মুগ্ধতার রেশ কাটছে না, তবু ‘বিজয়া’ নিয়ে গুরুতর কিছু অভিযোগ রইল পরিচালক কৌশিক গাঙ্গুলীর কাছে!

(রেটিং – ৩./৫)

২০১৭ সালের বাংলা নববর্ষে রিলিজ করেছিল কৌশিক গাঙ্গুলীর ছবি ‘বিসর্জন’। সেটা দেখতে গিয়ে মনে হয়েছিল, দুঃখী আর একলা মানুষের জীবন নিংড়ে যেন তৈরি হয়েছে সেটা। মনে হয়েছিল, ছবিতে যে দুঃখগুলো ধরা থাকল, ছবির স্রষ্টা নিজে বোধহয় সেগুলো নিজের হাতের তালুর মত চেনেন।

নিশ্চয় জানেন যে, সেই ছবির পরের অংশ নিয়েই এই ‘বিজয়া’ ছবির গল্প। যে জায়গায় শেষ হয়েছিল ‘বিসর্জন’-এর স্টোরি, কৌতূহল তো হতেই পারে যে, কী হয়েছিল তারপর? কেমন ভাবে কেটেছিল ছবির সেই চরিত্রগুলোর লাইফ? কী ঘটেছিল তারপরে গণেশ মণ্ডল (কৌশিক গাঙ্গুলী), পদ্মা (জয়া আহসান) আর নাসির আলির (আবীর চট্টোপাধ্যায়) পরের জীবনটাতে?

সে সব উত্তর জানতে হলে ‘বিজয়া’ দেখতে যান।

কেমন ছবি ‘বিজয়া’, সেটা নিয়ে লিখতে বসে এই প্রথম আমার কনফিউজ্‌ড লাগছে খুব। ঘণ্টাকয়েক আগে দেখেছি ছবিটা। টের পাচ্ছি, সেটা নিয়ে এখনও একটা ঘোরের মধ্যে আছি। মুগ্ধতার যে রেশটা সিনেমা হল-এ তৈরি হয়েছিল, এখনও কাটে নি আদৌ সেটা।

আবার উলটো দিকে, ছবি নিয়ে সিরিয়াস বেশ কয়েকটা অভিযোগও তৈরি হচ্ছে মনে।

তাহলে এটাকে ভাল বলব, না খারাপ?

ভাল লাগা আর খারাপ লাগা – দুটোর কথাই খোলাখুলি লিখছি এখানে দাঁড়ান।

‘বিজয়া’ নিয়ে সবচেয়ে বড় অভিযোগ এইটে যে, সিনেমার মস্ত একটা অংশ নিছক সিনেমা নয়, কুখ্যাত কর্পোরেট এক হাসপাতালের বিজ্ঞাপনের মত। হ্যাঁ, ঠিক ধরেছেন, ছবির অর্ধেকেরও বেশিটা জুড়ে এক দাগী এবং বিতর্কিত হাসপাতালের গুণবর্ণনা ঠাসা! এই সিনগুলো চলার সময় একেকবার তো মনে হচ্ছিল জানতে চাই যে, কার চাপে বেহায়া এমন ইন-ফিল্ম প্রোমোশনগুলো ছবিটায় ঢোকাতে হল, দাদা?

‘বিসর্জন’ ছবিতে ভোলেভালা যে লিয়াকৎ ডাক্তারকে (অরুণ গুহঠাকুরতা) দ্যাখা গেছিল, তিনি এই ‘বিজয়া’ ছবিতেও আছেন। এবং ওরকম একটা ভাল মানুষের মুখ দিয়েই কলকাতার অন্যতম কুখ্যাত সেই হাসপাতালের সুখ্যাতি শুনিয়ে দিলেন কৌশিক!

