‘ভবিষ্যতের ভূত’ দেখে বিস্ময়ে কিছুক্ষণ কথা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল আমার!

লেখার শিরোনামটা একটুও বাড়িয়ে লেখা নয়। স্পষ্ট মনে রয়েছে সেই মোমেন্টটা। সিনেমাটা সদ্য শেষ হয়েছে, বেরিয়ে আসছি ‘হল’ থেকে। মনে হচ্ছে কথা বলার ক্ষমতা সাময়িক ভাবে তখন যেন লোপ পেয়ে গেছে! মগজের মধ্যে আসলে তখন নিঃশব্দে একটা ঝড় চলছে যেন!

কেন হচ্ছিল ঝড়টা? কেন আবার, শুধু মনে হচ্ছিল, এটাই তাহলে সেই সিনেমা! রিলিজের একদিন পর এটাই তাহলে অদৃশ্য হয়ে গেছে কলকাতার সিনেমা-হল থেকে? এটা নিয়েই ফেসবুকে আর নিউজ পেপারে এখন তুমুল হল্লাবাজি জারি?

সেই বিতর্ক নিয়ে কোন কথা লেখার পরিসর নয় এটা। আমি শুধু একটা কথা জানতে চাই ডিরেক্টর অনীক দত্তের কাছে। যে, আপনার হাত দিয়ে এত খারাপ একটা ছবি বেরল কী করে স্যর? এটাকে ‘ছবি’ বললে ‘ছবি’ শব্দটার যে অপমান হয়, দাদা! আসুন, এটাকে আমরা বরং এখানে ‘জলছবি’ বলে ডাকি!

গুণগত মানে খারাপ সিনেমা এর আগে তো কিছু কম দেখি নি আমি। তাহলে এটা দেখে এত অবাক হচ্ছি কেন? হব না কেন, বলুন? কী করে এটা মানব বলুন, ‘ভূতের ভবিষ্যৎ’-এর (২০১২) মত ছবির ডিরেক্টর আজকে কিনা ঠেকবেন গিয়ে এই জলছবিটায় এসে! পার্সোনালি অবশ্য ‘ভূতের ভবিষ্যৎ’-এর থেকেও আমার বেশি প্রিয় হল ‘আশ্চর্য প্রদীপ’ (২০১৩) অর্থাৎ অনীক দত্তের পরের ছবিখানা। এর বছর চারেক বাদে অনীক যখন ‘মেঘনাদবধ রহস্য’ (২০১৭) আরও একটা ছবি বানান, তখন সেটা অতটা ভাল লাগে নি ঠিকই, কিন্তু সে ছবিরও গঠন ছিল এত মজবুত যে, পুরো সময় টানটান হয়ে বসে দেখেছিলাম সেটা।

আর তারপরে কিনা এই! ছবির সেকেন্ড হাফ, হঠাৎ করে সিনেমায় স্পেশ্যাল অ্যাপিয়ারেন্স ঘটেছে ‘ভূতের ভবিষ্যৎ’-এর কদলীবালা দাসীর (স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়)। গান শুরু হয়েছে ‘এসেছি ফের আমি ফিরিয়া’। এই সময় এত বিরক্ত লাগতে শুরু করে দিয়েছে আমার যে মনে মনে ভাবছি, এই অত্যাচার থেকে আমি মুক্তি পাব কখন।

আচ্ছা, মাঝখান থেকে নয়, একেবারে শুরুর সিনেই চলুন। ছবির শুরুর আগেই লম্বা একটা ডিসক্লেমার দেওয়া হল এই বলে যে কত অসুবিধে আর বিরোধিতার মধ্যে দিয়ে তৈরি হয়েছে এই ছবি। আর সে জন্যেই নাকি ছবিটার মধ্যে কিছুটা ‘কমপ্রোমাইজ’ আর অনেকটা ‘ইমপ্রোভাইজ’ আছে! এখন আপনি বলুন দাদা, ওই ব্যাখ্যা শুনে একজন দর্শক করবেটা ঠিক কী? গাঁটের কড়ি খরচা করে যে পাবলিক সিনেমা হল-এ গেছে, এসব শুকনো কথায় তাঁর কখনও চিঁড়ে ভিজতে পারে?

