ত্বকের সৌন্দর্যের জন্য ফ্রুট ফেসপ্যাক

সুন্দর স্বাস্থোজ্জ্বল ত্বক কে না চায় ? কিন্তু বাজারচলতি কেমিকাল ফেসপ্যাক ব্যবহার করতে করতে ত্বকের স্বাভাবিক জেল্লা কেমন যেন ফ্যাকাশে হয়ে আসে | কারণ যেকোনও কেমিকাল প্রডাক্টেরই কিছু না কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থাকে | তাই ত্বকের স্বাভাবিক জেল্লা বজায় রাখতে জুড়ি নেই ফ্রুট ফেসপ্যাকের | এর কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই, উপরন্তু ত্বকের ঔজ্জ্বল্য বাড়াতেও সাহায্য করবে এই ফ্রুট ফেসপ্যাক | আসুন জেনে নেওয়া যাক কয়েকটি কার্যকরী ফ্রুট ফেসপ্যাকের কথা |

১| ৩ টে কাটা স্ট্রবেরির সঙ্গে ২ চামচ মধু ভাল করে মিশিয়ে নিয়ে মিশ্রণটিকে মুখে লাগান। তারপর সার্কুলার মোশনে ম্যাসেজ করুন | ২০ মিনিট প্যাকটি লাগিয়ে রেখে শুকিয়ে গেলে সামান্য উষ্ণ জল দিয়ে ধুয়ে নিন | স্ট্রবেরি তৈলাক্ত ত্বকের জন্য খুবই উপকারী | মধু শুষ্ক ত্বকে ময়েশ্চারাইজার হিসেবে কাজ করে |

২| ২ চামচ দই, ১ চামচ গোলাপজল ভালভাবে ফেটিয়ে নিয়ে মুখে লাগিয়ে সার্কুলার মোশনে হালকা করে মাসাজ করে ৩০ মিনিট রেখে দিন | তারপরে ঠান্ডা জল দিয়ে ধুয়ে নিন | দইয়ের ল্যাকটিক অ্যাসিড এক্সফলিয়েট করতে সাহায্য করে, ত্বককে করে উজ্জ্বল |

৩| কমলালেবুর রস, স্ট্রবেরি ও অল্প হলুদ গুঁড়ো একসাথে মিশিয়ে নিয়ে মিশ্রণটি মুখে লাগান | ভিটামিন সি সমৃদ্ধ এই প্যাকটি লাগালে ত্বকের তৈলাক্ত ভাব কমবে | শুকিয়ে গেলে জল দিয়ে ধুয়ে নিন। সপ্তাহে দু’দিন এই প্যাকটি ব্যবহার করতে পারেন |

৪| একটি পাত্রে ২ চামচ খাঁটি দুধের ক্রিম নিয়ে ৫-৬ টি কেশর তাতে ১০ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন | ক্রিমের রঙ কমলা হয়ে এলে তাতে মিশিয়ে নিন ১টি বা দেড়টি আপেলের পিউরি | ৩০ মিনিট এই মিশ্রণটি মুখে লাগিয়ে রেখে ঠান্ড জল দিয়ে ধুয়ে নিন | ত্বক হবে ঝলমলে |

৫| কয়েকটি ছোট টুকরো পেঁপে ও কলা একটি পাত্রে নিয়ে ভাল করে চটকে মিশিয়ে নিতে হবে | এর সঙ্গে মেশাতে হবে ২ চামচ মধু | মিশ্রণটিকে মুখে লাগিয়ে মিনিট ১৫ প্যাকটি রেখে জল দিয়ে ধুয়ে নিন | পেঁপে, কলা ও মধুর মধ্যে রয়েছে প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার যা ত্বকে লাবণ্য এনে দেয় |

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

কফি হাউসের আড্ডায় গানের চর্চা discussing music over coffee at coffee house

যদি বলো গান

ডোভার লেন মিউজিক কনফারেন্স-এ সারা রাত ক্লাসিক্যাল বাজনা বা গান শোনা ছিল শিক্ষিত ও রুচিমানের অভিজ্ঞান। বাড়িতে আনকোরা কেউ এলে দু-চার জন ওস্তাদজির নাম করে ফেলতে পারলে, অন্য পক্ষের চোখে অপার সম্ভ্রম। শিক্ষিত হওয়ার একটা লক্ষণ ছিল ক্লাসিক্যাল সংগীতের সঙ্গে একটা বন্ধুতা পাতানো।