চিকিৎসা করতে বাংলাদেশ থেকে কলকাতার সেই হাসপাতালে আসার সিন। ডিরেক্টর এই সময় যত্ন করে দেখিয়েছেন হাসপাতালের বিরাট চক-মিলানো বিল্ডিং, সঙ্গে তার ঝলমলানো লোগো। শুধু এটুকু নয়, সিন থেকে সিনে যেখানে সেখানে লোগো ইনটিগ্রেট করা আছে! সে ডাক্তারদের জামার ওপরে দেওয়া হাসপাতালের ছাপ্পা বলুন, কিংবা হাসপাতালের দেওয়ালে লাগান বিজ্ঞপ্তি। যেখানে পেরেছে, ক্যামেরা সোচ্চারে জানিয়ে গ্যাছে ‘মহান’ সেই হাসপাতালের নাম!

ছবি যত এগোবে, তত আপনি জানতে পারবেন যে, ৭ দিন ২৪ ঘণ্টা এই হাসপাতাল মানুষের সেবায় রত। হাসপাতালের মধ্যে যে ওষুধের দোকান, সেখানে কাউন্টারের লোকজন এত সৎ যে ভুল করে বেশি টাকা পেমেন্ট দেওয়া হয়ে গেলেও বহু চেষ্টা করে ক্রেতার ফোন নম্বর জোগাড় করে তাঁকে ফোন করে ডেকে পাঠিয়ে সেই বাড়তি টাকা ফেরত দিয়ে দ্যান তাঁকে।

ইন ফ্যাক্ট এই টাকা ফেরত দেওয়ার অংশটা দ্যাখার সময় মনে মনে ভাবছিলাম যে, টাকা ফেরত দেওয়ার কথা আসলে মিথ্যে একটা ছুতো মাত্র, এটা আসলে এই অছিলায় মনের মানুষের সঙ্গে নতুন করে দ্যাখা করার চাল। ও হরি, একটা সিন পরে দেখি, সত্যি সত্যি টাকা ফেরত দেওয়া হল!   

চিকিৎসাক্ষেত্রের যে কর্পোরেট গোষ্ঠীর নামে অনিচ্ছাকৃত মানুষ খুনের অভিযোগ অবধি আছে, হাসপাতালের কেলেঙ্কারিতে কলকাতায় যাদের নাম টপ লিস্টে আছে, সেই গোষ্ঠীর জয়-ধ্বনি দিতে একবারও হাত কাঁপল না, না?

বেশ কাকতালীয় মজার একটা ঘটনা বলি শুনুন এবার। ছবির ইন্টারভ্যালে দেখান হল এক নামী জুয়েলার্সের অ্যাড। অ্যাডটায় অভিনয় করেছেন ঋদ্ধি সেন আর তাঁর সঙ্গে এই ছবির নাসির আলি অর্থাৎ আবীর চট্টোপাধ্যায়ও রয়েছেন। সেই অ্যাডে যথারীতি জুয়েলারি কোম্পানির মেলা সুখ্যাতি করে সুর করে দেখি আবীর বলছেন ‘অমুক জুয়েলার্স অনলাইন – ঘরে বসে গয়না / দোকান বন্ধ হয় না’।

ওটা দেখতে দেখতে জাস্ট কি মনে হচ্ছিল, জানেন? একটা নয় – ওখানে বসে প্যারালালি দুটো বিজ্ঞাপন দেখছি যেন আসলে। একটা গয়নার দোকানের আর একটা হাসপাতালের। একটা শর্ট লেন্থ একটা ফিচার লেন্থ! আর দুটোতেই কমন ফ্যাক্টর আবীর!

ইন্টারভ্যালের ঠিক পরেই ফের আবার হাসপাতালের গুণ-ফিরিস্তি চালু। দয়ালু এক ডাক্তারবাবুর (দুলাল লাহিড়ী) সিন, হাসপাতালের স্বার্থ না দেখে যিনি রোগীর স্বার্থ দেখতে ব্যস্ত! অপারেশন করলে রোগীর সুস্থ হওয়ার আশা যে প্রায় নেই, সেটা বুঝতে পেরে লাখ-লাখ টাকার দাঁও ছেড়ে দিয়ে রোগীকে রিলিজ করে দিচ্ছেন খুব দ্রুত!

