‘পতি-পত্নী ঔর উও’….বলিউডে ত্রিকোণ প্রেমের ফাঁদে পড়েছেন কারা?

Bollywood Love Triangles

বলুন কারা নয়!? কিন্তু ‘বেশ করেছি পরকীয়া করেছি করবই তো’…বলতে পারার মতো বুকের পাটা ক’জনের আছে? তারপরেও পরকীয়া, বউকে বগলদাবা করে কাউন্টার পার্টে দ্বিতীয় প্রেম বা পার্টনারের সামনেই অন্যের দিকে ‘মদনবাণ’ ছোড়ার মতো কিস্যার যেন শেষ নেই। আর এই ধরনের ‘ফিশি’ গল্প আরব সাগরের নোনতা জলের ছোঁয়ায় আরও ‘নমকিন’। সাগর ছেঁচে সেরকমই কিছু ঝড় তোলা কেচ্ছা আজ আপনাদের দরবারে—-

সলমন-ঐশ্বর্য-অভিষেক: কলিযুগের পারফেক্ট কেষ্ট ঠাকুর আমাদের ‘ভাইজান’। তিনি তো তাই গোপিনী পরিবেষ্টিত থাকবেনই। কিন্তু তাঁদেরর ভিড়ে ‘রাধা’ একজনই। তিনি ঐশ্বর্য রাই বচ্চন। যদিও কলিযুগের কৃষ্ণ-রাধা সলমন-অ্যাশের প্রেম মোটেই নিকষিত হেম ছিল না। যেমন চুটিয়ে প্রেম করেছেন দু’জনে তেমনি সলমনের শারীরিক নির্যাতনে অনেকবারই নাকি ‘আহত’ হয়েছেন রাই সুন্দরী। শেষে শ্যাম রেখে কূল বাঁচিয়েছেন অভিষেক বচ্চনকে বিয়ে করে ‘বচ্চন বধূ’ হয়ে। তবু আজও দু’জনের যুগল মূর্তি যখন-তখন ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়ায়।

রণ-দীপ-বীর: একুশের সবচেয়ে সেনসেশনাল ট্রায়ো লাভ স্টোরি। অনেকের সঙ্গেই খুচরো প্পেম চালিয়েছেন দীপিকা পাড়ুকোন। কিন্তু রণবীর কপূরের মতো এত ভালো বোধহয় বাসেননি আর কাউকেই। তাই রণ যখন হাত ছেড়েছিলেন দীপস ডুবে গেছিলেন গভীর অবসাদে। তিনমাস ঘরবন্দি করে রেখেছিলেন নিজেকে। শেষে রণবীর সিং এসে সামলান তাঁকে। কিন্তু সিংহমশাইকে ‘হ্যাঁ’ বলতেও অনেকটা সময় নিয়েছিলেন পাড়ুকোন কন্যা। তাঁর সঙ্গে সাতপাক ঘুরলেও দীপ্পির ঘাড়ের কাছের ট্যাটুটা কিন্তু কপূরের জন্যই আজও রয়ে গেছে।

শাহিদ-করিনা-সইফ: একজন আরেকজনের জন্য আমিষ ছেড়েছিলেন। আরেকজন প্রতিদানে শরীর-সচেতন হয়েছিলেন। প্রথমজন করিনা কপূর। দ্বিতীয় জন শাহিদ কপূর। প্রেম নিয়ে দু’জনে কোনও ন্যাকামি করেননি। ‘ভেজা চুম্বন’ দৃশ্য ভাইরাল হলেও পরোয়া করেননি কেউই। এতোর পরেও জোড়ি কিন্তু টিকল না। শাহিদ শহীদ হলেন মীরা রাজপুতের কাছে। সইফ আলি খানকে বিয়ে করে করিনা হলেন ‘সইফিনা’। দু’জনেই সন্তানের মা-বাবা। কিন্তু আজও বেবোকে সইফের পাশে দেখলে নাকি চিনচিনে ‘ব্যথা’ জাগে শাহিদের বুকের বাঁ-দিকে!

মিঠুন-যোগিতা-শ্রীদেবী: আটের বলিউডের সত্যিই ঝোড়ো প্রেম কাহানি। যোগিতাবালীকে বিয়ের পরেও প্রেমে পড়েছিলেন বঙ্গ নায়ক মিঠুন চক্রবর্তী। দক্ষিণী সুন্দরী শ্রীদেবীর। তখন দু’জনেই দু’জনকে এতটাই চোখে হারাতেন যে, লুকিয়ে মন্দিরে বিয়েটাও সেরে নিয়েছিলেন। সেই খবর কানে যেতেই ছেলেদের নিয়ে বাবার বাড়িতে উঠেছিলেন যোগিতা। আত্মহত্যাও করতে গিয়েছিলেন। এই অঘটনে চৈতন্য ফেরে মিঠুনের। শ্রী-ও বুঝতে পারেন মিঠুন কোনোদিনই তাঁকে স্ত্রীর মর্যাদা দেবেন না। অতএব, মিলনের থেকে বিচ্ছেদই শ্রেয়।

Bollywood Love Trianglesজয়া-অমিত-রেখা: এই ‘সিলসিলা’ আদি-অনন্ত। এই সম্পর্ক যেন ‘শেষ হইয়াও হইল না শেষ’ গোছের। দুই সন্তানের বাবা হওয়ার পরেও অমিতাভ বচ্চন রেখার প্রেমে গলেছিলেন। ‘স্থূল’ রেখাকে নিজের হাতে গড়েপিটে ‘সরল’রেখায় পরিণত করেছিলেন। সেই ভালোবাসায় ভিজে রেখা ঋষি-নীতুর বিয়েতে সীমন্তিনী হয়ে এসেছিলেন। যা দেখে চোখের জলে ভিজেছিলেন জয়া। একসময় অমিত মদ ছেড়েছিলেন। জয়া মদ ধরেছিলেন সতীন কাঁটার জ্বালায় জ্বলতে জ্বলতে। জয়ার ভেজা চোখ বেপথু অমিতকে পথে ফিরিয়েছিল। কিন্তু জীবনভর অমিত-ধাঁধাঁয় ধেঁধেঁ ঘর-বর কিচ্ছু হল না ভানুরেখার। আজও অমিতের মঙ্গলকামনায় রেখার সিঁথি রাঙা। দু’জনের এই নীরব ভালোবাসা হার মানায় রূপকথাকেও।   

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here