আমার আকাশ দেখা ঘুড়ি

আমার আকাশ দেখা ঘুড়ি

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

ঘুড়িটা কাটলো ঠিক সঞ্জুদের বাড়ির ছাদের কোণাকুণি করে যে নারকোল গাছটা , ওর মাথার ওপরে । গোঁত্তা খেতে খেতে উত্তুরে হাওয়ায় সো-ও-ও-জা কেটে  আসছে টুকটুকিদের কারখানার ওপর  । আমি আর সত্য  ছুটছি পাগলের মত জোর, চোখটা আটকে আছে ঠায় আকাশে । ছাইগাদা পেরিয়ে ডোনাদের ভাঙ্গা পাঁচিল এর ওপর দিয়ে দিলাম এক প্রকান্ড লাফ,  ডানদিক ঘেঁষে টুকটুকিদের কলপাড় দিয়ে দে ছুট , দড়িতে মেলা জামাকাপড় গুলো  হ্যাঁচকা টানে গেল, থাকলো না পড়ল কে জানে , আর একটা মোড় ঘুরলেই তো পেয়ারাগাছটা আর তার গায়ে হেলান দেওয়া কচি বাঁশের লগি । ঘুড়িটা পড়ছেই , গোঁত খেতে খেতে প্রায় চলে এসেছে স্টীম ঘরের মাথায়, শেওলা  ধরা সিঁড়িটা ধরে উঠতে গিয়ে দিলাম এক লাথি, রাঙাদিদা বড়ি দিয়েছিল  শুকোতে, সাদা কাপড়ে দেওয়া ডালের গোল গোল বড়িগুলো এখন সোজা পেয়ারা গাছের  গোড়ায় , নীচে থেকে রাঙাদিদার চিল চিৎকার ভেসে এলো, ” গেল, গেল সব , এত্ত কষ্ট করে বড়িগুলো শুকুতে দিলাম, এই সব শেয়াল কুকুরদের জ্বালায় ..” ওঁর কথা শেষ হতে না হতেই ছাদের ওপর পৌঁছে গেছি ততক্ষণে , জলের ট্যাঙ্কের ওপর থেকে আঁকশি দিলাম লড়িয়ে , সত্য পেটকাটি লাল সাদার সুতোটা জড়িয়েছে  মোক্ষম , আর এট্টু প্যাঁচ খাটাতেই বিজয় উল্লাস, ঘুড়ি আমার কোলে । “ভো-কা-ট-টা-” কাত্তিকরা জোর চেল্লাছে ও বাড়ির ছাদ থেকে আর তার চেয়েও বেশি চিল্লিয়ে জ্যাঠামশাই সপাটে ছাদের দিকের জানলাটা খুলে ডাক দিচ্ছেন…. ” সোই-ত্য-ও-ও -ও-ও ” । ব্যাস । সত্যের মুখ শুকিয়ে আমশি । দুদ্দার নামতে  গিয়ে আলসের ইঁট খুলে পড়বি পড়,  সিধা নিচে । দু মাস পায়ে ব্যান্ডেজ বেঁধে নিশ্চিন্ত ।

