২৮, ২৯ পর পর দু’দিন ব্যংক ধর্মঘট। শুনেই পেটটা গুড়গুড় করে উঠল ভ্যাবলার। সে পেটরোগা মানুষক্রনিক আমাশা আর গ্যাস অম্বলের রোগী। দিনের মাথায় কতবার যে যেতে হয় তার ঠিক ঠিকানা নেই। আজই সকাল থেকে তিনবার হয়ে গেছেতবুও ধর্মঘটের খবরটা কানে যেতেই আবার সিগন্যাল দিল মাথা, ভ্যাবলা দুই দিনের কাজ আজই সেরে রাখ। অ্যাডভান্স। নয়ত বিপদে পড়বি খুব। অ্যাডভান্স! চমকে উঠল ভ্যাবলাএ কী এটিএম কার্ড যে সুবিধা মতো গলালাম আর বেরিয়ে এল। খাওয়া, ঘুম, হাগা আজ অবধি এসব কাজ আগেভাগে পেরেছে কেউ সেরে রাখতে!

Banglalive

-কেউ না পারুক তোকে পারতেই হবে। যেন বলে উঠল ভেতরটা। খবরটা কনফার্ম করতে ভ্যাবলা ছুটল স্টেট ব্যাংক। লোহাবাজার শাখা।

নামে লোহাবাজার হলেও বাজার কিন্তু লোহার নয়, বস্ত্রের মানে কাপড় চোপড়ের। আর সেই বাজারেই ফাইফরমাস খাটতে গিয়ে কাপড়ে চোপড়ে অবস্থা ভ্যাবলার। দোকানের নাম শ্রীকৃষ্ণ বস্ত্রালয়। উৎকৃষ্ট মানের শাড়ি গামছা বিক্রেতাবাজারের টপ দোকান, যাকে বলে বিশ্বস্ততম প্রতিষ্ঠান। মার্কেটের ভেতর অলি গলি ঘুরে ঘুপচি একটা ঘর। নোনা ধরা। সেই পিতামহ ভীষ্মর আমলেরকিন্তু হলে কী হবে! নামেও শ্রীকৃষ্ণ কাজেও তাইসারাদিন অবিরাম শাড়ি জুগিয়ে চলেছে দূর দূরান্ত থেকে আসা সম্ভ্রান্ত দ্রোপদীদেবীদেরঅনবরত রক্ষা করে চলেছে এলাকার দুঃশাসনদের কুনজর থেকে। অক্লান্ত পরিশ্রম। সে যাইহোক, ওসব মহাভারতীয় কর্মকান্ডে ভ্যাবলার কোনও রোল নেই। সে সাধারণ হুকুম তামিল করা কর্মচারী। চা আনে জল তোলে। মালপত্র আসলে তদারকি করে। কুলিদের হাঁক দেয়, এই ইঁহা সে শাড়ি লে লে কর্ ওখানে রাখো আর উঁহাসে শাড়ি উঠা উঠা কর্ এখানে ফেল। এছাড়াও ভ্যাবলার আরও একটি কাজ আছে। সেটা হল ব্যাংকে টাকা জমা দেওয়া এবং ব্যাংক স্টেটমেন্ট আনা। রোজই এই কাজটা করতে হয় তাকে। শ্রীকৃষ্ণ বস্ত্রালয় ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানলোহাবাজার স্টেট ব্যাংকে তাই তাদের কারেন্ট অ্যাকাউন্ট। আর কারেন্ট অ্যাকাউন্ট মানেই চোদ্দবার টাকা তোলা আর জমা দেওয়ার ঝক্কি। সেই ঝক্কি রোজ পোহাতে হয় ভ্যাবলাকে। তবে সে মজাসেই পোহায়। ঝকঝকে অফিস। কাঁচ দিয়ে ঘেরা। সেন্ট্রাল এসি। এমনকী বাথরুমটাও। একবার ঢুকলে আর বেরতে ইচ্ছা করে না ভ্যাবলার। মনে হয় কোমডে বসেই লিখে ফেলে কবিতা। দেওয়ালে সুগন্ধীমাথার ওপর ঠান্ডা হাওয়া। তাই যে কোনও কাজে ব্যংকে এলেই হল। পেট কোনাক আর নাই কোনাক, বাথরুমটা একবার সেরে রাখবে সে। বলা তো যায় না হঠাৎ করে যদি রাস্তা ঘাটে চেপে বসে নিম্নচাপবিশেষত বাসে ট্রেনে। খেয়াল করে দেখেছে ভ্যাবলা, যেখানে বাঘের ভয় সেখানেই সন্ধ্যে হয়। এক সময় কলেজ ফেরতা লোকাল ট্রেনে বহুবার নাকানি চোবানি খেয়েছে সেশেষ পর্যন্ত মাঝের কোনও ষ্টেশানে নেমে লাইনের ধারেই। মনে মনে তাই সে ধন্যবাদ জানায় ভগবান শ্রীকৃষ্ণকে। ভাগ্যিস এই সমস্ত ঝুট ঝামেলা তার ঘাড়ে ফেলেছিল! না হলে কী যে কেলেংকারি কাণ্ড হত!

