‘বিয়ে’ শব্দের রোমাঞ্চ যদি ‘পুলক রাখিতে নারি’র মতো হয় তবে ‘ইয়ে’ শব্দটার ব্যাপকতা হয়ে দাঁড়ায় সর্বব্যাপী  ব্রহ্মের মতো ।অবাঙমানসগোচর তার ব্যাপ্তি । আট থেকে আশি বছরের বাঙালি, বিয়ে শব্দটা শুনলেই কেমন যেন অল আউট হয়ে ল্যালল্যাল করতে থাকে। বিয়ের আগে একটু  ইয়ে ছিল শুনলে সেই ইয়েতে কী কী ঘটেছিল, তার অনন্ত কাল্পনিক সম্ভাবনায়, আপামর জনতা,  ভিতর ও বাহিরে ,  অন্তরে অন্তরে,  আবেগে উদ্বেল হয়ে ওঠে।

Banglalive

এমনিতেই বাঙালি একটা ‘খাইখাই’ জাত। তার জাতীয় জীবনে,  মার থেকে  যৌনতা , সবই  খাদ্য।  তবে শেষোক্ত  খাবারটি  লুকিয়ে চুরিয়ে খেতে শেখান হয়।  বিয়ের মতো একটা প্রকাশ্যে  ঢাক ঢোল পেটান অনুষ্ঠান করে  বর-কনে প্রথম প্রাইভেট  রাতে দুজন দুজনকে একলাফে ঝাঁপিয়ে পড়ে ‘খাবে’;  এটা যেন কেমন কেমন ঠেকল  কারও কারও মনে।  ভুরিভোজের পুর্বাহ্নে একটু ‘চেখে’ দেখবার, আজকাল ভাষায় যাকে এপেটাইজার বলে, সেই রকম  ব্যবস্থা করল নেমে এল এদেশেও , উনিশ শতকে ,  ‘সুসভ্য’ ইংরেজ জাতির হাত ধরে ।

এই ব্যবস্থার পোশাকি নাম কোর্টশিপ।  সাহিত্যে এরই নাম পূর্বরাগ, আসলে এটা  আধা-প্রেম। লোকমুখে নাম  হল– ঢলাঢলি, পাখনা ওঠা, ওর সঙ্গে আছে/চলছে, ডুবে ডুবে জল খাচ্ছে ইত্যাদি । পরপর  শব্দের বিবর্তন হল, এল  — এনগেজড, ইন-আ-রিলেশনশিপ, কমিটেড, লিভ ইন ইত্যাদি প্রভৃতি। আরও আসবে ভবিষ্যতে। চিন্তা নেই। একসময় সব রিলেশনই হয়ে দাঁড়াবে—ইট’স কম্পলিকেটেড।

তবে কোর্টশিপ শব্দের পেছনে সমাজের একটা প্রচ্ছন্ন অনুমোদন থাকলেও , বাকিগুলোর জন্য থাকল নিন্দা, ঈর্ষা আর কেচ্ছা।

সিনেমা আমাদের জীবনের পথিকৃৎ, সেকালেও ছিল , একালেও আছে । ‘কোর্টশিপ’ শব্দটা প্রথম আমাদের প্রজন্মের  কানে এল কমল মিত্রের ভরাট গলার ডায়ালগের মাধ্যমে ।তিনি , পাইপ কামড়ে গমগমে গলায় চিবিয়ে চিবিয়ে, বেকার, টিমটিমে উত্তমকুমারকে দ্ব্যর্থহীন ভাবে জানিয়ে দিলেন, যে সুচিত্রা সেনের সঙ্গে এখন বাবা মায়ের নির্বাচিত সুপাত্র, অসিতবরণের সঙ্গে কোর্টশিপ চলছে। তারা পার্টিতে যেতে পারে কারণ অসিতবরণ একজন বিলাতফেরত ডাক্তার। সে উত্তমের মত ভ্যাগাবন্ড  নয়। সামনের অঘ্রানেই তারা পরস্পরের ঘ্রাণ নিতে বিয়ে করে বিলেত চলে যাবে।