সেবার ঐভাবে পড়ে পা ভাঙ্গলো বলে বাবা ভোলাদাকে একেবারে কড়কে দিয়ে বলেছিল, তুই আর কক্ষনো ওদের সঙ্গে তাল দিবি না । ভোলাদা, বাবার কারখানার সর্বেসর্বা, বাবার ডান হাত । ছ ফুট দু ইঞ্চি চেহারার তাল ঢ্যাঙ্গা লোক, তার ওপরে যেমন  রোগা , তেমন ফর্সা । ভোলাদার মুখে গর্ত গর্ত বসন্তের দাগ । অবিকল বিশ্বকর্মা বা কাত্তিক ঠাকুরের মত বাবরি চুল ঝামরে কপাল বেয়ে পরছে । কথায় কথায় কান এঁটো করা হাসিখান যা হাসতো, অনায়াসে খানচারেক মাছি ওর মুখে ঢুকে ঘুরে বেরিয়ে আসতে পারত । ঐরকম সবজান্তা কাজের লোক আমি আমার জীবনে আর দুটি দেখিনি । মাছ ধরার চার বানানো থেকে, উড়ন তুবড়ির মশলা , সরস্বতী পুজোয় রাত জেগে পাটকাঠির প্যান্ডেল থেকে বিশ্বকর্মা পুজোয় ঘুড়ির মাঞ্জা স-ও-ব পারত ভোলাদা । আমাদের কারখানার কাপড় শুকোনোর মাঠে এ মাথা থেকে ও মাথা সুতোর পাক পড়ত, হাজার সুতোর মাঞ্জা দেওয়া হত রাত জেগে । ভোলাদা কোথা থেকে যে সব জোগাড় করে আনতো এক্কেবারে যেমনটি চাই তেমনটি, সে কথা ভাবলে আজও খুব আশ্চর্য লাগে । টিউব লাইট ভাঙ্গা কাঁচ , জবাফুলের  পাতা , বড় দানার সাবু , গঁদের আঠার তলানি আর গুঁড়ো রং , এই ছিল মাঞ্জার প্রধান উপকরণ । আরো একটা জিনিস লাগত, সেটা শেয়ালের ইয়ে , মানে পটি আর কি। যদিও সেটা চোখে দেখিনি কখনো। শুনেছি ওটা দিলে নাকি মাঞ্জার ধার বাড়ে দিব্য।  হামানদিস্তায় গুঁড়ো করে, মিহি করে মিশিয়ে , সমস্ত কিছু চেলে, ঘন লেই এর মত আঠা যখন রেডি, তখন ভোলাদার মাঞ্জা দেওয়া হলো শুরু । মাঠে আলো জ্বালিয়ে একদিকে কারখানা ঘরে বিশ্বকর্মা ঠাকুর এসে বসে পড়লেন আগের দিন রাতে ইঁটের  বেদির ওপরে, আরেকদিকে মাঠ জুড়ে চললো আমাদের  মাঞ্জা দেওয়া । যদিও আসলি ঠাকুর বলতে আমাদের কাছে তো ছিল ওই ভোলাদাই । মাটির ঠাকুর এর হাতে যতই ঘুড়ি, লাটাই ঝোলাও না কেন, ওরম ফরফর করে বিনা হাওয়ায় ঘুড়ি বাড়তে ভোলাদার জুড়িদার আমি তো  কাউকে দেখিনি ।  আমি, হাবুল, সত্য তো ছিলামই, জানি না হয় তো টুকটুকিও ভোলাদার ভক্ত হয়ে উঠেছিল পরের দিকে ।

আমার জীবনে ঠিক যে কয়েকটা কাজ শিখে উঠতে পারলাম না ভেবে আমার যারপরনাই আফসোস হয় আর নিজের প্রতি অসম্ভব রাগও হয় , তার মধ্যে ওই ঘুড়ি ওড়ানোটা অন্যতম । ভোলাদার শাগরেদ হয়েও , ঘুড়িতে কল খাটানো , ধরাই দেওয়া আর কাগজ ছিঁড়ে গেলে  এক ছুটে রান্নাঘর থেকে খানিকটা নরম ভাত নিয়ে এসে , মিহি করে আঠার মত লাগিয়ে মামুলি মেরামতি, এই অব্দি ছিল আমার দৌড় ।  বরং ছুটকি , আমার বোন, আমার থেকে পাঁচ বছর এর ছোট হয়েও, অনেকটা শিখে গেছিল ওড়ানোর বেসিক প্যাঁচ পয়জার । আর মাথায় মাথায় তুতো দাদা ভাইরা প্রায় সকলেই কেমন কেমন করে ফরফরিয়ে আকাশে বাড়তে শিখে গেল, কিন্তু আমার দ্বারা আকাশে ওড়াটি আর  হলো না , মাটিতেই পরে রইলাম । খুব মনে পরত তখন সদ্য সদ্য ক্লাসের টেক্সট বইতে পরা কর্ণ কুন্তি সংবাদের ওই লাইনগুলো, ওই যে ,’আমি রব নিষ্ফলের, হতাশের দলে’ । বেচারা ভাগ্যাহত কর্নর সাথে নিজের এই মাটি আঁকড়ে পরে থাকাটা একইরকম মনে হত ।