সে যাই হোক, সাত পাঁচ ভাবতে ভাবতে ভ্যাবলা হাজির হয় ব্যাংকে। সন্ধ্যে তখন প্রায় ছয়টা। অফিস আওয়ার শেষ। সাধারণ পাবলিকের জন্য ব্যাংকের দরজা বন্ধ। এই সময় সিকিওরিটির লোকটা রাইফেল গুটিয়ে রিল্যাক্স করে চেয়ারেসারা ব্যাংক জুড়ে তখন অপার শান্তি। অপগন্ড পাবলিকের আনাগোনা নেই। শুধু কয়েকজন মাত্র অফিসার তাও মাথাগুঁজে সারাদিনের হিসেব মেলাতে ব্যস্ত। ঠিক এরকম একটা মোক্ষম সময় সাইড দরজায় টোকা দেয় ভ্যাবলা। সিকিওরিটি ব্যাজার মুখে দরজা খোলে। যদিও তার না খোলারই কথা। ম্যানেজারবাবুর লিখিত নির্দেশ, দেখা তিনি শুধু অফিস আওয়ারেই করবেন। তার বাইরে নয়। তবুও দরজা খোলে সিকিওরিটি। কারণ সে কাগজে লেখা আইন কম বোঝে, মুখের কথা বেশি। এই ম্যানেজারবাবুরই আর একটা নির্দেশ আছে। মুখে মুখে। র‍্যাদার কানে কানে বলাই ভালো।

– কেউ আসতে চাইলে আটকিও নাগেটের গোড়ায় প্রাইভেট ব্যাংকগুলো হাঁ করে বসে আছে। কখন কোন কাস্টমারকে গপ করে গিলে ফেলে আর ওপর থেকে হুড়ূম খেতে হয় আমায়। ঠান্ডা ঘরে বসেও কী ছাই শান্তি আছে! আজকাল সারাদিন ভয়ে ভয়ে থাকতে হয়। 

তবে ওসব কথা গোপন থাকাই ভালোভ্যাবলা সোজা ঢুকে যায় ম্যানেজারবাবুর ঘরে

– স্যার আঠাশ ঊনত্রিশ পর পর দু’দিন নাকি ব্যাংক ধর্মঘট!

