সাত পাক ঘুরলেই নাকি প্রেম ফিনিশ? কিছু বলি সেলেবদের গলায় যে একদম উল্টো সুর! গ্যারান্টি দিয়ে তাঁরা বলছেন, যত্নআত্তি করলে ‘ফেভিকল জোড়ি’ হওয়া নাকি বাঁয়ে হাত কা খেল। যতই ঝাপটা আসুক, টুটেগা নহি! একবার ট্রাই করবেন নাকি অজয়-কাজল, আয়ুষ্মান-তাহিরা, জন-প্রিয়া বা ইমরান-পারভীনের টিপস? প্রেম দিবসে পুরনো প্রেমে নতুন অক্সিজেন দিতে!

Banglalive-4

অজয়-কাজল দেবগন: ভাবতে পারছেন? ১৯৯৫-এর আজও অটুট এবং আগের মতোই সসি! সিক্রেট জানতে চান? অজয় বলছেন, ‘প্রেম করুন দু’জনে। বিয়ের পর সুখী থাকুন একজন। যিনি সুখী সম্পর্ক টানটান রাখার দায়িত্ব তিনিই হাসতে হাসতে বইবেন। আপনাকে মুখ ফুটে কিচ্ছু বলতেই হবে না।’ সে তো কাজলকে দেখেই মালুম হয়। মেয়ে নইশা ১৮ ছুঁইছুঁই। ছেলে যুগও বলছে, ‘ দেখো, আমি বাড়ছি মামি।’ তারপরেও বিবাহ-বার্ষিকী সেলিব্রেট করতে কর্তা-গিন্নি থাইল্যান্ড ছোটেন!

Banglalive-6

Banglalive-8

আয়ুষ্মান-তাহিরা খুরানা: তাহিরা যে আয়ুষ্মানের কতখানি সেটা সবাই যেন নতুন করে টের পেলেন তাহিরা ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার পর। তখনই আয়ুষ্মান বলেছিলেন, ‘দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব আরও গাঢ় হল যখন তাহিরা আমার ঘরনি হল। দরকারে-অদরকারে ও সারাক্ষণ আমার সঙ্গে লেপ্টে থাকে। এই উষ্ণ সান্নিধ্য আমায় খুব আরামে রাখে। তাহিরা ট্রিটমেন্টের জন্য বিদেশে। এখন ওকে যেন আরও বেশি করে ফিল করতে পারছি।’

Banglalive-9

জন-প্রিয়া আব্রাহাম: লন্ডনের ইনভেস্টমেন্ট ব্যাঙ্কার প্রিয়া র্যাচেলের সঙ্গে জনের আলাপ একজন কমন ফ্রেন্ডের মাধ্যমে। তাছাড়া, জন-বিপাশা যে জিমে যেতেন সেখানেই নাকি জিম করতেন প্রিয়াও। কিন্তু তখন তো জন বিপাশায় বুঁদ। পরে, বিপস ঘোর কাটতেই লাট খাওয়া ঘুড়ির দশা হতেই নাকি লাটাই ধরেন প্রিয়া। কৃতজ্ঞ জনের স্বীকারোক্তি, ‘প্রিয়া আমার নিরাপত্তা, আশ্রয়। সারাক্ষণ আগলায়। উদ্দাম নয়। ওর জন্য আমি এখন অনেক পরিণত। ও সত্যিই আমার জীবন-প্রিয়া।’

ইমরান-পরভীন হাসমি: টাইটেলটা ‘কিসমি’ হলে কি আরও ভালো হত? পরভীনের কাছে নাকি এসব গসিপ কোনও ব্যাপারই না। হাসতে হাসতে হ্যান্ডেল করেন সবটাই। নিজের বউ সম্পর্কে দরাজ গলায় এতবড়ো সার্টিফিকেট দিয়েছেন ইমরান, ‘আজকের দিনেই প্রপোজ কেছিলাম পরভীনকে। ২০০৬-এ বিয়ে। এক ছেলের মা হওয়ার পরেও আমাদের প্রেম জবরদস্ত। সবাই ভাবেন, পর্দায় যে রেটে নায়িকাদের চুমু খাই বাস্তবেও আমি নির্ঘাত চূড়ান্ত রোম্যান্টিক। একেবারেই ভুল ধারণা। সবাই যখন সঙ্গিনীকে নিয়ে মোমের নরম আলোয় ক্যান্ডেল লাইট ডিনার সারে আমি বউকে নিয়ে ফুচকা খেতে যাই! ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি নামলে সি-বিচ ধরে গাড়ি ছোটাই। এভাবেই তো ১৩ বছর ধরে পথ হাঁটছি! প্লিজ নজর দেবেন না কেউ।’

সইফ-করিনা আলি খান: প্রথম বিয়ের কনে প্রায় ১৪ বছরের বড়ো। দ্বিতীয় বিয়ের কনে কমসেকম ২০ বছরের ছোটো। তাতেই নাকি জমে ক্ষীর সইফিনার কিস্যা। এই রহস্য ফাঁস করেছেন মিঞা নয় বিবি, ‘৫ বছর লিভ ইন করতে করতেই দেখলাম বদলে যাচ্ছে সইফ। অনেক শান্ত, ধৈর্যবান, দায়িত্বশীল, পরিণত হচ্ছে। সম্পর্কের যত্ন নিতে শিখল। আগে কথায় কথায় মাথাগরম করত। ছেলেমানুষী করত। বিয়ের পর সেটাও কন্ট্রোল করে ফেলল! আর ওর পাল্লায় পড়ে আমি মাংসাশী হলাম। এই কেমিস্ট্রিতেই এখনও আমরা দু’জনে কুজনে।’       

আরও পড়ুন:  'দাবাং ৩'-তেও দেখা যাবে না মুন্নিকে! দায়ী ভাইজানই

NO COMMENTS