রায়বাঘিনী‚ নাকি সহচরী ? কেমন ননদিনী হবেন তিনি ? নিজেই জানিয়েছেন অম্বানিকন্যা ঈষা

রায়বাঘিনী‚ নাকি সহচরী ? কেমন ননদিনী হবেন তিনি ? নিজেই জানিয়েছেন অম্বানিকন্যা ঈষা

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

রায়বাঘিনী ননদিনী নন | তিনি হতে চলেছেন শ্লোকের সহচরী বোনের মতোই | বোঝালেন মুকেশ-নীতার মেয়ে ঈষা | আকাশ-শ্লোকের বাগদান উপলক্ষে অ্যান্তিলিয়ায় যে পার্টি দেওয়া হয় সেখানে ঈষা বলেন পার্টির থিম হচ্ছে হৃদয় | কারণ শ্লোক শুধুই বাড়ির ভাবী বধূ নন‚ নন‚ বরং তিনি তাঁদের হৃদয় | ছিলেন‚ আছেন‚ থাকবেন |

ঈষার কথায়‚ তিনি জ্ঞান হওয়া অবধি শ্লোককে দেখছেন | শ্লোক তাঁদের পরিবারেরই অংশ | এতদিনে সেই সম্পর্কে শিলমোহর পড়ল মাত্র | শ্লোকের বোন দিয়া ঈষার সহপাঠিনী  এবং বেস্ট ফ্রেন্ড | সেদিক দিয়ে শ্লোকও তাঁর বন্ধু | তাঁরা দুই বোন‚ এতদিন থাকতেন আলাদা পরিবারে‚ এ বার থাকবেন একই ছাদের নিচে | শ্লোকের আগমনে এতদিনে সম্পূর্ণ হল তাঁদের পরিবার |

বিখ্যাত হিরে ব্যবসায়ী পরিবারের মেয়ে শ্লোক | তাঁর বাবা রাসেল মেহতা বিশ্বের প্রথম সারির হিরে ব্যবসায়ীদের মধ্যে  একজন | রাসেল ও তাঁর স্ত্রী মোনার ছোট মেয়ে শ্লোক | গোয়ায় এক বিলাসবহুল রিসর্টে হয়েছে আকাশ অম্বানি-শ্লোক মেহতার এনগেজমেন্ট | 

মুকেশ ও নীতার বড় ছেলে আকাশের বয়্স ২৫ বছর | তিনি রিলায়েন্স জিও এবং রিলায়েন্স রিটেল-এর বোর্ড অফ ডিরেক্টরস-দের মধ্যে একজন | বিশ্বের ধনকুবের শিল্পপতিদের মধ্যে অন্যতম | মুম্বইয়ের ধীরুভাই ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে সহপাঠী ছিলেন আকাশ ও শ্লোক | দুজনেই বহু বছরের ঘনিষ্ঠ বন্ধু | 

পরবর্তীকালে প্রিন্সটন ইউনিভর্সিটি এবং লন্ডন স্কুল অফ ইকোনমিক্সের ছাত্রী শ্লোক বর্তমানে পারিবারিক সংস্থা ‘ রোজি ব্লু ডায়ামন্ডস‘-এর ডিরেক্টর | পাশাপাশি বিভিন্ন এনজিও-র সঙ্গে যুক্ত | মুকেশ ঘরনি নীতা জানিয়েছেন‚ শ্লোকের বয়্স যখন ৪ বছর‚ তখন থেকে উনি ওকে চেনেন | তাঁদের হৃদয়ে আগেই এসেছেন শ্লোক | এখন বাড়িতে আসার অপেক্ষা | 

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

Leave a Reply

pandit ravishankar

বিশ্বজন মোহিছে

রবিশঙ্কর আজীবন ভারতীয় মার্গসঙ্গীতের প্রতি থেকেছেন শ্রদ্ধাশীল। আর বারে বারে পাশ্চাত্যের উপযোগী করে তাকে পরিবেশন করেছেন। আবার জাপানি সঙ্গীতের সঙ্গে তাকে মিলিয়েও, দুই দেশের বাদ্যযন্ত্রের সম্মিলিত ব্যবহার করে নিরীক্ষা করেছেন। সারাক্ষণ, সব শুচিবায়ু ভেঙে, তিনি মেলানোর, মেশানোর, চেষ্টার, কৌতূহলের রাজ্যের বাসিন্দা হতে চেয়েছেন। এই প্রাণশক্তি আর প্রতিভার মিশ্রণেই, তিনি বিদেশের কাছে ভারতীয় মার্গসঙ্গীতের মুখ। আর ভারতের কাছে, পাশ্চাত্যের জৌলুসযুক্ত তারকা।