গুপি গাইনে ভূতের রাজার পেছনে আলো-জ্বলতে থাকা যে তারকা চিহ্ন ছিল, এই ছবিতে ঠিক সেরকম একটা দেখতে পাবেন সব্যসাচীর পিছনে। ছবিতে তাঁর অভিনীত চরিত্রের নাম বলা হয় নি কোন। ‘ভূতের ভবিষ্যৎ’ দেখে থাকলে জানেন নিশ্চয়, কী দুর্দান্ত ভাবে সেখানে এই অভিনেতাটি ছিলেন। আর এখানে আপনি দেখতে পাবেন ছবির শুরুতে মিনিট খানেক, আর শেষে মিনিট খানেক – তিনি রয়েছেন আলগা এক সূত্রধরের মতো!

এর আগে যে তিনটে ছবি অনীক বানিয়েছেন, তিনটে ছবিতেই জম্পেশ সব স্টোরি এলিমেন্ট ছিল। আর তার সঙ্গে সংলাপে লুকনো থাকত অনীকোচিত মজা। এবার ঘটনা হল, অনীকের এই নতুন ছবিতে গল্পই নেই কোন! একের পর এক ক্যারেক্টার এসে উদয় হচ্ছে স্ক্রিনে, কিন্তু তাঁরা কী করছেন, কেন করছেন তার কোন লজিক পাচ্ছি না খুঁজে!

একেকবার তো মনে হচ্ছিল, এটা বোধহয় সিনেমা নয় কোন! পুরোটা যেন খাপচা খাপচা শ্লেষ দিয়ে ঠাসা সংকলনের বই! কিন্তু ওই লেভেলের সস্তা রগড় পেতে হলে তো ফেসবুকের মিম দেখলেই হয়! তার জন্যে পয়সা খরচ করে আবার সিনেমা যাব কেন?

পুরো সিনেমায় যা যা বলেছেন আপনি অনীক, তার সমস্তটা তো আম-পাবলিকের আগের থেকেই জানা। ওসব লেবু তো কচলে কচলে তেতো হয়ে গেছে, ভাই! তিতকুটে সেই বাসি লেবু নিয়ে এখন পুরো আস্ত একটা ফিলিম?

অন্য একটা সম্ভাবনাও চাড়া দিচ্ছিল মনে। স্ক্রিনে যেটা দেখতে পাচ্ছি, সেটাই কি ফুল লেংথের স্ক্রিপ্ট? নাকি হাফ শুটিং হওয়ার পরেই ফুরিয়ে গেছিল ফান্ড? কোনমতে তখন জোড়াতালি দিয়ে শুট করে ফ্যালা অংশটুকু রিলিজ করানো হল! আসলে বাংলা সিনেমার বাজারে এখন যা দুর্দশা, কোন কিছুই বিচিত্র বলে মনে হয় না কো আর!

শুরুর একটা সিন ধরুন, প্রযোজক মিস্টার সাহা-র (অভিনয়ে অরুণাভ দত্ত) মুখোমুখি হয়েছেন ডিরেক্টর ক্ষনিক মিত্র (বাদশা মৈত্র), নতুন ছবি তৈরির প্রপোজাল নিয়ে কথা বলবেন বলে। এই সিনটা দ্যাখাতে দ্যাখাতে অনীক আমাদের শোনাতে থাকেন, কোন এক হুমদোমতো জার্নালিস্ট ‘দুই’ চাইছে প্রযোজকের নতুন ছবির পাবলিসিটি করবে বলে। আর সেন্সর বোর্ড থেকে নাকি পরিচালকের আগের ছবি ‘ভীতুরাম’-এর টাইটেল ছেঁটে শুধু ‘ভীতু’ করে দেওয়া হয়েছে, ‘রাম’ শব্দের সঙ্গে ‘ভীতু’ শব্দটা বসানো যাবে না বলে।

