স্বাগত-পানীয় থেকে মিষ্টিমুখ‚ বিশ্বের প্রতি কোণার খাবার ছিল ঈষা আম্বানির বিয়ের ভোজে

স্বাগত-পানীয় থেকে মিষ্টিমুখ‚ বিশ্বের প্রতি কোণার খাবার ছিল ঈষা আম্বানির বিয়ের ভোজে

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

মুকেশ আম্বানির মেয়ে ঈষা আম্বানির বিয়ের বিভিন্ন দৃশ্য ইতিমধ্যেই ভাইরাল ।  সম্প্রতি সর্বভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, অম্বানি পরিবারের তরফ থেকে ঈষার বিয়ের মেনুর খবর গোপন রাখা হয়েছিল । তবে শোনা যাচ্ছে যে, শেফ-রা অন্তত ৪০০ পদ তৈরি করেছিলেন অতিথিদের জন্য । যার মধ্যে ছিল দেশের বিভিন্ন অংশের সব বিখ্যাত নিরামিষ পদ । তার সঙ্গে ছিল নিরামিষ গুজরাতি সমস্ত পদ । মুম্বই-য়ের ‘ফুডলিঙ্ক’ ক্যাটারার অ্যান্তিলিয়ায় অতিথিদের খাওয়ারের আয়োজন করেছে । মুম্বই-য়ের বিখ্যাত এই ‘ফুডলিঙ্ক’ কেটারার দীপবীরের বিয়েতেও অতিথিদের খাওয়ারের আয়োজন করেছিল ।


অ্যান্তিলিয়া  অতিথিদের বিশেষভাবে আপ্যায়নের জন্য সূদুর প্যারিস থেকে একটি ফুড স্টাইলার-এর দলকে আনা হয়েছিল, শুধুমাত্র অতিথিদের খাওয়ার সাজিয়ে দেওয়ার জন্য। তাছাড়া অভ্যর্থনা জানানোর জন্য, দেশ জুড়ে সেরা খাবারগুলির আয়োজনও করা হয়েছিল। মেনুতে থাই এবং জাপানি মেনু সহ এশিয়ান খাবারও অন্তর্ভুক্ত ছিল। এশিয়ান মেনুতে অন্যতম ছিল হংকং-এর ডিমসাম ।

অতিথিদের খাওয়ার জন্য অর্ডার দিয়ে বানানো হয়েছিল সমস্ত রুপোর বাসনপত্র। সেই সঙ্গে চমক ছিল ডেজার্টেও। সম্প্রতি ডেজার্ট কাউন্টারের একটি ছবি ভাইরাল হয়েছে স্যোশাল মিডিয়ায়। সেখানে দেখা যাচ্ছে কেক, পুডিং, মিষ্টির প্রচুর পদ সাজানো রয়েছে। ওয়েডিং প্ল্যানিং ওয়েবসাইট ‘ওয়েডিং সূত্র-র’ এক প্রতিবেদন থেকে জানা গিয়েছে, দেশ-বিদেশ থেকে নানা রকম বেরি (বিশেষ ধরণের ফল) আনা হয়েছিল, ড্রিংস পরিবেশনের জন্য। বিশ্বের বিভিন্ন জায়গা থেকে আনা হয়েছিল চকোলেট । অতিথিদের জন্য ছিল জবাফুলের মিশেলে বানানো বিশেষ এক ধরণের ওয়েলকাম ড্রিংক্স। এছাড়া ঈষার বিয়েতে নানারকম ফরাসি-র ব্র্যান্ডের ড্রিংক্স-এর ব্যবস্থাও ছিল বলে জানা গিয়েছে।

উদয়পুরে মেয়ের প্রাক-বিয়েতে ‘অন্নসেবা’ রীতির ব্যবস্থা করেছিলেন অম্বানী পরিবার। টানা চার দিন ধরে ৫১০০ মানুষকে খাওয়ানোর ব্যবস্থা ছিল ঈষার বিয়েতে।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

Leave a Reply

pandit ravishankar

বিশ্বজন মোহিছে

রবিশঙ্কর আজীবন ভারতীয় মার্গসঙ্গীতের প্রতি থেকেছেন শ্রদ্ধাশীল। আর বারে বারে পাশ্চাত্যের উপযোগী করে তাকে পরিবেশন করেছেন। আবার জাপানি সঙ্গীতের সঙ্গে তাকে মিলিয়েও, দুই দেশের বাদ্যযন্ত্রের সম্মিলিত ব্যবহার করে নিরীক্ষা করেছেন। সারাক্ষণ, সব শুচিবায়ু ভেঙে, তিনি মেলানোর, মেশানোর, চেষ্টার, কৌতূহলের রাজ্যের বাসিন্দা হতে চেয়েছেন। এই প্রাণশক্তি আর প্রতিভার মিশ্রণেই, তিনি বিদেশের কাছে ভারতীয় মার্গসঙ্গীতের মুখ। আর ভারতের কাছে, পাশ্চাত্যের জৌলুসযুক্ত তারকা।

Pradip autism centre sports

বোধ