ম্যানেজার মাথা তোলে নারোবটের মতো উত্তর দেয়, হ্যাঁ, কেন বলুন তো! ভ্যাবলা বলে, না মানে কোন পার্টি! পোস্টার, ব্যানার কিছুই দেখলাম না কিনা! কেমন যেন সবকিছু চুপি চুপি ঘটে গেল। ম্যানেজার ফাইলে মাথা ডুবিয়ে রেখেই জিগ্যেস করল, আপনার কী তাতে কোনও প্রবলেম আছেযদি থাকে তাহলে প্লিজ বাইরে গিয়ে পোস্টার ব্যানার মারুনলোকজন জড়ো করে বক্তৃতা ঝাড়ুন। বাজার গরম করুন। এখন ক্লোজিংয়ের টাইমবেশি বকাবেন না।

আকাশ থেকে পড়ে ভ্যাবলা।

-কিন্তু আমার যে ক্রনিক আমাশা। মুখ চুপ থাকলেও পেট থাকবে না। কিছু না কিছু বেগরবাঁই করবেই।

ম্যানেজারের অতশত শোনার সময় নেই। তার স্ট্রেটকাট উত্তর, সমস্যা থাকলে ডাক্তার দেখান। নিদেন পক্ষে খালি পেটে পেয়ারা পাতার রস খান। আয়ুর্বেদ, কবিরাজী যা ইচ্ছা করুন। কিন্তু ধর্মঘট নিয়ে প্রশ্ন করবেন না। আমরা কোনও সুলভ শৌ্চাগার খুলে বসিনি যে ধর্মঘট ডাকা যাবে না। ম্যানেজারের কথায় হেভী ফাঁপরে পড়ে যায় ভ্যাবলা। অর্থাৎ ধর্মঘট হচ্ছেইআঠাশ ঊনত্রিশ মানে পরশু তরশু। ঘট এতক্ষণে পোঁতা হয়ে গেছে নিশ্চয়এবার ধর্মকর্ম শুরু হল বলে। তবে পেটের তো আর ধর্ম অধর্ম বোঝার দায় নেইযখন তখন ডেকে বসলেই হল। এখন সে যে কী করে! প্রাণপণ ভাবতে থাকে ভ্যাবলা।

ম্যানেজারের ঘর থেকে বেরতেই অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার প্রদীপ পাল পাকড়াও করে তাকে। কী হে ভ্যাবলাবাবু খবর শুনেছেন তোএখন দু’দিন কাটাবেন কীভাবে! ব্যাকআপের কিছু ব্যবস্থা করেছেন! ভ্যাবলা কী বলবে বুঝে পায় না। ব্যংকে যে সমস্ত লোক তার এই কর্মকান্ড জানে তাদের মধ্যে প্রদীপ পাল অন্যতম। লোকটা বেশ কোঅপারেটিভও। নিজে থেকেই ক’য়েকবার বলেছে তাকে, আপনি তাহলে কোমডে গিয়ে বসুন একটু। আমি ততক্ষণ এন্ট্রি করে রাখি আপনার চেকগুলো। ভ্যাবলা বাধ্য কাস্টমারের মতো ঘাড় নেড়েছে। আর কোমডে বসে অপেক্ষা করেছে কতক্ষণে ব্যাংকের মাইকে ডাক পড়বে তার। মাঝে সাঝে কাউন্টারে লাইন বেশী থাকলে ওখানে বসেই সে বাদামভাজা, কাঠিভাজা চিবিয়েছে, জাস্ট টাইম পাস। তারপর ধীরে সুস্থে ফ্ল্যাস টেনে প্যান্টে জামা গুঁজতে গুঁজতে ফেরত এসে দেখেছে ভ্যাবলা কাজগুলো সত্যিই করে রেখেছে লোকটা। এমনকী অ্যাকাউন্ট স্টেটমেন্টটাও রেডি রেখেছে হাতের কাছে। এহেন প্রদীপ পালের মুখের দিকে হাঁ করে তাকিয়ে থাকে সে। যেন ব্যাংক ধর্মঘট নয়, ভ্যাবলার পার্সোনাল ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নীরবে ঝেরে দিয়েছে কেউ। আর খবরটা সে পেয়েছে এইমাত্র।

