ফুটবল বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতার স্মারক সোনার বুট নয়, বরং পায়ে গলানোর সত্যিকারের সোনার বুট । এখানেই শেষ নয়, আছে মণিমুক্তো খচিত সোনার টাই । এই ছবিই ছড়িয়ে পড়েছে সোস্যাল মিডিয়ায় ।

Banglalive

লাহোরের বিখ্যাত ব্যবসায়ী সলমন শাহিদ । সদ্য বিয়ে করেছেন । বিয়েতে মেয়েদের সোনায় মুড়ে দেবার চল বহুদিনের। মেয়ে বা বৌকে দেওয়া সোনার পরিমানেই বোঝা যায় বিত্তের বহর । সবসময় নজর কেড়ে থাকেন বৌয়েরাই । তবে সেই ট্র্যাডিশন ভেঙে অন্যরকম কিছু চেয়েছিলেন শাহিদ । রিসেপশন বা ওয়ালিমাতে নিজেই পরে এলেন প্রায় ৬৩ হাজার টাকা মূল্যের সোনা ও রত্নখচিত স্যুট । তাতে ক্রিস্টাল বসাতে খরচ পড়েছে ১৬ হাজার টাকা | সঙ্গে মানানসই সোনার টাই  ও ১৭ লাখের সোনার জুতো ।

ব্যস ! সবার চোখ আটকে বরের দিকেই ।

জানা গেছে, ৩২০ গ্রাম সোনায় তৈরি বুটটির মূল্য পাকিস্তানি মুদ্রায় প্রায় ১৭ লক্ষ, জুতো সহ মোট পোশাকের মূল্য ২৫ লক্ষ টাকা ।
সাধারণত বিবাহ উৎসবে কনেকেই বেশি সোনার গয়না পরানো হয়, বরের অঙ্গে সোনা বলতে গলার হার, আঙটি বোতাম বা ব্রেসলেটেই সীমাবদ্ধ । এত দামী ও অভিনব পোশাকের কারণ জিজ্ঞাসা করায় বর বাবাজির উত্তর, তিনি সবসময় সোনার জুতো পরতে চাইতেন । অন্যরা সোনার মুকুট বা হার পরেন । কিন্তু তিনি ধনসম্পত্তিকে পায়ের ময়লা মনে করেন । তাই সোনার জুতো পরার মাধ্যমে সোনাকে পায়েই রেখে দিতে চান ।

শাহিদের বক্তব্য-সমেত ছবিই ক্রমে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায় । সোনাকে ভারতে ধনলক্ষ্মী বা স্ত্রী ধন বা শুভ সম্পদ হিসেবে দেখা হয় । অন্যান্য দেশে সম্পদ হিসেবে রক্ষা করা হয় । সোনার হিসেবে দেশের অবস্থার পরিমাপ করা হয়। সেখানে সোনার প্রতি ব্যবসায়ীর এই দৃষ্টিভঙ্গি ! অগত্যা ট্রোল করতে ছাড়ে কোন জনা ! সরবও হন বহু মানুষ । 

আরও পড়ুন:  ১০ হাজার কোটি টাকার সম্পত্তি, সীমাহীন জমি জিরেত ! ৭৭ তম জন্মদিনের পরেই ধর্ষক সাব্যস্ত আশারাম বাপু

তবে ভারতীয় বিবাহ রীতিতে বরের জুতো চুরির প্রচলন বহুদিনের । ছবি দেখে অনেকের মনে সেই কথা উঁকি দিয়েছে বলাই বাহুল্য। 

NO COMMENTS