বনেদি বাড়ির দুর্গাপূজা

বেশ কিছু বছর ধরে কলকাতার বনেদি বাড়ির পূজা দেখা নিয়ে লোকের মধ্যে উৎসাহ বেড়েছে।এমনকি বিদেশ থেকেও অনেকে আসছেন বাড়ির পূজা দেখতে। বনেদি বাড়ির পূজার মধ্যে যেগুলো খুব বেশি পরিচিত সেগুলো নিয়ে বিভিন্ন কাগজ ও ম্যাগাজিনে নিয়মিত লেখালিখিও হয়।দল বেঁধে প্রচুর দর্শনার্থী ও ফটোগ্রাফার এসব বাড়িতে এসে ভিড় করেন।এর মধ্যে কিছু বাড়ি আছে যেগুলোর পূজা অনেক প্রাচীন এবং তাঁদের পূজার ইতিহাসও খুব চিত্তাকর্ষক, কিন্তু অনেকেই তাঁদের বাড়ির পুজো সাথে পরিচিত নয়। এরকম পাঁচটি বাড়ির পুজো নিয়ে এই লেখার সূত্রপাত।

শঙ্কর ঘোষের বাড়ির দুর্গাপূজা

১২ এ, শঙ্কর ঘোষ লেন

ছবি সৌজন্যে – ঘোষ বাড়ি

কর্ণওয়ালিস স্ট্রিটে (বর্তমানে বিধান সরণী) ঠনঠনিয়া কালীমন্দির থেকে ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে রয়েছে শঙ্কর ঘোষ লেন। সরু গলির ঢোকার মুখেই বাঁদিকে পড়বে বিদ্যাসাগর কলেজ। সেখান থেকে কয়েক পা হাঁটলেই ডান দিকে রয়েছে জমিদার শঙ্কর ঘোষের বাড়ি। জমিদার শঙ্কর ঘোষ ১৮০৪ সালে কর্ণওয়ালিস স্ট্রিটে ঠনঠনিয়ায় সিদ্ধেশ্বরী কালীমন্দির প্রতিষ্ঠা করেন। বর্তমানে তাঁর বংশের অষ্টম প্রজন্ম এই বাড়িতে বসবাস করছেন। সেই পরিবারের সমীর ঘোষ জানালেন যে যদিও তাঁদের বাড়ির দুর্গাপূজা কবে শুরু হয়েছিল সেটা সঠিক জানা নেই, কিন্তু নিশ্চিত ভাবেই তা শুরু হয়েছিল কালীমন্দির প্রতিষ্ঠা করার আগেই। বর্তমানে এক খিলানের দালানে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়।শঙ্কর ঘোষের বাড়ির প্রতিমা শোলার সাজে সজ্জিত তিন চালার ঠাকুর। তবে এই ঠাকুর অধিকাংশ বাড়ির মত তিন শিখর বিশিষ্ট মঠচৌরি শৈলীর নয়। এটা অনেকটা টানাচৌরি চালির মতন যেমনটা কিনা সাবর্ণ রায় চৌধুরীর বাড়িতে দেখা যায়। মঠচৌরি চালি যে তিনটি অর্ধচন্দ্রাকার চালা থাকে সেটা টানাচৌরি চালিতে থাকে না।এঁদের পুজো হয় ‘কালিকাপুরাণ’ পুঁথিমতে ‘নবম্যাদিকল্প’ অনুযায়ী, অর্থাৎ, ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের নবমী তিথি থেকে আরম্ভ হয় বোধন, ষষ্ঠীতে অধিবাস। দুর্গাপূজার সময় সপ্তমী থেকে দশমী পর্যন্ত ভোর চারটে থেকে মঙ্গল আরতি হয়। পূজার ভোগে ফল এবং বাড়িতে তৈরি মিষ্টি দেওয়া হয়। চতুর্থী থেকে বাড়িতে ভিয়েন বসিয়ে নাড়ু এবং দরবেশ তৈরি করা হয়। ঠাকুরের চাঁদমালা এবং অস্ত্র সবই রুপোর তৈরি। বিসর্জনের দিন দুর্গাঠাকুর কে আগে সিদ্ধেশ্বরী কালীমন্দির নিয়ে যাওয়া হয়। তারপর গোটা পাড়া প্রদক্ষিণ করার পর ঠাকুর ভাসান হয়। ভাসানের পর ঘট আরও সাতদিন বাড়িতে থাকে।