এখন এই ডায়ালগ থেকে হাসির কোন এলিমেন্ট পেলেন আপনি, বলুন? এর ওপর ঘাবড়ে গেলাম এটা দেখে যে, এইটুকুতে না থেমে এই সিনে অনীক আবার গল্পের প্রোডিউসার লোকটিকে দিয়ে ক্রমাগত নাক খুঁটতে শুরু করিয়ে দিলেন! প্রোডিউসারের ঘরের দেওয়ালে পোস্টার দেখে বোঝা যাচ্ছিল কার ওপর আপনার রাগ, কিন্তু তাই বলে কিনা এমন একটা সিন!

এরপর একটা সিনে দ্যাখান হল, জনাকয়েক লোক বসে ‘ঘোস্ট ট্যুরিজম’ শুরু করার প্ল্যান করছে শহর কলকাতায়। গোটা ছবির সঙ্গে এই ব্যাপারটা কী ভাবে গিয়ে লিংক্‌ড হল, সেটা ছবি শেষ অবধি দেখেও আদৌ বুঝতে পারি নি আমি।

এরপরের সিনটায় আবার দুটো নতুন ক্যারেকটার হাজির। এক সৎ সাংবাদিক আর তার ঘোড়েল এডিটর। এই দুজনের ডায়ালগ থেকে আপনি শুনতে পাবেন যে, বিশেষ একটা খবরের কাগজ এতদিন অ্যান্টি-এস্ট্যাবলিশমেন্ট লেখা ছাপলেও এখন থেকে তারা লিখবে সরকারের পক্ষ নিয়েই শুধু। কেন? কেন আবার, সরকারের দেওয়া অ্যাডগুলো চাই না! এডিটর বলেই দিলেন, ‘কর্পোরেট মিডিয়াতে মেকওভার হ্যাপেন্‌স ওভারনাইট’। সৎ রিপোর্টারের ঠাঁই হচ্ছে সিনেমার পাতায় গিয়ে, যেখানে আবার সরকারের ঘনিষ্ঠ প্রযোজকের সব ছবিকে দশে দশ রেটিং দিতে হয়! আগে যেটা লিখেছি, সেটা আবার বলছি অনীক। এই যে বিষয়গুলো হাইলাইট করে চলেছেন টানা, সেটা তো আমরা আম-পাবলিক বহুদিন হল জানি। নতুন করে রিপিট করে কনটেন্টের লাভ হল কি কিছু?

এরপর ভোলা নামে এক চরিত্র এল ছবিতে। এই ভোলার পেশা হল পাবলিক ইউরিনালে বসে ইউরিনাল ইউজ করার ফি কালেক্ট করা। তা’ বেশ, কিন্তু এরপরের একটা সিনে কী দ্যাখান হচ্ছে, শুনুন। ভোলাকে তার প্রেমিকা ছেড়ে যাচ্ছে ভোলার সারা গায়ে নাকি ‘মুতের গন্ধ’ হয়ে গিয়েছে বলে। যখন এই অংশটা হল, ফের হাঁ হয়ে গেলাম আমি। মনে হচ্ছিল, ডায়ালগের ভাঁজে ভাঁজে বুদ্ধিদীপ্ত হুল ফোটাতে জুড়ি ছিল না যাঁর, সিনেমার এই প্লট পয়েন্টটাও কি সেই অনীক দত্তেরই করা?

এরপর বাংলার সবুজ মাঠে জনাকয়েক বাউল গোছের লোক দেখলাম নাচতে নাচতে গাইছেন ‘উন্নয়নের ভাঙা কাঁসর’ বলে একটা গান। গানের শেষে ক্যামেরা এসে ফোকাস করছে একটা ফলকে, যেখানে লেখা আছে ‘CINE মা FLIM CITY পোস্তাবিত অঞ্চল’। এরকম ভাবে বানান দেখিয়ে ব্যঙ্গ কতটা এক্সট্রা জমল, জানি না আমি ঠিক। তবে ছবির এসব জায়গা দেখতে দেখতে এটা খুব মনে হচ্ছিল যে, আমাদের পাড়ায় বিয়েবাড়ির ভিডিও বানান যিনি, তাঁকে একটু শিখিয়ে পড়িয়ে নিতে পারলে এর থেকে বেটার শুট করে ফেলবেন তিনিও!

