বাংলা সাহিত্যে ডিম : কুসুমে কুসুমে চরণ চিহ্ন

870

একটা খাবার, যা ভোরের সূর্যোদয়ের মতো ব্রেকফাস্ট মানে ছোট হাজরিতে হাজির,আবার দুপুরে ভাতের পাতে, বিকেলে চায়ের সঙ্গে রকমারি স্ন্যাক্স, নিদেনপক্ষে চিরকেলে ডিমভাজা অবতারে, আবার রাতে রুটির সঙ্গেও দিব্যি সমান গরিমায়। শিশুর পুষ্টি, রুগীর পথ্য, শীতের পিকনিকে পাউরুটি,কলা, মোয়ার যোগ্য সঙ্গতে, দূরপাল্লার ট্রেনের টিফিনবাক্সে , জিমজমাট বাঙালির ক্যালরি কাতরতায় কিংবা খিদের মুখে চটজলদি সেদ্ধ ভাতের একান্ত সহায় হিসেবে, অথবা অসময়ে অতিথি সমাগমে এককথায় রণে বনে জলে জঙ্গলে ত্রাতার ভূমিকায় ডিম। সত্যিই সানডে হো ইয়া মানডে, রোজ খাও আন্ডে। ডিম বাঙালির হেঁসেলের রাহুল দ্রাবিড়, মি. ডিপেন্ডেবল শিশুর পুষ্টি নিয়ে বাতিক গ্রস্ত মাকে যেমন রোজ সকালে দুধে কাঁচা ডিম গুলে খাওয়াতে দেখেছি, তেমনি মামাবাড়িতে লক্ষ্মীপুজোয় নিয়ম করে দাদাদিদিরা বাইরে লুকিয়ে ডিমসেদ্ধ খাওয়ার সময় আমি দেখে ফেলায় এক আধ টুকরো ভাগ পেয়েছি। সে হিসেবে বলা যায় ডিমই আমার জীবনের প্রথম ঘুষ। আবার জীবনে রান্নাঘরের মুখ না দেখা কেউ কেউ সরস্বতী পুজোয় খিচুড়ির সঙ্গে নিজের জন্যে টুক করে একটা অমলেট বানিয়ে নেন, এমন ঘটনাও আছে।

অথচ একটা সময় ছিল, যখন ডিম বাঙালির হেঁসেলে ঠাঁই পায়নি। বাথরুমের তাকে রাখা স্পিরিট স্টোভ, কিংবা সিঁড়ির নিচের হিটারে লুকিয়ে, ছোঁয়াচ বাঁচিয়ে সিদ্ধ বা ভাজা করা সেই নিষিদ্ধ ডিমের স্বাদ নিশ্চয় অন্যরকম ছিল। শুধু যে রামপাখি বা তার ডিম খাওয়া মানা বলে এই লুকোচুরি তা না। একান্নবর্তী সংসারে, একটু বাড়তি পুষ্টি পেতে অনেকেই লুকিয়ে চুরিয়ে নিজের ঘরের মধ্যে লুকিয়ে ডিম খেতেন । এরকম একটি অবিস্মরণীয় মুহূর্ত ধরা আছে তপন সিনহার ‘গল্প হলেও সত্যি’ তে, যেখানে বাড়ির অবিবাহিত শিল্পী ছোট ভাই, মৃত মেজদাদার মেয়েকে দিয়ে ডিম সেদ্ধ করিয়ে লুকিয়ে খাচ্ছেন, পরে যা নিয়ে কথা শোনাতে ছাড়েননি তার দাদারা। সত্যিই পাঁচজনের সংসারে একজনের আলাদা করে ডিম খাওয়া চোখ টাটানোর ব্যাপার বৈকি।

ডিম, বিশেষত মুরগির ডিম তো হেঁসেলে উঠতই না, তা বাইরে খেয়ে এলেও সে ছিল খুব নিন্দের ব্যাপার। তা ধরা আছে শরৎকুমারী চৌধুরানীর রচনায়।

গণেশসকালে চা খাইদুএকখানা টোস্ট রুটি আর ডিম মধ্যে মধ্যে খাই।

.. বিজয়বুঝেছ পিসিমা, দাদা মুরগির ডিম খান, তা বুঝেছ?