তারক প্রামাণিকের বাড়ির দুর্গাপূজা

১৫৪ তারক প্রামাণিক রোড

ছবি সৌজন্যে – প্রামাণিক বাড়ি

বিধান সরণীর শ্রীমানি বাজার যেখানে শেষ হচ্ছে তার পাশ থেকেই শুরু হচ্ছে তারক প্রামাণিক রোড। একটু এগোলেই রাস্তার বাঁ দিকে তারক প্রামাণিকের সুবিশাল বাড়ি। এই বাড়িতে তিন খিলানের ঠাকুরদালানে দুর্গাপূজা হয় । ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথম দিকে এই বাড়ি তৈরি করেছিলেন কাঁসা-পিতলের ব্যবসায়ী গুরুচরণ প্রামাণিক। গুরুচরণের আদি বাড়ি ছিল হুগলী জেলার সাহাগঞ্জে। তাঁর পুত্র তারক প্রামাণিক ১৮১৫ খ্রিস্টাব্দে জন্মানোর পরের বছর থেকে গুরুচরণ এবাড়িতে দুর্গাপূজা শুরু করেন।তারক প্রামাণিক পৈতৃক ব্যবসাতে অনেক উন্নতি করেন। তখনকার দিনে কাঠের জাহাজের তলদেশে পিতল ও তামার চাদর লাগানো হত। তারক প্রামাণিক পিতল ও তামার চাদর বিদেশে রফতানি করতেন।তাঁর নিজস্ব দুটি জাহাজও ছিল।এছাড়া তিনি হাওড়ার সালকিয়াতে ক্যালিডোনিয়া নামে একটি ডক প্রতিষ্ঠা করেন, যা কিনা কোনও বাঙ্গালীর তৈরি প্রথম ডক। তারক প্রামাণিকের কাঠের ব্যবসাও ছিল।তখনকার দিনে রেল লাইনের কাঠের স্লিপার তৈরি করতে তারক প্রামাণিকের ব্যবসা ছিল একচেটিয়া।

সাধারনতঃ সাবেকি ঠাকুরদালানের খিলানের উপর স্টাকোর অলংকরণ দেখা যায়। এদিক দিয়ে এবাড়ির ঠাকুরদালান একটু ভিন্ন কারণ, এখানে বাইরের দিকে আধুনিক অলংকরণ দেখা যায়। প্রামাণিক বাড়ির দুর্গাঠাকুরের বৈশিষ্ট হলো যে এখানে লক্ষ্মী ও সরস্বতীর বাহন পেঁচা ও হাঁস থাকে না। এছাড়া মহিষের কাটা মুন্ডুটিও অনুপস্থিত।

মহালয়ার পরে আশ্বিনের শুক্লা-প্রতিপদ তিথি থেকে এখানে দুর্গার বোধন আরম্ভ হয়। নবপত্রিকার স্নান বাড়িতেই হয়, তবে এবাড়িতে অনেক পুণ্যতীর্থের জল সংগ্রহ করে রাখা আছে। সপ্তমীর দিন সকালে সেই সমস্ত জল দিয়ে মহাস্নান হয়।

