বাচ্চার কৃমির সমস্যা দূর করতে মেনে চলুন এই ঘরোয়া পদ্ধতিগুলি!

754

বাচ্চাদের বাকি সমস্যাগুলোর মধ্যে কৃমির সমস্যা অন্যতম জটিল সমস্যা। গ্যাস্ট্রোইন্টেস্টাইনাল নালীর মধ্যে বসবাসকারী পরজীবীই হল কৃমি। এরা প্রাথমিকভাবে অন্ত্রের প্রাচীরে থাকে। খাদ্য এবং অপরিশ্রুত জলের মাধ্যমে কৃমি শরীরে প্রবেশ করে। কৃমি দূর করার জন্য সাধারণত আমরা বাচ্চাদের ওষুধ দিয়ে থাকি। তবে ঘরোয়া কিছু উপায়ে এই সমস্যা থেকে মুক্তি লাভ করা সম্ভব। একটু সচেতন হলে ঘরোয়া উপায়েই কৃমি দূর করা সম্ভব। তাহলে জেনে নিন প্রাকৃতিকভাবে কৃমি দূর করার কিছু উপায়।

# বাচ্চাদের কৃমির সমস্যা থাকলে প্রতিদিন দুটি করে লবঙ্গ খেতে দিন। এর অ্যান্টি মাইক্রোবিয়াল উপাদান পেটের কৃমি নাশ করে সহজেই।

# কৃমি দূর করতে সাহায্য করে রসুন। প্রতিদিন সকালে দুই থেকে তিন কোয়া রসুন অথবা  হাফ কাপ জলে দু’টি রসুনের কোয়া দিয়ে সেদ্ধ করে এক সপ্তাহ নিয়মিত আপনার সন্তানকে খেতে দিন, কৃমি সমস্যা দূর হয়ে যাবে।

# দুই টেবিল চামচ মিষ্টি কুমড়োর বীজের গুঁড়ো তিন কাপ জলে আধ ঘণ্টা সিদ্ধ করুন। এরপর প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এই কুমড়োর বীজের পাঁচন এক সপ্তাহ খেলে দূর হয়ে যাবে কৃমি সমস্যা।

# আনারসের ব্রোমেলিন এনজাইম কৃমিকে ধ্বংস করতে সাহায্য করে। নিয়মিত কয়েক দিন আনারস খাওয়ান সন্তানকে। কৃমির সমস্যার কমে যাবে।

# বাচ্চার সর্দি না থাকলে এক চা চামচ কাঁচা হলুদের রসের সঙ্গে এক চিমটি লবণ মিশিয়ে নিন। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এই রস খেতে দিন। পাঁচ দিনের মধ্যে উপকার পাবেন।

# দুই আউন্স অ্যাপেল সাইডার ভিনিগারের মধ্যে আট আউন্স কাঁচা পেঁপের রস মিশিয়ে রাখুন। এটা টানা চার দিন খেলে কৃমি সমস্যা কমে যাবে।

# কৃমি সমস্যা দূর করতে নারকেল বেশ কার্যকরী। প্রতিদিন সকালে বাচ্চাকে এক টেবিল চামচ নারিকেল কুঁচি খেতে দিন। তিন ঘণ্টা পর এক গ্লাস গরম দুধের সঙ্গে দুই টেবিল চামচ ক্যাস্টর অয়েল মিশিয়ে খেতে দিন। এই পদ্ধতিতে খুব দ্রুত কৃমির সমস্যা থেকে মুক্তি পাবে আপনার সন্তান।

Advertisements

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.