ছবি যত এগোচ্ছে, একটার পর একটা নতুন ভূতের চরিত্র এসে পড়ছে স্ক্রিনে! এলেন প্রবীণ বামনেতা সাম্যব্রত সরকার (সুমন্ত মুখোপাধ্যায়), এলেন সাহেবি কেতার হরিসাধন রায় ওরফে হ্যারি (বরুণ চন্দ), এলেন ক্যাবারে ডান্সার মিস রূপালি (চান্দ্রেয়ী ঘোষ) বা নটসূর্য মৃত্যুঞ্জয় (পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায়)। এখন ব্যাপার হল, একের পর এক নতুন ক্যারেকটার তো ‘ভূতের ভবিষ্যৎ’-এও এসেছিল। তখন কোন অসুবিধে হয় নি তো! কারণ বেসিক গল্পটার সঙ্গে প্রপারলি কানেক্টেড ছিল তারা। আর এখানে নতুন নতুন চরিত্র দেখে অস্বস্তি হচ্ছিল খুব, কারণ আগেই তো এটা লিখেছি যে, এই জলছবিটায় গল্প বলে কোন কিছুর বালাইপাট নেই!

এর মধ্যে হ্যারির কম বয়স দ্যাখাতে গিয়ে দুমদাম করে সত্যজিতের ‘সীমাবদ্ধ’র (১৯৭১) স্টিল দেখিয়ে দিলেন ডিরেক্টর আর ক্যাবারে ড্যান্সারের অতীত ফুটেজ দ্যাখাতে গিয়ে হুট করে দ্যাখান হল ‘প্রতিদ্বন্দ্বী’ (১৯৭০) থেকে মিস শেফালির সেই ব্রা পরে সিগারেট ধরানোর সিন। মাইরি বলছি, এইসব দেখে আমি তখন হকচকিয়ে হাঁ! হুট করে ওই ছবির ফুটেজ এখানে দ্যাখানর তাৎপর্যটা কি?

তারপর কী হল, শুনুন। গুচ্ছের ভূত জুটল এসে ‘বাতিঘর’ নামে একটা পরিত্যক্ত সিনেমা হল-এর মধ্যে। এখানে ‘আমরা সবাই রাজা’র প্যারডি করে একটা গান রাখা আছে যে, ‘আমরা সবাই বাতিল আমাদের এই বাতিঘরে’। বেশ, এটুকু না হয় টেনেটুনে বুঝতে পারলাম আমি, যে দেশ-দুনিয়া এখন এদের বাতিল করে দিয়েছে। কিন্তু এরপর সেই পরিত্যক্ত সিনেমা হল-এ হঠাৎ করে ভূতদের মধ্যে নাচ-গানের কম্পিটিশন শুরু হয়ে গেল কেন?

এসব সিন লিখেছেন যখন, শুট করেছেন যখন, কেউ আপনাকে বলে নি অনীক, যে গল্প হিসেবে একেবারেই দাঁড়াচ্ছে না এটা! ভাবছিলাম, ছবির এডিট করতে গিয়ে মুখের কেমন হাল হয়েছিল অর্ঘ্যকমল মিত্রের মত সিনিয়র আর সিনসিয়র এক লোকের।

ছবির একেবারে শেষ দিকে পৌঁছে আবার দেখতে পেলাম হুট করে কোত্থেকে একটা সিনেমার শুটিং করার সিন আর তার ডিরেক্টর হলেন ছবির সেই গোড়ায় দ্যাখানো ক্ষনিক মিত্র মশাই। ছবির মাথামুণ্ডু ততক্ষণে আমার ঘুলিয়ে গেছে পুরো। সেই অবস্থায় ভাবছিলাম, আচ্ছা তাহলে কী পুরো ছবিটা একটা ‘ফিল্ম উইদিন ফিল্ম’ জাতীয় কিছু? এতক্ষণ যা দেখলাম, কোনটাই রিয়্যাল নয়, সবই ছবির শুট? কিন্তু সেটা করতে গেলেও রিল আর রিয়্যালে যে স্মার্ট কানেক্টটুকু লাগে, এ ছবিতে তো সেইটুকুনিও নেই!