ব্যাংক ধর্মঘটে দেশের অর্থনীতির মাথায় পড়ে বাজ আর ভ্যাবলার মাথায় ভেঙে পড়েছে আকাশ। আসলে ভোর চারটেয় ঘুম থেকে উঠতে হয় তাকেতারপরই ট্রেন ধরার তাড়া। বিয়ে থাওয়াও হয়নি এখনও। মুখের গোড়ায় গরম চা, জল ধরার কেউ নেই তারতাই দৌড়দৌড়িই সার। ডাউনলোড হয় না কিছুতেই। রাজা গজা সমস্ত রকমের খৈনিই ফেল। ওদিকে সারা ভারত স্বচ্ছ হয়ে গেলেও লোহাবাজার এখনও অস্বচ্ছই। ব্যবসায়ী সমিতি চুপিচুপি জানিয়ে রেখেছে আগে মুনাফা তারপর ওইসব মিশন। যদিও খাতায় কলমে দেখিয়ে রেখেছে তারা ‘স্বচ্ছ’। ফলে এখনও পে অ্যান্ড ইউজ গড়ে ওঠেনি একটাও। অগত্যা ঠেকায় পড়লে লোকজনের সেই নর্দমাই ভরসা ওখানে জি এস টি লাগু হয়নি এখনওএছাড়াও বাজারে এক পিস টিন দিয়ে ঘেরা ফ্রি পায়খানা আছে বটে, কিন্তু আপদে বিপদে সেখানে জায়গা পাওয়াই দায়। দরজায় ফুঁটো। বাইরে সবসময়ই উৎসুক জনতার ভিড়। আর ভেতরে হিটলারের গ্যাস চেম্বার। বালতি মগ চুরি গেছে সেই মৌ্র্য আমলেই। এক হাতে জং ধরা কলের ক্যাপ তুলে ধরে আর এক হাতে কষ্টকর জলশৌ্চ। তার ওপর বড় ভুঁড়ি থাকলে তো আর কথাই নেই। আসল জায়গায় হাত পৌঁছানোই ভার। রীতিমত কষ্টসাধ্য এক লড়াই। চার চৌকো টিনের ঘরে ঘেমে নেয়ে চান। থাক সে কথা, ভ্যাবলা নাক টিপে ঢুকেছিল একবার। কিন্তু ফল হয়েছিল উলটো। টানা দুদিন পুরো সিস্টেম উলটে গেছিল তার। যা খাচ্ছিল শুধুমাত্র মুখ দিয়ে বের হচ্ছিল। যেন ওয়ান ওয়ে ট্রাফিক। ভুল করে ঢুকে পড়েছে খাবার। শেষ পর্যন্ত তাকে বাঁচিয়ে দিয়েছিল ডাক্তার সোমের ‘গন্ধ নিরোধক বড়ি’। সেই স্মৃতি ভ্যাবলার মস্তিস্কে এখনও টাটকা। আর সে কারণেই হয়ত অনেক্ষণ তাকিয়ে থাকার পরও প্রদীপ পালের প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে না সে প্রদীপ পাল নিজে থেকেই বলে, ক’য়েক মাস যা গেল! দেখতেই তো পেলেন পুরনো পাঁচশ হাজারের নোটে নাভিশ্বাস ওঠার জোগাড় যত বান্ডিল তত লাইন যত লাইন তত বান্ডিল পাবলিক ঠেকানোই দায়। তারওপর টাকা পয়সা গুনে গুনে স্পনডেলাইটিস ধরে গেল মশাই। দেখছেন না গলায় বগলোস! এরপর একটু ধর্মঘট না করলে সাজে! মাইনে কড়ি বাড়ার বিষয়টাও তো আছে! আমাদেরও তো বাঁচতে হবে খেয়ে পড়ে।

-বাঁচুন স্যার। বিরিয়ানি, কাবাব, কোপ্তা খেয়ে বাঁচুন। ওদেরও তো দোকানগুলো সব চালাতে হবে। কিন্তু আমার দিকটাও একটু দেখুন। ক্রনিক আমাশা। সঙ্গে গ্যাস অম্বল। জল খেলেও কুনিয়ে ওঠে পেট। আমি যে ধর্মঘট ডাকব কীভাবে সেটাই তো ভেবে পাচ্ছি না।

