দিল্লির টিনা দাবি ও কাশ্মীর অনন্তনাগের আতহার খান । একজন আইএএসে প্রথম স্থানাধিকারী, আরেকজন দ্বিতীয় । দিল্লিতে ট্রেনিং চলাকালীন পরিচয় ।পরিচয়,বন্ধুত্ব থেকে ক্রমে ভাললাগা, একে অপরের কাছে আসা । 

Banglalive

সামাজিক বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার সিদ্ধান্ত নিতেই ধেয়ে এল হাজারো কটাক্ষ । হিন্দু মুসলিমের বিয়ে । তবে সাম্প্রদায়িক বিভেদের বেড়া টপকে সব কটূক্তি উড়িয়ে দিয়ে সদ্য চার হাত এক হয়েছে । শনিবার সেই বিবাহাচার পর্বেরই মধুরেণ সমাপয়েৎ ঘটল । দেশের কাছে দৃষ্টান্ত হয়ে শুরু হল সামাজিক ভাবে একসঙ্গে পথচলা । মেরুন লেহঙ্গা‚ গয়নায় ঝলমল করছিলেন টিনা | আতহারের পরনে ছিল সোনালি শেরওয়ানি | দুঁদে অফিসারের খোলস ছেড়ে দুজনেই সলাজ নব দম্পতি |

কর্মসূত্রে দুজনেই রাজস্থান ক্যাডারে পোস্টিং ।  সেখানেই জয়পুরে পরিবার পরিজনের মাঝে বিয়ে সম্পন্ন হয় । ৭ এপ্রিল কাশ্মীরের পহেলগাঁওতে বিবাহ অনুষ্ঠান শুরু হয় ।শনিবার সেন্ট্রাল দিল্লির অশোক রোডে গ্রান্ড রিসেপশনের আয়োজন ছিল । সেখানে হাজির ছিলেন উপরাষ্ট্রপতি বেঙ্কাইয়া নাইডু, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ, স্পিকার সুমিত্রা মহাজন-সহ একাধিক রাজনীতিক । নবদম্পতিকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী । তাঁর মতে,বর্তমানে অসহিষ্ণুতার মাঝে দেশবাসীর কাছে আদর্শ হয়ে ওঠেছে এই দম্পতি।

দিল্লির মেয়ে টিনা লেডি শ্রীরাম কলেজের ছাত্রী ছিলেন ।২০১৫ সালের সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় প্রথম হন । দলিত সম্প্রদায়ভুক্ত টিনার আইএএসে উত্তীর্ণ হওয়া নতুন করে স্বপ্ন দেখতে শেখায় ।  পাশাপাশি, কাশ্মীরের আতহার খান, দ্বিতীয় প্রচেষ্টায় আইএএসে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন । জাতি ধর্মের উর্দ্ধে গিয়ে দুজনের একসঙ্গে পথচলার সিদ্ধান্ত এবার স্বপ্ন দেখতে শেখাক গোটা দেশকে ।

আরও পড়ুন:  হাঙরকে খাওয়াতে গিয়ে শেষে নিজেই হাঙরের খাদ্য হয়ে যাচ্ছিলেন এক তরুণী

NO COMMENTS