আমাদের লিভারের ঠিক নীচে অবস্থান এই গলব্লাডার বা পিত্তথলির। আমাদের খাবার খাওয়ার পূর্বে গলব্লাডার বাইল বা পিত্তরসে পূর্ণ থাকে। খাবার খাওয়া শেষ হলে গলব্লাডার বা পিত্তথলিটি চুপসে যায়। অর্থাৎ পিত্তরস খাবারের সঙ্গে মিশে খাবার হজমে সাহায্য করে। চর্বি জাতীয় খাবার হজমে সাহায্য করে পিত্তরস। এই পিত্তরস সঠিকভাবে কাজ করতে না পারলে খাবার হজমে সমস্যা হয়। আর এই পিত্ততে লবনের পরিমাণ বেড়ে গেলে তৈরী হয় গলব্লাডারে পাথর বা স্টোন।

তাই গলব্লাডারে পাথর বা স্টোন জাতীয় সমস্যা হলে চর্বি জাতীয় খাবার যতোটা সম্ভব পরিহার করুন। প্রতিদিন নিয়মিত প্রায় দুই লিটার জল পান করুন, এতে দেহে সুষ্ঠুভাবে রক্ত চলাচল করবে, ফলে গলব্লাডার ও পিত্ত রসও কাজ করবে সঠিকভাবে।

যে কোনও প্রকার মাদকদ্রব্য, ধূমপান অতিরিক্ত ফাস্টফুড, তেল, মশলা দেহের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। তাই এসব বিষয়ে সচেতন হতে হবে। প্রচুর পরিমানে উচ্ছে, করলা এবং শাক-সব্জি খান। ফাইবার যুক্ত খাবার এই সমস্যার জন্য ভীষণ ভাবে উপকারী। এছাড়া টমেটো, বেল পেপার, টাটকা মাছ, বিনস, মটরশুটি, বাদাম ডায়েটে রাখতে ভুলবেন না।

প্রতিদিন একটি করে ফল খান। খাবারের তালিকায় মৌসুমী ফল অবশ্যই রাখুন। গলব্লাডারে পাথর বা স্টোনের সমস্যা থাকলে যে কোনও হরমোনের ওষুধ চিকিৎসকের পরামর্শ ব্যতীত খাবেন না।

Banglalive-8
আরও পড়ুন:  শাহরুখ খান অভিনীত এই বিখ্যাত ছবিগুলো আগে অফার করা হয়েছিল সলমন খানকে !

NO COMMENTS