এরপর আবার এই ইমপ্যাক্ট আরও বাড়ানোর জন্য মন-কাড়া একটা গান ‘তোমার পাশের দেশ / তোমার পাশের বাড়ি’। আর তার সঙ্গে আবার সেই হাসপাতালের চকমকানো লোগো!

এরকম একটা প্যাশনেট প্রেমের গল্পে এই প্রোমোশনাল অ্যাড ঠুসে দেওয়ার ব্যাপার আদৌ মানাচ্ছে কিনা, সেটা বলুন আমায় আপনি। জানতে খুব ইচ্ছে করছিল যে, ছবির বাজেটটা ঠিক কত, আর তার কত পারসেন্ট হাসপাতালের ব্র্যান্ড বিল্ডিং ফান্ডের থেকে এল।

এই ব্যাপারটা ছাড়াও, ছবির আরও কয়েকটা জিনিষ দেখে ধাঁধা লাগছিল বেশ।

যেমন ধরুন, ছবির নানা জায়গায় এই যে এরকম সব স্টেটমেন্ট দেওয়া হচ্ছিল যে, বাংলাদেশের নাগরিকের হার্টের অসুখ হলে চিকিৎসার জন্য তাঁকে ইন্ডিয়ায় যেতেই হবে, না হলে তাঁর বাঁচার আশা নেই। এবার এটা কিছুতে ক্লিয়ার হচ্ছিল না যে, গোটা বাংলাদেশের চিকিৎসা ব্যবস্থা কি সত্যি এত খারাপ? নাকি স্রেফ গপ্পো জমাবেন বলে ডিরেক্টর পাশের দেশকে হাল্কা করে ইনসাল্ট করে দিলেন?

তারপর আরও মজা দেখুন। ওই যে গণেশ মণ্ডল লোকটা। ‘বিসর্জন’ সিনেমায় তো ওকে দ্যাখান হয়েছিল এলাহি বড়লোক হিসেবে! নিজের শখ-আহ্লাদ পূরণ করতে টাকা ওড়াতে গোটা শ্রীপুর গ্রামে জুড়ি নেই কোন যাঁর। আর হবে না কেন, এলাকার দোর্দণ্ডপ্রতাপ মাছ-ব্যবসায়ী যে তিনি। এলাকার সব লোক তাঁর কথাতেই ওঠা-বসা করে যায়।

ইন ফ্যাক্ট এই ‘বিজয়া’ ছবিতেও এমন সিন রয়েছে যে, গাঁয়ের মানুষজন সাহায্য চাইতে আসছে এই গণেশ মণ্ডলেরই কাছে। কিন্তু মুশকিল হল, ছবিতে এর পাশাপাশি এটাও দ্যাখান হচ্ছে যে, জরুরি দরকারে চার-পাঁচ লাখ টাকা জোগাড় করতে গিয়েই ঘাম ছুটে যাচ্ছে তাঁর! আজকের দিনে এটা কি আর আদৌ কোন টাকা! আর এই টাকা পাওয়ার জন্যে কিনে গাঁয়ের লোকের কাছে হাত পাতার কথা ভাবতে হচ্ছে তাঁকে! ফাইনালি গণেশের স্ত্রী পদ্মাকে বেচতে হচ্ছে নিজের পুরনো ভিটে!

আগের ছবির গণেশ মণ্ডলকে মনে থাকলে এই গণেশকে হজম করতে অসুবিধে হবে না, বলুন? অত বড়লোক এক ব্যবসায়ীর হাল এখন এত করুণ কেন, সেটা নিয়ে পুরো ছবিতে কোথাও একটা শব্দ নেই!

