তুষারচিতার ক্যামোফ্লেজে ধন্ধে বিশ্ব‚ দেখুন তো আপনি খুঁজে পান কিনা

এই ছবিতে লুকিয়ে আছে এক তুষারচিতা! একবারে খুঁজে বের করা মুশকিল। কিন্তু আবিষ্কার করার পরে বিস্ময়ের শেষ থাকে না। বন্যপ্রাণী ফোটোগ্রাফার সৌরভ দেশাইয়ের তোলা এই ছবি ঝড় তুলেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। নেটিজেনরা চমকে গিয়েছেন ছবিটি দেখে।

বরফ আর পাথরের আড়ালে থাকা চিতাটির নিখুঁত ‘ক্যামোফ্লেজ’টি থেকে পরিষ্কার, বন্যপ্রাণীদের টিকে থাকার জন্য এই বিদ্যেটি কত ভালো করে জানা থাকে। হিমাচল প্রদেশের স্পিতি উপত্যকায় কিব্বার গ্রামে গিয়েছিলেন সৌরভ। কিব্বার গ্রামকে বলা হয় পৃথিবীর সর্বোচ্চ গ্রাম যেখানে মোটরগাড়ি চলার পথ রয়েছে। কিব্বার গ্রামের কাছেই তিনি সাক্ষী হন ওই চিতাটির সুনিপুণ লুকিয়ে থাকার। গ্রাম থেকে ৮ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছিল চিতাটি।

সৌরভ ছবিটির নাম দিয়েছেন ‘আর্ট অফ ক্যামোফ্লেজ’। ‘ভিসুয়াল পোয়েট্রি’ নামের ইনস্টাগ্রাম পেজে ছবিটি শেয়ার হতেই ভাইরাল হয়ে যায়। তেইশ হাজার ছাপিয়ে গিয়েছে ‘লাইক’-এর সংখ্যা। ছবিটির নীচে ‘কমেন্ট’ করেছেন প্রায় নশো জন।

কেউ খুঁজে না পেয়ে হতাশ হয়ে মন্তব্য করেছেন। কেউ আবার লিখেছেন, খুঁজে পাওয়ার পরে চিতাটির চোখ দেখে বিস্মিত হওয়ার কথা। আপনি কি খুঁজে পেয়েছেন চিতাটিকে? ছবির একেবারে উপরে যে বিস্তৃত বরফ, তার সীমানার শেষে একটু নীচেই কিন্তু জেগে আছে চিতাটির মুখ।

তুষারচিতাদের বলা হয় ‘পাহাড়ের প্রেত’। এই ছবি থেকে পরিষ্কার বোঝা যায়, প্রকৃতির সঙ্গে মিশে গিয়ে আচমকা শিকারের উপরে ঝাঁপিয়ে পড়ার কারণেই তার চরিত্রের সঙ্গে মিশে গিয়েছে অলৌকিকতা। তৈরি করেছে রহস্যঘন মিথ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

কফি হাউসের আড্ডায় গানের চর্চা discussing music over coffee at coffee house

যদি বলো গান

ডোভার লেন মিউজিক কনফারেন্স-এ সারা রাত ক্লাসিক্যাল বাজনা বা গান শোনা ছিল শিক্ষিত ও রুচিমানের অভিজ্ঞান। বাড়িতে আনকোরা কেউ এলে দু-চার জন ওস্তাদজির নাম করে ফেলতে পারলে, অন্য পক্ষের চোখে অপার সম্ভ্রম। শিক্ষিত হওয়ার একটা লক্ষণ ছিল ক্লাসিক্যাল সংগীতের সঙ্গে একটা বন্ধুতা পাতানো।