 পরের দৃশ্যে বেচারা উত্তমকুমার কমল মিত্রের  বিশাল বাগানবাড়ির গেটের বাইরে দাঁড়িয়ে মুখ চুন করে স্পষ্ট দেখতে পাবে  একটা  হুডখোলা সেভ্রলে চেপে হুশ করে দুজন বেড়িয়ে গেল মুখের ওপর ধোঁয়া ছেড়ে।

এরপর উত্তমকুমার মেসে ফিরে জানলা ধরে দাঁড়িয়ে বাইরে মেঘের আড়াল দিয়ে চাঁদের সরে সরে যাওয়া দেখবেন। ব্যাকগ্রাউন্ডে ভেসে আসবে সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়ের কাঁপা কাঁপা গলায় আর্তসঙ্গীত । আর প্রভিশনাল লাইসেন্সপ্রাপ্ত অসিতবরণ সুচিত্রাকে নিয়ে  একটা বড় হলঘরে নানা সুসজ্জিত নারী পুরুষের ভিড়ের মাঝে জ্যাজসেট বাজনার সঙ্গে তালে তালে সামান্য নড়াচড়া করবেন। সেখানে ক্লোজ আপে সুচিত্রার চোখ থাকবে বিষাদে পরিপূর্ণ।   

এই ধরণের  ইয়েতে আনন্দ নেই বরং মনের মানুষের সঙ্গে ইয়েটুকু না করতে পাওয়ার একটা কষ্ট লেগে থাকত মনের কোণায়।  

আরও পড়ুন:  বাঘ-টাঘ

দিন পালটায়। ইয়ের স্বরূপও পালটাতে থাকে । সাহস যোগায় বলিউড। বিয়ে সেখানে হত একদম শেষ সিনে। তার আগেই যাবতীয় SIN সারা। তবে তখনও একটু রাখঢাক ছিল । হঠাৎ করে সেন্সর সায়েব কাঁচি চালিয়ে উড়িয়ে দিতেন বেশ কিছু সাহসী অন্তরঙ্গ দৃশ্য। সেই নিয়ে সিনেমার কাগজগুলো সিক্ত হয়ে উঠত।

ক্লাস এইট/নাইন  থেকে যে বস্তুটি ছেলেমেয়ে উভয়ের শরীরের ভেতর থেকে মাথা তুলতে শুরু করে দিত তার নাম যৌবন। দৃশ্য এবং অদৃশ্য, নানা জায়গায় তার উত্থান শুরু। ছেলেদের বেলায় গোঁফের নিচে, গালে,  চিবুকে তার দৃশ্যত আত্মপ্রকাশ আর ডবল জাঙ্গিয়া পড়েও  অদৃশ্য শক্তির  দমন  ব্যর্থ হওয়ার শুরু। মেয়েদের ফ্রকের/ কামিজের ঊর্ধ্বাংশে যৌবনের জয়ধ্বজা ক্রম উড্ডীয়মান।

ছেলেদের কাছে এইসব উত্থান গর্বের আর মেয়েদের কাছে লজ্জার। মা-কাকিমার ঢাকঢাক গুড়গুড় শুরু তখন থেকেই।

এই বয়েসে এসে চোখের মণির ফোকাস পালটে যায়  ছেলেদের। আগে ছিল– আগে মুখ, এখন দাঁড়াল, আগে বুক , তারপর মুখ। মেয়েরাও সেটা বুঝে যত বুক উঁচু হয় তত মুখ নিচু করে চলাফেরা করতে লাগল।

সত্তর থেকে নব্বুই , এই কুড়ি বছর ধরে ইয়ের তেমন বিবর্তন হয়নি প্রধানত দুটো কারণে। এক, নিরিবিলি  জায়গার অভাব।  সিনেমা হল, চিলেকোঠার ঘর, দুপুরের নির্জন বারান্দার আড়াল, মাঝরাতের ছাদ, এইসব জায়গায় যতটা সম্ভব ইয়ে মেটাতে হয়েছে সেই সময়ের যৌবনকে। সতর্ক থাকতেই খরচা হয়ে গেছে অর্ধেক মনযোগ।

