধীমান রাজি হয়নি। মিস্টার সোম শেষমেশ বলেছিল, ঠিক আছে বিষয়টা আমার ওপর ছাড়ুন। একবার কথা বলে দেখি আপনার বাবার সঙ্গে। ধীমান কী বলবে বুঝে উঠতে পারেনি। লোকটা আবার বলেছিল, একটা ব্যাপার ভুলে যাচ্ছেন কেন! বাড়ি থেকে ছেলেকে বের করে দেওয়া সহজ। কিন্তু সেন্টিমেন্ট! সেটা কি আর মন থেকে তাড়ানো যায়! আমরা মার্কেটিংএর লোক। কোথায় কী খাওয়াতে হয় খুব ভাল বুঝি। আমায় একটু সময় দিন। ভেবে দেখি, বলেছিল ধীমান। রাতে সুজাতাকে আদর করতে করতে জিগ্যেস করেছিল, কী করা যায় বলত! ভাবছি একবার বিপিনকে ধরব। ও যদি কিছু একটা ব্যবস্থা করতে পারে। সুজাতা ইতস্তত করে বলেছিল, বিপিনদা! তোমার সেই বন্ধু! তা একবার কথা বলে দেখতে পার। তুমি বললে না করতে পারবে না। পরদিন সকালেই ধীমান ছুটেছিল বিপিনের কাছে। বিপিন বলেছিল, কিছু টাকা দিতে পারি তবে ওসব ঝামেলায় জড়াতে পারব না। মিস্টার সোম ঠিক কথাই বলেছে। ওটা তোর বাবাকেই বল। রাজি না হলে আমরা খানিক কড়কে দেব। দেখবি ঠিক লাইনে চলে এসেছে।

এরপর কী ঘটেছিল তা স্পষ্ট নয়। তবে ধীমানের বাবা এক কথাতেই রাজি হয়ে গিয়েছিলেন। বলেছিলেন, কী আর করব বলুন। জন্ম যখন দিয়েছি ভার তো বহন করতেই হবে।

কথাটা কানে গেছিল ধীমানের। ভেতরটা খামচে ধরেছিল একরাশ যন্ত্রণা আর ধিক্কারে। মিস্টার সোম বলেছিল, ছাড়ুন তো মশাই ওসব। আপনাকে মার্কেটে টিঁকে থাকতে হবে। বউ বাচ্চার মুখে খাবার তুলে দিতে হবে। এটাই আসল কথা। বাকি সব ফালতু। ধীমান মাটির দিকে তাকিয়ে মাথা নেড়েছিল শুধু। লজ্জায় এতটুকু হয়ে গেছিল।

থাক সেসব কথা। হঠাৎই ব্রেক কষে ধীমান। গাড়ি সাইড করে দাঁড়ায় রাস্তার এক ধারে। হাইওয়েতে ওঠার ঠিক আগে। দুপাশে সবুজ ধানক্ষেত। মাথার ওপর নীল আকাশ। ধানের ক্ষেত থেকে ছুটে আসে ঠান্ডা জোলো হাওয়া। জানলা দিয়ে ক্ষেতের দিকে আনমনা তাকিয়ে থাকে সে। বিড়ি ধরায়। একটা সাদা বক ধান খেয়ে চলে। বক না সুজাতা! আট বছরের দাম্পত্যের ধান খেয়ে সেও তো উড়ে গেছে অবৈধ সম্পর্কের খোঁজে। ফেলে গেছে বাপ্টু আর তাকে। সুজাতা চলে যাওয়ার পর তার বাপের বাড়ির লোক জন কিছু দিন রেখেছিল বাপ্টুকে। তারপর হাত গুটিয়ে নিয়েছে তারাও। এ অবস্থায় কি যে করে সে! কিছুই বুঝে উঠতে পারে না। এক দিকে ছেলে। তার চান খাওয়া স্কুল যাওয়া, সব কিছুটা। আর এক দিকে গাড়ি। কোন দিকে যে নজর দেয় ঠান্ডা মাথায় কিছুতেই সিদ্ধান্ত নিতে পারে না সে। বাপ্টু জিগ্যেস করে, কি হল বাবা! তেল ফুরিয়ে গেছে! অনেক কষ্টের মধ্যেও হাসি পায় ধীমানের। ব্যাটা পাক্কা ড্রাইভারের বাচ্চা। এই বয়সেই বুঝে ফেলেছে তেল ফুরিয়ে গেলে গাড়ি আর চলে না। কিন্তু ধীমান বোঝে তেল গাড়ির নয় ফুরিয়ে গেছে তার নিজেরই। মিস্টার সোমের ফোন আসে। ধীমান আবার স্টার্ট দেয় গাড়িতে। ব্রিজ পেরিয়ে আস্তে আস্তে এসে পড়ে হাইওয়ের ওপর।

হঠাৎই রাস্তা আটকে দাঁড়ায় একটা গাড়ি। দু চারটে ষণ্ডামার্কা ছেলে গাড়ি থেকে টেনে বের করতে চায় ধীমানকে। ধীমান বাধা দেয়। এলোপাথারি চালাতে থাকে হাত পা। ছেলেগুলো গালাগাল দেয়। এই শালা শুয়ারের বাচ্চা। বাবুয়ানি মারছিস, ই এম আই কে দেবে তোর বাবা! ধীমান উত্তর দেয় না। কোনরকমে স্টার্ট করে দেয় গাড়ি। টানা হেঁচড়ায় কেটে যায় তার চোখের কোল। বাপ্টু পাশের সিটে বসে কাঁদে। ধীমান অ্যাক্সিলেটারে চাপ দেয়। পেছন পেছন ছুটে আসে গুন্ডার দল। বাপ্টু জিগ্যেস করে, বাবা ওরা কি বদমায়েশ লোক! তোমায় ধরে নিয়ে যাবে! ধীমান উত্তর দেয়, না ব্যাটা। এটাও একটা চোর পুলিশ খেলা। তুই শুধু দেখে যা কেমন মজা হয় এবার। বলতে বলতেই সে গাড়ির স্পীড বাড়িয়ে দেয়। লুকিং গ্লাসে দেখে ছেলেগুলো আস্তে আস্তে ভোল পালটে হয়ে যাচ্ছে তার বাপ, বৌ, বন্ধু বিপিন। ধীমান চোয়াল শক্ত করে চেপে রাখে অ্যাক্সিলারেটার। গাড়ি ছুটে চলে। লোকগুলো পিছিয়ে পড়ে ক্রমশ। হাসি হাসি মুখ করে ধীমান তাকায় ছেলের দিকে। আনন্দে হাততালি দিয়ে ওঠে বাপ্টু।

Advertisements

22 COMMENTS

  1. Khub sundor hoyeche lekhata ..bastob ta khub bhalo kore tule dhora hoyeche , somapti tao bes romanchokor..aro lekhar opekha e roilam sobai

  2. Khub bhalo hoyeche lekhata …bastob ta k khub bhalo kore phutiye tola hoyeche …somapti ta o bes romanchokor…aro lekhar opekkhae roilam sobai

  3. Bes sundor hyeche lekhata…basob ta k khub bhalo kore tule dhora hoyeche ..somampitao bes romanchokor …aro lekhar opekkhaye roilam sobai

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.