নিজের প্রতি এই ঘোর অনাস্থাটা খুব একটা বদলাতো না, যদি না টুকটুকিরা আমাদের পাশের বাড়ি আসতো। বিলাসপুরে ওদের বেশ বড়সড় সিল্কের শাড়ির কারখানা ছিল,শুনেছি । ওর বাবা, রাজেনকাকু , ভারী আমুদে মানুষ । আমাদের পাশের হাবুলদের বাড়িতে ভাড়া এলো ওদের পরিবার , কোনো এক বর্ষার সকালে । এক গাড়ি, মালপত্তর নিয়ে ট্রাক রয়েছে দাঁড়িয়ে, আর সবার আগে আগে দুই বিনুনি করা একটি অত্যন্ত পাকা মেয়ে মালপত্রের খবরদারি করছে, বকেঝকে জিনিস পত্তর বাড়িতে ঢোকাচ্ছে, এ জিনিস আমাদের মফস্বলে রোজ রোজ দেখা যেত না । টুকটুকিকে লুকিয়ে লুকিয়ে দেখতাম আমরা  প্রায়  সক্কলে , হাবুল, সত্য  আর আমি । গমের মত উজ্জ্বল ঝকঝকে একটা লম্বাপানা মুখ, চোখগুলো পুরো মা দুগ্গা । ঐরম টানাটানা আর হাসি হাসি চোখে খুব একটা ‘ তোমাকে ধরে ফেলেছি, বুঝে ফেলেছি’ গোছের বুদ্ধিদীপ্ত হাসি , দেখলে বুকের বাঁ দিকটা কেরম যেন চিনচিন করে উঠত । হাবুল বলতো ওকে সাইড থেকে নাকি পু-রো দেবশ্রী রায় এর মত লাগে । সত্যিই লাগে , আমারও মনে হয় । টুকটুকির মা মারা গেছিলেন ছোট বেলায়, ওর ঠাকুমা, বাবা আর দুজন রান্নার, কাজের লোক এই নিয়ে ওদের হঠাৎ করে আমাদের মুক্তারাম বাবু স্ট্রিটের এই এক চিলতে পৃথিবীতে এসে পড়া ।

আর তারপর যেমন সব গল্পে হয়, যেমন সব সিনেমায় হয়, টুকটুকির প্রেমে হুরমুড়িয়ে পরেছিলাম আমি । পড়তে সময় লেগেছিল ঠিক হপ্তাতিনেক ।গীতাদির কাছে একসাথে পড়তে যেতাম বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস । চর্যাপদের জটিল পদ- টদ তেমন বুঝতাম না ,কিন্তু পূর্বরাগ কাকে বলে, বুঝেছিলাম হাড়ে হাড়ে । মানে, ওই রাধার কিভাবে অন্তরে ব্যথা-ট্যথা হইলো, কিভাবে সারিলো, সেসবের মাখো মাখো বিবরণ । বাংলা খাতার পিছনের ব্রাউন পেপারের ভাঁজে  লাল কালি দিয়ে লিখে প্রথমবার চিঠি পাচার করে দিলাম, জয় মা কালী বলে । ওরকম মোমের মত গা ,ওরকম ভালবাসা ভালবাসা মুখ করে যে মেয়ে চুলে লাল গার্ডার লাগিয়ে দু বেণী ঝুলিয়ে ,সাইকেল নিয়েও রোজ হেঁটে যায় টিউশন থেকে বাড়ি ফেরার পথে শুধুমাত্র আমার সাথে যাবে বলে, তার প্রেমে পরবো না , এমনটা হয় নাকি ? সত্য, হাবুল কম চেষ্টা করেছিল ? কিন্তু করলে কি হবে , টুকটুকি অন্য কারোর নয়, সে বিশ্বাস পকেট ভর্তি ক্যাবলামোর সাথেও দিব্যি টিকটিক করে বেঁচে ছিল, আমার মনের গভীর একটা কোনে ।

একটা খুব দুঃখের কারণ ঘটেছিল, ওঁরা আসার পর , সেটা হলো ভোলাদা বাবার কাজ ছেড়ে টুকটুকির বাবার কাছে কাজে লেগে গেল । ভোলাদা প্রায় চোদ্দ বছর থেকে আমাদের বাড়িতে মানুষ । সেবার দুম করে বাবার সাথে কথা কাটাকাটি হয়ে, দিল কাজ ছেড়ে । টুকটুকির বাবা কারখানা ভাড়া করেছিল রেলপাড়ের ওধারে । রুমাল,  ওড়না, ছোটদের জামার কাটপিস, এ সমস্ত ছাপার ব্যবসা । দিব্যি কাজ হচ্ছিল । বাবা খুব দুঃখ পেয়েছিলেন ভোলাদা চলে যাওয়ায়, আমিও ! হাজার হোক, আমার সব বদমায়েশির পার্টনার, কিন্তু আবার এও মনে হচ্ছিল, টুকটুকিরাও যেন ভালো কাজ পায় । আমার বাবার কারখানা যদিও ওঁদের থেকে অনেকটাই বড় , তবুও আমি মনে মনে খুউব চাইতাম, ওদের ভালো হোক। সেবার বিশ্বকর্মা পুজো , এত কিছুর পরেও ভোলাদা আগেরদিন রাতেই ঠিক এসে বাবার চোখ এড়িয়ে একগাদা নারকোল বাগান থেকে পেড়ে, ছাড়িয়ে রেখে গেল । আগেও যা যা করত সেই সব করে গেল । আমার জন্যে হাজার সুতোর মাঞ্জা, ঘুড়ি বাছাই ,লাটাই কেনা, ঠাকুরের বেদী বানানো, সব, স-ও-ব । মা জিজ্ঞাসা করলেই সেই কান এঁটো করা হাসি হেসে চলে যেত, আসলে বাবার প্রতি ভালবাসা ওর কোনো দিনই যায়নি । সব ভালবাসা কি আর মুখে বলা যায় ! যেমন টুকটুকির প্রতি আমার। ওকে চিঠি একটা লিখেছিলাম ঠিকই , কিন্তু মুখোমুখি হলেই মুখে কুলুপ ! সাহস করে তার বেশি কিছু বলে উঠতে পারিনি কোনদিন ।