ছবির মধ্যে জায়গায় জায়গায় গুঁজে দেওয়া আছে লোকাল লিডার বিষ্টু মণ্ডল (খরাজ মুখোপাধ্যায়) বা এরচেয়ে উঁচুস্তরের নেতা অম্বুবাচীকে (কৌশিক সেন)। গুঁজে দেওয়া আছে চলতি খবরের কাগজগুলোর নাম, ফেসবুকের আদলে তৈরি ভূতবুক আর ইনস্টাগ্রামের আদলে তৈরি ঘোস্টাগ্রাম! ‘গুগ্‌ল’ হয়েছে ‘ভুগ্‌ল’। আছে স্ট্রিমিং সাইট ‘দেশি ভাবি ডট কম’, খবরের চ্যানেল ‘আহা কি আনন্দ’, আছে ‘পোকেমন’-এর আদলে ‘ট্যাঁকখোশ’ খেলার শুরু, আছেন ভূততত্ত্ববিদ নিধিরাম বাঁড়ুজ্জে, যাঁকে সবাই নিধুজ্যাঠা বলে ডাকে! তাঁর সাহায্যে ইতিহাস থেকে আরও সাতজন ভূত আমদানি করে শুরু হয় ভাঙাগড়ের জমি আন্দোলনের লড়াই!

এতটা পড়ে আপনার যদি মাথা ভোঁ-ভোঁ করে, তাহলে ভাবুন এতটা অবধি দেখতে গিয়ে কী কষ্ট সহ্য করেছি আমি।

কলকাতা থেকে দূরের এক শহরতলিতে প্রায় ফাঁকা হল-এ বসে দ্যাখা ছবি। এবার সেই ‘হল’ থেকে কিছু ভিউয়ার্‌স কমেন্ট শুনুন। ‘কী বোরিং বই দ্যাখাতে এনেছ আমায়!’ বেশ ক্ষেপে উঠে বলছে একটা মেয়ে। পুরুষটি সাধ্যমত হিসেব দিচ্ছে যে কোন ডায়ালগ দিয়ে কোন পার্টিকে ‘ঠোকা’ হল। শুনে ঝাঁজিয়ে উঠছে মেয়েটা, ‘রাখো তোমার কথা। পলিটিক্যাল পার্টিগুলো কেমন হয়, সারা দুনিয়া জানে। সেই ছাইপাঁশ দ্যাখার জন্যে এখানে এলাম নাকি?’

‘হল’ থেকে বেরনোর সময় শুনতে পেলাম লোকে স্পষ্ট বলছে এটা যে, ‘কোথায় সেই ‘ভূতের ভবিষ্যৎ’ আর কোথায় এই ‘ভবিষ্যতের ভূত’! অনীক দত্ত ভুলভাল এটা কী বানিয়েছে রে?’

শনিবার যখন কলকাতা থেকে ছবি একেবারে হাওয়া, তখন বাকিদের মতো ফেসবুকে গরম গরম কিছু একটা লেখা যাক বলে ভেবে ফেলেছিলাম আমিও। তারপর কী মনে হল, ভাবলাম, নিজে গিয়ে ছবি দেখে এসে তারপরেই বরং লিখি।

সেই যে দ্যাখা, তারপর থেকে মাথার ভেতর এক্কেবারে ব্ল্যাঙ্ক!

মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পক্ষে রয়েছি ঠিকই। কিন্তু এই জলছবিটার সমর্থনে কোথাও কিছু লেখার মত জোর পাচ্ছি না, ভাই!

2 COMMENTS

  1. দাদা , আপনি এত খচে গেলেন কেন ? আপনি তো টাকা নিয়ে দশে দশে দেন না ?

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here