দিদিউঃ হুঃ হুঃ ছিঃ ছিঃ! একেবারে যে মোছলমানের ব্যাটা, মাগো তোরা হলি কি! জাত জন্ম আর রইল না! বিজয়, রুটিওলা বামনকে বলিসরোজ একখানা করে রুটি দেবে, আর হাঁসের ডিম এনে দিতে সরকারকে বলে দেব এখন।

দিদিতবে সকালে ঐ ডিমগুলো খায় কেন?

আমিআগে ওসব খেত না। একজন নূতন ব্যারিস্টার বিলেত থেকে এসেছে, তার বাসা আমাদের বাসার কাছে। আমার ছেলের অনেক পাঞ্জাবীর সঙ্গে ভাবসাব আছে, তার মক্কেল টক্কেল জুটিয়ে দেয়, রোজ সেইখানে চা খেতে যায়, কোন দিন খানা টানা খায়, এই তার সঙ্গে মিশে হালে খেতে

শিখেছে। ’

(শুভবিবাহ,শরৎকুমারী চৌধুরানী)

আর প্রথম ডিম খাবার অভিজ্ঞতা? বিশেষ করে যেসব বাড়িতে ডিম মাংস পেঁয়াজ রসুন ঢুকত না তেমন বাড়ির মেয়ের কাছে? সেই মেয়ে একবার গেছে এক আত্মীয় বাড়ি আটকৌড়ের নেমন্তন্ন খেতে। উল্টো কুলোয় ধাঁই ধপাধপ লাঠি পিটে ছোট ছোট চুপড়িতে আটভাজা বাতাসা লাভ হল। বাড়ির গিন্নি এরপর রাতের খাওয়ায় বসিয়ে দিলেন ছোটদের আর সেখানেই মেয়েটি কলম্বাসের মতো আবিস্কার করল ডিম। সে অভিজ্ঞতা জানা যাক বাণী বসুর কলমেই।

লুচি আর হাঁসের ডিমের ডালনা। আর কিছু ছিল হয়তো অনুপান, মনে নেই, বড় বড় হাঁসের ডিমের গ্ল্যামারে সব ঢাকা পড়ে গেছে। সে মেয়ে হাঁসের ডিম গোটা দেখেছে বই কি। তার একটা শক্ত বাইরের খোলা থাকে তাও জানে। কিন্তু জানে না ডিমটা খোলাসুদ্ধ রান্না করে না খোলা ছাড়িয়ে। সামনে খাবার নিয়ে বসে থাকি, ডিমে কামড় বসিয়ে বোকা বনে যাব না তো! ভালো করে হাত বুলিয়ে অবশেষে জয় মা বলে এক ছোট্ট কামড়। আহা, আপনারা যারা ডিম ভালবাসেন তাঁরা নিজেদের নিজেদের প্রথম ডিম খাওয়ার স্মৃতি মনে করুন। জিভে স্বাদ আসতে না আসতেই বাচ্চাদের বাধ্যতামূলক ডিম ভক্ষণ শুরু হওয়ার আগের যুগে ডিমের চমৎকারিত্ব এমনিই ছিল। ভাত ডাল মাছ এসব খাদ্যের থেকে এক্কেবারে অন্যরকম একটা স্বাদ নয়? যেন ভিন দেশের অচিন খাবার, অপূর্ব তো বটেই, রোম্যান্টিক!

আস্তে আস্তে বৈষ্ণব বাড়িতে ডিম ঢুকল, কী করে কী যুক্তিতে মনে নেই। কিন্তু যে দিনই ডিম রান্না হত কলঘরে আমাতে ভাইতে একটা ছোট্ট ডায়লগ হতমুখ ধুয়েছিস?

