ভোট বড় বালাই ! বিয়ে করেই দুজনে দুদিকে দম্পতি

ভোটের লাইনে সকলেই চমকে উঠেছিলেন। বিয়ের পোশাকেই হাজির ভোটদাতা! হ্যাঁ, নতুন বর-কনে বিয়ের দিনে ছুটলেন নিজের নিজের ভোটের বুথে। নিজেদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রকাশের অধিকারকে উদযাপন করলেন বিয়ের দিনেও। অভাবনীয় এমনই ঘটনায় চমকে উঠল হরিয়ানায়। পাশাপাশি হরিয়ানার আরও একটি ঘটনা ন‌াড়া দিয়ে গেল সকলকে। এক ব্যক্তি, যাঁর হাত দু’টি নেই, তিনিও ভোট দিলেন। ভোটের কালি দেওয়া হল গোড়ালিতে। এই খণ্ড খণ্ড ছবিগুলিই বোধহয় বুঝিয়ে দেয় ভারতের মতো দেশে ভোট রীতিমতো এক উৎসব। গণতন্ত্রের উৎসব।

গত রবিবার, ১২ মে ছিল সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনের ষষ্ঠ পর্যায়। ওইদিন হরিয়ানার রোহতকে দেখা মিলল ওই নবদম্পতির। বিয়ের দিনেও বুথমুখো হলেন তাঁরা। তাঁদের নাম অনিল ও শীলা। অনিল গেলেন খয়েরিপুর কলোনিতে। শীলা গেলেন প্রেমনগরে। দু’জনেই জানিয়েছেন, ভোটদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনিলের বাবা মালির কাজ করেন।

সঞ্জীব কৌশিকের হাত দু’টি নেই। তিনিও এলেন ভোট দিতে। মোবাইল ফোনের দোকান রয়েছে তাঁর। বছর দেড়েক বিয়ে হয়েছে। নিজের শারীরিক প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও ভোটদান থেকে বিরত থাকেননি তিনি। কৌশিক জানিয়েছেন, কেবল এইবারই নয়, প্রতিবারই ভোট দেন তিনি। তাঁর মতে তাঁর ভোটদান অন্যদের উদ্বুদ্ধ করবে।

অনিল-শীলা বা কৌশিকই কেবল নয়, হরিয়ানায় ভোটের দিন দেখা গেল এমনই নানা ছবি। কোনও মহিলা হাত ভেঙেও বুথে হাজির হলেন। চিকিৎসকরা বিশ্রাম নিতে বলেছেন। কিন্তু তিনি হাজির নিজের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে। কোথাও বা সত্তর পেরনো বৃদ্ধারাও অক্লেশে এসে হাজির ভোটের লাইনে দাঁড়াতে। এভাবেই তাঁরা সামিল হলেন গণতন্ত্রের উৎসবে।

প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের আর একটিই পর্যায় বাকি। আগামী রবিবার, ১৯ মে সপ্তম পর্যায়ের ভোটদান সম্পন্ন হওয়ার পরেই শেষ হবে এবারের নির্বাচন প্রক্রিয়া। ফল ঘোষণা ২৩ মে।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

Please share your feedback

Your email address will not be published. Required fields are marked *

spring-bird-2295435_1280

এত বেশি জাগ্রত, না থাকলে ভাল হত

বসন্ত ব্যাপারটা এখন যেন বাড়াবাড়ি পর্যায়ে চলে গেছে। বসন্ত নিয়ে এত আহ্লাদ করার কী আছে বোঝা দায়! বসন্তের শুরুটা তো