ছবি সৌজন্যে – প্রামাণিক বাড়ি

বাকুলিয়া হাউসের দুর্গাপূজা

২ বিশুবাবু রোড, ওয়াটগঞ্জ

ছবি সৌজন্যে – জয়দীপ মুখার্জ্জি

খিদিরপুরের কৃষ্ণ চন্দ্র মোদকের মিষ্টির দোকানের পাশের রাস্তা রমানাথ পাল রোড ধরে সোজা চারশ মিটার মত হাঁটলেই বাঁ দিকে বিশু বাবু লেন।এখানেই এক বৃহৎ অট্টালিকা রয়েছে যার নাম বাকুলিয়া হাউস। এই বাড়ি তৈরী করেন বিশ্বেশ্বর মুখোপাধ্যায়। ইনি হুগলী জেলার বাকুলিয়া গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। বিশ্বেশ্বর ও তাঁর বড় ভাই হুগলী কলেজে ভর্তি হন। পড়া শেষ করে বিশ্বেশ্বর হুগলি কালেক্টরীতে মাসিক ২৩ টাকা বেতনে চাকরি করা শুরু করেন। এরপর হুগলী জেলার ইলছোৱা মন্ডলাই গ্রামের জমিদার শিবচন্দ্র চট্টপাধ্যায়ের বড় মেয়ের সাথে বিশ্বেশ্বর মুখোপাধ্যায়ের বিবাহ হয়। শিবচন্দ্র তাঁর ভাগ্নে গঙ্গাধর বন্দোপাধ্যায় এবং জামাই বিশ্বেশ্বর মুখোপাধ্যায়ের সাথে ১৮৪০ সালে গঙ্গাধর ব্যানার্জি এন্ড কোম্পানি নামক একটি ফার্মের স্থাপনা করেন। এঁরা গভর্নমেন্টের অর্ডিন্যান্স ফ্যাক্টরির অর্ডিন্যান্স বিভাগের কন্ট্রাক্টর ছিলেন। কন্ট্রাক্টরির কারবার থেকে বিশ্বেশ্বর মুখোপাধ্যায় প্রচুর অর্থ উপার্জন করার পর তিনি বাকুলিয়াতে বড় বাড়ির সাথে বাগান বাড়িও প্রস্তুত করেন। এছাড়া তিনি হুগলী ও বর্ধমানের নানা জায়গায় জমিদারি অধিগ্রহণ করেন। এর পরেই তিনি খিদিরপুর অঞ্চলে প্রাসাদোপম বাড়ি তৈরী করেন, যার নাম দেন ‘বাকুলিয়া হাউস’। বাকুলিয়া গ্রামের বাড়ি ও অন্যান্য সম্পত্তি তিনি জ্যেষ্ঠ ভ্রাতাকে দানপত্র করে লিখে দেন।

এই পরিবারের দূর্গা পূজা প্রথমে বাকুলিয়া গ্রামেই অনুষ্ঠিত হতো। বিশ্বেশ্বর মুখোপাধ্যায়ের পরিবার খিদিরপুর থেকে নৌকো করে বাকুলিয়া যেতেন। নৌকো থেকে নেমে অনেকটা পায়ে হেঁটে যেতে হত। বিশ্বেশ্বর মুখোপাধ্যায়ের তিন ছেলে ছিল – অখিলচন্দ্র, খেলাতচন্দ্র আর শরৎচন্দ্র । কনিষ্ঠ পুত্র জন্মাবার সময় আসন্নপ্রসবা স্ত্রীকে নিয়ে বিশ্বেশ্বর বাকুলিয়া গ্রামে দুর্গাপূজার সময়ে গিয়ে একটু অসুবিধের মধ্যে পড়েছিলেন। অতি কষ্টে ডুলি জোগাড় করে স্ত্রীকে নিয়ে গ্রামে পৌঁছান ।

বাকুলিয়া হাউসের বর্তমান প্রজন্মের প্রবীণতম সদস্য প্রদীপ মুখার্জী আমায় জানালেন যে আসন্নপ্রসবা স্ত্রীকে নিয়ে দুর্গাপূজার সময় বাকুলিয়া গ্রামে যাওয়ার জন্য বিশ্বেশ্বরের প্রতি তাঁর বড় ভাই উষ্মা প্রকাশ করেন। হয়ত সেটা একটু কড়া ভাষায় হয়ে গিয়ে থাকবে। বিশ্বেশ্বর মুখোপাধ্যায় ঠিক করেন পরের বছর থেকে তিনি খিদিরপুরে বাকুলিয়া হাউসে দুর্গাপূজা শুরু করবেন। তাই তিনি তাঁর বাড়ি সংলগ্ন একটি পুজো বাড়ির নির্মাণ করেন।”বংশ পরিচয়” গ্রন্থ অনুসারে বাকুলিয়া হাউসে দুর্গাপূজা শুরু হয় ১২৬৭ বঙ্গাব্দে অর্থাৎ ১৮৬০ খ্রিষ্টাব্দে। কিন্তু প্রদীপ মুখার্জী দাবি করেন তাঁদের বাড়িতে দুর্গাপূজা শুরু হয় ১৮৫২ খ্রিষ্টাব্দে।

