প্রতিবন্ধী কন্যার শখপূরণে বরফের প্রাসাদ তৈরি বাবার

প্রতিবন্ধী কন্যার শখপূরণে বরফের প্রাসাদ তৈরি বাবার

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

ওহাইয়োর সিনসিনাটি নিবাসী গ্রেগ ইখোরন নামে সেই ব্যক্তির ১৯ বছর বয়সী মেয়ে জাহারা। চলাফেরা করতে অক্ষম মেয়ে। ১৯ বছরের জাহারার অসুস্থতার জন্য, হুইল চেয়ারেই কাটে সারাটা দিন, ভবিষ্যতেও হয়তো কাটবে বহু বছর। শারীরিক ভাবে প্রতিবন্ধী বলে জীবনের আনন্দ থেকে তাঁকে বঞ্চিত করতে চান না তাঁর বাবা। মেয়ে জাহারার বহুদিনের সখ ছিল ইগলুতে যাওয়ার। তবে হুইল চেয়ার নিয়ে ইগলুতে প্রবেশ করা সম্ভব নয়। তাই মেয়ের আবদার রাখতে বিশাল বরফের একটি প্রাসাদ তৈরি করলেন তার বাবা। শুধু তাই নয়, তৈরি করলেন বিশেষ একটি হুইল চেয়ারও। যা সহযেই ঢুকে যাবে ইগলুতে। আর সেই বরফের প্রাসাদে এমন একটি দরজা বানিয়েছেন তিনি যা লম্বা ও প্রশস্ত এবং মেয়ের হুইল চেয়ারের প্রবেশের জন্য উপযুক্ত।

গ্রেগের এক বন্ধু ড্যানিয়েল থমাস রেডিট-এ জাহারা-র হুইলচেয়ার নিয়ে ইগলুতে প্রবেশ করার খুশির সেই মুহূর্তগুলি ক্যামেরাবন্দি করেন। এরপর সেই ছবিগুলি পোস্ট করেন সোশ্যাল মিডিয়াতে। অসামান্য সেই ছবিগুলি পোস্ট করা মাত্রই ভাইরাল হয়ে যায়। কেউ কেউ পোস্টে এমনও মন্তব্য করেছেন যে, সকল জাহারা যেন গ্রেগের মতোই বাবা-মা পায়।

সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, জাহারা-র বাবা গ্রেগ জানিয়েছেন, তিনি সত্যিই কল্পনাও করেননি যে তাঁর মেয়ের জন্য বানানো ইগলু সোশ্যাল মিডিয়াতে এত মানুষের কাছে পৌঁছে যাবে। আর এত মানুষ তা পছন্দ করবেন। তিনি বলেন, “আমি ভেবেছিলাম এটা অন্যরকম একটা বরফের দুর্গ হবে, আমি আমার বাকি সন্তানদের সাহায্য নিয়েই এটা করেছি। আর এটা তৈরি করতে গিয়ে বেশ উপভোগও করেছি।”

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

Leave a Reply

Handpulled_Rikshaw_of_Kolkata

আমি যে রিসকাওয়ালা

ব্যস্তসমস্ত রাস্তার মধ্যে দিয়ে কাটিয়ে কাটিয়ে হেলেদুলে যেতে আমার ভালই লাগে। ছাপড়া আর মুঙ্গের জেলার বহু ভূমিহীন কৃষকের রিকশায় আমার ছোটবেলা কেটেছে। যে ছোট বেলায় আনন্দ মিশে আছে, যে ছোট-বড় বেলায় ওদের কষ্ট মিশে আছে, যে বড় বেলায় ওদের অনুপস্থিতির যন্ত্রণা মিশে আছে। থাকবেও চির দিন।