কাঁচুমাচু মুখে অন্যজনন না। তুই?

উঁহু।

তারপর দুজনের মুখে চোরের হাসি।’

(স্মৃতির স্বাদ, বাণী বসু)

তবে ডিম ঢুকলেও খেয়াল করতে হবে সে ছিল হাঁসের ডিম

হাঁসের ডিমের বড়া করলেন পিসি, ডিমের সঙ্গে একটু চালের গুঁড়ো আর কাঁচালংকা কুঁচো দিয়ে। কী ভালো খেতে।’ (লীলা মজুমদার)

মেয়ে দেখিয়া আটটা চব্বিশের গাড়িতে যদি রওনা হইতে পারিতেন, তবে রাত্রি পউনে দশটায় কলিকাতায় পৌছিয়া গরম গরম লুচি, ঘন বুটের দাল, সদ্য ভর্জিত রোহিত মৎস, হংসডিম্বের কালিয়া প্রভৃতি ভক্ষণান্তে নিরাপদে লেপমুড়ি দিয়া শ্য়ন করিতেন কিন্তু বিধিলিপি কে খণ্ডাইতে পারে?’

(প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়)

আঁশ হেঁসেলে প্রায় এইরূপ রান্না হইত। মুগ, খাঁড়ী মসূরহ্য় পেঁয়াজ দিয়া, না হয় টক দিয়া ও কখনো মাষকলাইয়ের ডাল; ইহা ছাড়া মাছের ঝোল, হাঁসের ডিম সিদ্ধ বা ভাজা বা ডালনা, লাউকাঁকড়া বা লাউচিংড়ী, আলুপ্টল ভাজা, মাছভাজা, মাছের অম্বল, কখন চিংড়ী মাছ দিয়া পুঁইশাক চচ্চড়ি, কুমড়ো চিংড়ী এইসব অদলবদল করিয়া হইত।

(শরৎকুমারী চৌধুরানীর রচনাবলী)

তারপর একদিকে যেমন বড় পরিবার ভেঙে অণু পরমাণু হল, তেমনি উঠে গেল ডিম খাওয়া নিয়ে কড়াকড়ি, তখন বোধহয় ঘোড়ার ডিম ছাড়া আর কোন ডিমই অভক্ষ্য রইল না। আর ডিমেরই বা কত রকমসেদ্ধ, হাফ বয়েল, অমলেট বা মামলেট, বড়া, ফ্রেঞ্চ টোস্ট। এই মামলেট বস্তুটি কী তা নিয়ে কৌতূহলী কেতকী কুশারীও। ‘অমলেটকে অনেকে বলতো মামলেট। আমাদের মাও মামলেট বলতেন। বাঙ্গালদের ভাষা কিনা কে জানে। বুদ্ধদেব বসু তাঁর ‘আমার যৌবন’এ ঢাকার ছাত্রজীবনের স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে ক্যাম্পাসের ‘আদিত্যের দোকান’এর উল্লেখ করেছেন। সেখানে হাঁসের ডিমের মামলেট পাওয়া যেত(পৃ ১১)। অমলেট কী প্রণালীতে মামলেট হল তা জানতে ইচ্ছে করে, তবে রক্ষে এই যে অভিধান মামলেটকে স্বীকার অন্তত করে।’

(তিসিডোর, কেতকী কুশারী ডাইসন)

আর পোচ? কখন তেল পোচ, কখন জলপোচ, শুধু তো স্বাস্থ্য সচেতনতা নয়,পোচের মধ্যে বেশ একটা ক্লাসি ব্যাপার আছে।

মানিক চেয়ারের ওপর বসল। জ্য়ন্ত আগে চেঁচিয়ে বেয়ারাকে ডেকে দুজনের জন্যে চা, টোস্ট আর এগপোচ আনবার হুকুম দিলে, তারপর এসে মানিকের সামনে আসন গ্রহণ করলে (হেমেন্দ্রকুমার রায়)