প্রদীপ পাল হাসে।

-যোগা, বুঝলেন যোগা। একমাত্র যোগাই পারে এই অসম্ভবকে সম্ভব করতে।

কেলেঙ্কারি করেছে। চমকে ওঠে ভ্যাবলা। আচ্ছা, লোন নিয়ে বিদেশে পালানো লোকগুলোকেও কী যোগা করে দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব। প্রশ্নটা মাথায় আসে তার। কিন্তু এই প্রশ্ন ভুলেও সে মুখে আনে না। জানে কেলিয়ে বৃন্দবন দেখিয়ে দেবে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। চুপচাপ সেখান থেকে কেটে পড়ে সে। ভাগ্যে বিপদ যা লেখার তা তো লেখা হয়েই গেছে। এখন শুধু রেজাল্ট বেরনোর অপেক্ষা।

২৮ তারীখ শীর্ষাসন সেরে বাড়ি থেকে বের হয় ভ্যাবলা। অনেক দিন আগে এক সিদ্ধ পুরুষ বলেছিল তাকে মাথা নীচে, পা ওপরে। শীর্ষাসনের মাধ্যমে বৃহদন্ত্র থেকে মালপত্র পুনরায় ক্ষুদ্রান্তে ফেরত পাঠানো সম্ভব। জ্ঞানটা সে ভুলেই গেছিল। হঠাৎ বিপদের দিনে কী করে জানি তার মনে পরে গেল সেই গোপন পথের কথা। স্বভাবতই বাড়ি থেকে বুকে একরাশ বল নিয়ে বেরিয়েছিল ভ্যাবলা। কিন্তু মাঝপথে হঠাৎই ঘটে গেল এক গোলমাল। শুধুমাত্র ক্ষুদ্রান্তের মালপত্র নয় সঙ্গে গ্যাস অম্বলও ধাক্কা মারতে লাগল পেটেবুকে। একটু একটু করে যেন কেউ পাম্প দিতে থাকল পেটের ব্লাডারে। ফুলতে ফুলতে পেট এক সময় ফুলে জয়ঢাক। খুব কষ্ট হচ্ছিল ভ্যাবলার। কমানোর চেষ্টা করলেই আশপাশের পাবলিকের খিস্তি। ফলে চেপে বসে থাকা ছাড়া উপায় ছিল না আর। কিন্তু চেষ্টা করলেই কী সবকিছু চেপে রাখা যায়! প্রেম, প্রতিভা আর গন্ধ! শ্রীকৃষ্ণ বস্ত্রালয়ের মালিক এক সময় আর থাকতে না পেরে ক্যাঁত করে পাছাতে একটা লাথি মারে ভ্যাবলার।

-যত্তসব ঘাটের মরা এসে জুটেছে এখানে। যা গিয়ে পেট পরিস্কার করে আয়।

লাথি খেয়ে ভ্যাবলা উলটে পড়ে রাস্তায়। পড়ে গিয়ে হঠাৎ খুব রাগ হয় তার। শালা আমি ধর্মঘট ডাকলে লাথি আর ব্যাংক ডাকলে খাঁটি! তার মনে হয় তার নিজেরও এরকম একটা লাথি ঝারার প্রয়োজন আছে। কিন্তু কাকে! মালিককে! ব্যাংকের ম্যানেজারকে! নাকি ব্যবসায়ী সমিতিকে! নাকি সম্পূর্ণ অন্য কাউকে ঠিক বুঝে উঠেতে পারে না সে।

আরও পড়ুন:  বাঙালীর বিশ্বকাপ এবং কমলাকান্তের পুনরার্বিভাব

3 COMMENTS

এমন আরো নিবন্ধ