দুই, চাকরির অভাব। পাড়ায় পাড়ায় বেকার গিজগিজ করছে। দুটোর বেশি প্যান্ট নেই মধ্যবিত্ত যুবকের। টিউশনের  ভরসায় রিটায়ার্ড বাবা, অসুস্থ মা। হায় প্রেম ! সব পাড়ায় একটা দুটো করে ইয়াং পাগল /পাগলি থাকতোই। বাঁধাও থাকত কেউ কেউ।

তার ওপর ছিল লোকাল দাদাদের খবরদারি। তাঁরা ছিলেন সিভিক ভলান্টিয়ার। চরিত্র রক্ষণ তাঁদের ডিউটি। সাধারণত তাঁরা পাড়ার ক্লাবে ডাম্বেল ভাঁজতেন। বাইচান্স একদিন ঘুমের ভেতর রেতঃপাত হয়ে গেলে পরদিন ডবল কলা-ডিম খেতেন।

ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার তখন হাতে গোনা। ঢিল ছুঁড়লে মরবে এমন পরিস্থিতি হয়নি।  যে দু একজন ডানাকাটা পরীর গার্জেন  ডাক্তার/ ইঞ্জিনিয়ার পাত্রের  সঙ্গে বিয়ে থা ঠিক করতে পেরেছে তারা একটু উচ্চবিত্ত ঘরের। কোর্টশিপ তাদের অনেকটা নাগালে নেমে এসেছিল।

কিন্তু আপামর মধ্যবিত্ত ! তারা তখনও সিনেমা হলের অন্ধকারে হাতলের ওপর  হাতে হাত রাখতেই ঘেমে যাচ্ছে। পাশের দর্শকের শ্যেন দৃষ্টি এড়িয়ে সেই হাত উঠে আসছে ঊর্ধ্বাঙ্গে, কিছু দূর পর্যন্ত উঠে নিম্ন গাঙ্গেয় উপত্যকায় নামছে । সেই সময় যদি ঝপ করে আউটডোরের চড়া দিনের আলোর সিন চলে এলো তো হল আলোয় আলো হয়ে উঠত আর শামুকের মত গুটিয়ে যেত দুজনার প্রত্যঙ্গ। 

আরও পড়ুন:  প্রেম, ভূত ও চুমু

দুপক্ষেরই অধিকাংশ রাত কাটত নিজের চিঠি নিজের হাতে লিখে, বিছানার চাদর  ভিজে যেত বেদনাঘন আনন্দরসে।

নানা বৈধ অবৈধ সম্পর্কের ইয়েতে সেই দমচাপা যৌবন ছিল বর্ণময়। তার মধ্যে ছাত্রী-মাস্টার, ডাক্তার-নার্স , বউদি-দেওর , শালী-জামাইবাবুর ইয়ে ছিল সবচেয়ে কড়াপাকের। সাধারণত এদের একজন হত বিবাহিত অন্য জন আনাড়ি। আনাড়িকে হাতেখড়ি দেওয়ানোর সুখ তুলনাবিহীন ।  দুজনাই জানে যে, এই ইয়ে বিয়ে অবধি গড়াবে না।  যৌবন তো আসলে পারদের মত, তাপমাত্রা বাড়লে চেপে রাখা  অসম্ভব। ঠেলে উঠবেই। উঠুক তবে।

মাঝে মাঝে ঘটে যেত দুর্ঘটনা। হঠাৎ মাঝরাতে মেয়েটি বেসিনে কিনারে ভর দিয়ে ঝুঁকে ওয়াক ওয়াক শুরু করে দিত । উদ্বিগ্ন মা সাঁড়াশির বাড়ি মেরে মেরে তবে সেই অকালকূষ্মাণ্ড করিৎকর্মা বিশ্বকর্মার নামটি মেয়ের পেট থেকে টেনে বার করতেন। তারপর চলত হাহুতাশ, শাপ-শাপান্ত। শেষে আসত জড়িবুটি, ধাইমা, কিছু পরে এল ‘সুলভে দশ মিনিটে নিরাপদে গর্ভপাত’।