প্রদীপ মুখার্জীর কাছ থেকে জানতে পারা যায় যে বিশ্বেশ্বর মুখোপাধ্যায় সংসার ছেড়ে কাশী নিবাসী হয়ে যান এবং সেখানেই ৪৮ বছর বয়সে মারা যান। তাঁর বড় ছেলে অখিলচন্দ্র তখন সংসার ও ব্যবসা দুয়ের দায়িত্ব নেন । তিনিও ৪৮ বছর বয়সে সিমলাতে মারা যান। ঠিক পুজোর আগে মারা গেছেন। পুজো হবে কিনা সে নিয়ে সংশয় ছিল। কিন্তু অখিলচন্দ্রের ছোট ভাই শরৎচন্দ্র কুমোরটুলি থেকে চতুর্থীর দিন দুর্গামূর্তি এনে ঘোষণা করেন যে পুজো বন্ধ হবে না। সেই থেকে দুর্গাপুজো এ বাড়িতে হয়ে আসছে এবং বর্তমান প্রজন্ম নিষ্ঠা সহকারে দুর্গাপুজো করে থাকেন।মুখোপাধ্যায় পরিবারে দুর্গাপুজো সংক্রান্ত একটি প্রাচীন পুঁথি ছিল , যেটি জীর্ন হয়ে পড়ায় প্রদীপবাবু সেটিকে আবার নতুন করে লেখেন। বাকুলিয়া হাউসে দূর্গাপূজা খুব কড়া ভাবে নিয়ম মেনে পালন করা হয়। স্থান পরিবর্তন হয়নি এবং জায়গা ভাগ হয়নি।
পঞ্চমীর দিন থেকে এই বাড়িতে ভিয়েন বসিয়ে মিষ্টি তৈরী শুরু হয়ে যায়।
নবপত্রিকা স্নান বাড়িতেই হয়। সন্ধিপুজোয় একশো আট প্রদীপ জ্বালাবার সাথে সাথে একশো আট পদ্ম ফুল দেওয়া হয়। ভাসানের সময় ঠাকুর লোহার ঠেলা করে নিয়ে যাওয়া হয়।

পাল বাড়ির দুর্গাপূজা

ছবি সৌজন্যে – পাল বাড়ি

৫২/বি বন্ডেল রোড

বালিগঞ্জ ফাঁড়ির ধাবার উল্টোদিকে বন্ডেল রোড ধরে সোজা গেলে ডান দিকে দেজ মেডিক্যাল ফ্যাক্টরির গেট পড়বে। তার উল্টোদিকেই রয়েছে সুবিশাল পালবাড়ী। এবাড়ির দূর্গাপুজো ১৫০ ববছরের পুরানো। এই পরিবারের গৌতম কুমার পাল জানালেন যে তাঁর ঠাকুর্দা হরিপ্রিয় পাল ছিলেন সোনার ব্যবসায়ী। এছাড়া তাঁর জমিজমার ব্যবসা ছিল। হরিপ্রিয় পাল এখানে ছয় কাঠা জমির উপর বাড়ি তৈরি করে দূর্গাপূজা শুরু করেন। পালবাড়ীর তিন খিলান যুক্ত লাল রঙের অলংকৃত দূর্গা দালানটি মূল বাড়ির থেকে আলাদা।