বাংলাদেশের শ্রীপুর থেকে কলকাতাতে আসার জন্য গণেশ মণ্ডল সোজা পথ ধরেন না কেন, সেটাও কিন্তু বুঝতে পারি নি আমি। ছবিতে দ্যাখান হচ্ছে, কলকাতায় আসার জন্য সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর সঙ্গে বিশেষ একটা সেটিং করছেন গণেশ। তারপর খুব সম্ভবত সেই রক্ষী-বাহিনীর হেলিকপ্টার ব্যবহার করছেন যাতায়াতের জন্য! হেলিকপ্টারের সরাসরি কোন শট ছবিতে না থাকলেও এটা দ্যাখান হয়েছে যে গণেশ তাঁর স্ত্রী পদ্মাকে নিয়ে এসে পৌঁছচ্ছেন একটা হেলিপ্যাডে! তারপরেই তাঁকে নিয়ে এপার বাংলার সিন। এখন বুঝতেই পারছেন যে, এসব দেখে-টেখে তখন কিন্তু ঘাবড়ে যাচ্ছিলাম খুব। বাংলাদেশ থেকে কলকাতা আসতে গেলে ভিসা-পাসপোর্ট ইউজ না করে এরকম ব্যাঁকা রাস্তা নেবে কেনে ওরকম বড় ব্যবসায়ী একজন মানুষ?

তবে আগেই তো এটা লিখেছি যে, এরকম খারাপ-লাগার কয়েকটা মোমেন্ট ছবিতে রয়েছে ঠিকই। তবে তারপরেও ছবিটা দেখতে দেখতে কোন একটা অজানা নেশায় পুরো বুঁদ হয়ে যেতে হয় যেন।

দু’জন পুরুষ আর একজন নারীর তীব্র-তীক্ষ্ণ ভালবাসার গল্পের আসলে বোধহয় ক্ষয় হয় না কোন। ঠিক ভাবে বলতে পারলে আজও সেটা এভারগ্রিন অ্যাডিকশনের মত! বারবার তো এটাও মনে হচ্ছিল আমার যে, হিউম্যান রিলেশন নিয়ে এইরকম ম্যাচিওর ছবি বানাতে পারেন যে ডিরেক্টর, কোন আক্কেলে তিনি ‘বাস্তু শাপ’ (২০১৬) বা ‘দৃষ্টিকোণ’ (২০১৮)-এর মত খাজা সিনেমাও বানান!

ছবির ডায়ালগের মধ্যে কোথাও কোন ওপরচালাকি নেই। কিন্তু সহজ-সরল কথা দিয়ে এমন একেকটা মুহূর্ত তৈরি করছিলেন কৌশিক, যে সেটা হাজার চেষ্টা করেও লিখে বোঝাতে পারব না আমি। হঠাৎ হঠাৎ ছবির ক্যারেকটারগুলোর মুখে সত্যি কথার ধাক্কা সামলাতে গিয়ে মন কেমন বেসামাল হয়ে পড়ছিল যেন! আর তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে ছ্যাঁকা দেওয়ার জন্যে একের পর এক এমন সব গান, যে সেই ফিলিং লিখে বোঝান আমার কর্ম না।

এতক্ষণ পর্যন্ত যা লিখেছি, লেখার সময় সাবধানে ছিলাম, ছবির গল্প যেন না ফাঁস হয়ে পড়ে। আসলে ছবিতে তো মিনিটে মিনিটে চমক, আর শেষে গিয়ে মোক্ষম একটা মোচড়। আর কার কী হয়েছে জানি না, সোজাসুজি এটা স্বীকার করতে আমার দ্বিধা নেই যে, গল্পের শেষ মোচড়টা আগের মুহূর্ত অবধি কিন্তু ধরতে পারি নি আমি। এরকম একটা ছবির ক্ষেত্রে গল্প লিখে দেওয়ার মত পাপ করব কী করে, বলুন?

