ছোট্ট দ্বীপে বিড়ালের কেয়ারটেকার হবেন ? স্বপ্নের চাকরির হদিশ

সমুদ্রের পাড়ে নীল ঝকঝকে আকাশ আর রোদ্দুর মেখে বসে থাকা। আর সারাদিন আদুরে বিড়ালদের সঙ্গে ঘুরে বেড়ানো। তাদের আদর করা। না, নিছক ছুটি কাটানো নয়। এ হল একটা চাকরির শর্ত। বিড়ালদের স্নান করানো, খাওয়ানো আর অনেক অনেক আদর করা। তার জন্য মিলবে চমৎকার থাকা-খাওয়া-আরাম করার জায়গা। এমনই স্বপ্নের একটা চাকরির হদিশ ফেসবুকে। ‘গডস লিটল পিপল ক্যাট রেসকিউ’ নামের এক পেজে বিজ্ঞাপন দিয়েছেন এক মহিলা। তাঁর নাম জোন বাওয়েল।

গ্রিসের সাইক্লেডস দ্বীপপুঞ্জের সাইরোস দ্বীপে অসংখ্য বিড়ালের বাস। জোন ও তাঁর স্বামী আশ্রয় দিয়েছেন সাকুল্যে পঞ্চান্ন জনকে। তাদের খাবার ও আশ্রয় দিয়েছেন তাঁরা। ২০১০ সাল থেকে এখানেই থাকেন দম্পতি। কিন্তু এবার বিড়ালপ্রেমী দম্পতি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বাড়ি ছাড়ার। আর তাই এই সব বিড়ালের দেখভালের জন্য তাঁরা চান যোগ্য এক কেয়ারটেকার। যে তাঁদের মতো করেই ভালোবাসবে এই সব পোষ্যদের।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সিএনবিসিকে জোন জানিয়েছেন, পঞ্চান্নটি বিড়ালের দেখভাল করার জন্য পাঁচশো ইউরো (ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় চল্লিশ হাজার টাকা) করে মাইনে দেওয়া হবে প্রতি মাসে। সঙ্গে থাকার জন্য চমৎকার বাড়ি, এক্কেবারে বিনামূল্যে। তবে অন্তত ছ’মাস কাজ করার শর্তে। সব মিলিয়ে দিনে ঘণ্টা চারেক ব্যয় করলেই চলবে। নার্স ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত পশু চিকিৎসকরা অগ্রাধিকার পাবেন। অগস্টের শেষ থেকেই শুরু হবে সাক্ষাৎকার নেওয়া। ভিডিও ইন্টারভিউ হবে। তারপর যোগ্য লোককে বেছে নেওয়া হবে।

তাহলে কী ভাবছেন? কপাল ঠুকে একটা আবেদন করবেন নাকি? সুন্দর ছোট্ট এক দ্বীপে ঝকঝকে বাড়ি। সামনে বাগান। আর একগাদা বিড়াল। যদি বিড়াল ও প্রকৃতি ভালোবাসেন, তাহলে এই চাকরি আপনারই জন্য। কিন্তু চাকরি পাওয়াটা খুব সহজ হবে না। সারা পৃথিবীতে বিড়ালপ্রেমীর সংখ্যাটা নেহাত কম নয়।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

Please share your feedback

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ওয়র্থ ব্রাদার্স সংস্থার লেটারহেড

মায়ার খেলা

চার দিকে মায়াবি নীল আলো। পেছনে বাজনা বাজছে। তাঁবুর নীচে এ প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে উড়ে বেড়াচ্ছে সাদা ঝিকমিকে ব্যালে