চাঁচাছোলা শেষ হতেই তাড়াহুড়ো করে, দরকার হলে দোজবরের হাতে, বাপের বাড়ি থেকে যতদূরে সম্ভব মেয়েকে বেড়াল পার করে দেওয়া হত।

নব্বুইয়ের দশকে এসে চিত্র কিছুটা পাল্টাল। সুদুর মফসসলেও সাইকেলের হ্যান্ডেলে একটু সাহসী জুলিয়েটদের উঠে বসতে দেখা গেল। চালক রোমিও তখন ভ্রাম্যমান ইয়েতে লিপ্ত। ওরা নিবিড় ভাবে ঘন কিন্তু প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে । সমাজ দেখছে কিন্তু বাধা দিতে পারছেনা।

বোঝা গেল, সমাজ হল ডি ভি সি-র মত, চাপ বাড়লে জল ছেড়ে দেয়।

টেলিভিশন এবং মোবাইল ফোন এরপর ইয়ে-বিপ্লব আনল এক ঝটকায়। বিয়ে কবে কার সঙ্গে হবে, আদৌ হবে কিনা, কে জানে ? তাই বলে সবাই সমগ্র যৌবনকাল জুড়ে ভার্জিন আর ব্রহ্মচারী হয়ে বসে থাকবে নাকি ? আরে বাবা আদ্ধেক বিশ্বজুড়ে চলছে এখন ফ্রি-সেক্স। আমরা অন্তত হাফ-ফ্রি হই। 

ততদিনে  টেলিভিশন জানিয়ে দিচ্ছে কোন বড়ি কবে থেকে খেলে নিশ্চিন্ত। কোন কন্ডোম ডোরাকাটা, বেশি সুখ দেবে। আই পি এলের পাশেই বিজ্ঞাপনে চলে আসছে আই পিল। আচমকা ইয়ে করে ফেলবার বারো ঘণ্টার মধ্যে সেবন করলে অল আউট।

একটু বেশি রাতে দেখা যাচ্ছে বড়দের মুভি। দেশি বিদেশি তুমুল কেত্তন। একান্নবর্তী পরিবার ছেতরে ছত্রখান, ফ্ল্যাট কালচার হুড়মুড় করে ঘাড়ের ওপর এসে পড়েছে।

সেক্স এডুকেশন একটু ভিন্ন নামে ঢুকে পড়েছে ইস্কুলে। ইংলিশ মাধ্যম কো-এড স্কুলের ছড়াছড়ি। এক ষ্টেশন দুই ষ্টেশন না গেলে টিউশন টিচার নেই। মধ্যবিত্তর হাতে খোলা বাজার। জিন্স, সস্তার মদ, পার্টি, বিরিয়ানির দোকান পাড়ায় পাড়ায়।

আরও পড়ুন:  শাড়ি

মফসসলের ছেলেমেয়েরা ভর্তি হচ্ছে সদরের কলেজে আর সদরেরগুলো চলেছে কলকাতা। মা বাবা আর কূল পাননা ট্র্যাক রাখবার। অনেক গবেষণা করে এনে দেওয়া হল মোবাইল ফোন। অন্তত যাতে ‘হ্যাঁরে , কোথায় আছিস ? কখন ফিরবি?’ এই খবরটুকু পাওয়া যায় ।

মোবাইল অভিশাপ না আশীর্বাদ? এই নিয়ে তিন পাতা রচনা অনেকেই লিখে ফেলবে কিন্তু সেখানে লিখবে না কেবল, ‘এই ক্ষুদ্র যন্ত্রের অসীম ক্ষমতা। ইহার সাহায্যে কৃষ্ণ অতি সহজেই রাধিকাকে বাঁশি ছাড়াই ডাকিতে সক্ষম।‘

