ক্লায়েন্টদের কান কেটে, স্তনবৃন্ত বাদ দিয়ে বিপাকে জনপ্রিয় উল্কিশিল্পী

কেউ পছন্দ করেন নিজের নাম খোদাই করতে, কেউ আবার ভালবাসার মানুষের নাম, কেউ আবার ঈশ্বরের ছবি। কেউ কেউ তো আবার শরীর জুড়ে আঁকতে চান তাঁর পছন্দের ছবি। তরুণ প্রজন্ম এখন মজেছে উল্কি বা ট্যাটুতে। কখনও কখনও সেই ট্যাটু হয়ে উঠছে আবার স্টাইল স্টেটমেন্ট। তবে এবার এই ট্যাটু করতে গিয়েই বিপাকে পড়েছেন লন্ডনের জনপ্রিয় এক ট্যাটু শিল্পী।

৫০ বছর বয়সী ব্রেন্ডন ম্যাকার্থি একজন জনপ্রিয় ব্রিটিশ ট্যাটু শিল্পী। ওলভারহ্যাম্পটনের শহরে নিজের ‘ডঃ ইভিল’ স্টুডিওতে ২০১২ থেকে নিজের ট্যাটু পার্লার চালাচ্ছেন। তখন থেকেই ট্যাটু-কে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে ক্লায়েন্টদের বিচিত্রতম অনুরোধেই তাদের কান কেটে বাদ দিয়েছেন, জিভ দু’ভাগে চিরে দিয়েছেন, কখনও আবার স্তনবৃন্তও কেটে বাদ দিয়েছেন।

চিকিৎসা সংক্রান্ত কোনও যোগ্যতা ও প্রশিক্ষণ না থাকা সত্ত্বেও এই ধরণের ঝুঁকিপূর্ণ অস্ত্রোপচার করার জন্য দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন তিনি। সম্প্রতি অনলাইনে আসা একটি ছবিতে দেখা যায় ম্যাকার্থি তাঁর ক্লায়েন্টের কান কেটে ফেলছেন। এর পরেই তাঁর বিরুদ্ধে বেআইনি অস্ত্রোপচারের অভিযোগ আনা হয়। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে ম্যাকার্থি বলেছিলেন, “এটি কোনও অবৈধ কাজ হতে পারে না কারণ আমি আমরা ক্লায়েন্টদের সম্মতিতেই এই কাজ করেছি।”

ওলভারহ্যাম্পটন ক্রাউন কোর্ট, এই কেসের পরবর্তী শুনানিতে অভিযুক্ত ম্যাকার্থি-র সাজা ঘোষণা করবে। ক্রাউন প্রসিকিউশন সার্ভিসের (সিপিএস) রিয়ানন জোন্স এ বিষয়ে বলেছেন, প্রশিক্ষিত কোনও ব্যক্তি এই কাজটি না করার ফল কী কী হতে পারে তার প্রমাণ বিশেষজ্ঞরা আদালতে ইতিমধ্যেই পেশ করেছেন। আর ম্যাকার্থি ট্যাটু বা পিয়ার্সিং করার জন্য প্রশিক্ষিত, উনি সে সব ছাড়াও নানা অস্ত্রোপচার করছেন, আর সে সব কাজ করার লাইসেন্স তাঁর নেই। তাই এই বেআইনি কাজ করার জন্যই দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন তিনি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here