পালবাড়ির দুর্গামূর্তি একচালার ঠাকুর। এখানে বৃহৎ নান্দীকেশর পুরাণ মতে দুর্গাপূজা হয়।এঁদের নবপত্রিকার স্নান বাড়িতেই হয়। সন্ধি পূজার সময় সোনার থালায় ১০৮ রুপোর প্রদীপ জ্বালানো হয়। পাল বাড়িতে অন্নভোগ হয় না, লুচি ও আনুসাঙ্গিক খাবার ভোগ দেওয়া হয়।

ছবি সৌজন্যে – পাল বাড়ি

লোকনাথ ভবনের দুর্গাপূজা

৪ই, মতিলাল নেহেরু রোড

ছবি সৌজন্যে – লোকনাথ ভবন

দক্ষিণ কলকাতায় অবস্থিত প্রিয়া সিনেমা আর দেশপ্রিয় পার্কের মাঝের গলিতে একটু এগোলেই লাল রঙের চারতলা যে বাড়িটি রয়েছে সেটিই লোকনাথ ভবন। বাড়ির সামনে গাড়িবারান্দা রয়েছে লোকনাথ ভবনের দুর্গাপূজা শুরু করেন এই বংশের জওহরলাল চ্যাটার্জী। ওনার স্ত্রী ঝুমা চ্যাটার্জী জানালেন যে এই দুর্গাপুজো আগে মধ্যমগ্রামের বাদুতে দীর্ঘকাল ধরে হয়ে আসছিল। ১৯২৯ সালে জওহরলাল চ্যাটার্জীর ঠাকুর্দা মাধব চন্দ্র চ্যাটার্জী মারা যান । তিনি ছিলেন বিখ্যাত ডাক্তার , বিধান চন্দ্র রায়ের সমসাময়িক। তারপর তাঁর ছেলেরা আর পুজো শুরু করেননি। লোকনাথ ভবনের বাড়িটি প্রায় আশি বছরের। দীর্ঘ দিন পুজো বন্ধ থাকার পর জওহরলাল চ্যাটার্জী ১৯৮০ সাল থেকে এ বাড়িতে আবার পুজো শুরু করেন । বাড়িটি যেহেতু আধুনিক ধাঁচের তৈরী তাই সাবেকি ঠাকুরদালান নেই। প্রবেশ পথের লম্বা করিডোরের শেষে দূর্গা ঠাকুর বসানো হয়। এ বাড়ির পুজোর বৈশিষ্ট্য হচ্ছে যে এখানে ঠাকুরের সামনে দুটি পূর্ন আকারের কলা গাছ রাখা হয়। এছাড়া নবপত্রিকা গঙ্গায় স্নান করিয়ে আনার পর আরেক দফা স্নান করানো হয়। সন্ধিপুজোর সময় ১০৮ প্রদীপ জ্বালিয়ে দেবীর আরাধনা হয়। লোকনাথ ভবনের বোধন হয় পঞ্চমীর দিন সন্ধেবেলা। এ বাড়ির আরেকটি বৈশিষ্ট হলো এখানে পুজোর চারদিনই তিনশো লোক পূজোর ভোগ খেতে আসেন। ঝুমা চ্যাটার্জী জানালেন তিনি এত লোকের ভোগের রান্না একলা হাতেই রান্না করেন। হয়ত পুজোর সময় মায়ের আশীর্বাদেই তিনি এটা করতে পারেন।

অমিতাভ গুপ্ত
ছিলেন নামী কোম্পানির দামী ব্র্যান্ড ম্যানেজার | নিশ্চিত চাকরির নিরাপত্তা ছেড়ে পথের টানেই একদিন বেরিয়ে পড়া | এখন ফুলটাইম ট্র্যাভেল ফোটোগ্রাফার ও ট্র্যাভেল রাইটার আর পার্টটাইম ব্র্য্যান্ড কনসাল্টেন্ট | পেশার সঙ্গে মিশিয়ে নিয়েছেন নেশাকেও | নিয়মিত বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রকাশ হয় বেড়ানোর ছবি এবং রাইট আপ |

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here