সদরে মফসসলে কলকাতার আদলে বিজবিজ করতে লাগল সস্তার হোটেল। কেউ কেউ ঘণ্টা পিছু রেটও চালু করে দিল। সেই সব হোটেলে সবই পাওয়া গেল। তেল সাবান তোয়ালে বিছানা এবং কন্ডোম।

বিয়ের আগে লুকিয়ে লুকিয়ে ইয়ে এতদিনে গণ-ইয়েতে  পরিণত হল।

দিঘা, মন্দারমণি, রায়চক, বকখালি আর শুধু নিরামিষ টুরিস্ট স্পট রইল না। ঝাঁকে ঝাঁকে ইয়েবাজরা এসে ভিড় জমাল। টুরিজম ব্যবসা এতদিনে প্রাপ্তবয়স্ক হল।

অবশেষে এল কফিনের শেষ দুই পেরেক। ফেসবুক এবং হোয়াটস এ্যাপ। সঙ্গে কবরের ওপর ফুল হয়ে এল দেশি বিদেশি অফুরান পানু।যুবক যুবতীগণ নিজেদের তপ্ত যৌবন আরও একটু  তাতিয়ে নিয়ে, মাঝ থেকে শেষরাত অবধি ইনবক্স চষে চষে যার যার পছন্দমত ইয়ে খুঁজে নিল। তারপর হালকা চালে দিনক্ষণ ঠিক করে নিয়ে আশ মিটিয়ে নিল এমন ভাবে যাতে মাইকে আর কোনদিন না শোনা যায় সেই হাহাকার সঙ্গীত —আমার সাধ না মিটিল, আশা না পুরিল— ।

 হোটেলে নানা হাঙ্গামা, পুলিশি ধরপাকড়, জুটির সম্পর্কের কলম ফিল আপ ,  ভোটার কার্ড, আধার কার্ড এইসব ফ্যাঁকড়া থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য এ্যাপও এসে গেছে। সেখান থেকে হোটেল বুক করবার একটাই সুবিধে, জুটিদের পরস্পরের সম্পর্ক জনিত কোন প্রশ্ন সেখানে করা হয় না। কে কার স্বামী, কে কার স্ত্রী, কে কার সাজান বোন, কে কার কাকু অথচ প্রেমিক এইসব নিয়ে কর্তৃপক্ষের কোন মাথাব্যথা নেই। কিঞ্চিত বেশি নগদ মুল্যের বিনিময়ে তারা এইসব আবোলতাবোল কৌতূহল  উপেক্ষা করে থাকেন। পুলিশ যাতে ধারেকাছে না ঘেঁষে তারও সুবন্দোবস্ত এঁরাই করে থাকেন।

 দূরদর্শী ঘটককূল ছিলেন বুজুর্গ। তাঁরা জানতেন একশোর ভেতর একটা দুটো কেসে হাইমেন অক্ষত নাও থাকতে পারে ।  আর অধুনা ম্যাট্রিমনি সাইটগুলো অনেককাল আগে থেকেই ধরে নিয়েছেন বিয়ের আগে একটু ইয়ে থাকা ভাল। অভিজ্ঞতাটা কাজে দেবে। তাই পাত্রপাত্রীর বিজ্ঞাপনে স্থাবর অস্থাবর সব কিছু হাত খুলে অথবা আড়াল রেখে চাওয়া হলেও কুমারী কনে আর কুমার বর চাওয়া হয়না।

কথায় বলে না, চামড়ার জিনিষ, ধুলেই সাফ।

6 COMMENTS

  1. বোঝা গেল, সমাজ হল ডি ভি সি-র মত, চাপ বাড়লে জল ছেড়ে দেয়।
    এটা ব্যাপক দিয়েছ।

  2. প্রেম-শরীর-বিবাহ, সেই ৫০ দশক থেকে হালফিল সময়। বারবার পাল্টে যাওয়া কনসেপ্ট লেখকের রসবোধ আর লেখনীতে জীবন্ত… অনেকটা চলচ্চিত্রের মত। এক কথায় অনবদ্য!

এমন আরো নিবন্ধ