আর ডিম খাওয়ার এই বিবর্তনের নিখুঁত ছবি ধরা আছে বাংলা সাহিত্যে, স্মৃতিকথা, রম্যরচনা বা ব্যক্তিগত গদ্যে। ডিমের পদের যত বৈচিত্র্য, সাহিত্যে তাদের প্রসঙ্গও তত বিচিত্র এবং বর্ণময়।

ব্রেকফাস্টে ডিম খাওয়া ক্রমে হয়ে উঠল শহুরে বাঙালির অভিজ্ঞান, তার সামাজিক মর্যাদার প্রতীক।

তিল, তিতু আর আমি সাধারণত সকালে মুরগির ডিমের হাফ বয়েল খেতাম। ডিমগুলোকে অ্যালুমিনিয়ামের বাটিতে শুইয়ে ফুটন্ত জল ঢেলে ঢাকনা দিয়ে কিছুক্ষণ ঢেকে রাখলেই হাফবয়েল হয়ে যেত। সাদা অংশটা একটু সেট হত, কুসুমটা নরমই থাকত। হাঁসের ডিম কক্ষনো এভাবে খাওয়া হত না। অর্থাৎ মানুষ জানত যে হাঁসের ডিম পুরোপুরি রান্না না হলে তা থেকে বিপদের সম্ভাবনা আছে। পরে জেনেছি সেই বিপদের নাম স্যালমোনেলা।’ (তিসিডোর, কেতকী কুশারী ডাইসন)

মৌলিনাথ তার সকালের খাবারের ট্রেতে ডিমের অনুপস্থিতি লক্ষ্য করে বলে ‘ডিম নেই মা?’ মা বলেন ‘না, ডিমওলা কাল আসেনি তো’ মৌলি কবুল করে ‘সকালে ডিম ছাড়া কিছু ভালো লাগে না’….

ডিমের ডিটেলটা যে ফ্যালনা মনগড়া জিনিস নয়, তার যে প্রকৃত সামাজিক মর্যাদা আছে, উপরন্তু ঐ সময়ের লেখকদের জীবনের বিশেষ পছন্দ অথবা চেয়ে না –পাওয়া থেকেই যে তার উল্লেখ সাহিত্যে উঠে আসছে, তা জেনে চমৎকৃত হতে হয়। (তিসিডোর, কেতকী কুশারী ডাইসন)

শুধু ব্রেকফাস্টে নয়, সাতস্কালে ইস্কুল যেতে হলেও ভরসা ঐ ডিম।

তখন আমাদের বাড়ীর অবিবাহিত মেয়েরা সবে মাত্র বেথুন স্কুলে পড়িতে যাইতে আরম্ভ করিয়াছে। তাহারা ৮টার সময় –হয়তো দিদিমা গঙ্গাস্নান করিয়া আসার পূর্বেই ডাল, আলুভাতে, ডিমসিদ্ধ, মাছভাজা, মাখন, কাঁচা দুধ ও মিস্টি দিয়া আহার সমাধা করিয়া কাপড়চোপড় পরিয়া সদর –দরজায় গাড়ীর অপেক্ষায় বই স্লেট হাতে করিয়া দাঁড়াইয়া আছেতাহারা ঘরের কোন কাজ করিতে অবসর পায় না।

(শরৎকুমারী চৌধুরানীর রচনাবলী)

আর হঠাৎ কেউ এসে পড়লে চায়ের সঙ্গে অবধারিত ডিমভাজা। অমিতাভ ঘোষের Shadow Lines তো শুরুই হয় ত্রিদিবকে ডিমভাজা খাওয়ানো দিয়ে। এমনকি গৃহকর্ত্রী যখন অনুভা গুপ্তর মতো ডাকসাইটে অভিনেত্রী তখনো অগতির গতি ডিমভাজা