এটুকু শুধু লিখতে পারি যে, ছবির আগের পর্ব ‘বিসর্জন’ ঘটেছিল বাংলাদেশের শ্রীপুর গ্রামে আর ছবির এবারের পর্ব ‘বিজয়া’ ঘটছে কলকাতায়। প্রধান চরিত্ররা সবাই কলকাতাতেই হাজির। তবে কী ভাবে আবার একত্র হচ্ছে সবাই আর তারপর ফের এক নারী দুই পুরুষের সাবেক ড্রামাটা জমছে কী করে, সেটা এখানে না পড়ে অন-স্ক্রিন দ্যাখার থ্রিল অবশ্যই অনেকগুণ বেশি।

কয়েক দিন আগে কৌশিক গাঙ্গুলীর একটা ইন্টারভিউতে পড়ছিলাম যে, গণেশ-পদ্মা আর নাসিরের এই গল্পটা নিয়ে আরও দুটো ছবি নাকি এর মধ্যেই ভাবা হয়ে গ্যাছে ওঁর। তার মধ্যে একটাতে বলা হচ্ছে ‘বিজয়া’ ছবির পরে এঁদের জীবনে কী ঘটছে না ঘটছে সেই গল্প। আর চতুর্থটা হল, এই পুরো স্টোরির প্রিক্যুয়েল অর্থাৎ ‘বিসর্জন’ ছবির আগে কী ঘটেছে, সেই গল্পটা।

এখন এই ইন্টারভিউ পড়ার পর ‘বিজয়া’ দেখতে গেছি বলেই কিনা জানি না, ছবিটাকে একেক সময় আমার মনে হচ্ছিল কোন ওয়েব সিরিজের সিজন টু-য়ের মত – যেখানে কোন পুরনো ক্যারেকটার অফ হয়ে যাচ্ছে, কোন নতুন ক্যারেকটার ইনট্রোডিউস্‌ড হচ্ছে। আর স্ক্রিপ্ট লেখা হচ্ছে এমন একটা স্টাইল মেনটেন করে, যেখানে সিরিজের পরের গল্পটা বলার জন্যে জুতসই একটা জমিও তৈরি হয়ে যাচ্ছে বেশ।

হ্যাঁ, ‘বিসর্জন’ ছবির মত এই ‘বিজয়া’ ছবিটাও এমন মোমেন্টে গিয়ে শেষ হচ্ছে যে জানতে তীব্র ইচ্ছে করছে ছবির মানুষগুলোর এর পরের পরিণতি কী? পদ্মা আর নাসির আলির রিলেশনটা ঠিক কী, তার বেশ কিছুটা তো গণেশ মণ্ডল আগের ছবিতেই বুঝতে পেরে গেছিলেন। কিন্তু পদ্মার ছেলে মন্টুও কি এবার ধরতে পেরে গেল সেটা? পদ্মা আর নাসির যখন নিজেদের গোপন ঝাঁপি উজাড় করে ঢেলে দিচ্ছিল সব, তখন খাটে শুয়ে মন্টু কি ঘুমোচ্ছিল আদৌ না জেগে শুয়েছিল ও?

তার উত্তরও জানতে গেলে অপেক্ষা করতে হবে, কারণ সেই উত্তরও এই ছবিতে নেই!

লেখার শুরুতে যেটা লিখেছি, সেটাই আবার নতুন করে লিখছি যে, ‘বিজয়া’ খুব পিকিউলিয়ার ছবি। যেটা নিয়ে গুরুতর সব অভিযোগ তো আছেই, কিন্তু সে সব কিছু থাকার পরেও ছবিটা দেখে কী একটা চেনা-অচেনা নেশার টানে ভেসে চলে গেছি যেন।

ছবির গল্পের সঙ্গে আমার নিজের জীবনের কোন দূরতম মিলও নেই। তবু কী ভাবে যেন নিজেকে মনে হচ্ছিল ওই গল্পেরই কোন একজন বলে।

বিশ্বাস করুন, এটা একটুও বাড়িয়ে বলা না। ছবিটা যদি দ্যাখেন তো দেখবেন আপনারও ঠিক একই অনুভূতি হবে। 

2 COMMENTS

  1. Ekta kotha bolte I hobe prothom drishyo theke chobi ta negative.. Lau er shonge gramer Dr liakat Ali r dialogue.. Bhalo na..
    Eta Thik mana Jay na Jodio chobi ta shundor Onek dik theke, bishesh kore Jaya Eshan er obhinoy!

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here