যাকে বলবে তাকেই আক্রমণ করবে পাখি ! পোষ্যকে শেখাচ্ছে তার খুদে মালকিন

ক’দিন আগেই দেখা মিলেছিল ‘গুপ্তচর’ তিমির। এবার ইন্টারনেটে ঝড় তুলেছে এক পাখি। পাখিটি তার মালিকের এমনই অনুগত, মালিক যেদিকে নির্দেশ দেবে সেদিকেই ঝাঁপিয়ে পড়তে এক মুহূর্তও দেরি করবে না সে। ভিডিও দেখে চমকে উঠেছেন নেটিজেনরা।

পাখির মালিক এক খুদে কন্যে। গত বুধবার, ১ মে ‘লর্ড ফ্লোকো’ নামের একজন টুইটারে ভিডিওটি আপলোড করে লেখেন— ‘আমার ভাগ্নি তার পাখিটাকে এমন প্রশিক্ষণ দিয়েছে যে, সে যার দিকে তাকিয়ে চেঁচিয়ে উঠবে পাখিটা তার উপরেই ঝাঁপিয়ে পড়বে।’

ভিডিওটি কয়েক সেকেন্ডের। বাচ্চা মেয়েটি ক্যামেরার চেঁচিয়ে উঠতেই পাখিটি কিচ্ছু না ভেবে ডানা ঝাপটে তীব্র বেগে সেই দিকে উড়ে গেল। ক্যামেরার উপরে পাখিটি ঝাঁপিয়ে পড়তেই ভিডিওটি শেষ হয়ে যায়। এখনও পর্য‌ন্ত ভিডিওটি দেখে ফেলেছেন প্রায় ২ কোটি মানুষ! শেয়ার করেছেন অনেকেই। ইন্টারনেটে ‘ভাইরাল’ হয়ে গিয়েছে খুদে কন্যে ও তার ন্যাওটা পাখির কাণ্ড।

https://www.youtube.com/watch?v=K8ZaViPNBS8

প্রসঙ্গত, পশুপাখিদের প্রশিক্ষণ দিয়ে তাদের নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করার প্রবণতা বারবার লক্ষ করা গিয়েছে। ক’দিন আগেই সামনে এসেছিল ‘গুপ্তচর’ তিমির খবর। রাশিয়ার মুরমানস্ক থেকে ৪১৫ কিলোমিটার দূরে ইনগোয়া দ্বীপের কাছে নরওয়ের মৎস্যজীবীদের দু’টি নৌকোর কাছে দেখা মিলেছিল আঠেরো ফুট লম্বা একটি তিমি। তিমিটির দেহে বাঁধা ছিল ভিডিও ক্যামেরা ও আরও বৈদ্যুতিন সরঞ্জাম। বিশেষজ্ঞদের ধারণা হয়েছিল রুশ নৌবাহিনী ওই তিমিটিকে প্রশিক্ষণ দিয়েছে।

কেবল ‘গুপ্তচর-বৃত্তি’ করানোই নয়, আক্রমণ করার কাজেও ‘না-মানুষ’দের ব্যবহার বিরল কিছু নয়। ড্রোন-শিকারী ঈগলের খবর মিলেছিল বছর কয়েক আগেই। শত্রুপক্ষ ড্রোন দিয়ে হামলা চালালে তার মোকাবিলা করার জন্য ওই ঈগল বাহিনী গড়ার পরিকল্পনা করা হয়েছিল ফ্রান্সে।

পাখির হিংস্রতাকে ব্যবহার করার সেই প্রবণতাই যেন ফিরে এল ছোট্ট মেয়েটির ভিডিওটিতে। খুদে কন্যের প্রশিক্ষণ দেওয়ার ক্ষমতায় বিস্মিত সকলে। কেউ কেউ তাকে ‘জিনিয়াস’ও আখ্যা দিচ্ছেন। এমন ভিডিও যে নিমেষে ‘ভাইরাল’ হবে তাতে আর আশ্চর্য কী!

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

Please share your feedback

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কফি হাউসের আড্ডায় গানের চর্চা discussing music over coffee at coffee house

যদি বলো গান

ডোভার লেন মিউজিক কনফারেন্স-এ সারা রাত ক্লাসিক্যাল বাজনা বা গান শোনা ছিল শিক্ষিত ও রুচিমানের অভিজ্ঞান। বাড়িতে আনকোরা কেউ এলে দু-চার জন ওস্তাদজির নাম করে ফেলতে পারলে, অন্য পক্ষের চোখে অপার সম্ভ্রম। শিক্ষিত হওয়ার একটা লক্ষণ ছিল ক্লাসিক্যাল সংগীতের সঙ্গে একটা বন্ধুতা পাতানো।