বেনিয়াপুকুরের একটি বাড়িতে রবিদা আমাকে নিয়ে গেলেন। বসে আছিবাড়ির ভেতর থেকে এক সুশ্রী মহিলা প্লেটে করে অমলেট, চা এবং জল নিয়ে আমাদের সামনে এসে দাঁড়ালেন। তিনি আর কেউ নন, সে সময়ের বিখ্যাত অভিনেত্রী অনুভা গুপ্ত। (চেনা মুখ অচেনা ছবি/ নিমাই ঘোষ)

তবে এই শপিং মলে বাজার করা বাঙালি জানেই না, এমন একটা সময় ছিল যখন একটা গোটা ডিমও অনেকের পাতে জোটেনি। ডিমের ভাগাভাগি নিয়ে কত যে হেঁসেল রাজনীতি পরিবারে পরিবারে। ডিম ভাগ করতে দক্ষ দিদা বা ঠামিরা সুযোগ পেলে তুখোড় গণিতজ্ঞ হয়ে উঠতেন তাতে সন্দেহ কী?

মীনুর ধমকে মৃগাংক দেখল করবী নিজে আধখানা ডিম নিয়ে আস্তটা মীনুকে দিয়েছে, তাই সে ক্রুদ্ধ। এও এক সমস্যা। মীনু এবং করবীর মধ্যে দেড়খানা ডিম ভাগাভাগি করতে হবে। কীভাবে? সমাধান হয় আর আধখানা ডিম থাকলে।‘

(পরিপ্রেক্ষিত, দীপেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়)

আর ডিম ভাগ করতে করতেই শেখা হয়ে যেত অপ্টিমাম ইউটিলাইজেশনের প্রথম পাঠ

সেই সব ভাইবোন ভাশুর দেওর সার দিয়ে বসে পড়লে, কারুর পাতে একটা গোটা ডিম তো অন্যদের আধখানা ডিম। মামাদের কাছে গল্প শুনতাম, ব্য়সে বেশি বড় নয় এমন এক কাকা, তাদের পাত থেকে ছোঁমেরে তুলে নিতেন ডিম। বলতেন, বুঝিস না, আমার ডিমটা লাগে, শরীরটা বাড়ছে না? বাড়ন্ত গড়ন। পুরো টেনিদার গল্প।

সত্যিই তো ডিম কম পড়ত সংসারে। তাই তো, দিদার ঐ সুতো দিয়ে কেটেকুটে মাঝে মাঝেই ডিমসেদ্ধ ভাগ বাঁটোয়ারা। তার পরের স্টেজে ডিমকটা দিয়ে অমলেট করে সেই অমলেটই কেটে কেটে ঝোলে ফেলে দেওয়া। পাতলা বা গরগরে পেঁয়াজ রসুনের ঝোল, তার মধ্যে ভাসমান অমলেটের টুকরোআহা। এর পরের স্টেজের , আরো যখন টানাটানি, তখন তো ডিম ফেটিয়ে তার মধ্যে ময়দা বা ব্যসন, পেঁয়াজকুচি দিয়ে গোল গোল বড়া ভেজে ঝোলে দেওয়া।

(শ্রী শ্রী অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার, যশোধরা রায়চৌধুরী)

আর ডিম নিয়ে কেলেংকারি? মানে ডিমেংকারি? তার ডকুমেন্টেশনও বাংলা সাহিত্যের পাতায়। একবার জঙ্গলে শিকার পর্বে নেওয়া হয়েছিল ডিমের কারি আর রুটি। মাটির ভাঁড় তো সেই কারির সমস্ত তরল শুষে নিয়েছে। খাওয়ার সময় শুখনো ডিমসেদ্ধ গলায় আটকে সত্যিই কেলেংকারি! কুসুমে কুসুমে তার চরণ চিহ্ন এঁকেছেন বুদ্ধদেব গুহ!

Advertisements

1 COMMENT

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.