টুকটুকি এখন কোথায় আছে জানি না । হয়ত ভরা সংসার, হয়তো বা  চাকরি বাকরি করছে …কে জানে । কিন্তু বিশ্বকর্মা পুজো এলেই সেদিনের সকালটা এই এখনো , প্রায় চল্লিশের কোঠায় পৌঁছনো আমার , ঠিক  ছবির মতন মনে পড়ে । কোবাল্ট ব্লু রঙের আকাশ । রোদ উঠেছে মারকাটারি । আকাশে পত্পত করে উড়ছে লাল, সবুজ, কমলা, চাঁদিয়াল, মোমবাতি, বেগমবাহার আর ময়ুরপংখী। চার চৌকো খুশিয়াল কাগজের ঘুড়িগুলো, সুতোয় ভর দিয়ে উড়ে যাচ্ছে দূর থেকে আরও দুরে, আকাশের অহংকার ভেঙ্গে  এক একটা  আধুলি থেকে সিকির মত হয়ে যাচ্ছে একটা একটা করে আকাশের বুকে। আমাদের কারখানা পাড়ার মন্ডপ, মন্ডপ থেকে ভেসে আসছে মাইকের গান, আশা ভোঁসলে গাইছেন, ‘মহুয়ায় জমেছে আজ মৌ গো…’ । একটু পর পর শাঁখের আওয়াজ, ঘন্টা ধ্বনির সাথে পাল্লা দিয়ে ভেসে আসছে, এ ছাদ, ও ছাদ থেকে সন্মিলিত চেল্লানি… “ভো-কাট-টা-টা”। আমাদের ছাদের চিলেকোঠায় পটাপট কল খাটাচ্ছি আমি । জলটুঙ্গির ওপরে দাঁড়িয়ে কালো রঙের মুখপোড়াটার সাথে জোর প্যাঁচ খেলছে বড়দা আর নতুন পিসেমশাই । ছুটকিও দৌড়চ্ছে গলা ফাটিয়ে । টুকটুকি উঠে এলো সিঁড়ি দিয়ে । আজ শাড়ি পরেছে ও । বোধহয় ওর মায়ের শাড়ি । সবুজ রঙের জরিপাড় তাঁত । কপালের মাঝখানে আবার মেরুন রঙের ছোট একটা  টিপ । আমি কেমন হতবুদ্ধি ক্যাবলার মত ওর দিকে তাকিয়েই আছি ।  হাতে একটা কাঠের বারকোষে ডুমো ডুমো করে কাটা পুজোর ফল, প্রসাদ, কাগজের প্লেটে সাজানো ।  কেমন অদ্ভূত মিষ্টি একটা ফল- ফল গন্ধ বেরোচ্ছে ওর গা দিয়ে । অনেকটা পাকা কলার মত, নাকি ধুপের গন্ধ , কে জানে, হয়ত বা সেন্টই মেখেছে কোনো ! কিন্তু গন্ধটা খুব যেন চেনা । আমার হাতে প্রসাদের থালাটা ধরিয়ে দিয়ে বলল, ঠাকুমা পাঠিয়ে দিয়েছে, খেয়ে নিও । একবার ছাদের দিকে তাকিয়ে বলল , ঘুড়ি উড়াচ্ছ না ? অবশ্য ,তুমি তো ওটাও পারো না, কি বোকা রে বাবা । লজ্জায় চোখ নিচু করে কল খাটাতে লাগলাম । কয়েক সেকেন্ড পরেই চোখ না তুলেও বুঝতে পারলাম সবুজ শাড়ির শরীর আমার খুব কাছে । লক্ষ্য করলাম, আমার হাত , পা যেন আর চলছে না । কোন বাঁশিওয়ালার মৌ মৌ গন্ধে মাতাল  বাঁশির সামনে আমি তখন বিষহীন সাপের মত অবশ। সমস্ত শরীর যেন ঝিমঝিম করছে। টুকটুকি কানের কাছে ঠোঁট রেখে সেদিন বলেছিল…”.তোমার দ্বারা কিস্যু হবে না , তাও এই তোমাকেই আমি ভালোবাসি , বুঝলে হাঁদারাম !” ওর ঠোঁট সেই প্রথমদিন আমার ঠোঁট ছুঁয়েছিল। সিঁড়ির জানলা দিয়ে আড়চোখে দেখছিলাম নিচের উঠোনের প্যান্ডেলে, বাবা বিশ্বকর্মা  একদৃষ্টে তাকিয়ে আছেন আমার দিকে, মুচকি একটা হাসি নিয়ে । বাবা, ও বাবা বিশ্বকর্মা , এই তোমার  গা ছুঁয়ে বলছি । মা কালির দিব্যি বলছি । অন গড বলছি । বিশ্বাস করো , আমি কিন্তু জেনেশুনে পাপ করিনি ।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

