নামে প্রজাপতি থাকলেও নিত্যনতুন মাকড়সা খোঁজাতেই আনন্দ মাকড়সা মানুষের

নামে প্রজাপতি থাকলেও নিত্যনতুন মাকড়সা খোঁজাতেই আনন্দ মাকড়সা মানুষের

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

২৮ বছরের ধ্রুব প্রজাপতি গুজরাতের আহমেদাবাদের বাসিন্দা । বর্তমানে কেরলের স্যাক্রেড হার্ট কলেজে মেডিক্যালের পাঠ নিচ্ছেন । গুজরাত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রাণিবিদ্যায় পিএইচডি করার সময়ে নিজের গবেষণাপত্রে ৭৮ টি নতুন প্রজাতির মাকড়সার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দিয়েছেন তিনি। গুজরাত-সহ ভারতের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এখনও অবধি দেড় হাজারেরও বেশি আলাদা আলাদা প্রজাতির মাকড়সার সন্ধান দিয়েছেন । এর মধ্যে ৯টি একেবারে নতুন প্রজাতির মাকড়সা, যেগুলির কথা আগে কোথাও কোনও নথি-পত্রে উল্লেখ করা হয়নি।

দেশের বিভিন্ন প্রান্তের বন-বাদাড়ে ঘুরে ঘুরে মাকড়সা খুঁজে বেড়ানো আর নতুন নতুন প্রজাতির মাকড়সার সন্ধান দিয়ে বেড়ানোর জন্যই ওয়েব দুনিয়ায়, সোশ্যাল মিডিয়ায়, স্থানীয় এলাকায়, নিজের স্কুলে-কলেজের অনেকেই তাঁকে ভারতের ‘স্পাইডার ম্যান’ বলে ডাকে। সম্প্রতি কেরলের এক জঙ্গলেও একটি নতুন প্রজাতির মাকড়সার খোঁজ পেয়েছেন তিনি। মাকড়সাটি আকারে ছোট, লাফিয়ে লাফিয়ে চলে। এটি ইসিয়াস প্রজাতির মাকড়সা।

সারা বিশ্বে মোট ৩৫ টি ইসিয়াস প্রজাতির মাকড়সা মধ্যে ৭টি দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় পাওয়া গিয়েছে। যার মধ্যে একটা আফগানিস্তান থেকে, চিন থেকে তিনটে, একটা ইন্দোনেশিয়া এবং দুটো ভারতে পাওয়া গিয়েছে। নতুন এই মাকড়সাটির জন্য একটি নামও ভেবেছেন তিনি। ইসিয়াস বিক্রমবাতরাই। ১৯৯৯ সালে কার্গিল যুদ্ধে শহিদ, পরমবীর চক্রে সম্মানিত সেনানায়ক বিক্রম বাত্রার নামানুসারে এই নতুন প্রজাতির মাকড়সাটির নাম রাখার অনুরোধ জানিয়েছেন ধ্রুব। এর আগে তাঁর আবিষ্কারের নামকরণের জন্য তিনি ভারতের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ডঃ এপিজে আব্দুল কালাম এবং অপরটির নাম গুজরাটের রাজধানী গান্ধীনগর-এর নামের প্রস্তাব করেছিলেন ।

তাঁর নামে প্রজাপতি থাকলেও আপাতত মাকড়সা খুঁজে বেড়ানোতেই আনন্দ মাকড়সা মানুষের|

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

Leave a Reply

pandit ravishankar

বিশ্বজন মোহিছে

রবিশঙ্কর আজীবন ভারতীয় মার্গসঙ্গীতের প্রতি থেকেছেন শ্রদ্ধাশীল। আর বারে বারে পাশ্চাত্যের উপযোগী করে তাকে পরিবেশন করেছেন। আবার জাপানি সঙ্গীতের সঙ্গে তাকে মিলিয়েও, দুই দেশের বাদ্যযন্ত্রের সম্মিলিত ব্যবহার করে নিরীক্ষা করেছেন। সারাক্ষণ, সব শুচিবায়ু ভেঙে, তিনি মেলানোর, মেশানোর, চেষ্টার, কৌতূহলের রাজ্যের বাসিন্দা হতে চেয়েছেন। এই প্রাণশক্তি আর প্রতিভার মিশ্রণেই, তিনি বিদেশের কাছে ভারতীয় মার্গসঙ্গীতের মুখ। আর ভারতের কাছে, পাশ্চাত্যের জৌলুসযুক্ত তারকা।