শ্বাসকষ্ট থেকে মস্তিষ্ক নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়া‚ নিয়মিত ঘুমের ওষুধ খেলে হতে পারে বিভিন্ন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

সারাদিনের অক্লান্ত পরিশ্রমের পরও আপনার ঘুম না আসার বা  বিষন্নতা কাটানোর সবথেকে সহজ উপায় একটা ছোট্ট ঘুমের ওষুধের গুলি। কারণ আপনার মতে, এই কিছু ঘন্টার শান্তি আপনাকে ভুলিয়ে দেবে সব সমস্যা। করবে চিন্তামুক্ত। কিন্তু জানেন কি এই ছোট্ট একটি গুলিকে অভ্যাসের  খাতায় ফেলে দিলেই আপনার শরীরে ঢুকতে পারে নানা রোগ।

# যদি আপনি শ্বাস কষ্টে ভোগেন  তাহলে ঘুমের ওষুধের সঙ্গে আপনার বেশ অনেকখানি দূরত্ব বজায় রাখা উচিৎ। কারণ এই ছোট্ট একটি গুলি আপনাকে  কিছুক্ষণের আরাম দিলেও আপনাকে ভুগতে হতে পারে অতিরিক্ত শ্বাস কষ্টে।

# আপনার হাত পা জ্বালা করতে পারে অথবা কোন কোন সময় হাতে পায় অস্বাভাবিক টান ধরতে পারে।

# নিয়মিত ঘুমের ওষুধ খেলে বা এটা খাওয়া অভ্যাসে পরিণত করলে  আপনি ভুগতে পারেন পেট খারাপে। আবার কখনও কখনও খিদের সমস্যাও দেখা যেতে পারে।

# একেধারে যেমন অনেকের পেট খারাপের সমস্যা হতে পারে, তেমনই হতে পারে কোষ্ঠকাঠিন্য।

# অতিরিক্ত ঘুমের ওষুধের নেশায় আপনার রাতদুপুরে মাথা ঘুরে যেতে পারে। অর্থাৎ আপনি ধীরে ধীরে ঝিমিয়ে পড়তে পারেন।

# রাতটুকু খানিকের আরামের ফলস্বরূপ সারাদিন আলস্যে থাকতে হতে পারে আপনাকে। শুধু তাই নয় অনেকের মাথার যন্ত্রণার সমস্যাও দেখা দিতে পারে ধীরে ধীরে। অর্থাৎ আপনাকে ধীরে ধীরে দুর্বল করে দিতে পারে এই ওষুধ।

# অতিরিক্ত দুর্বলতার ফলে আপনার শরীরে দেখা যেতে পারে অস্বাভাবিক কম্পন। দিনে দুপুরে যা আপনার শরীর ও কাজের অনেক ক্ষতি করতে পারে।

# ঘুমের ওষুধ একপ্রকার ড্রাগের নেশার মত। আর এইটির অতিরিক্ত ব্যবহার আপনার কাছে ঠিক ততোটাই ক্ষতিকারক যতটা তামাক বা মদ্যপান। এই ধরনের ওষুধও আপনার মস্তিষ্ককে ধীরে ধীরে শুন্য করে দিতে পারে। এমনকি কড়া ঘুমের ওষুধ আপনাকে অস্বাভাবিক কিছু স্বপ্ন দেখাতেও বাধ্য করতে পারে। অর্থাৎ আপনার মস্তিষ্কে ধীরে ধীরে আপনার নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে থাকে।

# শুধু তাই নয়, যাদের অল্পকিছুতেই অ্যালার্জির ধাত থাকে তাদের বিশেষ করে ঘুমের ওষুধের থেকে দূরে থাকা উচিৎ। কারণ ঘুমের ওষুধে হতে পারে অনেক রকম অ্যালার্জি। যেমন-

* কারোর ঘুমের ওষুধে চোখ, মুখ, ঠোঁট ফুলে যেতে পারে।

*  মুখ চোখে অসম্ভব জ্বালা অনুভব করতে পারে।

* বমি বমি ভাব অথবা কোন ক্ষেত্রে বমি হয়ে যেতে পারে।

* কারোর অতিরিক্ত পরিমাণে চুলকানি বা র‍্যাশের সমস্যা দেখা যেতে পারে। কোন কোন ক্ষেত্রে এই অতিরিক্ত পরিমাণ চুলকানি চর্মরোগের আকার ধারণ করতে পারে।

# এছড়াও চোখের নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। কখনও কখনও চোখ ঝাপসা হয়ে দৃষ্টির সমস্যাও দেখা দিতে পারে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here