6 Responses

  1. Lekha ta bes hoyche…amer nijer ghuri orate para ba na parar chobi gulo mone pore jachhe…ekhanei to lekhaker sarthokota…Khub chesta te achi…ekdin tomer lekha boi thik
    berobe dekhe neo…

  2. Mone pore jachhe chobi gulo…chotobela gulo bodhoy eki chilo..ghuri orate na pare amer ek kakar help nowa…tar nam chilo nantu..oi mofoswale kakader jerakm nam hoy r ki…tobe se samay amer absyo kono tuktuki chilo na ghuri orano dekher jannyo…aj kal kar chelder ki manja dowa sutote hat kete jei?? Tip dhore ku? Ekhan to aaber sab kichui kinte powa jei..manja dowa suto powa jei latai samet..kintu sei uttejona ta to kono dokan bikri kore na…manja dowar samay ebong pore jeta hoto..jotokhan na ghuri urea antoto ekta vokatta kore ter dhar porikha na hoto..se to pas kora to final exame pass korer cheye kam kichu chilo na…jak ge smriti ro chobi tene nea asche..lekhaker sarthokota to ekhanei…chalu thskuk kalam…r ami eta jani er boi ekdin berobei…thik berobe…ami jani

  3. পাপ কেন করবেন? প্রশ্নই ওঠে না!
    হাঁদারামরাই চিরকাল ভালোবাসা, চুমু-টুমু পেয়ে থাকে। যদিও নেপো অন্য কেউ হয়।
    আজ তো বিশ্বকর্মা পুজো। গত রাতে পাড়ায় ‘বিশ্বকর্মা মাইকি জয়’ বলে ঠাকুর ঢুকল। আজ অনেক ঘুড়িও উড়বে নিশ্চয়। তবে সত্যি মন কেমন করে, এখন আর মাইকে মহুয়ায় জমেছে আজ মৌ গো বাজে না।
    আর, মুক্তারাম বাবু স্ট্রিটে আপনাদের দৌড়টা চাক্ষুষ করলাম।

  4. Ghuri orano sekha a jibone r holo na!! Tobe sobar jibonei bodh hoy erokom bholada ra thaken… Tarpor hothath konodin hariyeo jaye..!!

  5. jiboner onekgulo diker bho-katta ba phire asar upolobdhi pelam. pujor chena gondhotao. mil o peyechhi nijer sathe… sedin porte parini computer e net babajibon gondogol korchhilo bole. sokal ta bhalo hoye gelo. bhalo likhechho…

  6. টুকটুকি ভোকাট্টা হলেও এ লেখা কোনদিন ভোকাট্টা হবেনা…অনেক কাছের হয়ে রইল…

    শেষটাও তুমুল মানে “জিয়ো” বলে চেঁচাতেই হলো…

Leave a Reply

Handpulled_Rikshaw_of_Kolkata

আমি যে রিসকাওয়ালা

ব্যস্তসমস্ত রাস্তার মধ্যে দিয়ে কাটিয়ে কাটিয়ে হেলেদুলে যেতে আমার ভালই লাগে। ছাপড়া আর মুঙ্গের জেলার বহু ভূমিহীন কৃষকের রিকশায় আমার ছোটবেলা কেটেছে। যে ছোট বেলায় আনন্দ মিশে আছে, যে ছোট-বড় বেলায় ওদের কষ্ট মিশে আছে, যে বড় বেলায় ওদের অনুপস্থিতির যন্ত্রণা মিশে আছে। থাকবেও চির দিন।